শিল্পকলা একাডেমি
কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলার বড় আয়োজন
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আগামীকাল ২৫ বৈশাখ (৮ মে)। এ উপলক্ষে চার দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
আগামী ২৫ থেকে ২৮ বৈশাখ, অর্থাৎ ৮ থেকে ১১ মে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ৪ দিনব্যাপী ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে শিল্পকলা একাডেমি।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এদিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।
প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক এবং কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশণ করা হবে।
দ্বিতীয় দিন (৯ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।
এ দিনের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সংগীত, গানের সঙ্গে নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশিত হবে।
আয়োজনের তৃতীয় দিন (১০ মে) বিকেল ৫টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব কানিজ মওলা। এদিন স্বাগত বক্তব্য রাখবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
তৃতীয় দিন বিকেল সাড়ে ৫টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে এবং বিকেল ৫টায় জাতীয় চিত্রশালা ভবনের গ্যালারি-২-এ চারুকলা বিভাগের আয়োজনে ‘রবির চিত্র চিত্রে রবী’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হবে। প্রদর্শনী চলবে আগামী ২৩ মে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
আগামী ১১ মে অনুষ্ঠানের সমাপনী দিন সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং স্বাগত বক্তব্য দেবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। আলোচনা শেষে নাট্যদল প্রাচ্যনাট মঞ্চস্থ করবে নাটক ‘অচলায়তন’। নাটকটির নির্দেশনায় থাকবেন আজাদ আবুল কালাম।
এছাড়া দেশের সকল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কবিগুরুর স্মরণে আলোচনা ও তার সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নানা অনুষ্ঠানমালা পরিবেশিত হবে। সকল আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে শিল্পকলা একাডেমি।
১০ দিন আগে
বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির
দেশের সকল সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীর প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বা পহেলা বৈশাখ বণার্ঢ্য আয়োজনে বিপুল জনসম্পৃক্ততায় উদযাপন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ঢাকার চীনা দূতাবাসের কারিগরি সহায়তায় ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহেযোগিতায় পহেলা বৈশাখে অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে নগরবাসীর জন্য আয়োজন করা হয় ‘ড্রোন শো’ ও ‘কনসার্ট’।
সোমবার (১৪ এপ্রিল ) বিকাল ৩টায় মানিক মিয়া এভিনিউতে কনসার্ট আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ প্রতিনিধিরা।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব মো. মফিদুর রহমান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব ও মহাপরিচালক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: ‘আনন্দ শোভাযাত্রায়’ বরণ নতুন বছরকে
৩৯৮ দিন আগে
বাংলা একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: আন্দোলনকারীদের চিকিৎসার ব্যয় বহন করবে সরকার, বিতর্কিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দ্রুত বাতিল
এছাড়া বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর এবং ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) রঞ্জন সেনের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগও বাতিল করা হয়েছে।
জনস্বার্থে শিগগিরই এ আদেশ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঁচজন সচিবকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের নিয়োগ বাতিল
বাতিল হলো ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি
৬৩৮ দিন আগে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে। সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু একদিন উদযাপন করলে হবে না। এর চর্চা বাড়াতে হবে একই সঙ্গে মননে ধারণ করতে হবে।
শুক্রবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সন্মাননা ২০২৩ ও শিল্পকলা প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পীর কণ্ঠ অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। মহান মুক্তিযুদ্ধে শিল্পীরা অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের তারা গানের মাধ্যমে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।
আরও পড়ুন: তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে তরুণ প্রজন্মের কাছে: খাদ্যমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, কবিরাও সেসময়ে কবিতার মাধ্যমে উজ্জীবিত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়া বর্তমান সংস্কৃতির চর্চা এখন হরিবাসর, নাম সংকীর্তন আর ওয়াজ মাহফিলের আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমাদের সন্তানদের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে না পারলে তারা অন্য সংস্কৃতিতে আকৃষ্ট হবে। তাই দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে আরও কর্মসূচি নিতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বিকাশ ও পৃষ্ঠপোষকতায় ইতোমধ্যে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি সন্মাননা ২০২৩ প্রাপ্তরা হলেন, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন ত্রিশূলের প্রতিষ্ঠাতা তৃণা মজুমদার, কণ্ঠসংগীতে সম্পা দাস, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক মোস্তফা আল মেহমুদ রাসেল, যন্ত্রশিল্পী পরেশ কুমার মন্ডল ও চারুকলায় তাহমিদুর রহমান মনন।
পরে খাদ্যমন্ত্রী সন্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে সন্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেন।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মো. গোলাম মওলার সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান, নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবুবকর সিদ্দিক ও জেলা কালচারাল অফিসার মো. তাইফুর রহমান বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, চালও নেই: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্য নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই: খাদ্যমন্ত্রী
৬৮১ দিন আগে
শুরু হলো ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার
দ্রোহকন্যা খ্যাত মঞ্চ নাটকের অন্তপ্রাণ ইশরাত নিশাত। ২০২০ সালে তার হঠাৎ চলে যাওয়া নাট্যঙ্গনে বিষাদ বয়ে আনে। তার স্মরণে এবছর থেকে শুরু হলো নাট্য পুরস্কার।
মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার-২০২২ এর জন্য নমিনেশন ঘোষণা করা হয়েছে। থিয়েটারের আটটি শাখায় প্রতিবছর এই পুরস্কার দেয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই নাট্য পুরস্কার প্রবর্তনে দেশের বরেণ্য নাট্যব্যক্তিত্ব ও গুণীজনদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি এবং একটি নিরপেক্ষ বোর্ড গঠিত হয়েছে। যারা পুরস্কারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জুরি বোর্ড ইতোমধ্যেই ২০২১ ও ২০২২ সালে মঞ্চায়িত নতুন ১৭টি নাটক দেখে মূল্যায়ন সম্পন্ন করেছেন।
আগামী ১৯ জানুয়ারি পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার বাস্তবায়ন-২০২২ এর সমন্বয়ক সেলিনা শেলী বলেন, ‘এই পুরস্কারের উদ্দেশ্য দেশের মঞ্চে নতুন নতুন নাটককে অনুপ্রাণিত করা। এই পুরস্কারের প্রতিটি আর্থিক সম্মাননার পরিমাণ সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা।’
আরও পড়ুন: ২৭ বিভাগে ৩৪ জন পাচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
দেশের প্রথিতযশা নাট্যকার মাসুম রেজা বলেন, ‘আমরা যারা থিয়েটার করি, তাদের সমগ্র জীবনের থিয়েটার কর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ অনেক ধরনের পদক চালু আছে। কিন্তু প্রতিবছর কাজের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে কোনো পুরস্কার নেই। এই পুরস্কার একটা নবদিগন্তের সূচনা। পুরস্কারটা সরকারিভাবেও দেয়া যেতে পারে। এতে দেশের থিয়েটার অঙ্গণ আরও প্রাণবন্ত হবে। নতুন উদ্যোমে কাজ করতে পারবেন তরুণ নাট্যকর্মীরা।’
এই পুরস্কার প্রবর্তন দেশ নাটকের উদ্যোগ হলেও দেশের বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে ইশরাত নিশাত নাট্য পুরস্কার বাস্তবায়ন কমিটি ও জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারপারসন ফেরদৌসী মজুমদার, কো-চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ইউসুফ, সদস্য রামেন্দ মজুমদার, আতাউর রহমান, আসাদুজ্জামান নূর, ম. হামিদ, মামুনুর রশীদ, সারা যাকের, লাকী ইনাম, লিয়াকত আলী লাকী, গোলাম কুদ্দুস, তারিক আনাম খান, রোকেয়া রফিক বেবী, কামাল বায়েজীদ, মাসুম রেজা ও কামাল আহমেদ।
অন্যদিকে পুরস্কারের জুরিবোর্ড প্রধান প্রফেসর আবদুস সেলিম, সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক ওয়াহিদা মল্লিক জলি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক ড. কামালউদ্দিন কবির, ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউটে সাধারণ সম্পাদক দেবপ্রসাদ দেবনাথ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ইউসুফ হাসান অর্ক, বটতলা থিয়েটার স্পেসের মোহাম্মদ আলী হায়দার ও শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা বিভাগের সিনিয়র ইন্সট্রাক্টর ড. আইরিন পারভীন লোপা।
এ বছর শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে নমিনেশন পেয়েছেন পুণ্যাহ নাটকের রচয়িতা বদরুজ্জামান আলমগীর, পারাপার নাটকের রচয়িতা মাসুম রেজা এবং রাইজ এন্ড সাইনের রচয়িতা আবদুস সেলিম।
আরও পড়ুন: টেলিভিশন শিল্পীদের জন্য জাতীয় পুরস্কারের কথা ভাবা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
শ্রেষ্ঠ অভিনেতার হিসেবে নমিনেশন পেয়েছেন প্রশান্ত হালদার (রায়মঙ্গল), খালিদ হাসান রুমি (মাংকি ট্রায়াল) ও সুকর্ণ হাসান (রাজদ্রোহী)। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী-সঙ্গীতা চৌধুরী (পুণ্যাহ), মনামী ইসলাম কনক (পুণ্যাহ) ও কাজী রোকসানা রুমা (রাইজ এন্ড সাইন)।
শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিকল্পনা জন্য নমিনেশন পেয়েছেন- শিশির রহমান ও অন্যান্য (মলুয়া), সেলিম মাহবুব (মাধব মালঞ্চি) ও ইউসুফ হাসান অর্ক (পুণ্যাহ)।
শ্রেষ্ঠ আলোক পরিকল্পনার জন্য নমিনেশন পেয়েছেন-অম্লান বিশ্বাস (পুণ্যাহ) ও (রায়মঙ্গল) এবং মোহাম্মদ আলী হায়দার (রাইজ এন্ড সাইন)।
শ্রেষ্ঠ নির্দেশক হিসেবে নমিনেশন পেয়েছেন- মুক্তনীল (মাংকি ট্রায়াল), ইউসুফ হাসান অর্ক (পুণ্যাহ) ও ফাহিম মালিক ইভান (পারাপার)।
শ্রেষ্ঠ মঞ্চ পরিকল্পনাকারীর তালিকায় রয়েছেন- ফজলে রাব্বি সুকর্ণ (সে এক), ইউসুফ হাসান অর্ক (পুণ্যাহ) ও মুজিবুল হক (মলুয়া)।
প্রসঙ্গত, মঞ্চের মানুষ ইশরাত নিশাত বাচিক শিল্পী হিসেবেও দর্শক নন্দিত ছিলেন।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে সুদূর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও পার্শ্ববর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নাট্যপ্রেমীদের আমন্ত্রণেও নিশাত কাজ করেছিলেন। থিয়েটারের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা একটা জীবন ইশরাত নিশাত।
আরও পড়ুন: সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন ফরাসি লেখিকা অ্যানি আর্নাক্স
১২২৩ দিন আগে
আমরা তৃণমূলে শিল্প-সংস্কৃতি প্রসারে ব্যবস্থা নিচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার বলেছেন, তৃণমূলে শিল্প-সংস্কৃতির উন্নয়ন ও প্রসারে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।
তিনি বলেন, ‘আমরা সারাদেশে শিল্পকলা একাডেমি স্থাপনের মাধ্যমে তৃণমূলের সংস্কৃতিমনা সম্প্রদায়ের শিল্প চিন্তা, জ্ঞান ও সক্ষমতাকে দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরার পদক্ষেপ নিচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে (বিএসএ) ১৯তম এশিয়ান আর্ট বিয়েনাল বাংলাদেশ উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে একটি ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ১৯তম এশিয়ান আর্ট বিয়েনালের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
আন্তর্জাতিক আর্ট বাইনেল ইভেন্টটি আজ থেকে আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।
শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, শিল্পকর্ম, নাটক, চলচ্চিত্র ও সৃজনশীলতার উন্নয়ন করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে তার সরকার শিল্পকলা একাডেমির উন্নয়নে একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, সেখানে ন্যাশনাল থিয়েটার, এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার, স্টুডিও থিয়েটার, মিউজিক অ্যান্ড ডান্স অডিটোরিয়াম, ফাইন আর্টস অডিটোরিয়াম ও ওপেন স্টেজ তৈরি করা হয়েছে। আরও তিনটি অডিটোরিয়াম নির্মাণের কাজও চলছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ৬৪ জেলায় শিল্পকলা একাডেমির নতুন ভবন নির্মাণ করেছে। ৪৯৩টি উপজেলায় শিল্পকলা একাডেমি স্থাপন করা হয়েছে, যার অর্থ সরকার তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে চায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা একদিকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছি এবং অন্যদিকে তাদের শৈল্পিক মনন বিকাশের জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব স্থানে দেশি-বিদেশি শিল্পকর্ম সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিল্প, সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, চলচ্চিত্র, ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত বা লোকসংস্কৃতি উৎসবেরও আয়োজন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘কারণ আমরা আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
আরও পড়ুন: ঢাকায় ১৯তম এশিয়ান আর্ট বিয়েনালের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
২০২৪ সালের প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রী
১২৫৬ দিন আগে
হাওর অঞ্চলের সংস্কৃতি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলায় রাষ্ট্রপতির নামে ‘আব্দুল হামিদ শিল্পকলা একাডেমি ও আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ নির্মিত হচ্ছে।
কেন্দ্রটি হাওর অঞ্চলের সংস্কৃতিক চর্চা ও প্রসারে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। হাওর অঞ্চলের সংস্কৃতি স্বতন্ত্র ও অনন্য বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। এই অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য নিরূপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ পর্যালোচনার জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘হাওর অঞ্চলের সংস্কৃতি’ বিষয়ক গবেষণার উদ্যোগ গ্রহন করেছে।
গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৬ নভেম্বর, বুধবার বিকালে জাতীয় নাট্যশালায় সেমিনার আয়োজন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ফারিয়ার সিনেমা
একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে বিশিষ্ট লোকগবেষক মু. আ. লতিফ, লেখক ও গবেষক আমিনুর রহমান সুলতান, লেখক ও সাংবাদিক সঞ্জয় সরকার, লেখক ও গবেষক গাজী মহিবুর রহমান, সামস সাঈদ, পার্থ তালুকদার, সাইফ বরকতুল্লাহ, জাকারিয়া মন্ডল, সত্যজিৎ রায় মজুমদার প্রমুখ সেমিনারে অংশগ্রহন করেন।
১২৭৭ দিন আগে
ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে গাইবেন কবীর সুমন
প্রায় ১৩ বছর আগে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে গান গাওয়ার অনুমতি পাননি পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।
১৫, ১৮ ও ২১ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে গান গাওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে অনুমতি মেলেনি।
তবে তার ভক্তদের নিরাশ হওয়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান 'পিপহোল'-এর কর্মকর্তা মীর আরিফ বিল্লাহ।
তিনি ইউএনবিকে বলেন, 'ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে গাইবেন কবীর সুমন। এখনো বৈঠক চলছে। এর বেশিকিছু এখনই বলা যাচ্ছে না।'
আরও পড়ুন: জাতীয় জাদুঘরে কবির সুমনের কনসার্টের ডিএমপির অনুমতি মেলেনি
ঘোষণা অনুযায়ী কবীর সুমন ১৫ অক্টোবর আধুনিক বাংলা গান, ১৮ অক্টোবর বাংলা খেয়াল ও ২১ অক্টোবর আধুনিক বাংলা গান গাইবেন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, জাতীয় জাদুঘর অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হওয়ায় কবির সুমনকে কনসার্টের জন্য অনুমতি দেয়া হয়নি।
ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, জাদুঘরের মতো কি-পয়েন্ট ইনস্টলেশনে (অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা) আমরা এই ধরনের প্রোগ্রামের অনুমতি দিতে পারি না। তবে আয়োজকেরা যদি অন্য কোথাও অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি চান, তবে আমরা তা বিবেচনা করব।
আরও পড়ুন: ‘তোমাকে চাই-এর ৩০ বছর উদযাপন’ তিন দিন ঢাকায় গাইবেন কবীর সুমন
বাংলাদেশে ৩০০০ ফুটের অধিক উচ্চতার ১৪ পাহাড়
১৩১১ দিন আগে
শিল্পকলা পদক ২০১৯ ও ২০২০ পাচ্ছেন ২০ গুণীজন
বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০ গুণীজন ‘শিল্পকলা পদক ২০১৯ ও ২০২০’ পদক পাচ্ছেন। মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে পদক বিতরণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।
এতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ, এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। আলোচনা ও পদক প্রদান শেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আরও পড়ুন: এ বছর খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ‘শিল্পকলা পদক’-এর জন্য মনোনীত প্রত্যেক ব্যক্তিকে একটি করে স্বর্ণপদক, সনদপত্র এবং এক লাখ টাকার চেক দেয়া হবে।
পদক প্রদানের জন্য তালিকাভূক্ত ক্ষেত্র ১২ টি: কণ্ঠসঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা, আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি, যাত্রাশিল্প, চলচ্চিত্র ও লোকসংস্কৃতি, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন/সংগঠক এবং সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক। তালিকাভক্ত ক্ষেত্র হতে নির্বাচিত ১০ টি ক্ষেত্রে প্রতি বছর ‘শিল্পকলা পদক’ প্রদান করা হয়।
করোনা মহামারির কারণে ‘শিল্পকলা পদক’ এর অনুষ্ঠান স্থগিত থাকায় এ বছর ২০১৯ ও ২০২০ দু’বছর এর পদক একসাথে প্রদান করা হবে। ২০১৯ সালে দশজন ও ২০২০ সালে দশজন সহ মোট বিশ জনকে এ পদক প্রদান করা হবে।
আজ ‘শিল্পকলা পদক’ ২০১৯ ও ২০২০-এর বিষয়ে জাতীয় নাট্যশালা সেমিনার কক্ষে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় একাডেমির সচিব মো. আসাদুজ্জামানসহ একাডেমির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২০১৯ সালে পদক পাচ্ছেন যারা
নাট্যকলায় মাসুদ আলী খান, কণ্ঠসঙ্গীতে হাসিনা মমতাজ, চারুকলায় আবদুল মান্নান, চলচ্চিত্রে অনুপম হায়াৎ, নৃত্যকলায় লুবনা মারিয়াম, লোকসংস্কৃতিতে শম্ভু আচার্য্য, যন্ত্রসঙ্গীতে মো. মনিরুজ্জামান, ফটোগ্রাফিতে এম এ তাহের ও আবৃত্তিতে হাসান আরিফ। এ ছাড়া সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে ছায়ানট পাচ্ছে এই পদক।
২০২০ সালে পদক পাচ্ছেন যারা
নাট্যকলায় মলয় ভৌমিক, কণ্ঠসঙ্গীতে মাহমুদুর রহমান বেণু, চারুকলায় শহিদ কবীর, চলচ্চিত্রে শামীম আখতার, নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ, লোকসংস্কৃতিতে শাহ আলম সরকার, যন্ত্রসঙ্গীতে মো. সামসুর রহমান, ফটোগ্রাফিতে আ ন ম শফিকুল ইসলাম স্বপন ও আবৃত্তিতে ডালিয়া আহমেদ। এ ছাড়া সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে পদক পাচ্ছে দিনাজপুর নাট্য সমিতি।
উল্লেখ্য, দেশের শিল্প সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজনদের অবদানকে সম্মান ও স্বীকৃতি জানাতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ২০১৩ সাল থেকে ‘শিল্পকলা পদক’ প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: আগের অবস্থায় ফিরে গেছে প্রয়াত মেয়র আনিসুলের স্বপ্নের সড়ক!
নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে অক্টোবরে উই-এর শীর্ষ সম্মেলন
১৩৩৪ দিন আগে
শিল্পকলায় শুরু হলো ‘জাতীয় নৃত্যনাট্য উৎসব’
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে বুধবার, ২০ জুলাই থেকে শুরু হলো ‘জাতীয় নৃত্যনাট্য উৎসব’। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ দুইদিন অনুষ্ঠিত হবে ২৪ ও ২৫ জুলাই।
একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর পরিকল্পনায় উৎসবটি সমন্বয় করছেন প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক সোহাইলা আফসানা ইকো।
উদ্বোধনের দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে তিনটি নৃত্যনাট্য ‘কবর’, ‘প্রসঙ্গ ৪৭’ এবং ‘চন্ডালিকা’ পরিবেশিত হয়। দীপা খন্দকার এর গ্রন্থনা, নৃত্য পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় মঞ্চস্থ হয় পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের ‘কবর’ কবিতা অবলম্বনে নৃত্যনাট্য ‘কবর’। মূল চরিত্র দাদু ভাই ছিলেন আবদুর রশীদ স্বপন, আতাউর রহমান মোহন ও নিলয় পাল।
এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন ফারাহ শাহওয়ার ঝুন ঝুন, মেহেরীন, আব্দুস সাত্তার, সামিয়া রফিক, সুমন আহমেদ, সারাফ প্রমুখ। নৃত্যনাট্য-এর সংগীত পরিচালনায় ছিলেন সুজেয় শ্যাম, সংলাপে ছিলেন মুজিবুর রহমান দীলু এবং কণ্ঠ সংগীতে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ রায়।
আরও পড়ুন: ১০০ যাত্রাপালা নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির যাত্রা উৎসব
সাজু আহমেদ এর রচনা, সংগীত ও নৃত্য নির্দেশনায় এবং কথক নৃত্য সম্প্রদায়ের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় ‘প্রসঙ্গ ৪৭’। নৃত্যনাট্যর মূল চরিত্র সিফাত ছিলেন ফাইজা বারসাত পূর্ণ এবং প্রদীপনাথ এর চরিত্রে ছিলেন সাম্যদীপ। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে ছিলেন প্রভা, অভিজিৎ কুন্ডু কর্মকার, রামিম, রাদিফা, জারিন, শেওতি, ইমামা, প্রকৃতি, অয়োকা, বন্ধন, শ্রুতি, তন্বী প্রমুখ। নৃত্যনাট্যর কথাকার হিসেবে ছিলেন প্রিয়াংকা সাহা।
১৩৯৭ দিন আগে