বিজয়ী
আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর ৫৭ বিজয়ীর নাম ঘোষণা
ইন্টারন্যাশনাল এআই ইনোভেশন অ্যান্ড লিডারশিপ কনসোর্টিয়ামের (আইএআইএলসি) প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মানবকেন্দ্রিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং টেকসই উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ৫৭টি ক্যাটাগরিতে এ সম্মাননা দেওয়া হবে।
বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আইএআইএলসির প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর বি সি পান্ডে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, আগামী ২৫ জুলাই ঢাকার হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। পুরো আয়োজন করছে কানাডাভিত্তিক সংস্থা ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন (ইউএইচএফ)।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুরস্কারের মূল্যায়নে ইনস্টিটিউশনাল রিসার্চ, ডিউ ডিলিজেন্স, কমপ্লায়েন্স স্ক্রিনিং, গভর্ন্যান্স রিভিউ এবং স্বাধীন আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন—এই পাঁচটি ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে।
প্রফেসর বি সি পান্ডে বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, করপোরেট ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চেম্বার অব কমার্স, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ের অবদান দীর্ঘ গবেষণা ও আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের মাধ্যমে যাচাই করে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষা, গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, করপোরেট নেতৃত্ব, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, মানবিক সেবা এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ৫৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
তারা আরও জানান, আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬ কোনো বাণিজ্যিক বা স্পন্সরনির্ভর পুরস্কার নয়। এ সম্মাননার ক্ষেত্রে কোনো পেইড নোমিনেশন, স্পন্সরশিপ, লবিং কিংবা বিজ্ঞাপন ক্রয় বিবেচনা করা হয়নি। সম্পূর্ণ গবেষণা, প্রমাণ, যোগ্যতা এবং বাস্তব অবদানের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নির্বাচন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নির্বাচিত বিজয়ীদের পর্যায়ক্রমে অফিশিয়াল কনফার্মেশন লেটার, আমন্ত্রণপত্র এবং ভিআইপি ডেলিগেট ইনভিটেশন পাঠানো হবে। তারা আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে মেডেল, ক্রেস্ট, অফিশিয়াল রিকগনিশন সার্টিফিকেট এবং আন্তর্জাতিক সিপিডি ডুয়াল সার্টিফিকেশন গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এ সম্মাননা গ্রহণে কোনো নিবন্ধন বা প্রশাসনিক ফি দিতে হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, এআই ও সাইবার নিরাপত্তা উদ্যোগ, নেতৃত্ব উন্নয়ন, নীতিনির্ধারণ সংলাপ এবং বৈশ্বিক জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে কাজ করবে আইএআইএলসি।
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে ইউএইচএফ-এর আসিয়ান আঞ্চলিক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর শচীন্দ্রনাথ হালদার বলেন, ঘোষিত ৫৭টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ক্ষেত্রে উদ্ভাবন, নেতৃত্ব, গবেষণা এবং মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান রেখেছে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাদের সেই অবদানকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি, নৈতিক নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে ইউএইচএফ গ্লোবাল কনসোর্টিয়াম আসিয়ান চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মো. মিজানুর রহমান, সঞ্জিত বাড়ৈ, অ্যাডভোকেট মিন্টু কুমার মণ্ডল, উদ্যোক্তা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব অন্তু করীম এবং ইউএইচএফ গ্লোবাল কনসোর্টিয়াম সদর দপ্তর ও কানাডার হাই-টেক কো-অর্ডিনেটর আদিতা হকসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত তালিকায় সরকারি ও পাবলিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক সংস্থা, ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, চেম্বার ও ব্যবসায়িক সংগঠন, করপোরেট ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং ‘গ্লোবাল চেঞ্জমেকার প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’—এই সাতটি বিভাগে মোট ৫৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
সরকারি ও পাবলিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে রয়েছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনস অথরিটি (বেজা), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনস অথরিটি (বেপজা), বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড এবং সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি/বিডিজি ই-গভ সার্ট।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক সংস্থা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে ইউএনডিপি বাংলাদেশ, ইউনিসেফ ও ব্র্যাক।
ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, বিকাশ, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিভাগে স্থান পেয়েছে ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি), বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি), স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), লন্ডন স্কুল অব লিডারশিপ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট এবং অ্যাকিউরেসি এডুকেশন।
চেম্বার ও ব্যবসায়িক সংগঠন বিভাগে রয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই), মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্টাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (ব্যাকো), বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ।
করপোরেট ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে এইচআরসি গ্রুপ, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি, এসিআই লিমিটেড, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, এশিয়া স্টার বাংলাদেশ অ্যান্ড থাইল্যান্ড, পেন্টাগন ফিল্মস অ্যান্ড মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল, রবি, আমলকি বাংলাদেশ অ্যান্ড থাইল্যান্ড এবং মিন্টু কুমার মণ্ডল অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস।
এছাড়া ‘গ্লোবাল চেঞ্জমেকার প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেয়েছেন প্রফেসর ড. নিধি নাগাভাতলা।
১ দিন আগে
আন্তঃস্কুল স্টেম ফেস্ট ২০২৫: যুক্তরাষ্ট্র ও দুবাই যাবে বিজয়ীরা
রাজধানীর উত্তরায় ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশ প্রাঙ্গণে চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে স্কুল পর্যায়ে বিজ্ঞানবিষয়ক সর্ববৃহৎ প্রতিযোগিতা আন্তঃস্কুল স্টেম ফেস্ট ২০২৫।
ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের হোপিয়ান ম্যাথ প্রোগ্রামিং অ্যান্ড রোবোটিক ক্লাব এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। দেশসেরা স্কুলগুলোর তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিজ্ঞান প্রতিযোগিতার এ আয়োজন করা হয়।
এই প্রতিযোগিতায় এবারও রাজধানীর অর্ধশতাধিক স্কুল অংশগ্রহণ করে। এছাড়া ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এই প্রতিযোগিতায় ১৪০টি বিজ্ঞানবিষয়ক প্রজেক্টও প্রদর্শিত হয়।
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত—এই চারটি বিষয় নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন কার হয়। এবারের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কৃত হয়েছে মোট ২৮০ জন শিক্ষার্থী।
প্রতিটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা পেয়েছে যথাক্রমে পাঁচ, তিন ও দুই হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কারসহ মেডেল ও সনদ। এছাড়া প্রতিটি বিভাগে অংশ নেওয়া চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা পেয়েছে মেডেল ও সনদ।
এবারও প্রতিযোগিতায় সেরা ৩০ জন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ‘নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ‘নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ’- এ এবার শিক্ষার্থীরা ‘রিমোট কন্ট্রোল রোভার’ ও ‘হিউম্যান পাওয়ার রোভার’ শীর্ষক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এতে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন স্কুলের ২৬২ জন শিক্ষার্থী।
একই দিনে ৫০ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে প্রোগ্রামিং অলিম্পিয়াড ও ২২১ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বায়োকেমেস্ট্রি অলিম্পিয়াড শুরু হয়। এসব অলিম্পিয়াডে তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে অংশ নেয়।
২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত গণিত অলিম্পিয়াডে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পাশাপাশি তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করে। সমাপনীর দিন আরও ছিল প্রজেক্ট প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল হোপ স্কুল বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল রোকসানা জারিন বলেন, বাংলাদেশে স্কুল-পর্যায়ে বিজ্ঞানবিষয়ক সর্ববৃহৎ প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে। শুধু আমাদের স্কুল নয়, এ বছর আমাদের প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয়েছে বড় বড় ৫০টির বেশি স্কুল। এছাড়া শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান উৎসবের ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী। তাদের বিজ্ঞানচর্চা আমাদের দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে অংশগ্রহণকারীদের অনেকে আমেরিকায় নাসা ‘রোভার চ্যালেঞ্জ’ নামক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এটি আমাদের অনেক বড় পাওয়া। এবারও এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক সুনাম অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।
আরও পড়ুন: ঢাকা মোটর ফেস্টে মিলছে প্রগতি-কিয়া’র সিরাটো সিডান কার
৫৩০ দিন আগে
‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা হুয়াওয়ের
‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে। এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল ‘টেক ফর হার, টেক বাই হার, টেক উইথ হার’।
এই উদ্যোগে হুয়াওয়ের কৌশলগত সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ইউনেস্কো। প্রতিযোগিতাটির লক্ষ্য স্থানীয় আইসিটি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও প্রতিভা বিকাশ।
এই প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৮ জনকে বাছাই করা হয়। এই পর্যায়ে একক ও দলীয়– দুই ক্যাটাগরির প্রতিযোগিতা ছিল। আইসিটিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে নতুন সমাধান সম্ভব ও এর ব্যবসায়িক সফলতার সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে দলভিত্তিক আইডিয়াগুলোকে নির্বাচিত করা হয়।
আরও পড়ুন: নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট মিট অ্যান্ড ফেয়ার আয়োজিত
বিজয়ী দলগুলোকে একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সমস্যার যুক্তিসঙ্গত মূল্যায়ন, ব্যবসা পরিকল্পনার অভিনবত্ব, বিজনেস কেস ও অ্যাসাইনমেন্ট স্কোর। প্রতিযোগিতা চলাকালে একাধিক ইন্টারভিউ, পরীক্ষা ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে আলাদাভাবে বিজয়ীদের বেছে নেওয়া হয়েছে।
শীর্ষ আইডিয়া হিসেবে নির্বাচিত হয় ‘ধারা’। কীভাবে সৌর শক্তি ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করেছে 'ধারা'।
প্রথম রানার আপ হিসেবে বিজয়ী হয়েছে ‘টেরা বিন’। যাদের বিজনেস আইডিয়া ছিল সোলার কম্পোস্টার ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা যায়।
দ্বিতীয় রানার আপ হিসেবে নির্বাচিত হয় ‘সোলনেট’। এই দল ক্লাউড প্রযুক্তি ও অ্যাপের ব্যবহার করে কীভাবে সহজে ও কম খরচে সোলার প্ল্যান্ট তৈরি ও ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে কাজ করেছে।
চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানার আপ দল যথাক্রমে তিন লাখ টাকা, দুই লাখ টাকা ও এক লাখ টাকা মূল্যের প্রাইজমানি পেয়েছে।
এই অর্থ তারা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবহার করতে পারবে।
এছাড়া চারজন প্রতিযোগী তাদের বিশেষ পারফরমেন্সের কারণে ব্যক্তিগতভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
বিজয়ীরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের ছাত্রী কায়সারী ফেরদৌস, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির গ্রাজুয়েট মাহমুদা নাঈম, এসবিআইটি লিমিটেডের ডিজাইন ভেরিফিকেশন ইঞ্জিনিয়ার সুমাইয়া তারিক লাবিবা ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ইইই বিভাগের ছাত্রী সাফরিনা কবির।
এই বিজয়ীরা চীনে সফর করে দেশটির স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
রাজধানীর একটি হোটেলে ৪ জুন রাতে অনুষ্ঠিত গালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আহমেদ পলক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জারা জাবীন মাহবুব, ও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।
আরও পড়ুন: এটিজেএফবি এভিয়েট্যুর উইমেন্স আইকন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ১০ নারী
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউনেস্কোর অফিস প্রধান ও প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ, আইইউটিয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ও হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং।
এসময় পলক বলেন, আমি 'উইমেন ইন টেকের' মূল প্রতিপাদ্য ‘টেক ফর হার, টেক বাই হার, টেক উইথ হার’ দেখে সত্যিই আনন্দিত। এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী নারীরা যে কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি হুয়াওয়েকে এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখার জন্য সাধুবাদ জানাই।
বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, ডিজিটাল ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীদের উন্নয়ন এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে দৃঢ় করার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আজকের প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা দেখেছি, বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরে নারীদের অবদান কতোটা সম্ভাবনাময় হতে পারে।
পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জারা জাবীন মাহবুব বলেন, হুয়াওয়ের ‘ওমেন ইন টেকের’ মতো প্রোগ্রামগুলো আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলি বর্তমান প্রজন্মের প্রতিভাবান নারী শিক্ষার্থীদের তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করতে এবং ভবিষ্যতে যোগ্য পেশাজীবী হওয়ার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে উৎসাহিত করে।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশেষভাবে আনন্দিত এটি দেখে যে, এই প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জনেরও বেশি নারী শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। এই প্রথম আসরের সাফল্য নিঃসন্দেহে আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি নারী শিক্ষার্থীকে আকৃষ্ট করবে।
বিটিআরসিয়ের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারের দুইটি প্রধান এজেন্ডা হলো ডিজিটাল অগ্রগতি এবং নারীর ক্ষমতায়ন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বিগত বছরগুলোতে উভয় ক্ষেত্রেই অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করেছি।
বাংলাদেশে ইউনেস্কোর অফিস প্রধান ও প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ বলেন, এই বছরের উইমেন ইন টেকে অংশগ্রহণকারী তরুণীরা দেখিয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রযুক্তিশিল্পে তাদের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে, যা স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণেও কাজ করবে।
আইইউটির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, নারী ক্ষমতায়নের একটি প্রতিফলনই হচ্ছে এই প্রোগ্রাম। এই প্রতিযোগিতা এমন একটি ভবিষ্যৎ তৈরিতে সাহায্য করবে, যেখানে নারীরা প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিকাশে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এই ক্ষেত্রে নারীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।
হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং বলেন, একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা বাংলাদেশে নারীদের প্রতিভা ও দক্ষতা বিকাশ, ইন্টার্নশিপ ও চাকরির উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিভা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীরা যাতে পেশাক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যায়, সে বিষয়টিকে আমরা বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি।
২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী হুয়াওয়ে ‘উইমেন ইন টেক’ প্রোগ্রামটি চালু করে। এই প্রতিযোগিতার পাশাপাশি হুয়াওয়ে তরুণদের সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে এবং দেশকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ভবিষ্যতের দিকে চালিত করতে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ ও ‘হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশনের’ মতো নানান উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে।
আরও পড়ুন: নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে ইউএন উইমেনের ডকুসিরিজ প্রদর্শন
৭৬৪ দিন আগে
রাজশাহী-২ আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা
রাজশাহীর-২ আসনে (সদর) ১১২টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলের ভিত্তিতে বেসরকারিভাবে কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশা নির্বাচিত হয়েছেন।
রবিবার (৭ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় ভোট গ্রহণ শেষে ১১২টি কেন্দ্রের ফলাফলে ৫৫ হাজার ১৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন তিনি।
আরও পড়ুন: ভোট দিলেন মমতাজ, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান এমপি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪২৩ ভোট।
আওয়ামী লীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুর রহমান বাদশার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হেরে যান ১৪ দলের মনোনীত নৌকার প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা।
শফিকুর রহমান রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
আরও পড়ুন: ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে, সরকারের সহযোগিতার প্রশংসা সিইসির
৯১৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া তালিকা ধরে নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষণা করবে ইসি: বিএনপি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া তালিকা অনুযায়ী বিজয়ী ঘোষণা করতে শত কোটি টাকা নষ্ট করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জালিয়াতির নির্বাচন করতে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই অভিযোগ করেন।
রবিবার থেকে শুরু হওয়া দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ সফল করতে দৃঢ় সংকল্প ও সাহসের সঙ্গে রাজপথে নামার জন্য বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি।
রিজভী বলেন, '২০১৪ সালে অটোপাস নির্বাচন এবং ২০১৮ সালে রাতের ডাকাতির পর এবার আরেকটি জালিয়াতি হবে। নির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বা অফিস থেকে দেওয়া একটি তালিকানুযায়ী বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করবে।’
আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে শত শত কোটি টাকা অপচয় করা হবে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, 'দেশের জনগণকে ফাঁকি দিয়ে সবচেয়ে নিখুঁত প্রতারণায় এটা করা হবে। গণভবন থেকে যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তা নির্বাচনের রাতেই পড়ে শোনানো হবে।’
তিনি বলেন, নির্বাচন এখন একটি কৌতুক, প্রহসন এবং ব্যবসার মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কারণ জনগণ তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করার ক্ষমতা হারিয়েছে।
বিএনপি নেতা বলেন, আসন বণ্টনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সহানুভূতি, উপহার ও করুণায় জনপ্রতিনিধি তৈরি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন নিয়ে চিন্তা নেই: ইসি রাশেদা
রিজভী অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক নেতাদের কিংস পার্টিতে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে এবং কম পরিচিত দলগুলো তাদের নগদ অর্থের প্রলোভন দিচ্ছে এবং রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তাদের এমপি করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। কিন্তু, যাদের নীতি আছে এবং যারা আদর্শবাদী ও দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ, তাদের বোঝাতে পারেনি তারা।
তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও উৎসবমুখর পরিবেশের পরিবর্তে সারাদেশে ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লোকজন ছাড়া মানুষ এখন গ্রেপ্তারের ভয়ে পলাতক এবং অনেক গ্রাম মানুষহীন হয়ে পড়েছে।’ ‘তারা (আওয়ামী লীগ) ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতি রাতে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ‘এভাবে মাফিয়া সরকার নির্বাচন করতে যাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের নামে এই খেলা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে বানচাল করা হবে।’
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে লুটপাট করে নতুন দল তৈরি করছে সরকার: রিজভী
বিএনপি ও এর সক্রিয় নেতাদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিচার বিভাগের মাধ্যমে বেছে বেছে 'মিথ্যা' মামলায় সাজা দেয়ার জন্য সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।
রিজভী বলেন, শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে বিএনপির ৩২৫ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে এবং সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় প্রশাসনের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো রবিবার সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে ৪৮ ঘণ্টার সড়ক-রেল-নৌপথ অবরোধ পালন করবে।
তিনি বলেন, 'আমি আশা করি গণতন্ত্রকামী জনগণ এবং বিরোধী দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা অবিচল ও সাহসিকতার সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে নেমে অবরোধ পালন করবেন।’
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাশিয়ার ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা বিএনপির: রিজভী
৯৫৭ দিন আগে
জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ বিজয়ী ১২ দল
সপ্তমবারের মত দেশ গঠনে এগিয়ে আসা একদল তরুণের হাতে উঠলো জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। শনিবার (১৮ নভেম্বর) ছয়টি ক্যাটাগরিতে তরুণদের ১২টি সংগঠনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
বিজয়ীদের হাতে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয়।
এক নজর দেখে নেওয়া যাক এবারের জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী ১২ সংগঠনগুলোকে।
সোস্যাল ইনক্লুশন বা সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
উইমেনস ড্রিমার ক্রিকেট অ্যাকাডেমি
অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে 'উইমেনস ড্রিমার ক্রিকেট অ্যাকাডেমি'।
আরিফা জাহান বিথি জানান, গ্রামে অবহেলিত মেয়েদের নিয়ে এই নারী ক্রিকেট একাডেমির পথচলা। নারী ক্ষমতায়ন, তাদের ক্রীড়া ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা এবং বাল্য বিবাহ হ্রাস করা এই ক্রিকেট একাডেমির মূল লক্ষ্য।
ভালো কাজের হোটেল
২০১৯ সাল থেকে ঢাকায় ভূমিহীন ও ভাসমান মানুষদের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে মো. শেহানুর রহমান আসিফের 'ভালো কাজের হোটেল'। ছিন্নমূল এ সকল মানুষের সহায়তার জন্য দৈনিক প্রায় ২৫০০ স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটির জন্য কাজ করে। দৈনিক ১২-১৩ শত ছিন্নমূল মানুষকে সংগঠনটি সহায়তা দেয়।
আরও পড়ুন: জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড
দক্ষতা ও কর্মসংস্থান ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
ঋতু হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন
উম্মে শারমিন কবির পরিচালিত 'ঋতু হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ফাউন্ডেশন' নারীদের জন্য পরিচালিত একটি সংগঠন যার মূল লক্ষ্য নারী ক্ষমতায়ন। আর এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি নারী নিরাপত্তা, নারীর কর্মক্ষেত্রে ও চাকরির সুযোগ সৃষ্টি, কিশোরদের নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং সন্তানদের লালন-পালন বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ ও সেবা প্রদান করে। সেই সঙ্গে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও সেমিনারও করা হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
সম্ভাবনা
২০১১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভের পর টেকসই উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ বৈষম্য হ্রাস সহ আরও বেশ কিছু সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে 'সম্ভাবনা'।
এই সংগঠনের বিষয়ে মোশফেকা জান্নাত বলেন, ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বর্তমানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পথ শিশুদের জন্য স্কুল, নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ এবং স্বনির্ভর হওয়ার জন্য আরও কিছু প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ১৬০ জন নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
উদ্ভাবন ও যোগাযোগ ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
ক্লিয়ার কনসেপ্ট
মো. হিরোক শেখের 'ক্লিয়ার কনসেপ্ট' দেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজের ২৫০ জনের বেশি সক্রিয় সদস্যকে নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্লাটফর্ম।
টিম অ্যাটলাস
উদ্ভাবন ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে সানি জুবায়েরের 'টিম অ্যাটলাস' ২০১৬ সাল থেকে কাজ করছে এবং তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন রোবটিক্স এবং স্পেস এক্সপ্লোরেশনে যেখানে বিশ্ব রোবটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে গোল্ড মেডেল জয় করে তারা। ৮০ জন সক্রিয় সদস্য সহ মোট ১২০ জনকে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে টিম অ্যাটলাস। দেশের ২১টি প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তাদের সংগঠনের সদস্যরা।
আরও পড়ুন: জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড বিতরণী ১৮ নভেম্বর
সমাজের উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
নুপম ফাউন্ডেশন
সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে মো রেজাউল করিম এর 'নুপম ফাউন্ডেশন'। সংগঠনটি রক্তদান কর্মসূচি, সামাজিক মূল্যবোধ সৃষ্টি, পথ নাটক এবং বই মেলা আয়োজনসহ আরও বেশ কিছু সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে।
আলট্রাস্টিক পিউপিলস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (এপিওয়াইও)
রাঙামাটির পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছেন মালাচিং মারমার 'আলট্রাস্টিক পিউপিলস ইয়ুথ অর্গানাইজেশন' (এপিওয়াইও)।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর স্বাস্থ্য সেবাদান এবং ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে এই সংগঠনটি।
এছাড়াও এই সংগঠন বর্তমানে ৪ হাজারের বেশি তরুণ এবং ১৭০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে চট্টগ্রামেও নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছে সংগঠনটি।
জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ (ডব্লিউএসআরটিবিডি)
দেশের ৪০টি উপজেলায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক সচেতনতা তৈরি ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার জন্য কাজ করছে 'ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ' (ডব্লিউএসআরটিবিডি)।
মো শহিদুল ইসলাম জানান, সাপ উদ্ধার থেকে শুরু করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করে সংগঠনটি।
ইকো-নেটওয়ার্ক গ্লোবাল
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করছে 'ইকো-নেটওয়ার্ক গ্লোবাল'। শামীম আহমেদ মৃধা পরিচালিত এই সংগঠনটি নেটওয়ার্কিং ও পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রায় ১৫০০ জনের বেশি স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে চলা এই সংগঠনের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করেছে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ।
আরও পড়ুন: ইয়ুথ গ্লোবালের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে শিল্প-সংস্কৃতির ১৪ প্লাটফর্ম
শিল্প ও সংস্কৃতি ক্যাটাগরিতে- ২টি সংগঠন
অভিনন্দন ফাউন্ডেশন
এক সময় দেশের মঙ্গা অঞ্চল হিসেবে পরিচিত রংপুরের চিত্র অনেকটা পাল্টে গেলেও এখনও অর্থনৈতিকভাবে এই অঞ্চলটি পিছিয়ে। আর এ কারণেই ২০১৭ সালের রংপুর অঞ্চলের মানুষের কর্ম সংস্থান এবং হতদরিদ্রদের সহায়তায় কাঞ্চন চন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠা করেন 'অভিনন্দন ফাউন্ডেশন'। বর্তমানে এই সংগঠনটির ১০০জনের বেশি সক্রিয় সদস্য রয়েছে যাদের মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ সেবা পাচ্ছে।
টঙ্গের গান
দেশের শিল্প সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে উজ্জীবিত রাখতে মো. মাহমুদুল হাসান আবির মিয়া গড়ে তোলেন 'টঙ্গের গান'। মানুষকে দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে এক বন্ধনে আবদ্ধ করতে এবং শিশু শিক্ষা, নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা, বাল্য বিবাহ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা সৃষ্ট সহ সামাজিক সচেতনতা মূলক আরও বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করে টঙ্গের গান। এই সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজন 'সম্প্রীতি সন্ধ্যা'য় নিয়মিত দুই হাজারের বেশি দর্শক উপস্থিত হয়। এখন পর্যন্ত এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের সংস্কৃতির স্বাদ অন্বেষণ করেছেন সরাসরি ১ লাখের বেশি মানুষ।
জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পাওয়া সংগঠনগুলো ছাড়াও ৩০০টির বেশি সংগঠন নিয়ে ইয়াং বাংলা বর্তমানে তারুণ্যের সর্ববৃহৎ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে। এই সংগঠনগুলোসহ ইয়াং বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবক ও ৩ লাখের বেশি সদস্য। ২০২২ সালের মে মাসে ইয়াং বাংলার সদস্য হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তারুণ্যের বৃহত্তম প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা ২০১৫ সাল থেকে প্রদান করে আসছে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। এর আগের ছয় আসরে ১৪৫ তরুণদের নেতৃত্বাধীন সংগঠনকে সম্মানিত করা হয়েছে এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে তাদের সাফল্যের গল্প।
৯৬৪ দিন আগে
বিজয়ীদের হাতে উঠল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২২
জমকালো আয়োজনে বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২২ । ২৭টি বিভাগে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়।
আজ (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই পুরষ্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। প্রতি বছরের এবারও এই পুরস্কারের ঘোষণা হয় ৩১ অক্টোবর। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এবারের বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন তথ্যসচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু।
এবার ‘হাওয়া’ চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান চঞ্চল চৌধুরী। শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার যৌথভাবে পেয়েছেন ‘বিউটি সার্কাস’র জন্য জয়া আহসান ও ‘শিমু’র জন্য রিকিতা নন্দিনী শিমু।
আরও পড়ুন: ইন্ডাস্ট্রির অন্যদের মতো রাফসানও আমার বন্ধু: জেফার
অন্যদিকে, যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে মুহাম্মদ আব্দুল কাইউম প্রযোজিত চলচ্চিত্র ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ ও মো. তামজিদ উল আলম প্রযোজিত ‘পরাণ’।
আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন অভিনেতা খসরু (বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুল আলম খান খসরু) ও অভিনেত্রী রোজিনা (রওশন আরা রোজিনা)।
শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে সেরার পুরস্কার পেয়েছে এস এম কামরুল আহসান প্রযোজিত চলচ্চিত্র ‘ঘরে ফেরা’। শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া প্রযোজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’।
পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন খান (পরাণ), পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী আফসানা করিম (আফসানা মিমি) (পাপ-পূণ্য), খল চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা সুভাশিষ ভৌমিক (দেশান্তর), কৌতুক চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মো. সাইফুল ইমাম (দীপু ইমাম) (অপারেশন সুন্দরবন) পুরস্কার পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে সিনেমাটি করতে হয়েছে: জয়া আহসান
এছাড়া শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী যৌথভাবে বৃষ্টি আক্তার (রোহিঙ্গা) ও মুনতাহা এমিলিয়া (বীরক্ব), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার মোছা. ফারজিনা আক্তার (কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক মাহমুদুল ইসলাম খান (রিপন খান) (পায়ের ছাপ) পুরষ্কার পেয়েছেন।
যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ গায়ক শুভাশীষ মজুমদার বাপ্পা (বাপ্পা মজুমদার) (অপারেশন সুন্দরবন, গান- এ মন ভিজে যায়...) ও চন্দন সিনহা (হৃদিতা, গান- ঠিকানা বিহীন তোমাকে)। শ্রেষ্ঠ গায়িকা আতিয়া আক্তার আনিসা (পায়ের ছাপ, গান- এ শহরের পথে পথে...), শ্রেষ্ঠ গীতিকারের পুরষ্কার পেয়েছেন রবিউল ইসলাম জীবন (পরাণ, গান-ধীরে ধীরে তোর স্বপ্নে...)।
এবার শ্রেষ্ঠ সুরকার শওকত আলী ইমন (পায়ের ছাপ, গান- এ শহরের পথে পথে...), শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার ফরিদুর রেজা সাগর (দামাল), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার মুহাম্মদ আব্দুল কাইউম (কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া), শ্রেষ্ঠ সংলাপ এস এ হক অলিক (গলুই), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক সুজন মাহমুদ (শিমু), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক হিমাদ্রি বড়ুয়া (রোহিঙ্গা), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক আসাদুজ্জামান (মজনু) (রোহিঙ্গা), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক রিপন নাথ (হাওয়া), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজ-সজ্জায় তানসিনা শাওন (শিমু), শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান মো. খোকন মোল্লা (অপারেশন সুন্দরবন) এ পুরষ্কার পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: কারার ওই লৌহ কপাট বিতর্ক: অবশেষে ক্ষমা চাইলো টিম ‘পিপ্পা’
৯৬৮ দিন আগে
একুশে পদক ২০২৩ বিজয়ী কনক চাঁপাকে গ্যালারি কসমসের সংবর্ধনা
২০২৩ সালের একুশে পদক বিজয়ী ও বিশিষ্ট শিল্পী কনক চাঁপা চাকমাকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশের শিল্প ও শিল্পীদের সমর্থনকারী প্ল্যাটফর্ম গ্যালারি কসমস।
ঢাকার বারিধারার গার্ডেন গ্যালারিতে গ্যালারি কসমস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
গ্যালারি কসমসের পরিচালক তেহমিনা এনায়েতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিল্পপতি ও শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষক অঞ্জন চৌধুরী, একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী-শিক্ষাবিদ জামাল উদ্দিন আহমেদ, কসমস ফাউন্ডেশনের পরিচালক দিলশাদ রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রাঙ্গামাটির দুর্গম পার্বত্য এলাকা তবলছড়িতে জন্ম নেওয়া কনক চাঁপা ১৯৮৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে মাস্টার্স অব ফাইন আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি মিড-আমেরিকা আর্টস অ্যালায়েন্স ফেলোশিপ লাভ করেন।
আরও পড়ুন: এসএম সুলতানের ২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় আয়োজন
ডিগ্রী শেষ করে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন, তার শৈল্পিক যাত্রা অব্যাহত রাখেন এবং দেশের সমসাময়িক শিল্পপটের অন্যতম সফল শিল্পী হয়ে ওঠেন।
অনুষ্ঠানে গ্যালারি কসমসের পরিচালক তেহমিনা এনায়েত বলেন, ‘শিল্প আমাদের আবেগ, চিন্তাভাবনা, অনুপ্রেরণা ও আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ। শিল্পের এই দর্শনগুলো কনক চাঁপা চাকমার কাজের মাধ্যমে আরও জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে ওঠে, যিনি আমার বোনের মতো।’
তিনি আরও বলেন, ‘কনক চাঁপাকে আজ বাংলাদেশের অন্যতম বিশিষ্ট শিল্পী হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তার শিল্প বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি অর্জন করেছে। তার অনেক চিত্রকর্ম চাকমা সম্প্রদায়ের প্রাণবন্ত জীবনকে প্রতিফলিত করে।’
তেহমিনা বলেন, ‘আধা-বাস্তববাদী এবং বিমূর্ত শৈল্পিক শৈলীর সংমিশ্রণে, কনক তার সম্প্রদায়ের জীবনকে চিত্রিত করেছেন, বিশেষত নারীদের; এবং অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরষ্কার জয়ের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন- একজন শিল্পী এখনো একই সময়ে সামাজিকভাবে সচেতন ও ব্যাপকভাবে সফল হতে পারেন।’
আরও পড়ুন: শরৎ নাচে শুভ্র কাশে
৯৯৬ দিন আগে
সিডস ফর দ্য ফিউচার-২০২৩ বাংলাদেশ পর্বের ৬ বিজয়ীর নাম ঘোষণা
হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার-২০২৩’ এর ছয়জন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে।
আইসিটি খাত সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে ও প্রশিক্ষণের জন্য আগামী মাসে চীনে যাবেন এই শিক্ষার্থীরা।
একটি শক্তিশালী আইসিটি ইকোসিস্টেম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশে ১০ম বারের মতো সিডস ফর দ্য ফিউচারের আয়োজন করে হুয়াওয়ে। ৬০০’রও বেশি প্রতিযোগী এই আয়োজনে অংশ নেয়। প্রতিযোগীদের
প্রোফাইলের ওপর নির্ভর করে ২০ জন শিক্ষার্থীকে ফাইনাল রাউন্ডের জন্য নির্বাচিত করা হয়। আইসিটি’র (তথ্য প্রযুক্তি) শক্তি কাজে লাগিয়ে সমাজের বৃহত্তর উন্নয়ন কীভাবে নিশ্চিত করা যাবে সে বিষয়ে
প্রতিযোগীরা প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন ও সাক্ষাৎকার দেন। কনসেপ্ট ও উপস্থাপনার দক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে ছয়জন শিক্ষার্থীকে বাছাই করে হুয়াওয়ে।
এ বছরের বিজয়ীরা হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইইই (ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগের মোহাম্মদ আজমাঈন ফাতিন; ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজির ইইই বিভাগের আল মুমতাহিনা এরিকা; বুয়েটের এমই বিভাগের ফারসিয়া কাওসার চৌধুরী; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের অর্পন সাহা; রুয়েটের সিএসই বিভাগের মায়িশা ফারজানা ও আইইউটি’র সিএসই বিভাগের সাজিদ আহমদ চৌধুরী। বিজয়ীরা চীনের শেনঝেনে অবস্থিত হুয়াওয়ে সদরদপ্তর পরিদর্শন ও সাংহাইয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ পাবেন।
হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদশের সিইও প্যান জুনফেংয়ের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এবারের গালা ইভেন্টের আয়োজন শুরু হয়।
আরও পড়ুন: ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার' আঞ্চলিক রাউন্ডে থাইল্যান্ড গেলেন বাংলাদেশের ৮ শিক্ষার্থী
ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের চীনা দূতাবাসের কাউন্সিলর সং ইয়াং।
আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজির (আইইউটি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
গালা ইভেন্টে সিডস ফর দ্য ফিউচারের সার্বিক দিক ও এ বছরের সেরা প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশনগুলো তুলে ধরা হয়।
এছাড়া, ইভেন্টে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথির বক্তব্যের পাশাপাশি ছিল আরও নানা আয়োজন।
সিডস ফর দ্য ফিউচার উদ্যোগের বিষয়ে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদশের সিইও প্যান জুনফেং বলেন, ‘একটি উন্নত ও সংযুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছে হুয়াওয়ে। এক্ষেত্রে আমরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণদের জন্য সিডস ফর দ্য ফিউচার উদ্যোগের মতো ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। যেন সঠিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তরুণরা আগামীর বিশ্বের জন্য নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারে এবং দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারে।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের কাউন্সিলর সং ইয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে আমি সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রোগ্রামের ছয়জন বিজয়ীকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশ ও চীনের কৌশলগত সহযোগিতা আগামীতেও একইভাবে বজায় থাকবে বলে আমি আশাবাদী। হুয়াওয়ের মতো চীনা প্রতিষ্ঠান যারা বাংলাদেশে কাজ করছে তারা এই সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ভূমিকা রাখবে।’
ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজির (আইইউটি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২৩ এর সকল অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানাই। হুয়াওয়ে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে; তবে এরকম ধারণার বিকাশ ও উদ্ভাবনী প্রোগ্রাম আয়োজনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চিন্তা করা উচিত।’
আরও পড়ুন: ৩০ শিক্ষার্থী নিয়ে পরবর্তী রাউন্ডে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’
তিনি আরও বলেন, ‘এতে করে শিক্ষার্থীদের বৃত্তের বাইরে গিয়ে চিন্তা ও কঠিন সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান খুঁজে বের করার সক্ষমতা বাড়বে। হুয়াওয়ে আয়োজিত সিডস ফর দ্য ফিউচার প্রতিভা বিকাশে ও উদ্ভাবনী ধারণা অনুপ্রাণিত করার জন্য খুব ভালো একটি প্ল্যাটফর্ম।’
উল্লেখ্য, ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ হুয়াওয়ের বিশ্বব্যাপী সমাদৃত ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম। গত ১৫ বছর ধরে ডিজিটাল প্রতিভার বিকাশে অবদান রাখছে এই উদ্যোগ। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হয়েছে।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী আইসিটি ইকোসিস্টেম তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আইসিটি ইকোসিস্টেমের অংশ হতে সহায়তা করছে। এই ধরনের উদ্যোগ স্মার্ট বাংলাদেশের যাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে।
একইসঙ্গে দেশের তরুণদের জন্য দক্ষতা বাড়ানোর এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি করছে।
আরও পড়ুন: হুয়াওয়ে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের নাম ঘোষণা
১০৫০ দিন আগে
চট্টগ্রামের উপনির্বাচনে নৌকার প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু বিজয়ী
চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু। নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫২ হাজার ৯২৩ ভোট। যা মোট ভোটের শতকরা হার ১১ দশমিক ৭০ শতাংশ।
রবিবার (৩০ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে নগরের জিমনেশিয়াম মিলনায়তনে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান।
মহিউদ্দিন বাচ্চুর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. শামসুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৫৭২ ভোট, তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী দীপক কুমার পালিত (সোনালী আঁশ) পেয়েছেন ১ হাজার ২৩০ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী রশীদ মিয়া (ছড়ি প্রতীক) পেয়েছেন ৫৭৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আরমান আলী (বেলুন প্রতীক) পেয়েছেন ৪৮০ ভোট ও মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া (রকেট প্রতীক) পেয়েছেন ৩৬৯ ভোট।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে উপনির্বাচন: কেন্দ্রে যেতে মসজিদের মাইক থেকে ভোটারদের অনুরোধ
মোট ১৫৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ফলাফলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
রবিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে বিরামহীন ভোটগ্রহণ। এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬৩৩ জন। এদের মধ্যে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯২৯ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ জন নারী ভোটার।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম-১০ উপনির্বাচন: জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মহিউদ্দিন বাচ্চু
চট্টগ্রাম-১০ উপনির্বাচন: ভোটগ্রহণ চলছে, সিসিটিভি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করছে ইসি
১০৭৫ দিন আগে