অস্ত্র
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার দুই
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাদের দুইজনকে খুলনা সদর ও হরিণটানা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুই আসামির হলেন লবণচরা থানার হরিণটানা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ওলিয়ারের ছেলে আবিদ হাসান রানা এবং দক্ষিণ টুটপাড়া সার্কুলার রোডের সাব্বিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া সৈয়দ চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন আহমেদ।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি রিভলবর, একটি রিভলবারের কার্তুজ, ১৬টি পিস্তলের কার্তুজ এবং ২৪টি শর্টগানের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে সদর থানা এলাকায় বিশেষ ডিউটি করছিলাম। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টুটপাড়া সার্কুলার রোড হতে সালাউদ্দিনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যমতে লবণচরা থানার হরিণটানা হতে রানার শয়ন কক্ষের বিছানার নিচ হতে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর সহযোগী বলে জানায়। এ ছাড়াও তারা খুলনা মহানগরীতে তাদের সহযোগীদের বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র প্রদান করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সহায়তা করত বলে তারা জানায়।
এ ঘটনায় লবণচরা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
১২ ঘণ্টা আগে
শীর্ষ সন্ত্রাসী চিংড়ি পলাশের স্ত্রী আটক, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
খুলনা নগরীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশের স্ত্রী টিকলি মাক্কি রাানীকে (৩০) আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের বাড়ি থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার গোবরচাকা এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া।
ডিবি জানায়, পলাশের বাড়িতে কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছেন—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে পুলিশ বাড়িটি ঘিরে ফেলে। পরে সেখান থেকে পলাশের স্ত্রীকে আটক করা হয় এবং তিনটি বিদেশি পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
আটক টিকলি মাক্কি রাানী জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তার স্বামী পলাশ গ্রেপ্তার হওয়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি ঢাকায় গিয়ে একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। স্বামীর সংসারে তিনি আর ফিরতে চাননি। কিন্তু তার স্বামীর জামিন হয়েছে—এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে তার ভাসুর তাকে আবার খুলনায় নিয়ে আসেন। তিনি এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত নন বলেও দাবি করেছেন।
ডিবির কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান বলেন, পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। তবে সন্ত্রাসী পলাশের বড় ভাইয়ের কাছে এসব অস্ত্র ছিল ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। পলাশ মূলত খুলনা ও আশপাশের জেলার চিংড়ির ঘেরের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় আটটি হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
১ দিন আগে
নড়াইলে আদালতে হাজিরা দিতে এসে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ১১
নড়াইলে একটি মামলায় হাজিরা দিতে আসা ১১ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নড়াইল আদালত চত্বরে এক আইনজীবীর চেম্বার থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন: কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া গ্রামের এস্কেন্দার শেখ (৪৫), আমিনুর শিকদার (৫৬), হাফেজ শেখ (২৫), তৈয়েবুর রহমান (৫৫), সেকেন্দার আলী (৫৮), হাসানুর রহমান (৫৫), রিয়াজুল শিকদার (২৭), আরিফুল শেখ (২২), তারেক শেখ (৩২), জুলফিকার রহমান (৪০) ও শরিফুল মোল্যা (৪০)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ (রবিবার) দুপুরে মামলায় হাজিরা দিতে এসে আসামিরা আদালত চত্বরে এক আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করছিলেন। এ সময় নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতি ও দা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সারোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
৫ দিন আগে
লেবাননে বাশার আল-আসাদের আত্মীয় আটক
লেবাননের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অস্ত্র ও মাদক বহনের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের এক আত্মীয় ও কুখ্যাত এক মাদক কারবারির ছেলেকে আটক করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) লেবাননের সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
আদালতের দুই কর্মকর্তা জানান, গত শুক্রবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর বালবেকের কাছে সুলেইমান আসাদ ও আলি জেইতারকে আটক করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই দুই বিচারিক কর্মকর্তা আরও জানান, সুলেইমান আসাদ সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের চাচাতো ভাই হিলাল আসাদের ছেলে। অন্যদিকে আলি জেইতার গত বছর গ্রেপ্তার হওয়া সন্দেহভাজন মাদক কারবারি নোয়াহ জেইতারের ছেলে।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামপন্থী বিদ্রোহীরা ক্ষমতা দখল করার পর আসাদ পরিবারের পাঁচ দশকের শাসনের অবসান ঘটে। এরপর সিরিয়ার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও আসাদের আত্মীয় লেবাননসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যান। বাশার আল-আসাদ ও তার ছোট ভাই মাহের বর্তমানে রাশিয়ায় বসবাস করছেন।
এদিকে লেবাননের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তিনজনকে আটক করেছে, যাদের মধ্যে একজন সিরীয় নাগরিকও রয়েছেন, যার লেবাননে বৈধভাবে অবস্থানের নথি ছিল না।
সেনাবাহিনী আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের কাছে অস্ত্রের পাশাপাশি হাশিশও পাওয়া গেছে। উত্তর-পূর্ব লেবাননে ব্যাপকভাবে চাষ হওয়া গাঁজা থেকে এই মাদক তৈরি করা হয়।
সেনাবাহিনী তাদের নাম প্রকাশ না করলেও তাদের নামের প্রথম ও পারিবারিক নামের আদ্যক্ষর সুলেইমান আসাদ ও আলি জেইতারের সঙ্গে মিলে যায়। বিচারিক কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, সুলেইমান আসাদকে গ্রেপ্তারের কয়েক সপ্তাহ আগে লেবানন সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে অবসরপ্রাপ্ত এক মেজর জেনারেলকে হস্তান্তর করেছিল, যিনি বাশার আল-আসাদের সেনাবাহিনীর একটি ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
১৩ দিন আগে
হবিগঞ্জে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ফের অস্ত্র উদ্ধার
হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অভিযান চালিয়ে ৬টি পিস্তল, ৭টি ম্যাগাজিন ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (বিজিবি-৫৫)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (বিজিবি-৫৫)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে সীমান্ত পিলার ১৯৭৮ থেকে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গল এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৬টি পিস্তল, ৭টি ম্যাগাজিন ও বিভিন্ন ধরনের ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডাকাতি বা অন্যান্য সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দুষ্কৃতকারীরা এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানান বিজিবি অধিনায়ক।
তিনি আরও জানান, গত তিন মাসে ৫৫ বিজিবির অভিযানে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫ পিস ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ ও ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।
২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফা অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, একটি বেটা গান, ছয়টি এসএলআর, একটি অটো রাইফেল, পাঁচটি মেশিনগানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
একই বছরের ১৬ অক্টোবর চতুর্থ দফায় উদ্যানের ভেতরে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগাজিন, ২৫০ গুলি ধারণক্ষমতাসম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি-নট-ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড ও মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এরপর ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়।
২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশ কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২১ সালের ২ মার্চ বিজিবি বিশেষ অভিযান চালিয়ে উদ্যান থেকে ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার উদ্ধার করে।
ওই বছরের ১৩ আগস্ট সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের মূল ফটক থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে মাটির নিচ থেকে ৯টি একনলা বন্দুক, তিনটি পিস্তল ও ১৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করে বিজিবি।
একই বছরের ২৭ ডিসেম্বর ১৫টি রকেট প্রপেলড গ্রেনেড (আরপিজি), ২৫টি বুস্টার ও ৫১০টি লংরেঞ্জ অটোমেটিক মেশিনগানের গুলি উদ্ধার করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট (সিটিটিসি)।
৩৬ দিন আগে
খুলনায় অস্ত্র ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
খুলনা নগরীতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন—র্যাব।
সোমবার (১৫ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আড়ংঘাটা থানার রায়েরমহল এলাকার মুন্সিপাড়ায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র্যাব-৬-এর একটি আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তাররা হলেন: রায়েরমহল মুন্সিপাড়ার বিল্লাল সিপাই ওরফে বিল্লু (২৬) এবং তার সহযোগী একই এলাকার রবিউল ইসলাম রনি ওরফে হৃদয় (২১)।
র্যাব-৬-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল রায়েরমহল মুন্সিপাড়া এলাকার ইউসুফ আলীর বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া বিল্লাল সিপাইয়ের শয়নকক্ষের কার্নিশ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে র্যাব। পরে গ্রেপ্তার দুজনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, বিল্লাল সিপাই ওরফে বিল্লুর বিরুদ্ধে খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা ও হরিণটানা থানায় অস্ত্র আইন এবং হত্যাচেষ্টা মামলাসহ চারটি মামলা রয়েছে।
১০২ দিন আগে
সুন্দরবনে ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অস্ত্রসহ আটক
সুন্দরবনের ডাকাত ‘ছোট সুমন বাহিনী’র সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মো. আব্দুস সামাদ মোল্লাকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে কোস্টগার্ড মোংলা জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
আটক মো. আব্দুস সামাদ মোল্লা (৩৫) বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে ডাকাতি করে আসছিলেন।
সাব্বির আলম সুজন বলেন, সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সকল বনদস্যুর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এর অংশ হিসেবে কোস্টগার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ এবং ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযানের ধারাবাহিক সফলতার অংশ হিসেবে তৃতীয়বারের মতো ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’-এর আওতায় অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, আব্দুস সামাদ মোল্লা পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সুন্দরবন থেকে বাগেরহাটের রামপাল থানাধীন শুকদারা বাজার-সংলগ্ন এলাকায় আসবেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (সোমবার) রাত ১১টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস মোংলা ওই এলাকায় বিশেষ একটি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে আটক সামাদ মোল্লার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (সোমবার) দিবাগত রাত ২টার দিকে মোংলা থানাধীন সুন্দরবনের নন্দবালা খাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে ১টি একনলা বন্দুক, ১টি এয়ারগান ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
জব্দ করা অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কোস্টগার্ড কর্মকর্তা ।
১৫৭ দিন আগে
খুলনায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান, ৩ জন আটক
খুলনায় অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। ওই কারখানায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও অস্ত্রের যন্ত্রাংশ জব্দের পাশাপাশি ৩ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহানগরীর জোড়াগেট এলাকার এইচআরসি ভবনের পাশের গলিতে অবস্থিত ওই কারখানার অভিযান চালায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল।
পুলিশের দাবি, কারখানা থেকে অস্ত্র তৈরির ছাঁচ, সিসা, ট্রিগার, ট্রিগার গার্ডসহ প্রায় ৩০-৩৫ টি অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আটককৃতরা হলেন— দোহা আয়রন ফাউন্ডার কারখানার মালিক নজরুল ইসলাম, কর্মচারী শহিদুল ও আকবর আলী।
কেএমপির ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ডিবির কাছে তথ্য ছিল, এখানে একটি অস্ত্রের কারখানা রয়েছে, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম পাওয়া যাবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তাদের একটি দল অভিযান পরিচালনা করেছে এবং তথ্যের সত্যতাও পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ওই কারখানাটি থেকে অস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র যে ছাঁচের মধ্যে তৈরি করা হয়, সেগুলোও আমরা উদ্ধার করেছি। এই কারখানায় অন্যান্য কাজের পাশাপাশি অস্ত্র তৈরি করা হচ্ছিল।
তিনি আরও বলেন, এসব অস্ত্র যেখানে ফিনিশিং দেওয়া হয়, সেখানেও অভিযান চলছে। এ লক্ষ্যে ডিবির টিম কাজ করছে।
ডিবির এই টিম ভালো কাজ করেছে উল্লেখ করে ডেপুটি কমিশনার বলেন, কেএমপি এলাকায় অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে। অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। আমাদের এত কাছে অস্ত্রের কারখানা রয়েছে, এটি উদ্বেগজনক। মেট্রোপলিটন এলাকার ভেতরে এ ধরনের কারখানা থাকবে, আর আমরা কেউ জানব না, এটা হতে পারে না। এটি আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন।
খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৈমুর ইসলাম বলেন, আমরা আপাতত এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেছি। এই অস্ত্র তৈরির মূল কারিগরকে ঈশ্বরদী থেকে আনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এখানে অস্ত্রের বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ তৈরি করা হয়। ট্রিগার, ট্রিগার গার্ডসহ ঢালাই করে যেসব জিনিস বানাতে হয়, সেগুলো এখানে তৈরি হচ্ছিল। এখানে ৩০-৩৫টি অস্ত্রের সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। তবে বাটের কাঠের অংশ, স্প্রিং অন্যস্থানে সংযোজন করা হয়। সেখানেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে।
তিনি বলেন, অনেক আগে থেকে এখানে অস্ত্র তৈরি করা হয় বলে জানতে পেরেছি। এর আগেও এখান থেকে বেশ কয়েকবার খুলনা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে।
২৮৫ দিন আগে
কুষ্টিয়ায় ‘টর্চার সেলের’ সন্ধান, অস্ত্র-মাদকসহ ৫ ‘সন্ত্রাসী’ আটক
কুষ্টিয়ার একটি বাড়ি থেকে পাঁচ ব্যক্তিকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর একটি দল। তারা সবাই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য বলে দাবি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) দিবাগত গভীর রাতে সদর উপজেলার আইলচারা বাজার-সংলগ্ন একটি তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও ফেনসিডিল জব্দ করে দলটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে ওই ভবনটি অপরাধের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছিলেন। তারা বাড়িটিকে একটি টর্চার সেল বা নির্যাতনকেন্দ্রে রূপান্তর করেছিল। সেখানে অপহরণ করে ধরে আনা ব্যক্তিদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো। এরপর অপহৃতদের পরিবার থেকে আদায় করা হতো মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ।
আটকরা হলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বাগডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ইমরান খান মানিক, বড় আইলচারা এলাকার বাসিন্দা রনি, মিরপুর থানার পোড়াদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাটদহ এলাকার বাসিন্দা সজীব এবং একই ইউনিয়নের চিথলিয়া গ্রামের রাব্বি ও শাকিল।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ‘সন্ত্রাসী’ তূর্য গ্রেপ্তার
স্থানীয়দের দাবি, মানিকের নেতৃত্বে এই চক্রটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভয় ও ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছিল। চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাস ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ।
তবে যৌথ অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে এবং অনেকে বাইরে এসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অপহরণ সংক্রান্ত ধারায় একাধিক মামলার প্রস্তুতি চলছে। এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।’
৪৫৭ দিন আগে
প্রকাশ্যে আসতেই দুর্বৃত্তের অস্ত্রের কোপে প্রাণ গেল আত্মগোপনে থাকা ইউপি সদস্যের
নরসিংদীতে ইউপি সদস্য, সাবেক ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আমির হোসেন সরকারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুর দেড়টায় আলোকবালী উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মো. আমির হোসেন সরকার আলোকবালী উত্তর পাড়া গ্রামের আব্দুল হক সরকারের ছেলে। তিনি ছাত্রজীবনে আলোকবালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। সবশেষ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তিনি আলোকবালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত হন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন আমির। প্রবাসফেরত ভাইকে দেখতে আজ (মঙ্গলবার) তিনি বাড়ি ফেরেন। তার আসার বিষয়টি টের পেয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় তারা তাকে ধারালো অসস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে যায়। পরে স্বজনরা তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: যশোরে ফুচকা খেয়ে অসুস্থ ২ শতাধিক, বিক্রেতা গ্রেপ্তার
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি আমি হাসপাতালের মাধ্যমে জানতে পেরেছি।’
৫২১ দিন আগে