কুমিল্লা
কুমিল্লায় শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ১৭ দিন পর দেহ উত্তোলন
কুমিল্লার হোমনায় আয়েশা আক্তার (৬) নামের এক শিশুর রহস্যজনক মৃত্যুর ১৭ দিন পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে দেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার চুনারচর কবরস্থান থেকে মরদেহটি তোলা হয়। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত আয়েশা দক্ষিণ চুনারচর গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. জাকির হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট দুপুরে গ্রামের একটি দোকানের পেছনের ঝোপ থেকে পোশাকবিহীন অবস্থায় আয়েশার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রথমে পানিতে পড়ে মৃত্যুর কথা বলা হলেও উদ্ধারস্থল, পোশাকহীন অবস্থা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে স্থানীয়দের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে শিশুটির বাবা মো. জাকির হোসেন গত ২৫ আগস্ট হোমনা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। তার ধারণা, মেয়েকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়া বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে আদালতের নির্দেশে মরদেহ তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনা, তা স্পষ্ট হবে। অপরাধের প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
মরদেহ উত্তোলনের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আহাম্মেদ মোফাচ্ছের উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে শিশু আয়েশার মরদেহটি তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।
৫ দিন আগে
কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট
নারায়ণগঞ্জের আষাঢ়িয়ারচর সেতুতে সংস্কারকাজের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে আজ শনিবার সকালে কুমিল্লার মাধাইয়া থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও চালকেরা।
সড়ক বিভাগ জানায়, আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজের ঢাকা অভিমুখী লেনে বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে সংস্কারকাজ শুরু করা হয়। এ সময় একটি লেন বন্ধ রেখে অপর লেন দিয়ে উভয় দিকের যানবাহন চলাচল করানো হচ্ছে। এতে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে গতরাত থেকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরে এর প্রভাব দাউদকান্দি ও মেঘনা হয়ে কুমিল্লার মাধাইয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মাধাইয়া থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে একই স্থানে আটকে থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন দূরপাল্লার বাসের যাত্রী, পণ্যবাহী ট্রাকচালকসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকেরা।
বাসযাত্রী সুরাইয়া বেগম বলেন, ‘তিন ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় আটকে আছি। কখন যানজট শেষ হবে, কেউ সঠিকভাবে বলতে পারছে না। এতে খুবই কষ্ট হচ্ছে।’
ট্রাকচালক আতিক বলেন, টানা ১৫ দিন কুমিল্লার আলেখারচর অংশে অসহ্য যানজটে ভুগেছেন তারা। এখন আবার এই এলাকায় এসে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মহাসড়কে চলাচল এখন চরম ভোগান্তির হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেম দাস রায় বলেন, ‘আষাঢ়িয়ারচর ব্রিজের সংস্কারকাজের কারণেই মূলত এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সংস্কারকাজ শেষ হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’
১০ দিন আগে
কুমিল্লায় এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণে ৯১ হাজার আবেদন, হতবাক কর্তৃপক্ষ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য রেকর্ড ৯১ হাজার ৪৯৪টি উত্তরপত্রের পুনর্মূল্যায়ন আবেদন জমা পড়েছে। মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ফল সংশোধনের আবেদন করায় এই সংখ্যাকে ‘আশ্চর্যজনক’ বলে অভিহিত করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করার কথা রয়েছে।
এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৬টি জেলার ১ হাজার ৮২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৯৫ হাজার ৩৯৯ জন, যেখানে পাসের হার ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।
উত্তীর্ণদের মধ্যে ছেলেদের পাসের হার ৬৩ দশমিক ২৪ শতাংশ হলেও এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা, যাদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। তবে গত বছরের তুলনায় পাসের হার সামান্য বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা। এবার মোট ৯ হাজার ৮১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে ৫ হাজার ৮৪৮ জনই ছাত্রী।
বিভাগভিত্তিক পাসের হারে শতকরা হিসাবে এবারও শীর্ষে রয়েছে বিজ্ঞান বিভাগ (৮২.৮৮ শতাংশ)। অন্যদিকে, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম, যা মাত্র ৫০ দশমিক ৬১ শতাংশ। তবে এ বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪টিতে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহসান পারভেজ বলেন, ‘এবার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যা আশ্চর্যজনকভাবে বেশি।’
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের কাজ চালানো হচ্ছে, যাতে নির্ধারিত সময়েই ফল প্রকাশ করা যায়।
১৪ দিন আগে
কুমিল্লায় ঘরে ঢুকে গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লার চান্দিনায় ঘরে ঢুকে বীনা রানী রায় (৫৮) নামে এক গৃহকর্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের বরকইট দক্ষিণপাড়া শীল বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বীনা রানী রায় ওই গ্রামের দিলীপ কুমার রায়ের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে তাপস রায় জানান, আমরা সবাই বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করি, বাড়িতে মা ও বাবা থাকেন। আমার মা প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যায় পূজা-অর্চনা শেষে ঘরে টিভি দেখছিলেন; বাবা দোকানে চা পান করতে গিয়েছিলেন। এমন সময় দুষ্কৃতকারীরা ঘরে ঢুকে আমার মায়ের মাথায় এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এ সময় আমাদের পাশের ঘরের এক জেঠা আমার মায়ের চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আমার মাকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এ বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারেননি।
এ ব্যাপারে বরকইট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নূরে আলম জানান, স্থানীয়ভাবে যেটুকু জেনেছি, তাতে ধারণা করছি যে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে কী কারণে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হতে পাারিনি। আমাদের একাধিক টিম রহস্য উদঘাটনসহ দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।
২১ দিন আগে
এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে কুমিল্লার যমজ দুই ভাই, হতে চায় প্রকৌশলী
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে যমজ দুই ভাই জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন। উপজেলা সদরের দাউদকান্দি আদর্শ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তারা এ সাফল্য অর্জন করেছে।
জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন মেঘনা উপজেলার লুটেরচর ইউনিয়নের চরকাঠাঁলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম ও গৃহিণী নাছরিন আক্তার দম্পতির ছেলে। যমজ দুই ভাইয়ের এমন সাফল্যে পরিবারের সদস্য, স্বজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মন আনন্দে ভরে উঠেছে।
তাদের বাবা মো. আবুল কালাম বলেন, আমার দুই ছেলের একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা এবং একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা। দুজনই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরিবারের সবাই আনন্দিত।
২১ দিন আগে
কুমিল্লায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে হামলার চেষ্টা, যুবকের ৭ দিনের কারাদণ্ড
কুমিল্লা নগরীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চলাকালে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার চেষ্টা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে এক যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে নগরীর মোগলটুলি ও ইসলামপুর রোড এলাকায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ দেন। আদালত পরিচালনা করেন কুসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন।
সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নগরীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ, যানজট নিরসন এবং জনসাধারণের চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ মোগলটুলি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছিল। অভিযান চলাকালে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার একপর্যায়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বাধা সৃষ্টি করেন। সে সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আচমকা কয়েকজন ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র, চাপাতি ও রামদা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দিকে তেড়ে আসেন এবং হামলার চেষ্টা চালান।
এ ঘটনায় সেখানে চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ঘটনাস্থল থেকে একজনকে হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও হামলার চেষ্টার প্রাথমিক সত্যতা মেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অনুযায়ী ওই যুবককে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
দণ্ডিত ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা জানান, নগরবাসীর সুবিধার্থে অবৈধ দখল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কুসিকের এই নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা বা আইনি কাজে বাধা সৃষ্টির মতো ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
২৪ দিন আগে
একসময়ের জলাবদ্ধ পতিত জমি এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বিস্তীর্ণ প্লাবনভূমি এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এক সময় বছরের অধিকাংশ সময় জলাবদ্ধতায় পড়ে থাকা এসব জমিতে এখন বছরে উৎপাদিত হচ্ছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার মাছ। ফলে বদলে গেছে পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র।
উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক-সংলগ্ন ইলিয়টগঞ্জ, আদমপুর, পুটিয়া, বাসরা, রায়পুর, সিংগুলা, লক্ষ্মীপুর ও সুহিলপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে গড়ে উঠেছে অন্তত ১১৫টি মৎস্য প্রকল্প। এসব প্রকল্পে বছরে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে উৎপাদিত হচ্ছে প্রায় ২ লাখ টন মাছ। এখানে রুই, মৃগেল, কাতলা, সিলভার কার্প, সরপুঁটি ও তেলাপিয়াসহ নানা প্রজাতির মাছ চাষ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই জমে ওঠে মাছের বাজার। পাইকারদের কাছে তাজা মাছ মেপে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সূর্যের আলোয় ঝকঝক করছে মাছের শরীর, চারদিকে হাঁকডাক আর ব্যস্ততায় মুখর পরিবেশ। পিকআপ ও ট্রাকভর্তি মাছ যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। নগদ টাকায় মাছ বিক্রি করে সন্তুষ্ট স্থানীয় চাষি ও ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, আগে এসব জমি জলাবদ্ধতার কারণে বছরে আট থেকে নয় মাস পতিত পড়ে থাকত। এক ফসলের বেশি উৎপাদন সম্ভব হতো না। ১৯৮৬ সালে উপজেলার বানুয়াখোলা গ্রামের সুনীল কুমার রায় প্রথম প্লাবনভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ শুরু করেন। তার পথ অনুসরণ করে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে আজকের এই বিশাল মৎস্য খাত।
স্থানীয় মৎস্য প্রকল্প পরিচালক ও স্বত্বাধিকারী মো. নুরুদ্দীন আহমেদ জানান, গত আট বছর ধরে তিনি মাছ চাষের সঙ্গে জড়িত। ছোট পরিসর থেকে শুরু করে বর্তমানে প্রায় ৬০০ বিঘা জমিতে তার প্রকল্প বিস্তৃত।
তিনি বলেন, যেসব জমিতে আগে এক ফসল হতো, সেগুলো এখন মাছ চাষের আওতায় এসেছে। তবে মাছের খাবারের দাম তিনগুণ বেড়ে যাওয়ায় লাভ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার যদি এই খাতে নজর দিত এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দিত, তাহলে আমরা আরও ভালো অবস্থানে যেতে পারতাম।
২৬ দিন আগে
কুমিল্লায় গৃহবধূকে খণ্ডিত করে হত্যার অভিযোগ, ভাড়াটিয়া আটক
কুমিল্লার দেবীদ্বারে ফরিদা বেগম (৫৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে পলিথিন ও বস্তায় ভরে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে লাইলী বেগম (৩৫) নামে ওই বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোটআলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদা বেগম ওই এলাকার মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানায়, গতকাল (শনিবার) সকাল থেকে ফরিদা বেগমের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করেন।
পরে বিকেলে ফরিদা বেগমের বোনের ছেলে মামুন বাড়ির পেছনে কয়েকটি বস্তা ও প্যাকেট দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় কাছে গিয়ে তিনি খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান এবং বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে। সে সময় সন্দেহের ভিত্তিতে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া লাইলী বেগমকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ফরিদা বেগমের খণ্ডিত মরদেহের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মরদেহের মাথা ও পা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও জানান, আটক লাইলী বেগমকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি আরও চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাদের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
স্থানীয়রা জানায়, লাইলী বেগম প্রায় আট দিন আগে দেবীদ্বার পৌর এলাকার চাপানগর গ্রাম থেকে এসে ওই বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেন। তার স্বামী চট্টগ্রামে জাহাজে চাকরি করেন।
নিহত ফরিদা বেগমের দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের এক ছেলে কয়েক বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
এদিকে, স্থানীয়রা জানায় সূত্রে লাইলী বেগমের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের একটি পুরোনো হত্যা মামলার তথ্যও সামনে এসেছে। ওই ঘটনায় একটি শিশুকে হত্যার অভিযোগে লাইলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরবর্তী সময়ে তারা জামিনে মুক্তি পান। তবে ওই মামলার সঙ্গে বর্তমান হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের কারণ, নিহতের সঙ্গে অভিযুক্তদের সম্পর্ক, কোনো পূর্ববিরোধ ছিল কি না এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না—সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহের অংশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘৯টি প্যাকেটে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মাথা ও পা এখনো পাওয়া যায়নি। আটক নারী আরও চারজনের নাম বলেছেন। তাদের সম্পৃক্ততা যাচাই করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
পুলিশ বলছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কারণ বা জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।
৩০ দিন আগে
প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে কুমিল্লার ৮৯৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়
কুমিল্লার প্রায় অর্ধেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। জেলার ২ হাজার ১০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮৯৪টিতে প্রধান শিক্ষক নেই। একই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকেরও ৯৭০টি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সহকারী শিক্ষকদের নিয়মিত শ্রেণি পাঠদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক কাজও সামলাতে হচ্ছে। ফলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ২ হাজার ১০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপরীতে অনুমোদিত প্রধান শিক্ষকের পদও ২ হাজার ১০৭টি। এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১ হাজার ২১৩ জন। ফলে ৮৯৪টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। অর্থাৎ জেলার প্রায় ৪২ দশমিক ৪২ শতাংশ বিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত ১৩ হাজার ৩৮৯টি পদের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১২ হাজার ৪১৯ জন। ফলে ৯৭০টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। এতে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকসংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।
সংকটের বাস্তব চিত্র দেখা যায় কুমিল্লা সদর উপজেলার উত্তর রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শতবর্ষী এ বিদ্যালয়ে প্রায় এক দশক ধরে কোনো স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। এই সময়ে পর্যায়ক্রমে পাঁচজন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ২২৫ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ছয়জন শিক্ষক।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম বলেন, ‘নিয়মিত শ্রেণি পাঠদানের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক, আর্থিক ও দাপ্তরিক সব দায়িত্ব পালন করতে হয়। দুটি দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই পাঠদানে সময় ও মনোযোগ কমে যায়। এতে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাশিত মানের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়।’ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক সহকারী শিক্ষক দেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জেলার অধিকাংশ উপজেলাতেই একই চিত্র বিরাজ করছে। দেবিদ্বার, মুরাদনগর, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম, দাউদকান্দি, বরুড়া, ব্রাহ্মণপাড়া, চান্দিনা, তিতাস, মেঘনা, মনোহরগঞ্জ, সদর দক্ষিণ, আদর্শ সদর, লাকসাম ও হোমনাসহ প্রায় সব উপজেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি, কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মিয়া বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক না থাকলে সহকারী শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। প্রশাসনিক কাজ সামলাতে গিয়ে শ্রেণিকক্ষে যথেষ্ট সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। এতে পাঠদানের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই প্রতিটি বিদ্যালয়ে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি একজন করে হেড ক্লার্ক নিয়োগ দেওয়া জরুরি।’
লাল-সবুজ উন্নয়ন সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাওসার আলম সোহেল বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন জেলার শত শত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, শিক্ষকসংকট একটি বড় সমস্যা। প্রধান শিক্ষক না থাকলে সহকারী শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হয়, যার প্রভাব সরাসরি শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে। শিক্ষার মান ধরে রাখতে দ্রুত শূন্য পদ পূরণ করা জরুরি।’
এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীর জীবনের ভিত্তি। এই পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক না থাকলে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়ে। সহকারী শিক্ষকরা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শ্রেণিকক্ষে যথাযথ মনোযোগ দিতে পারেন না। এর প্রভাব পরবর্তী শিক্ষাজীবনেও পড়ে। তাই শিক্ষকসংকট দ্রুত নিরসন করা উচিৎ।’
তবে কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনছুর আলী চৌধুরী বলেন, ‘২০১৯ সালের পর থেকে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষাকার্যক্রমে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হচ্ছে বলে আমরা মনে করি না। তারপরও শূন্য পদ পূরণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় রয়েছে।’
শিক্ষাবিদদের মতে, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও টেকসই শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ, বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষকসংকট দূর করা এবং প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার ভিত্তি আরও দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৩১ দিন আগে
দেশে মাদকের প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়াবে বিজিবি
কুমিল্লার কোটবাড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে বাংলাদেশে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানো হবে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে আয়োজিত মাদক ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কুমিল্লা ১০ বিজিবি ও সুলতানপুর ৬০ বিজিবি গত তিন থেকে চার বছরে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করে। জব্দ করা এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ কোটি ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২৫ টাকা।
৪২ দিন আগে