কুমিল্লা
কুমিল্লায় সমাহিত হলেন উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩ জন
রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের তিনজনকে কুমিল্লায় তাদের নিজ গ্রামে দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজী বাড়ি প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) রাতে কুমিল্লা নগরীর দারোগা বাড়ি মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে নানুয়াদিঘীর বাসভবনে মরদেহগুলো রাখা হয়।
আজ সকালে মরদেহগুলো তাদের নিজ গ্রামে নিয়ে গেলে এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীসহ এলাকাবাসী নিহতদের এক নজর দেখার জন্য কাজী বাড়িতে ছুটে আসেন।
জানাজার নামাজে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ এলাকার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে কাজী ফজলে রাব্বী (৩৭), তার স্ত্রী আফরোজা বেগম সুবর্ণা (৩০) এবং তাদের সন্তান কাজী ফায়াজ রিশান (৩) নিহত হন।
একমাত্র ছেলে রাব্বী, পুত্রবধূ ও আদরের নাতিকে হারিয়ে শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন কাজী খোরশেদল আলম ও ফেরদৌস আরা বেগম দম্পতি। রাব্বীর মা কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
ঢাকায় জানাজা শেষে মরদেহ রাতেই কুমিল্লায় নানুয়ার দিঘীরপাড়ের বাসায় আনা হয়। এরপর পার্শ্ববর্তী দারোগা বাড়ি জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ (শনিবার) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজী বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
৯ দিন আগে
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ড: ময়মনসিংহে পাশাপাশি সমাহিত হলেন এক পরিবারের ৩ জন
রাজধানীর উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ জনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। একই পরিবারের ৩ সদস্যের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পড়েছে পুরো গ্রাম। অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাবা, ছেলে ও ভাতিজিকে পাশাপাশি তিনটি কবরে দাফন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হারেছ উদ্দিন (৪৭) ও শহীদুল ইসলাম (৪২) কাজের সন্ধানে ১৯৯৪ সালে ঢাকায় যান। দুই ভাই পরিবার নিয়ে রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের একটি বাসায় বসবাস করতেন। উত্তরা জমজম এলাকায় ফলের ব্যবসা করতেন তারা। গতকাল (শুক্রবার) সকালে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডে হারেছ উদ্দিন, তার ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) ও ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫) নিহত হয়। রাহাব উচ্চমাধ্যমিক ও রোদেলা অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরগঞ্জের দড়িপাঁচাশি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দড়িপাঁচাশি দারুর রহমান হাফিজিয়া মাদরাসা-সংলগ্ন মসজিদের পাশে পাশাপাশি তিনটি কবর খোঁড়া হয়েছে। মসজিদের সামনে বাঁশ কেটে রাখা হচ্ছে।
মসজিদের ইমাম ও খতিব আবদুল আজিজ বলেন, মাদরাসা ও মসজিদে নিয়মিত সহযোগিতা করতেন হারেছ উদ্দিন। এমন ভালো মানুষের মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।
হারেছের দোকানে একসময় কাজ করতেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, তিনি দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে এবং শহীদুল ইসলাম স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাসাটিতে থাকতেন। হারেছের তিন বছরের ছেলে আরহান চৌধুরীকে নিয়ে স্ত্রী মিরপুরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। শহীদুলের স্ত্রী সকালে ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। তিনি দোকানে চলে গিয়েছিলেন। এ সময় অগ্নিকাণ্ডে পরিবারের অন্য তিনজন মারা যান।
হারেছের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা বেলা ১১টার দিকে মৃত্যুর খবর পাই। অগ্নিকাণ্ডে ৩ জন মানুষ মারা গেল। এমন মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত।
এই অগ্নিদুর্ঘটনায় মোট ৬ জন নিহত হয়েছে। অন্য তিনজনের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। তাদেরও নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৭
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭ জন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলীয়ারা গ্রামে আবুল খায়ের মেম্বার গ্রুপ ও সালেহ আহম্মদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন নয়ন (৩৫) ও মো. আব্দুর রাজ্জাক (২৯) নামের দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহতদের নাঙ্গলকোট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আলাউদ্দিন নামে একজন সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনার জেরে গ্রামে এক পক্ষ অপর পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে কয়েকটি পরিবারের সদস্য দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ওই পরিবারগুলো নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে এলে আবারও এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এই ব্যাপারে কোনো মামলা হয়নি বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
১০ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, দগ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় নি।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, ঘটনাস্থল থেকে শিশুসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের জ্বালানির বাক্স থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এতে পুরো বাসে আগুন লেগে যায়।
১৮ দিন আগে
কুমিল্লায় উচ্ছেদ অভিযান, কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার
কুমিল্লার মুরাদনগরে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে শুরু করে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার বাঙ্গরা থানা বাজার এলাকার রাজাবাড়ী গ্রামে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।
এ সময় গাজীরহাট-শ্রীকাইল সড়কের পাশে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে দখল করে রাখা ২৫ শতক সরকারি হালট দখলমুক্ত করা হয়।
সাকিব হাসান খান জানান, আকুবপুর ইউনিয়নের রাজাবাড়ী গ্রামের শিশু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম, নূরুল ইসলাম আবন এবং ওসমান মিয়ার ছেলে আবুল বাশারসহ ৭টি পরিবার অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি ভূমি দখল করে রেখেছিল।
এ বিষয়ে ওই গ্রামের নূরুল হক ভূঁইয়ার ছেলে ইয়ার হোসেন এবং আবদুল হক দারোগার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন রুমি লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে বিষয়টি কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের নজরে আনেন।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে মুরাদনগর উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে কয়েক দফায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়, যার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়।
উদ্ধার করা জমির বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকালে মুরাদনগর উপজেলা সার্ভেয়ার মো. শরীফুল ইসলাম, আকুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা সোহাগ এবং বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশের সদস্য ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৯ দিন আগে
কুমিল্লার ১১ আসনে ১০৭ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের লক্ষে কুমিল্লার ১১টি আসনে ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা পর্যায়ের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন তারা। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
কুমিল্লায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেন:
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, জামায়াতের মনিরুজ্জামান বাহালুল, খেলাফত মজলিসের সৈয়দ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পাটির মোহাম্মদ আবুল কালাম, স্বতন্ত্র মারুফ হোসেন, জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ, এবি পার্টির সফিউল বাশার, জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেখার আহসান, স্বতন্ত্র আবু জায়েদ আল মাহমুদ, স্বতন্ত্র ওমর ফারুক ও কাজী মো. ওবায়েদ উল্লাহ।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, জামায়াতের মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আব্দুস সালাম, জাতীয় পার্টির মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. সাহাবুদ্দিন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবদুস সালাম, স্বতন্ত্র মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, এম এ মতিন খান ও অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের রিয়াজ মোহাম্মদ শরীফ, আমজনতা দলের চৌধুরী রকিবুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শরীফ উদ্দীন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. এমদাদুল হক ও গণ অধিকার পরিষদের মো. মনিরুজ্জামান।
কুমিল্লা- ৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, গণঅধিকার পরিষদের মো. জসীম উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মাওলানা মজিবুর রহমান ফরাজী, ইনসানিয়াত বিপ্লব পার্টির ইরফানুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাফেজ মাওলানা মোফাজ্জল হোসেন, আমজনতা দলের মাসুদ রানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম।
কুমিল্লা-০৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির জসিম উদ্দিন, জামায়াতের ড. মোবারক হোসেন, এবি পার্টির ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের তানজীল আহমেদ, জাতীয় পার্টির মো. এনামুল হক খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, এনপিপির মো. আবুল বাশার, জেএসডির শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবুল কালাম ইদ্রিস ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল কাফী।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, এবি পার্টির মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, বাসদের কামরুন নাহার সাথী, ইসলামী ফ্রন্টের মাসুম বিল্লাহ মিয়াজী, মুসলিম লীগের মোহাম্মদ ইয়াছিন, মুক্তিজোটের আমির হোসেন ফরায়জী, জেএসডির ওবায়েদুল কবির মোহন, গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন, স্বতন্ত্র আমিনুর উর রশিদ ইয়াছিন।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, স্বতন্ত্র আতিকুল আলম শাওন, স্বতন্ত্র মাওলানা সালেহ সিদ্দিকী, মুক্তিজোটের সজল কুমার কর, খেলাফত মজলিসের মাওলানা সোলাইমান খাঁন, জামায়াতের মাওলানা মো. মোশারফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মুফতি এহতেশামুল হক।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন, জামায়াতের সফিকুল আলম হেলাল, জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম সাদেক, খেলাফত মজলিশের মো. জোবায়ের হোসেন, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল কাদের, জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলন, বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির মফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির গোলাম মোরশেদ, বাসদের মোহাম্মদ আলী আশরাফ।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির আবুল কালাম, স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা, রশিদ আহমেদ হোসাইনী, জামায়াতের ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলনের সেলিম মাহমুদ, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মাহবুবুর রহমান, স্বতন্ত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, মোহাম্মদ মফিজুর রহমান ও আবদুল হক আমিনী ।
কুমিল্লা -১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির আবদুল গফুর ভুঁইয়া, জামায়াতের মো. ইয়াসিন আরাফাত, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী নুর আলম সিদ্দিকী, আম জনতা দলের আবদুল্লাহ আল নোমান, নাগরিক পরিষদের রমিজ বিন আরিফ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাসান আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামছুদ্দোহা, স্বতন্ত্র মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও মোস্তফা সাজ্জাদ হাসান।
কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহিউদ্দিন শহিদ,মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ, বাংলাদেশ গণফ্রন্টের আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র মো. তৌহিদুল ইসলাম, বিএনপির কামরুল হুদা, জামায়াতের ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম ও জাতীয় পাটির মো. মাইন উদ্দিন।
২৬ দিন আগে
কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
কুমিল্লায় দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় কার্গো ট্রাকের চালক ও সহকারী মারা যান। নিহতদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও চর জব্বারে।
চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন জানান, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানকে পেছন থেকে আসা একটি কার্গো ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের চালক মোহাম্মদ আজিজ (৩১) ও সহকারী শামীম (২৯) গুরুতর আহত হন। তাদের চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপর দুর্ঘটনায়, জেলার বুড়িচং উপজেলায় আক্তার হোসেন নামে একজন নিহত হন। উপজেলার পাচোরা সিন্দুরিয়া এলাকায় মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় একটি ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিলে তিনি দুর্ঘটনাস্থলে নিহত হন।
দুর্ঘটনা দুটির ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম ও ময়নামতি হাইওয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
২৯ দিন আগে
কুমিল্লায় থানা থেকে নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কুমিল্লায় সতীনের ছেলেকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আটক এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হোমনা থানা হেফাজতে থাকা ববিতা নামের ওই নারী আসামির মরদেহ থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কের একটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোরে ওই কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ববিতার মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত ববিতা হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্শেদুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বুধবার সকালে ববিতা তার সতীনের ১১ বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এ সময় শিশুটির নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সায়মনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা ববিতাকে আটক করে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় আহত সায়মনের চাচা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতে হোমনা থানায় একটি মামলা করেন।
ওসি বলেন, ‘ববিতাকে রাতে থানার নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়েছিল। ওই কক্ষে তার সঙ্গে আরও একজন নারী আসামি ও একজন নারী গ্রাম পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। ভোরের দিকে স্টাফ রুমে যাওয়ার সুযোগে ববিতা আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, সকালে বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৪০ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস ধর্মঘট, যাত্রীদের ভোগান্তি
দাবি আদায়ে নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে কুমিল্লা বাস মালিক সমিতি। এতে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার প্রায় ৪০টি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে নগরীর জাঙ্গালিয়া, শাসনগাছা ও চকবাজার বাস টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ফলে কুমিল্লা-ঢাকা, কুমিল্লা-চট্টগ্রাম, কুমিল্লা-সিলেট, কুমিল্লা-চাঁদপুরসহ অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সড়কগুলোতে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে আইদি পরিবহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। পরিবহন নেতাদের দাবি, কুমিল্লা নগরীর তিনটি বাস টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রতিদিন কয়েক হাজার বাস ও মিনিবাস চলাচল করে। তবে যথাযথ রুট পারমিট ছাড়াই টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাইছে আইদি পরিবহন।
তবে আইদি পরিবহনের চেয়ারম্যান মীর পারভেজ আলমের অভিযোগ, ২০২৩ সালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়েই কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে তাদের বাস চলাচল শুরু হয়। কিন্তু শুরু থেকেই কুমিল্লা বাস মালিক গ্রুপের একটি সিন্ডিকেট তাদের চলাচলে বাধা দিয়ে আসছে। এ কারণে কুমিল্লা জেলা প্রশাসন বাসটিকে রুট পারমিট দেয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে বাধ্য হয়ে জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনাল বাদ দিয়ে দুই কিলোমিটার দূরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বাস সার্ভিস চালু করা হয়। আইনি কোনো বাধা না থাকলেও এখনো কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, কুমিল্লা বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আইদি পরিবহন চাঁদপুর জেলা প্রশাসন থেকে অনুমতি পেলেও কুমিল্লা থেকে রুট পারমিট নেয়নি। এরপরও তারা কুমিল্লার বাস টার্মিনাল ব্যবহার করতে চাচ্ছে। এর আগে একাধিকবার তাদের বাধা দেওয়া হলেও বিজয় দিবসের দিন হঠাৎ করে কিছু বাস টার্মিনালে আনা হয়। বুধবারও সেখান থেকে বাস চলাচল করেছে। বৃহস্পতিবার আবার বাস আনার চেষ্টা করলে সকাল থেকে নগরীর তিনটি টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
এদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মস্থলগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে বিকল্প যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
৪০ দিন আগে
হাদিকে গুলির পর কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের পর থেকে কুমিল্লা সীমান্তজুড়ে টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে অতিরিক্ত নজরদারির পাশাপাশি ফোর্স বাড়ানো হয়েছে। গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
সরেজমিনে জেলার চৌদ্দগ্রাম, সদর দক্ষিণ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গোলাবাড়ি, বিবিরবাজার, বৌয়ারা বাজার ও চৌদ্দগ্রামের আমানগড় এলাকায় বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিবিরবাজার এলাকার বাসিন্দা আবু হাশেম বলেন, ঢাকায় গুলির ঘটনার পর শুক্রবার ও শনিবার সীমান্ত অনেকটা গরম। বিজিবি চেকপোস্ট বাড়িয়েছে, যাকে পাচ্ছে তাকেই তল্লাশি করছে।
৪৪ দিন আগে