কুমিল্লা
কুমিল্লায় যুবদলের নেতাকে কুপিয়ে ‘হত্যা’
কুমিল্লা মহানগরীর ছত্রখিল এলাকায় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবদল নেতা কাউছার কুমিল্লা মহানগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাপ্তান বাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্বৃত্তরা কাউছারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে রেখে যায়। পরে তারা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, পূর্বশত্রুতা বা অন্য কোনো বিরোধের জেরে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযানে ৫১৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীররাত পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার কিশোর গ্যাং বিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ১৮টি থানা এলাকায় জেলা পুলিশের সকল ইউনিট এবং ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান চালায়।
অভিযানে নগরী এবং প্রত্যেকটি থানা এলাকায় যেসব জায়গায় কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সে সব চিহ্নিত স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে পুলিশ ৫১৯ জনকে আটক করে।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান জানান, আটকদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। উঠতি বয়সী কিশোরেরা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে, সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
২ দিন আগে
কুমিল্লায় খাদে বাস, হেলপার নিহত
কুমিল্লার বরুড়ায় বলাকা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে হেলপার নিহত ও পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) উপজেলার দেওড়া ফকিরা মোকাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আতিকুল্লাহ সবুজ (২২) বরুড়া উপজেলার ঝলম ইউনিয়নের হাজারপাড় গ্রামের বাসিন্দা।
বাসচালক মনির বলছেন, স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি নিজেই গাড়িটির মালিক এবং দুর্ঘটনার সময় তিনিই বাসটি চালাচ্ছিলেন।
এদিকে দুর্ঘটনায় নিহত সবুজের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিক নেতা আবদুল জলিল। নিহতের পরিবারকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া বলাকা বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আরও আর্থিক সহযোগিতা এবং আহত যাত্রীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা জানানো হয়েছে।
বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতের দেহ উদ্ধার করে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি থানার হেফাজতে রাখা হবে জানিয়ে ওসি বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থীকে পাওয়া গেল কুমিল্লায়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মোহাইমিনুল ইসলামকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দাউদকান্দি মডেল মসজিদের পাশের একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, মোহাইমিনুল অন্য একজনের মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে তার বিভাগের শিক্ষার্থী শফিউজ্জামান শাহীনকে মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠান। ওই বার্তায় তিনি দাউদকান্দি মডেল মসজিদের আশপাশে রয়েছেন বলে জানান এবং তাকে উদ্ধারের অনুরোধ করেন।
বার্তাটি পাওয়ার পর সাভার থানা পুলিশ বিষয়টি দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশকে জানায়। পরে দাউদকান্দি পুলিশ অভিযান চালিয়ে মসজিদের পাশের একটি বাড়ি থেকে মোহাইমিনুলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর রাত ১০টার দিকে সাভার থানা পুলিশ দাউদকান্দি থানায় পৌঁছালে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওসি পলাশ বলেন, ‘মোহাইমিনুলকে কেউ আটকে রাখেনি। তিনি নিজেই মসজিদের পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।’
উদ্ধার হওয়ার পর মোহাইমিনুলকে শারীরিকভাবে সুস্থ মনে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গতকাল (সোমবার) বিকেলে মোহাইমিনুলের সন্ধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি মোহাইমিনুলের সন্ধানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগসহ প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানান।
গত রবিবার বিকেল ৩টা ৮ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনে থেকে ঢাকাগামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিআরটিসি বাসে ওঠেন মোহাইমিনুল। এরপর তার কক্ষে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়। সেখানে বিভাগের অবহেলার কথা উল্লেখ থাকায় বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নোট পাওয়ার পর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করাও সম্ভব হচ্ছিল না।
৫ দিন আগে
সকালে হাঁটতে বের হয়ে গাড়িচাপায় দম্পতি নিহত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সকালে হাঁটতে বের হয়ে এক অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলা হরিপুর মসজিদের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন উপজেলার জিংলাতলী গ্রামের নজরুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৪৮)। তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ঝরনা বেগম সকালে হাঁটতে বের হন। ফজর নামাজ পড়ে তারা জিংলাতলী গ্রামের বাড়ি থেকে হাঁটতে হাঁটতে মহাসড়কের গৌরীপুর ইউনিয়নের হরিপুরের কাছে এসেছিলেন।
মহাসড়কে হাঁটার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এ সময় তারা ছিটকে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর অন্য পথচারীরা দুইজনকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে উপজেলা গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তাদের মৃত্যু হয়েছে।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রেমলাল দাস বলেন, অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। মহাসড়কের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে গাড়িটি শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
৫ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫৩
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৩৫৩ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম চালানো হয় বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ। জেলার ১৮টি থানার পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এতে অংশ নেয়।
কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার যেসব থানা এলাকায় কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে, সেসব স্থানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
আটক ব্যক্তিরা অপরাধে জড়িত কি না, তা যাচাই করছে পুলিশ। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযান চলাকালে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নজরদারি করা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
৬ দিন আগে
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় অটোরিকশাচালক সুমন গ্রেপ্তার
কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যার ঘটনায় সুমন নামে এক অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তার সুমন স্কুলছাত্রীকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির চালক।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালিয়ে তাকে চট্টগ্রাম নগরী থেকে গ্রেপ্তার করে। সুমনকে নিয়ে পুলিশ কুমিল্লায় রওয়ানা দিয়েছে। কুমিল্লায় পৌঁছালে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। তবে কখন সংবাদ সম্মেলন করা হবে সেই বিষয়ে তিনি কিছুই জানাননি।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের ধানক্ষেত থেকে জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জান্নাতুল যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলা গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা রিজিয়নে চাকরি করছেন। তারা কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
এই ঘটনার পর নিহত জান্নাতুলের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ২৫২
কুমিল্লা জেলায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে, এমন বিভিন্ন স্থানকে অভিযানের আওতায় আনা হয়। এতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন।
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. লুৎফর রহমান জানান, আটকদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে অভিযানের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
৯ দিন আগে
কুমিল্লায় তিন কিশোর গ্যাংয়ের ৫ হোতা গ্রেপ্তার
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তিন গ্যাংয়ের পাঁচ হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৫ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশের কনফারেন্স হলে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
গ্রেপ্তাররা হলেন কোতোয়ালি থানা এলাকার ‘শ্যামল স্কোয়াড’ গ্যাংয়ের জিসান (১৯) ও সাইফুল ইসলাম (২০); চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকার ‘১২০৭’ গ্যাংয়ের মো. তারেক হোসেন সৈকত (১৯) ও মো. জাকির আহমদ (২৩) এবং মনোহরগঞ্জ থানা এলাকার ‘পিএক্স ১০’ গ্যাংয়ের মো. শাকিব (১৭)।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে কোতোয়ালি, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেপ্তারদের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছে।
গ্রেপ্তারদের কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১৩ দিন আগে
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক আরও ৩৬৩
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী বখাটেদের বিরুদ্ধে ফের অভিযান চালিয়ে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সরাসরি অংশগ্রহণে জেলার ১৮টি থানার পুলিশ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও ডিবি একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে।
এ নিয়ে পাঁচ দফার অভিযানে মোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে প্রথম দফায় ৬২৪ জন, দ্বিতীয় দফায় ২৫৪ জন, তৃতীয় দফায় ৪১৫ জন এবং চতুর্থ দফায় ৩৭৯ জনকে আটক করা হয়। সর্বশেষ ৩৬৩ জনসহ পাঁচ দফায় আটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৫ জনে।
পুলিশ জানায়, কুমিল্লা মহানগরীসহ বিভিন্ন থানা এলাকার কিশোর বয়সী বখাটেদের উৎপাত রয়েছে এমন স্থান, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও আড্ডাস্থলে অভিযান চালানো হয়। আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জেলা পুলিশ জানায়, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ রোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ।
১৫ দিন আগে