কুমিল্লা
কুমিল্লায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লার ১১টি আসন থেকে মোট ৮৩ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ৫৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, আর টিকেছে ২৬ জনের। এ হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রায় ৬৮ শতাংশেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, কুমিল্লা-১ আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৭ জনের।
এ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন— স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জায়েদ আল মাহমুদ, ওমর ফারুক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ, বাংলাদেশ জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মোহাম্মদ আবুল কালাম, এবি পার্টির মো. সফিউল বাসার ও জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেকার আহসান।
কুমিল্লা-২ আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফুল আলম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আব্দুস সালাম ও জাতীয় পার্টির মো. আমির হোসেন।
কুমিল্লা-৩ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন ৯ জন। তাদের মধ্যে ৭ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ওই প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আবদুল কাইয়ুম, আমজনতার দলের চৌধুরী রকিবুল হক, গণঅধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান, বিআরপির মো. এমদাদুল হক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. শরীফ উদ্দিন সরকার ও এনডিএমের রিয়াজ মো. শরীফ।
কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন— ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইরফানুল হক সরকার, খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম।
কুমিল্লা-৫ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৮ জনের। এ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত প্রার্থীরা হলেন— বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল ক্বাফী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবুল কালাম ইদ্রিস, ইনসানিয়াত বিপ্লবের তানজিল আহমেদ, এনপিপির মো. আবুল বাসার, জাতীয় পার্টির মো. এমরানুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, এবি পার্টির যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া ও জেএসডির শিরিন আক্তার।
কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন ৯ প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৭ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন- জেএসডির ওবায়দুল করিম মোহন, বাসদের কামরুন্নাহার সাথী, গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, মুক্তিজোটের মো. আমির হোসেন ফরায়েজী, বিএমএলের মো. ইয়াছিন ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মাসুম বিল্লাহ মিয়াজী।
কুমিল্লা-৭ আসনে ৫ প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়ন বাজেয়াপ্ত হয়েছে ২ জনের। তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. এহতেশামুল হক এবং মুক্তিজোটের সজল কুমার কর।
কুমিল্লা-৮ আসনে ৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন— ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল কাদের, জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান, বিএসপির মোহাম্মদ গোলাম মোরশেদ, বাসদের মো. আলী আশ্রাফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম ছাদেক ও বিআরপির মফিজ উদ্দীন আহমেদ।
কুমিল্লা-৯ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৬ জনের, প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন— ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর ছিদ্দিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কাশেম, জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল, মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেলিম মাহমুদের।
কুমিল্লা-১০ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন— মুক্তিজোটের কাজী নুওে আলম ছিদ্দিকি, আমজনতার দলের আবদুল্লাহ আল নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামসুদ্দোহা, গণঅধিকার পরিষদের রমিজ বিন আরিফ ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাছান আহমেদ।
কুমিল্লা-১১ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৫ জনের। এই আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৭ জন। জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন— বাংলাদেম কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম, মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ, গণফ্রন্টের মো. আলমগীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মহিউদ্দিন।
১ দিন আগে
কুমিল্লায় কেন্দ্রে ঢুকে ধানের শীষে ‘সিল মারার চেষ্টা’, আটক ৩
কুমিল্লা-১০ আসনের লালমাই উপজেলার চৌদ্দদোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে তারা ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে সিল মারার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুপুরে একদল দুর্বৃত্ত জোরপূর্বক কেন্দ্রে প্রবেশ করে ৩টি ভোটকক্ষে ঢুকে পড়ে। একপর্যায়ে তারা ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারার চেষ্টা করে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় কোনো সিল মারা ব্যালট বাক্সে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিল মারা ৩৮টি ব্যালট উদ্ধার করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো বাতিল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং পৃথকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা। তিনি বলেন, আমরা বাইরে থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য এসেছি। যারা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছিল, তাদের কাউকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত কেন্দ্রে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার কারণে দুপুর দেড়টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। পরে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
এ বিষয়ে লালমাইয়ের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, উদ্ধার হওয়া সিল মারা ব্যালটগুলো ‘নষ্ট ব্যালট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
ঐক্যের সরকার গড়তে চায় জামায়াত, বিরোধীদেরও দেবে অংশগ্রহণের প্রস্তাব
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি; আগামীতে ঐক্যের সরকার গড়ব। আমরা সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করলে, যারা এখন আমাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদেরও প্রস্তাব দেব দেশ চালাতে ভূমিকা রাখার জন্য। তবে শর্ত হচ্ছে দুর্নীতি করতে পারবেন না, জুলাইকে বাস্তবায়ন করতে হবে।’
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবসময় মজলুমের পক্ষে ছিল, আছে এবং থাকবে। আমরা জামায়াতে ইসলামীর আলাদা কোনো বিজয় চাই না; আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত বিজয়। যে আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রতীক থাকবে সেখানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যেতে হবে, যাতে ৩০০ আসনেই বিজয় নিশ্চিত হয়।
শফিকুর রহমান বলেন, যারা আমাদের মা-বোনদের গায়ে হাত দেয়, তাদের হাতে দেশের ৯ কোটি মা–বোন কখনোই নিরাপদ নয়। মা–বোনদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এ সময় বিএনপিকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, মজলুম কীভাবে জালিমে পরিণত হয়? আপনারাও তো একসময় মজলুম ছিলেন, এখন কেন জালিম হলেন?
এই রাজনীতিক বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ একটি বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চায়। ভোটের দিন ১২ তারিখের পর ১৩ তারিখে যে নতুন অধ্যায় শুরু হবে, তার ভরকেন্দ্রে থাকবে যুবসমাজ এবং দেশের মা-বোনেরা।
তিনি বলেন, বিগত সময়ে শত অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও আমরা দেশ ছাড়িনি। আমরা ছিলাম, আমরা আছি এবং আমরা থাকব ইনশাআল্লাহ। আমরা মজলুম ছিলাম, মজলুমে দুঃখ আমরা বুঝি। এজন্য আমরা কখনও জালিম হবো না।’
নারী ভোটারদের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, মা-বোনেরা কোনো জুজুর ভয় পাবেন না। কোনো ভয়-ভীতিতে আপনারা ক্ষান্ত হবেন না। আপনারা ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিন; চাঁদাবাজদের রুখে দিন। জামায়াত ক্ষমতায় এলেই মা-বোনেরা নিরাপদে থাকবেন। আপনারা সেই মা যারা আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ আর ওসমান হাদিদের জন্ম দিয়েছেন। যারা আপনাদের ভয় দেখায় আপনারা তাদের রুখে দিন। বলুন ভোট আমি দিতে যাব, ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে দেব, পারলে ঠেকাও।
যুবকদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, কোনো যুবকের হাতে বেকার ভাতা তুলে দেব না। যুবকদের দেশ গড়ার কারিগরে পরিণত করব। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আমরা যুবকদের সম্মানের জায়গায় বসাতে চাই।
জামায়াতে ইসলামীর এ নির্বাচনি জনসভায় এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
১৬ দিন আগে
কুমিল্লায় সমাহিত হলেন উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৩ জন
রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের তিনজনকে কুমিল্লায় তাদের নিজ গ্রামে দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজী বাড়ি প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) রাতে কুমিল্লা নগরীর দারোগা বাড়ি মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে নানুয়াদিঘীর বাসভবনে মরদেহগুলো রাখা হয়।
আজ সকালে মরদেহগুলো তাদের নিজ গ্রামে নিয়ে গেলে এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশীসহ এলাকাবাসী নিহতদের এক নজর দেখার জন্য কাজী বাড়িতে ছুটে আসেন।
জানাজার নামাজে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ এলাকার শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগে কাজী ফজলে রাব্বী (৩৭), তার স্ত্রী আফরোজা বেগম সুবর্ণা (৩০) এবং তাদের সন্তান কাজী ফায়াজ রিশান (৩) নিহত হন।
একমাত্র ছেলে রাব্বী, পুত্রবধূ ও আদরের নাতিকে হারিয়ে শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন কাজী খোরশেদল আলম ও ফেরদৌস আরা বেগম দম্পতি। রাব্বীর মা কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
ঢাকায় জানাজা শেষে মরদেহ রাতেই কুমিল্লায় নানুয়ার দিঘীরপাড়ের বাসায় আনা হয়। এরপর পার্শ্ববর্তী দারোগা বাড়ি জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ (শনিবার) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজী বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।
৩০ দিন আগে
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ড: ময়মনসিংহে পাশাপাশি সমাহিত হলেন এক পরিবারের ৩ জন
রাজধানীর উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ জনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। একই পরিবারের ৩ সদস্যের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পড়েছে পুরো গ্রাম। অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাবা, ছেলে ও ভাতিজিকে পাশাপাশি তিনটি কবরে দাফন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হারেছ উদ্দিন (৪৭) ও শহীদুল ইসলাম (৪২) কাজের সন্ধানে ১৯৯৪ সালে ঢাকায় যান। দুই ভাই পরিবার নিয়ে রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের একটি বাসায় বসবাস করতেন। উত্তরা জমজম এলাকায় ফলের ব্যবসা করতেন তারা। গতকাল (শুক্রবার) সকালে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডে হারেছ উদ্দিন, তার ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) ও ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫) নিহত হয়। রাহাব উচ্চমাধ্যমিক ও রোদেলা অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরগঞ্জের দড়িপাঁচাশি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দড়িপাঁচাশি দারুর রহমান হাফিজিয়া মাদরাসা-সংলগ্ন মসজিদের পাশে পাশাপাশি তিনটি কবর খোঁড়া হয়েছে। মসজিদের সামনে বাঁশ কেটে রাখা হচ্ছে।
মসজিদের ইমাম ও খতিব আবদুল আজিজ বলেন, মাদরাসা ও মসজিদে নিয়মিত সহযোগিতা করতেন হারেছ উদ্দিন। এমন ভালো মানুষের মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।
হারেছের দোকানে একসময় কাজ করতেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, তিনি দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে এবং শহীদুল ইসলাম স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাসাটিতে থাকতেন। হারেছের তিন বছরের ছেলে আরহান চৌধুরীকে নিয়ে স্ত্রী মিরপুরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। শহীদুলের স্ত্রী সকালে ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। তিনি দোকানে চলে গিয়েছিলেন। এ সময় অগ্নিকাণ্ডে পরিবারের অন্য তিনজন মারা যান।
হারেছের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা বেলা ১১টার দিকে মৃত্যুর খবর পাই। অগ্নিকাণ্ডে ৩ জন মানুষ মারা গেল। এমন মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত।
এই অগ্নিদুর্ঘটনায় মোট ৬ জন নিহত হয়েছে। অন্য তিনজনের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। তাদেরও নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
৩০ দিন আগে
কুমিল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৭
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৭ জন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলীয়ারা গ্রামে আবুল খায়ের মেম্বার গ্রুপ ও সালেহ আহম্মদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে দেলোয়ার হোসেন নয়ন (৩৫) ও মো. আব্দুর রাজ্জাক (২৯) নামের দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহতদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহতদের নাঙ্গলকোট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।
স্থানীয়রা জানান, গত ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আলাউদ্দিন নামে একজন সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনার জেরে গ্রামে এক পক্ষ অপর পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে কয়েকটি পরিবারের সদস্য দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে বাইরে অবস্থান করতে বাধ্য হয়।
সম্প্রতি সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে ওই পরিবারগুলো নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে এলে আবারও এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এই ব্যাপারে কোনো মামলা হয়নি বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৩০ দিন আগে
কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, দগ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় বাস, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় নি।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার জানান, ঘটনাস্থল থেকে শিশুসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিস দুর্ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল ও বাসের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের জ্বালানির বাক্স থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এতে পুরো বাসে আগুন লেগে যায়।
৩৮ দিন আগে
কুমিল্লায় উচ্ছেদ অভিযান, কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার
কুমিল্লার মুরাদনগরে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে প্রায় কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা থেকে শুরু করে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার বাঙ্গরা থানা বাজার এলাকার রাজাবাড়ী গ্রামে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব হাসান খান।
এ সময় গাজীরহাট-শ্রীকাইল সড়কের পাশে দীর্ঘ দিন যাবৎ অবৈধভাবে দখল করে রাখা ২৫ শতক সরকারি হালট দখলমুক্ত করা হয়।
সাকিব হাসান খান জানান, আকুবপুর ইউনিয়নের রাজাবাড়ী গ্রামের শিশু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম, নূরুল ইসলাম আবন এবং ওসমান মিয়ার ছেলে আবুল বাশারসহ ৭টি পরিবার অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি ভূমি দখল করে রেখেছিল।
এ বিষয়ে ওই গ্রামের নূরুল হক ভূঁইয়ার ছেলে ইয়ার হোসেন এবং আবদুল হক দারোগার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন রুমি লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে বিষয়টি কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের নজরে আনেন।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে মুরাদনগর উপজেলা ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে কয়েক দফায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয়, যার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন উচ্ছেদের নির্দেশ দেয়।
উদ্ধার করা জমির বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাসান খান।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকালে মুরাদনগর উপজেলা সার্ভেয়ার মো. শরীফুল ইসলাম, আকুবপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা সোহাগ এবং বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশের সদস্য ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৩৯ দিন আগে
কুমিল্লার ১১ আসনে ১০৭ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের লক্ষে কুমিল্লার ১১টি আসনে ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা পর্যায়ের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন তারা। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
কুমিল্লায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেন:
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, জামায়াতের মনিরুজ্জামান বাহালুল, খেলাফত মজলিসের সৈয়দ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পাটির মোহাম্মদ আবুল কালাম, স্বতন্ত্র মারুফ হোসেন, জাসদের বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বশির আহমেদ, এবি পার্টির সফিউল বাশার, জাতীয় পার্টির সৈয়দ মো. ইফতেখার আহসান, স্বতন্ত্র আবু জায়েদ আল মাহমুদ, স্বতন্ত্র ওমর ফারুক ও কাজী মো. ওবায়েদ উল্লাহ।
কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে বিএনপির অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, জামায়াতের মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আব্দুস সালাম, জাতীয় পার্টির মো. আমির হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মো. সাহাবুদ্দিন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবদুস সালাম, স্বতন্ত্র মো. রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, এম এ মতিন খান ও অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপির কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, জামায়াতের মো. ইউসুফ সোহেল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. খোরশেদ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের রিয়াজ মোহাম্মদ শরীফ, আমজনতা দলের চৌধুরী রকিবুল হক, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শরীফ উদ্দীন সরকার, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. এমদাদুল হক ও গণ অধিকার পরিষদের মো. মনিরুজ্জামান।
কুমিল্লা- ৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, এনসিপির হাসনাত আব্দুল্লাহ, গণঅধিকার পরিষদের মো. জসীম উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মাওলানা মজিবুর রহমান ফরাজী, ইনসানিয়াত বিপ্লব পার্টির ইরফানুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হাফেজ মাওলানা মোফাজ্জল হোসেন, আমজনতা দলের মাসুদ রানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুল করিম।
কুমিল্লা-০৫ (বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপির জসিম উদ্দিন, জামায়াতের ড. মোবারক হোসেন, এবি পার্টির ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের তানজীল আহমেদ, জাতীয় পার্টির মো. এনামুল হক খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, এনপিপির মো. আবুল বাশার, জেএসডির শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবুল কালাম ইদ্রিস ও বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির আবদুল্লাহ আল কাফী।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর) আসনে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াতের কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, এবি পার্টির মিয়া মোহাম্মদ তৌফিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, বাসদের কামরুন নাহার সাথী, ইসলামী ফ্রন্টের মাসুম বিল্লাহ মিয়াজী, মুসলিম লীগের মোহাম্মদ ইয়াছিন, মুক্তিজোটের আমির হোসেন ফরায়জী, জেএসডির ওবায়েদুল কবির মোহন, গণঅধিকার পরিষদের মোবারক হোসেন, স্বতন্ত্র আমিনুর উর রশিদ ইয়াছিন।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিএনপির ড. রেদোয়ান আহমেদ, স্বতন্ত্র আতিকুল আলম শাওন, স্বতন্ত্র মাওলানা সালেহ সিদ্দিকী, মুক্তিজোটের সজল কুমার কর, খেলাফত মজলিসের মাওলানা সোলাইমান খাঁন, জামায়াতের মাওলানা মো. মোশারফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মুফতি এহতেশামুল হক।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন, জামায়াতের সফিকুল আলম হেলাল, জাতীয় পার্টির এইচ এম এম ইরফান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. গোলাম সাদেক, খেলাফত মজলিশের মো. জোবায়ের হোসেন, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল কাদের, জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম মিলন, বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির মফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির গোলাম মোরশেদ, বাসদের মোহাম্মদ আলী আশরাফ।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপির আবুল কালাম, স্বতন্ত্র সামিরা আজিম দোলা, রশিদ আহমেদ হোসাইনী, জামায়াতের ড. সৈয়দ একেএম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলনের সেলিম মাহমুদ, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মাহবুবুর রহমান, স্বতন্ত্র ইয়াছির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক, মোহাম্মদ মফিজুর রহমান ও আবদুল হক আমিনী ।
কুমিল্লা -১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনে বিএনপির আবদুল গফুর ভুঁইয়া, জামায়াতের মো. ইয়াসিন আরাফাত, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী নুর আলম সিদ্দিকী, আম জনতা দলের আবদুল্লাহ আল নোমান, নাগরিক পরিষদের রমিজ বিন আরিফ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের হাসান আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামছুদ্দোহা, স্বতন্ত্র মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া ও মোস্তফা সাজ্জাদ হাসান।
কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহিউদ্দিন শহিদ,মুক্তিজোটের মোহাম্মদ ইউসুফ, বাংলাদেশ গণফ্রন্টের আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র মো. তৌহিদুল ইসলাম, বিএনপির কামরুল হুদা, জামায়াতের ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আ ফ ম আবদুর রহিম ও জাতীয় পাটির মো. মাইন উদ্দিন।
৪৬ দিন আগে
কুমিল্লায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
কুমিল্লায় দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় কার্গো ট্রাকের চালক ও সহকারী মারা যান। নিহতদের বাড়ি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ ও চর জব্বারে।
চৌদ্দগ্রাম হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন জানান, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানকে পেছন থেকে আসা একটি কার্গো ট্রাক সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের চালক মোহাম্মদ আজিজ (৩১) ও সহকারী শামীম (২৯) গুরুতর আহত হন। তাদের চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপর দুর্ঘটনায়, জেলার বুড়িচং উপজেলায় আক্তার হোসেন নামে একজন নিহত হন। উপজেলার পাচোরা সিন্দুরিয়া এলাকায় মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় একটি ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিলে তিনি দুর্ঘটনাস্থলে নিহত হন।
দুর্ঘটনা দুটির ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম ও ময়নামতি হাইওয়ে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
৫০ দিন আগে