ক্যানসার
ক্যানসারসহ ৬ রোগে আক্রান্তদের এককালীন ১ লাখ টাকা সহায়তার প্রস্তাব
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যানসার, কিডনি ও অন্যান্য দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির ঘোষণা এসেছে। নতুন বাজেটে এসব রোগীদের এককালীন চিকিৎসা সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এসব কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘদিনের শূন্যপদ পূরণের অংশ হিসেবে শিগ্গিরই ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক এবং প্রায় ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী কর্মী থাকবেন।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অতীতের দুর্বল পরিকল্পনা ও অবহেলার কারণে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, যার ফলে দেশে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে প্রায় শতভাগ শিশুকে হাম, রুবেলা টিকা দিয়েছে।’
এছাড়া মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ১৮ লাখ ৯৫ হাজার মা ও শিশুকে মাসে ৮৫০ টাকা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
পাশাপাশি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি খাতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে এবং নার্সিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ প্রথমবারের মতো জিডিপির ১ শতাংশের ওপরে নেওয়া হয়েছে। মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
৩ দিন আগে
ক্যানসারের চিকিৎসায় আশার আলো: নতুন ইনজেকশনে সম্পূর্ণ টিউমার নির্মূল সম্ভব
ত্রিমুখী ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন ধরনের একটি ক্যানসারবিরোধী ইনজেকশন রোগীদের শরীরের টিউমার সম্পূর্ণ নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক এক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে। চিকিৎসকরা এই ফলাফলকে ‘অভূতপূর্ব’ বলে অভিহিত করেছেন। এটি ক্যানসারের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ১১টি দেশে পরিচালিত এই আন্তর্জাতিক ট্রায়ালে (ক্লিনিকাল ট্রায়াল) এমন রোগীদের এই ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল, যাদের ক্যান্সার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে বা পুনরায় ফিরে এসেছে এবং প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসায় কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।
‘অ্যামিভ্যান্টাম্যাব’ (Amivantamab) নামের এই ইনজেকশন এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি রোগীর টিউমার ছোট করে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে। এর মধ্যে ১৫ জন রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা দেখতে পান, তাদের টিউমার সম্পূর্ণভাবে বিলীন হয়ে গেছে।
লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চের (আইসিআর) জৈবিক ক্যানসার চিকিৎসাবিষয়ক অধ্যাপক কেভিন হ্যারিংটন বলেন, ‘যেসব রোগীর ক্যানসার কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি উভয় চিকিৎসারই প্রতিরোধী (রেজিস্ট্যান্ট) হয়ে উঠেছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের রোগীদের জন্য চিকিৎসার বিকল্প খুবই সীমিত। তাই এমন সুফল সত্যিই অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক।’
একইসঙ্গে রয়্যাল মার্সডেন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের কনসালট্যান্ট অনকোলজিস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করা হ্যারিংটন আরও বলেন, ‘এই চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতি বছর হাজার হাজার রোগী উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’
শিকাগোতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্যান্সার সম্মেলন ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি’র (অ্যাসকো) বার্ষিক সভায় আজ রবিবার এই ফলাফল উপস্থাপন করা হবে।
মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আশাব্যঞ্জক ফল
ট্রায়ালে বিশ্বের ষষ্ঠ সর্বাধিক প্রচলিত ক্যানসার—মাথা ও ঘাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত ১০২ জন রোগীকে এই ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের টিউমার ছোট হয়ে যায় বা সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায়। এর মধ্যে ২৮ জনের টিউমার উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত হয় এবং ১৫ জনের টিউমার পুরোপুরি নির্মূল হয়।
গবেষকরা জানান, ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও এই ইনজেকশন একই ধরনের ইতিবাচক ফল দেখিয়েছেভ
জনসন অ্যান্ড জনসনের উদ্ভাবিত অ্যামিভ্যান্টাম্যাব বর্তমানে প্রায় ৬০টি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফুসফুসের ক্যানসারের পাশাপাশি মলাশয় (কোলোরেক্টাল), মস্তিষ্ক ও পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রেও এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে।
১৫ দিন আগে
আফ্রিকান নারীদের শরীরে ক্যানসার ছড়াচ্ছে ত্বক ফর্সাকারী পণ্য
আফ্রিকার দেশ টোগোর ৬৫ বছর বয়সী এক নারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মাত্র দুই মাস পর মারা যাওয়ার ঘটনা বেশ সাড়া ফেলেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, ত্বক ফর্সা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত প্রসাধনী ক্রিমই তার মৃত্যুর কারণ। শরীরে জমা হওয়া বিষক্রিয়াই প্রাণহানির কারণ হয়েছে।
এই মৃত্যু নতুন নয়; আফ্রিকার নানা দেশে এমন ঘটনা এখন ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—মানুষ কেন এমন বিপজ্জনক পথে হাঁটছে?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর শিকড় লুকিয়ে আছে বহু পুরোনো এক মানসিকতায়—যেখানে ফর্সা ত্বক মানেই সৌন্দর্য, মর্যাদা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা। এই মানসিকতা এসেছে ঔপনিবেশিক শাসনের সময় থেকে, যখন শাসকগোষ্ঠী তাদের গায়ের রঙকে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক বানিয়ে তুলেছিল। আফ্রিকায়, এমনকি এশিয়া ও লাতিন আমেরিকাতেও সেই মানদণ্ড আজও অনেকের মননে গেঁথে আছে।
টোগোর ওই নারী জীবনের শেষ পর্যন্ত হয়তো বিশ্বাস করেছিলেন, ফর্সা ত্বক তাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। সে কারণেই বছরের পর বছর ব্যবহার করে গেছেন রাসায়নিকসমৃদ্ধ প্রসাধনী, যা তার শরীরকে ধীরে ধীরে বিষিয়ে তুলেছে।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের মধ্যে তথাকথিত সৌন্দর্যবর্ধক প্রসাধনী ব্যবহারের প্রবণতা ব্যাপকহারে বেড়েছে। তবে এসব পণ্যের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা।
সম্প্রতি, একের পর এক ঘটনায় আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নারীদের মধ্যে তথাকথিত ত্বক ফর্সাকারী ক্ষতিকর ক্রিম ও লোশন ব্যবহারের ভয়াবহতা সামনে এসেছে।
আরও পড়ুন: ত্বকের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ধরন নারী-পুরুষ ভেদে ভিন্ন: গবেষণা
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কালো ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে মেলানিনের উপস্থিতি থাকে, যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক। কিন্তু এসব তথাকথিত সৌন্দর্যবর্ধক ক্রিম মেলানিন ধ্বংস করে প্রাকৃতিক সুরক্ষা ভেঙে দেয়।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নারীদের মধ্যে তথাকথিত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহারের হার ২৫ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, ঔপনিবেশিক যুগ থেকে চলে আসা সৌন্দর্য মানদণ্ডে ফর্সা ত্বককে শ্রেষ্ঠ ও আকর্ষণীয় মনে করা হয়। এই মানসিকতার কারণেই ক্রিম ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে।
আফ্রিকাজুড়ে তথাকথিত ত্বক ফর্সাকারী পণ্যের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে ১০.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এ বাজার ২০৩৩ সালের মধ্যে ১৮.১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এমনকি এসব পণ্য শিশু ও নবজাতকদের ওপরও ব্যবহৃত হচ্ছে বলে কিছু রিপোর্টে উঠে এসেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক এনকোজা ডলোভা ডলোভা ও তার সহকর্মীরা মালি, সেনেগালসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে সংগৃহীত অন্তত ৫৫টি ত্বক ক্যানসারের ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণ করছেন। এসব রোগীর অধিকাংশই দীর্ঘ সময় ধরে সৌন্দর্যবর্ধক ক্রিম ব্যবহার করতেন।
আরও পড়ুন: এখন দেশেই বিশ্বমানের প্রসাধনী তৈরি করছে রিমার্ক-হারল্যান
ডলোভা এই প্রবণতাকে ‘গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এটি অবিলম্বে মোকাবিলা করা প্রয়োজন। প্রতিদিনই তার ক্লিনিকে ত্বক ফর্সাকারী পণ্যের কারণে ত্বকের সমস্যায় ভোগা রোগী আসছেন।
সবাই ক্যানসার নিয়ে আসছেন না, তবে অনেকেই এমন ছত্রাক সংক্রমণ নিয়ে আসছেন যেগুলো সাধারণ চিকিৎসায় প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। অনেকে স্টেরয়েড-প্ররোচিত ব্রণ, রোসেশিয়া, স্থায়ী স্ট্রেচ মার্কসহ নানা জটিলতা নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
৩১৯ দিন আগে
স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা ও সেমিনার
‘পদ্মা পেরিয়ে দক্ষিণ বাংলায়’- এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ‘স্তন ক্যানসার সচেতনা দিবস’- ২০২২ উপলক্ষে গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা করেছে।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকা থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি রবিবার (৩০ অক্টোবর) রাতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এসে পৌঁছায়। সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকালে কালীগঞ্জের সমবায় ভিত্তিক স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান প্রকৃতি মেডিকপস্ হাসপাতালের আয়োজনে বলিদাপাড়া গ্রামে সেমিনার, স্তন ক্যান্সার সচেতনা ও স্ক্রিনিং বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও সকাল থেকে স্তন ক্যান্সার আক্রান্ত ২৩ জন রোগী দেখা হয়।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, নির্ণয়ের প্রক্রিয়া, চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন এর নেতৃত্বে চিকিৎসকসহ ২২জনের একটি টিম এই শোভাযাত্রা ও সেমিনারে অংশ নেন।
বক্তব্য রাখেন সেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যান সংস্থা হীল এর জেবুন নেছা, প্রকৃতি মেডিকপস্ হাসপাতালের সহভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রভাত ব্যানার্জী, হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ডের প্রোগ্রাম অফিসার শাহজাহান আলী বিপাশ প্রমুখ।
সেমিনারে প্রিভেনশন অব ক্যান্সার, আর্লি ডায়াগনোসিস, স্ক্রিনিং ইত্যাদির গুরুত্ব তুলে ধরেন চিকিৎসকরা।
এ সময় বক্তরা বলেন, সার্জিক্যাল ক্যান্সারের জন্য স্ক্রিনিংয়ের জন্য সারা দেশে চারশটি ভায়া সেন্টার তৈরি করা হয়েছিল। সেখানেই ব্রেস্ট ক্যান্সারের স্ক্রিনিং করা যায়। যা অনেকে জানে না।
আরও পড়ুন: রোগীর প্রেসক্রিপশনে ওষুধের নাম ইংরেজি বড় অক্ষরে লিখতে হবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য
আত্মহত্যার প্রবণতা: কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ
১৩২২ দিন আগে
ক্যানসারের কাছে হার মানলেন ক্রিকেটার মোশাররফ
ব্রেন ক্যান্সারের কাছে চিরদিনের জন্য হার মানলেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার মোশাররফ হোসেন রুবেল।
মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৪০।
২০১৯ সালে রুবেলের প্রথম ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। ওই বছরের মার্চ মাসে সিঙ্গাপুরে তার একটি অপারেশন করা হয়েছিল এবং কেমোথেরাপির সম্পূর্ণ চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।
কিন্তু ২০২১ সালের জানুয়ারিতে তার আবারও ক্যান্সার ধরা পরে।
আরও পড়ুন: খালেদকে জরিমানা করল আইসিসি
গত মাসে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অনবদ্য পারফরম্যান্স সত্ত্বেও মোশাররফ বাংলাদেশের হয়ে মাত্র পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন।
তার শেষ আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ছিল ২০১৬ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে।
বাঁহাতি অলরাউন্ডার মোশাররফ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ২০১৩-এর ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে ঘরোয়া স্তরে তার অসংখ্য ম্যাচ জয়ী পারফরম্যান্স ছিল।
মোশাররফ প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ৫০০-এর বেশি উইকেট শিকার করেছেন।
আরও পড়ুন: দ.আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৩২ রানের হার বাংলাদেশের
১৫১৭ দিন আগে
জনপ্রিয় অভিনেতা আবদুল কাদের মারা গেছেন
জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা আবদুল কাদের শনিবার সকালে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
১৯৯৭ দিন আগে
ক্যানসারে আক্রান্ত অভিনেতা কাদেরের শরীরে এবার করোনা শনাক্ত
সম্প্রতি ক্যানসার ধরা পড়ার পর সোমবার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা আবদুল কাদেরের শরীরে।
২০০১ দিন আগে