পুলিশ
৭ এএসপি ও ৪৯ ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে
সাতজন সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ও ৪৯ জন পুলিশ পরিদর্শকসহ (ওসি) ৫৬ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ ও পুলিশ-২ শাখা থেকে পৃথক দু’টি প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ-১ শাখার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নম্বর আইন)-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে এসব কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তবে বিধি অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
অবসরে পাঠানো এএসপিরা হলেন— র্যাব সদর দপ্তরের এএসপি নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (এসি-প্যাট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের এএসপি কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের এএসপি মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর এএসপি মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের এএসপি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার এএসপি মো. রবিউল ইসলাম।
এই আদেশ জারির পর থেকে সংশ্লিষ্ট সাত কর্মকর্তা সরকারি চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, পুলিশ-২ শাখার প্রজ্ঞাপনে বলে হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ৪৯ কর্মকর্তার চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তবে বিধি অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সব ধরনের সুবিধাদি পাবেন।
৪ দিন আগে
পুলিশে নিয়োগে রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব বিবেচনা করেনি সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে পুলিশে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পুলিশে নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব বিবেচনা করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের শুরুতে পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানায়, পুলিশে নিয়োগ নিরপেক্ষভাবে এবং শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা দলীয় ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
এ প্রসঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পুলিশে নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় প্রভাব বিবেচনা করা হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিরোধী দলের দুজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তবে তারা পুলিশে নিয়োগের বিষয়টি উত্থাপন করেননি।
বৈঠকে মাদক ও জুয়াকে দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে এগুলো নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সংসদ সদস্যরা মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে রয়েছেন উল্লেখ করে মাদক নির্মূলে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, মাদক নির্মূলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা, ট্রাইব্যুনাল ও এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত গঠনসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংস্থাগুলোর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট খাতওয়ারি বিভাজন ও ব্যয় পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের ৩০ জুন শেষ হতে চলা অর্থবছরের জন্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সব সংস্থার খাতওয়ারি বাজেট ও ব্যয় বিভাজনসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মোট প্রস্তাবিত বাজেট ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে পরিচালন বাজেট ২৮ হাজার ৬৩৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং উন্নয়ন বাজেট ২ হাজার ৪৬০ কোটি ২১ লাখ টাকা।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মীর শাহে আলম, মো. কামরুজ্জামান, মো. মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নুরুল ইসলাম এবং মো. আব্দুল বাতেন অংশ নেন।
এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিদপ্তরগুলোর মহাপরিচালক, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
সাভারে ‘ছাদ থেকে ফেলে’ ছাত্রদল নেতাকে হত্যা: ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
রংপুরের পীরগাছা থেকে নিখোঁজ এক কিশোরীকে উদ্ধারে ঢাকার সাভারে পুলিশের অভিযানের সময় ছাত্রদল নেতা মনোয়ারুল ইসলাম বকশীর (৩০) মৃত্যুর ঘটনায় পীরগাছা থানার চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তে ঢাকা ও রংপুরে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক। গত শনিবার রাতে পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কনক রঞ্জন বর্মণ, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ওসমান আলী এবং কনস্টেবল প্রশান্ত কুমার ও সুমী আক্তারকে প্রত্যাহার করা হয়। তারা নিখোঁজ ওই কিশোরীকে উদ্ধারে পরিচালিত অভিযানে ছিলেন।
নিহত মনোয়ারুল সাভার থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। তার বাড়ি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতীবান্ধা গ্রামে। পরিবার নিয়ে তিনি সাভারে বসবাস করতেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, গত ২৩ জুলাই পীরগাছার কৈকুড়ি ইউনিয়নের মোংলাকুটি গ্রামের ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। ওই ঘটনায় কিশোরীর বাবা মিন্টু মিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় সাভারে কিশোরীর অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এসআই কনক রঞ্জন বর্মণের নেতৃত্বে পীরগাছা থানার ৯ সদস্যের একটি দল সাভারের লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (বিপিএটিসি) স্টাফ কোয়ার্টারে যায়। অভিযানের সময় সেখানে সাভার থানা-পুলিশও ছিল।
পুলিশ জানায় যায়, অভিযান চলাকালে ভবনের ছাদ থেকে কিছু পড়ার শব্দ শুনে পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান। সে সময় তারা মনোয়ারুলকে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তবে নিহতের পরিবারের দাবি, মনোয়ারুলকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মনোয়ারুলের ভাই মমদেল হোসেন বলেন, কিশোরীটির সঙ্গে মনোয়ারুলের ভাগ্নে শাহরিয়ার কবির সৌমিকের সম্পর্ক ছিল। তারা স্বেচ্ছায় বিয়ে করে সাভারে ছিলেন।
নিহতের স্বজনদের দাবি, উদ্ধার অভিযানে পুলিশের সঙ্গে মিমির বাবা ও অপর এক ব্যক্তি পুলিশের পোশাকে উপস্থিত ছিলেন। ছাদে মনোয়ারুলের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। তারাই মনোয়ারুলকে হত্যা করে ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছেন।
এ ঘটনার পর গেল শনিবার সকালে মনোয়ারুলের স্বজনেরা তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে পীরগাছা থানার সামনে নিয়ে এসে বিক্ষোভ করেন। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
পীরগাছা থানার ওসি সেলিম মালিক বলেন, ঘটনার তদন্তে ঢাকা ও রংপুরে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযানে থাকা থানার চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
৮ দিন আগে
নড়াইলে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, এসআই আহত
নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় মো. খোকন হাওলাদার নামে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) আহত হয়েছেন। এ সময় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের কচুবাড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত এসআই খোকন হাওলাদার লোহাগড়া থানার লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাহুড়িয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. খোকন হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল লাহুড়িয়া বাজারের শ্যামলের চায়ের দোকানে অভিযান চালায়।
এ সময় কচুবাড়িয়া গ্রামের নবির হোসেনের ছেলে হারুনের দেহ তল্লাশি করতে গেলে ওই দোকানে উপস্থিত কামাল, শ্যামল, আকিদুলসহ কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এসআই খোকন হাওলাদারের ওপর হামলা করে। হামলার একপর্যায়ে আরও ১০ থেকে ১৫ জন সেখানে এসে হামলাকারীদের সঙ্গে যোগ দেয়। পরে তারা ইয়াবাসহ হারুনকে সেখান থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা আহত এসআই খোকন হাওলাদারকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
৮ দিন আগে
পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশ কোনো বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করবে না, বরং পুলিশকে হতে হবে জনগণের অকৃত্রিম বন্ধু ও নিরাপত্তার প্রতীক। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ দলীয় প্রভাবমুক্ত করে একটি আধুনিক, দক্ষ ও মানবিক সেবামুখী সংস্থায় রূপান্তর করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
রবিবার (২ আগস্ট) সকালে রাজশাহী জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাকাডেমিতে ‘২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে চরম দলীয়করণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পুলিশ বাহিনীর মনোবল পুনর্গঠনে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, বাহিনীর পেশাদারত্ব ফিরিয়ে আনতে সততা ও শৃঙ্খলার ভিত্তিতে পুরস্কার ও তিরস্কারের নীতি কঠোরভাবে চালু করা হয়েছে। সাহসিকতা ও প্রশংসনীয় কাজের জন্য যেমন পুরস্কৃত করা হচ্ছে, তেমনি অপরাধ বা শৃঙ্খলাভঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী নবীন কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকের এই আনন্দঘন মুহূর্তটি তাদের জীবনে অনেক আগেই আসার কথা ছিল। বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ যে সীমাহীন বঞ্চনা ও অমানবিক যন্ত্রণা তারা সহ্য করেছেন, তা অত্যন্ত পীড়াদায়ক। স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর ন্যায্য অধিকার ও পদমর্যাদা ফিরে পাওয়ায় তিনি সকল কর্মকর্তাকে শুভেচ্ছা জানান।
নবীন এএসপি প্রবেশনারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা দেশের এক ঐতিহাসিক রূপান্তরকালে পেশাগত জীবনে পদার্পণ করছেন। আইনের চোখে রাজপথের কর্মী থেকে প্রান্তিক কৃষক—সকলেই সমান। সেবা নিতে এসে কেউ যেন কোনো প্রকার বৈষম্যের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সদা সতর্ক থাকতে হবে। চেইন অব কমান্ড, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও সমন্বিত নেতৃত্বই বাহিনীর মূল শক্তি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ তদন্তে নবীন কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ কারিগরি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে, তাই সকল পুলিশ সদস্যদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ প্রথম পর্যায়ের সদস্যরা তাদের দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিভিন্ন পেশায় অর্জিত জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
১৬ দিন আগে
পাকিস্তানে পুলিশ চৌকিতে জঙ্গি হামলা, নিহত ১১ পুলিশ ও ১৫ হামলাকারী
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একটি পুলিশ চৌকিতে জঙ্গি হামলায় ১১ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় পাল্টা হামলায় ১৫ জন হামলাকারীকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী হাঙ্গু জেলার খাজিনা পুলিশ চৌকিতে রাতভর এ পাল্টাপাল্টি হামলা চলে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলির পর নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের প্রতিহত করতে সক্ষম হয় বলে পাকিস্তানের পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ইরফান খান জানান, ভারী অস্ত্র নিয়ে জঙ্গিরা পুলিশ চৌকিতে হামলা চালায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে ওঁৎ পেতে থাকা হামলাকারীদের আক্রমণের মুখে পড়েন। এতে একটি সাঁজোয়া যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে হামলাকারীদের প্রতিহত করে।
এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে সহায়তা নিয়ে যাওয়া জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা দিয়ার খান নিহত হয়েছেন বলে প্রাদেশিক পুলিশের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। হামলায় আরও বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে এ হামলার দায় কোনো সংগঠন স্বীকার করেনি। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওই অঞ্চলে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা বাড়ানো নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি)-এর দিকে সন্দেহের আঙুল উঠেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে জঙ্গি সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর বেশিরভাগ হামলার জন্য টিটিপিকে দায়ী করা হয়। ‘পাকিস্তানি তালেবান’ নামে পরিচিত এ সংগঠনটি আফগানিস্তানের তালেবানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও এটি আলাদা সংগঠন। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে টিটিপির তৎপরতা আরও বেড়েছে।
ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার টিটিপি সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
১৯ দিন আগে
আরও ১৭ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর
পুলিশের ডিআইজি এবং অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার আরও ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সই করেন।
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন ডিআইজি, ১২ জন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তা।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। তারা বিধি অনুযায়ী অবসর সুবিধা পাবেন।
২৬ দিন আগে
পুলিশের ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন
পুলিশে ডিআইজি ও পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার।
রবিবার (৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এসবির ডিআইজি মো. ইকবাল হোসেনকে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. আশিক সাঈদকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এবং পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হককে শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডিআইজি এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহানকে এপিবিএনের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
অন্য প্রজ্ঞাপনে সিআইডির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লাকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার, ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার এবং ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামকে সিআইডির পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
৪৪ দিন আগে
পুলিশের পোশাকে ফিরছে খাকি প্যান্ট, শার্টে গাঢ় নীল ও হালকা জলপাই রঙ
বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকের রঙে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ‘লোহা-ধূসর’ ও ‘কফি-বাদামি ধূসর’ রঙের পরিবর্তে এখন থেকে পুলিশের পোশাকে ব্যবহৃত হবে ‘ডিপ ব্লু’ (গাঢ় নীল), ‘লাইট অলিভ’ (হালকা জলপাই) এবং ঐতিহ্যবাহী ‘খাকি’ রঙ। এ লক্ষ্যে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫’ সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
মহা-পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন গত ১৮ জুন সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। সংশোধিত বিধিমালা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), স্পেশাল প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং র্যাব ছাড়া জেলা ও অন্যান্য ইউনিটের পুলিশ সদস্যদের শার্টের রঙ হবে গাঢ় নীল।
অন্যদিকে, দেশের সব মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যদের শার্টের রঙ নির্ধারণ করা হয়েছে হালকা জলপাই। সব ইউনিটের ট্রাউজার বা প্যান্টের ক্ষেত্রে বর্তমানে ব্যবহৃত ‘লোহা-ধূসর’ রঙের পরিবর্তে খাকি রঙ পুনর্বহাল করা হয়েছে।
বিধিমালায় শীতকালীন পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাধারণ পুলিশ সদস্যদের ফুল হাতা জার্সি, কার্ডিগান, পুলওভার ও জ্যাকেটের রঙ হবে গাঢ় নীল। মেট্রোপলিটন পুলিশের জ্যাকেটের রঙ হবে হালকা জলপাই। এছাড়া গ্রীষ্মকালে হাফ হাতা শার্ট এবং শীতকালে ফুল হাতা শার্ট পরিধানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নারী পুলিশ সদস্যদের জন্যও নতুন রঙের সংযোজন করা হয়েছে। তারা গাঢ় নীল রঙের শাড়ি পরতে পারবেন। জেলা ও অন্যান্য ইউনিটে গাঢ় নীল রঙের ব্লাউজ এবং মেট্রোপলিটন পুলিশে হালকা জলপাই ব্লাউজ পরিধান করতে হবে। নারী সদস্যদের অনুমোদিত হেড কাভার বা হিজাবের রঙও নির্ধারণ করা হয়েছে গাঢ় নীল।
এছাড়া ট্রাফিক ইউনিটে কর্মরত নারী পুলিশ সদস্যরা যারা হিজাব পরিধান করতে ইচ্ছুক, তারা সারা বছর ফুল হাতা শার্ট বা ব্লাউজ পরতে পারবেন। গর্ভবতী নারী পুলিশ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ইউনিট প্রধানের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে সাধারণ পোশাক পরিধান করতে পারবেন।
৫৯ দিন আগে
চট্টগ্রামে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর: দুই পুলিশ প্রত্যাহার, গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজনের বিরুদ্ধে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলশী থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় জড়িত এসআই মো. সফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়।
এ ঘটনায় রাতেই খুলশী থানায় মামলা করেন ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির হাসান।
মামলার আসামিরা হলেন— এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল ও সোর্স সোহেল।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১টার দিকে জাতীয় ক্রিকেট দলের অফ-স্পিনার নাঈম হাসান ঢাকা থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রামে ফেরেন। তিনি এয়ারপোর্ট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে নিজ বাসায় ফেরার পথে নগরীর লালখান বাজার ফ্লাইওভারের মুখে টহল পুলিশ নিজেদের ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) পরিচয়ে তার গাড়ি থামিয়ে তাকে জিম্মি করে আপহরণের চেষ্টা ও মারধর করে। এ সময় নাঈম নিজেকে জাতীয় দলের খেলোয়াড় পরিচয় দিলেও পুলিশ তাকে নাজেহাল করে, এমনকি গায়ে হাতও তোলে। পরে পুলিশ তাকে রাত ২টার দিকে নগরীর খুলশী থানায় নিয়ে যায়। সেখানেও নাঈম নিজের জাতীয় দলের খেলোয়াড় পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় খবর পেয়ে শত শত মানুষ থানার সামনে জড়ো হলে রাত ৩টার দিকে নাঈমকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।
নাঈম হাসানের দাবি, থানায় তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং অযৌক্তিকভাবে গায়ে হাত তোলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন। একজন জাতীয় দলের ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমানকে রাতে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।
সকালে ওসি আরিফুর রহমান জানান, অভিযানের বিষয়ে এসআই শফিকুল ইসলাম আমাকে আগে থেকে কিছুই জানাননি। থানায় আনার পরই তিনি ক্রিকেটার নাঈমের পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারেন। বিষয়টি জানার পর দুঃখ প্রকাশ করে সম্মানের সঙ্গে নাঈমকে থানা থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, নাঈমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জড়িতদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা থানা ত্যাগ করবেন না। পরে এ ঘটনায় নাঈমের ভাই সাব্বির বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলার পর আসামি (সোর্স) সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় আজ (শনিবার) সকালে এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেলকে বরখাস্ত করেছে সিএমপির জনসংযোগ বিভাগ।
৬৬ দিন আগে