ইউএনও
ভোটের আগে বদলি-বাতিল ও পদোন্নতি: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসন নিয়ে বিতর্ক থামছে না
দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দেড় বছর পর মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসেও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে অপরিপক্কতার অভিযোগ উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে। নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। ঠিক এমন সময়ে মাঠ প্রশাসনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বদলি করে আবার তা বাতিল এবং একই সঙ্গে ১১৮ জন কর্মকর্তার পদোন্নতি—সব মিলিয়ে সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাবেক আমলাদের মতে, এসব সিদ্ধান্ত প্রশাসনের ভাবমূর্তি ও নির্বাচনি পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে হিসাবে সরকারের হাতে সময় আছে ১৫ দিনেরও কম। এমন প্রেক্ষাপটে চলতি মাসে ৮ উপজেলার ইউএনও বদলি করে দুদিনের মাথায় সেই আদেশ বাতিলের ঘটনা ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। ভোটের একেবারে কাছাকাছি সময়ে মাঠ প্রশাসনে এ ধরনের সিদ্ধান্তকে অনেকেই অনভিপ্রেত বলে মনে করছেন।
ইউএনও বদলি ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা
গত ২০ জানুয়ারি ভোলার চরফ্যাশন, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, ফরিদপুরের নগরকান্দা, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া, বগুড়ার ধুনট, হবিগঞ্জের বাহুবল, নেত্রকোনার কমলাকান্দা ও বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার ইউএনওদের বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের সম্মতির ভিত্তিতে এ রদবদল করা হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের ২২ জানুয়ারির মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমনকি, যোগদান না করলে ওই দিন বিকেলে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করার কথাও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল।
তবে ২২ জানুয়ারি আরেকটি প্রজ্ঞাপনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানায়, ২০ জানুয়ারির বদলির আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
জানা যায়, একটি রাজনৈতিক দলের আপত্তির পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় প্রথমে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও ভোট সামনে রেখে মাঠ প্রশাসনে অসন্তোষ তৈরি হয়। একই সঙ্গে আরেকটি রাজনৈতিক দলও এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে সরকার শেষ পর্যন্ত আদেশ বাতিল করতে বাধ্য হয়।
ইউএনও বদলি করে আবার তা বাতিলের ঘটনায় প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন সাবেক আমলারা।
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক আমলা মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া ইউএনবিকে বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও গভীরভাবে ভাবা উচিত ছিল। বদলি করে আবার বাতিল করা কোনো ভালো দৃষ্টান্ত নয়। এতে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি হয়—কেন বদলি করা হলো, আবার কেনই-বা বাতিল করা হলো।’
তিনি বলেন, এর প্রভাব কিছুটা হলেও নির্বাচনি পরিবেশে পড়তে পারে। ‘এক পক্ষ বলবে অভিযোগের ভিত্তিতে বদলি হয়েছিল, পরে আপস করে বাতিল করা হয়েছে—এমন ধারণা জনমনে জন্ম নেওয়াটাই স্বাভাবিক।’
একই মত সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদারের। তিনি বলেন, ভুল সিদ্ধান্ত সংশোধন ভালো হলেও এ সময়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার তা বাতিল হওয়া উচিত ছিল না। এতে প্রশাসনে একটি গ্যাপ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে তিনি এও বলেন, বদলির আদেশ বাতিল করার মধ্য দিয়ে সরকার হয়তো নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে, যা ইতিবাচক হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
বিতর্কের মধ্যেই ১১৮ কর্মকর্তার পদোন্নতি
ইউএনও বদলি–বাতিলের বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন সামনে রেখে মঙ্গলবার ১১৮ জন যুগ্ম সচিবকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেয় সরকার।
পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে স্বস্তি থাকলেও সাবেক আমলাদের একটি অংশ এটিকে ভালো চোখে দেখছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাবেক সচিব বলেন, ‘ভোট যখন একেবারে সামনে, তখন সরকারের এ ধরনের বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়। অতীত অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। এ পদোন্নতি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হলে সরকার অস্বস্তিতে পড়তে পারে।’
এ বিষয়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া বলেন, নিরপেক্ষভাবে যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি হলে সেটি দোষের কিছু নয়। তবে কোনো উদ্দেশ্য বা চাপের কারণে পদোন্নতি দেওয়া হলে তা সব সময়ই প্রশাসনের জন্য ক্ষতিকর।
শুরু থেকেই প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নতুন সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আগের সরকারের আস্থাভাজন অনেক কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয়। কাউকে চাকরি থেকে বিদায়, কাউকে ওএসডি, আবার কাউকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে ফেরানো হয়। এসব সিদ্ধান্ত ঘিরেও তখন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।
সাবেক আমলারা বলছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণে ত্রুটি ও বিলম্বের কারণে প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে যোগ্য কর্মকর্তারা বঞ্চিত হয়েছেন, আবার বিতর্কিত কর্মকর্তারা ভালো পদায়ন পেয়েছেন—এমন অভিযোগও উঠেছে। এর জেরে সচিবালয়ে নজিরবিহীন বিক্ষোভ পর্যন্ত হয়েছে। ডিসি পদে বড় আকারের রদবদল যতবারই করা হয়েছে, ততবারই বিতর্ক তৈরি হয়েছে; যদিও পরে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকার সিদ্ধান্ত সংশোধনের চেষ্টা করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান প্রশাসন পুরো সময়জুড়েই দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে। তবে এসব সিদ্ধান্তের পেছনে খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না বলেই তারা মনে করেন। রাজনৈতিক চাপ, কর্মকর্তাদের অনৈতিক আন্দোলন এবং বাস্তবতা সামাল দেওয়ার অক্ষমতার কারণে সরকারকে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার সরে আসতে হয়েছে বলে দাবি তাদের।
সরকারের ব্যাখ্যা
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হক বলেন, চাপের মুখে নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতেই যুগ্ম সচিব থেকে অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও বদলির পর আদেশ বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি মাসে কিছু ইউএনও বদলি করার পর আবার সেই আদেশ বাতিলের ঘটনায় তিনি ‘খারাপ কিছু’ দেখছেন না।
১৬ দিন আগে
নির্বাচন পাঁচ বছরের, গণভোট শত বছরের: প্রধান উপদেষ্টা
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখতে হবে।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা থেকে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সারা দেশের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
এ সময় সকল জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাগণ ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন।
ইউএনওদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ইতিহাস আমাদের নতুন করে একটি সুযোগ দিয়েছে। অন্য জেনারেশন (প্রজন্ম) এই সুযোগ পাবে না। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব, আর যদি না পারি তাহলে জাতি মুখ থুবড়ে পড়বে।’
তিনি বলেন, ‘এর আগেও আমরা নির্বাচন দেখেছি। বিগত আমলে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, যেকোনো সুস্থ মানুষ বলবে—এটা নির্বাচন নয়, প্রতারণা হয়েছে।’
‘আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। আমরা যদি ভালোভাবে এই দায়িত্বটি পালন করতে পারি, তাহলে আগামী নির্বাচনের দিনটি জনগণের জন্যও ঐতিহাসিক হবে।’
ইউএনওদের উদ্দেশে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান বলেন, ‘আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তাহলেই সরকার তার দায়িত্বটি সফলভাবে পালন করতে সক্ষম হবে।’
আগামী নির্বাচন ও গণভোট—দুটিই জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন আগামী পাঁচ বছরের জন্য, আর গণভোট শত বছরের জন্য। এর মাধ্যমে (গণভোট) আমরা বাংলাদেশটাকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দিতে পারি। যে নতুন বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চাই, তার ভিতটা এর মাধ্যমে গড়তে পারি।’
সদ্য যোগদান করা ইউএনওদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের প্রধান দায়িত্ব হলো একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর নির্বাচন আয়োজন করা।
এ সময় তিনি ইউএনওদের নিজ নিজ এলাকার সব পোলিং স্টেশন পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ, এলাকাবাসী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।
গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘ভোটারদের বোঝাতে হবে যে, আপনারা মন ঠিক করে আসুন—“হ্যাঁ”-তে দেবেন নাকি “না”-তে ভোট দেবেন।’
প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের ধাত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ধাত্রী ভালো হলে জন্ম নেওয়া শিশুও ভালো হয়। তাদের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সৃজনশীল হওয়ার পাশাপাশি অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার প্রদানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নারীরা যেন ঠিকভাবে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।
শীঘ্রই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস আরও বলেন, ‘নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত কখন, কীভাবে, কোন কাজটি করবেন—তার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি এখন থেকেই নিন।’
অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম এবং জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৬৬ দিন আগে
এবার ১৫৮ ইউএনওকে বদলি
১৬৬টি উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিয়োগ দেওয়ার পর ১৫৮ ইউএনওকে বদলি করা হয়েছে।
জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব পদমর্যাদার এই ইউএনওদের বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করে বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বুধবার দেশের আট বিভাগের ১৬৬ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দেওয়া হয়। তাই আগের ইউএনওদের বদলি করা হলো।
বদলি করা ইউএনওদের আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হয়ে বদলি করা কর্মস্থলে যোগদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তিনি আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেলে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বদলি হওয়া কর্মকর্তার দপ্তর বা কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
৭৯ দিন আগে
আলেম-ওলামাদের নিয়ে কটুক্তি করায় পটুয়াখালীর ইউএনওর অপসারণ ও শাস্তির দাবি
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার কলাপাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলামের অপসারণের দাবির পর এবার তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলেম-ওলামা ও দাড়ি টুপি নিয়ে কটুক্তির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে ইমাম সমিতি মহিপুর থানা শাখা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এ সময় ইউএনও রবিউল ইসলাম এর অপসারণসহ আলেম-ওলামা ও দাড়ি টুপি নিয়ে কটাক্ষ করার জন্য তার শাস্তি দাবি করেন তারা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার মসজিদের সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তৌহিদি জনতা। এ সময় ইউএনও রবিউল ইসলামের অপসারণ দাবি করেন তারা।
তৌহিদি জনতার আন্দোলনের পর রবিউল ইসলাম তার ইউএনও কলাপাড়া নামে ফেসবুক আইডিতে আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আইনের আওতায় এনে শাস্তির হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মাঈনুল ইসলাম মান্নান।
আরও পড়ুন: নিম্নচাপ: পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধ ভেঙে ২০ গ্রাম প্লাবিত
তার ভাষ্যে, ওই স্ট্যাটাসে আলেম-ওলামা এবং দাড়ি টুপি নিয়ে কটাক্ষ করেন ইউএনও। আলেম-ওলামাদের নিয়ে ওই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, কুয়াকাটা বাইতুল আরোজ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম কারী নজরুল ইসলাম, সাগর সৈকত জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মোস্তফা কামালসহ আরও অনেকে।
এ সময় কারী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘১৩ বছর আমি ওই মসজিদে ইমামতি করেছি। মসজিদের পশ্চিম পাশে মহাসড়ক সংলগ্ন ডোবা ভরাট করে মসজিদ কমিটি মাটি ভাড়া দেয়। যা দিয়ে মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিনদের বেতন দেওয়া হতো। সরকারি জমি দাবি করে ইউএনও ওই মার্কেট ভেঙে দেন।’
নজরুল ইসলামের দাবি, ওই জমি মসজিদ কমিটি ক্রয় করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘ওই জমিতে ইউএনও নিজ অর্থায়নে মার্কেট নির্মাণ করছেন। এর প্রতিবাদ করলে তিনি জেল-জরিমানার হুমকি দেন।’
সাগর সৈকত জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মোস্তফা কামাল অভিযোগ করেন, ইউএনও মসজিদের নাম করে পাবলিক টয়লেট, মার্কেট নির্মাণ করছেন। এজন্য তার বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ দিলেও তিনি তার জবাব দিচ্ছেন না।
ইউএনও নিজেই সরকারি জমি দাবি করে নিজেকে সভাপতি ঘোষণা করেন বলেও অভিযোগ করেন মোস্তফা কামাল। তবে মুসল্লিরা তাকে সভাপতি মানে না বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মুসল্লিরা বলেন, মসজিদের জন্য ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে ইউএনও মিথ্যাচার করেছেন।
২৫২ দিন আগে
কয়রায় সাবেক এমপি, ইউএনও ও পুলিশসহ ৮০ জনের নামে মামলা
বছর চারেক আগে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাদের ত্রাণ বিতরণে বাধা দিয়ে মারপিটের অভিযোগে খুলনার কয়রায় সাবেক সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৮০ জনের নামে মামলা হয়েছে।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কয়রা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন জি এম রাজিবুল আলম নামের লবণচরা এলাকার এক বাসিন্দা। তিনি খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন।
আসামিরা হলেন, খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউএনও মমিনুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক নীশিত রঞ্জন মিস্ত্রী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সরদার, তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) সাচ্চু শেখ ও মিহির মজুমদার, কয়রা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, বাগালী ইউপির চেয়ারম্যান আ. সামাদ গাজী, আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক ও আরাফাত হোসেন, আমিনুল হক বাদল, মনি শংকর রায়, সুমাইয়া নীলা ও কাজল প্রমুখ।
আরও পড়ুন: বন্ধুকে হত্যা মামলার প্রায় ১০ বছর পর যুবককে আটকাদেশ
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১২ জুন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা কয়রায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ ও ক্ষতিগ্রস্ত ভেড়িবাঁধ পরিদর্শনে আসেন। কয়রায় ত্রাণ বিতরণ শেষে পাইকগাছাতে বিতরণের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে চাঁদআলী সেতু এলাকায় তাদের বহনকারী গাড়ির পথরোধ করে আসামিরা। এরপর বন্দুক, দেশীয় অস্ত্রসহ লাঠিসোঁটা দিয়ে মারপিট করে তাদেরকে রক্তাক্ত জখম করে।
ওই সময় পুলিশ-প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাইলে উল্টো তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাদের পাঁচটি প্রাইভেটকার ও ১৭টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলে মামলায় বলা হয়েছে।
মামলার বাদী বাপ্পী বলেন, ‘তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রতিকূল না থাকায় মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে। ন্যায়বিচার পাবো বলে আশা করছি।’
বাদীর আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘মামলাটি আদালত আমলে নিয়েছে। আশা করছি ন্যায় বিচার পাবো।’
৩৬১ দিন আগে
সাঘাটার ইউএনও ও ওসিকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে সাঘাটার ইউএনও ও ওসিকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এই আসনে গত উপনির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের নির্বাচনের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বগুড়ার বিএনপির নিখোঁজ দুই নেতার অবস্থান জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
বুধবার (৩ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এবিএম আলতাফ হোসেন আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: কনডেম সেলে মায়ের সঙ্গে ১০ মাস বয়সী শিশু: প্রতিবেদন চেয়েছে হাইকোর্ট
এর আগে ওই আসনে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে রিট করেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী ফারজানা বুবলী। ফারজানা বুবলী সাবেক ডেপুটি স্পিকার আইনজীবী ফজলে রাব্বী মিয়ার মেয়ে।
গাইবান্ধা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন।
আরও পড়ুন: গাজীপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যশোর-৪ আসনের নৌকার প্রার্থী নির্বাচন চালিয়ে যেতে পারবেন: হাইকোর্ট
৭৭৩ দিন আগে
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ৪৭ জন ইউএনও বদলির অনুমোদন ইসির
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বদলির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সে নির্দেশনার আলোকে ৪৭ জন ইউওনকে বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুমোদন চাইলে তা দিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, কমিশন ৪৭ জন ইউএনওকে বদলির সুপারিশ এলে তা অনুমোদন দিয়েছে। আর ২০ জনের চিঠি এসেছে। মোট ২৫০ জনের বেশি ইউএনও বদলি হবে।
এ ছাড়া, ৩২০ জনের মতো ওসি বদলি করা হবে।
আরও পড়ুন: ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী ‘শিগগিরই’ ওসিদের বদলি শুরু করবে ডিএমপি
গত বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুই মন্ত্রণালয়কে সব থানার ওসি ও ইউএনওকে বদলির নির্দেশ দিয়ে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়।
এক্ষেত্রে, যেসব থানার ওসির কার্যকাল ছয় মাস হয়েছে এবং যেসব ইউএনওর কার্যকাল এক বছর হয়েছে তাদের তালিকা আগে পাঠাতে বলা হয়।
এবারের সংসদ নির্বাচনে ২৯টি দল ও স্বতন্ত্র মিলে ২ হাজার ৭১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি ৫ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতীক বরাদ্দ করবেন ১৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনী প্রচার চলবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি (রবিবার)।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসির নির্দেশ
ময়মনসিংহের ডিসিকে প্রত্যাহার, সুনামগঞ্জের ডিসিকে বদলির নির্দেশ ইসির
৮০৩ দিন আগে
পঞ্চগড়ে ইউএনও'র গাড়ি খাদে পড়ে এলজিইডির প্রকৌশলী নিহত
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে এলজিইডির প্রকৌশলী আবু সাঈদ নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে রাব্বিসহ আরও তিন কর্মকর্তা।
শনিবার(২ ডিসেম্বর) রাতে জেলার সদর উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের চেকরমারী এলাকার অমরখানা সেতু সংলগ্ন পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা জাতীয় মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে৷
আরও পড়ুন: চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় চিকিৎসকের মৃত্যু
জানা গেছে, প্রকৌশলী আবু সাঈদ তেঁতুলিয়া উপজেলা এলজিইডিতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী হিসাবে কর্মরত।
দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলায় তার গ্রামের বাড়ি।
আহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন ও আইসিটি সহকারী প্রোগ্রামার নবিউল করিম সরকার।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,শনিবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়িতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা,সহকারী প্রোগ্রামার ও উপজেলা সাবেক এলজিইডির প্রকৌশলীসহ চারজন পঞ্চগড় শহরে যাচ্ছিলেন। এসময় অমরখানা সেতু সংলগ্ন চেকরমারী এলাকায় সড়কে মোড় ঘুরানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে খাদে পড়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে প্রকৌশলী আবু সাঈদের মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ইমাম নিহত
এসময় স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিনের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় জানান, অমরখানা সেতু সংলগ্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িতে থাকা একজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে৷
আরও পড়ুন: বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় মেডিকেল শিক্ষার্থীর মৃত্যু, সহপাঠিদের সড়ক অবরোধ
৮০৪ দিন আগে
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ওসিদের পর ইউএনওদের বদলি চেয়েছে ইসি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) বদলি করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এক্ষেত্রে সবার আগে নিজ নিজ উপজেলায় এক বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত ইউএনওদের বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসির উপসচিব মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, পর্যায়ক্রমে ইউএনওদের বদলি করতে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি দিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুন: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ওসিদের বদলির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ ইসি’র
এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম ধাপের বদলির প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে পাঠাতে হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মোট ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।
এর আগে একই কারণ দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে দেশের সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) বদলি করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয় ইসি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় শেষ হয় ৩০ নভেম্বর।
এদিকে, জমা দেওয়া প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ২ হাজার ৭১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ইসির সঙ্গে বৈঠকে ইইউ মিশনের প্রতিনিধি দল
বিএনপি ভোটে আসবে কি আসবে না সেটা তাদের ব্যাপার: ইসি আনিছুর
৮০৫ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে ইউএনও'র গাড়ি ভাঙচুর
কিশোরগঞ্জে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতাল চলাকালে ইটনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
সকাল ৮টার দিকে জেলার শোলাকিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে হরতাল সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ জানান, গাড়িটি কিশোরগঞ্জ জেলার শোলাকিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীরা গাড়িটি থামিয়ে ভাঙচুর করে।
আরও পড়ুন: বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালে ঢাকার সড়ক ফাঁকা, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর
৮৩৯ দিন আগে