আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চায় জোর দেওয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ এখন আর কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকায় স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘টেকসই সরবরাহ শৃঙ্খল এবং বাণিজ্য প্রতিযোগিতার জন্য দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যবস্থার দ্রুত পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় বাংলাদেশ একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। শক্তিশালী রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলায় সক্ষমতার মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতে দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা শুধু উৎপাদন ব্যয়ের ওপর নির্ভর করবে না, বরং নির্ভর করবে টেকসই উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, শ্রমমান, পরিবেশগত দায়বদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চার ওপর।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতা, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ভোক্তারা সরবরাহ শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন এবং ডিউ ডিলিজেন্স প্রক্রিয়ার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে টেকসই উন্নয়ন-সম্পর্কিত নতুন বিধিবিধান ও প্রত্যাশা বাড়ছে যা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এখন কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, সুশাসন এবং জলবায়ু ও টেকসই উন্নয়ন-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চা শক্তিশালী করা গেলে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ একটি দায়িত্বশীল ও প্রতিযোগিতামূলক উৎস দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে উচ্চমূল্যের ও উদীয়মান বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়বে, টেকসই ও গুণগত বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পাবে।
সরকার টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দায়িত্বশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণ সম্পর্কিত নীতি সমন্বয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো শক্তিশালী করার গুরুত্ব অনুধাবন করে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সবুজ শিল্পচর্চার সম্প্রসারণ-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও সংকলন, টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন উদ্যোগ এবং পরিবেশ ও সামাজিক মানদণ্ড কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণকেন্দ্রিক একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করবে এবং নীতিগত নির্দেশনা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও সক্ষমতা উন্নয়নে সহায়তা করবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যবসায়িক চর্চায় রূপান্তর কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য সরকার, বেসরকারি খাত, শিল্প সমিতি, উন্নয়ন সহযোগী এবং সুশীল সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এমন একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে বড় ও ছোট সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধাপে ধাপে দায়িত্বশীল চর্চা গ্রহণ করতে পারবে এবং একইসঙ্গে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠান আয়োজন এবং বাংলাদেশে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী ইউএনডিপি এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুর রহিম খান, ইউএনডিপির ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দায়ারাত্নে, কান্ট্রি ইকনোমিক অ্যাডভাইসর ওয়াইস পেরি। অনুষ্ঠানে কী-নোট পেপার উপস্থাপন করেন পলিসি একচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাসরুর রিয়াজ।
১১ দিন আগে
মেলবোর্নে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ১৯ প্রতিষ্ঠান
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টারে মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো মেলবোর্ন ২০২৩’ নামে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী।
এতে ক্যানবেরাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে ১৯টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা থেকে মেলবোর্নে দ্বিতীয় ফ্লাইট নিয়ে ভাবছে অস্ট্রেলিয়া
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অর্থায়নে তৈরি পোশাক সামগ্রী প্রদর্শন করছে ১৫টি পোশাক উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া তৈরি পোশাক ও গৃহসজ্জাসহ চারটি অন্যান্য বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে।
মেলবোর্নে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’তে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রদর্শনী কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন- অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দীকী ও আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী মেরি কিন্সেলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর তাহলীল দেলাওয়ার মুন ও কমার্শিয়াল কাউন্সেলর রনি চাকমা।
এ প্রদর্শনীতে বিশ্বের ২০টি দেশের প্রায় ৯০০ উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও মেলবোর্নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনী বছরে দুইবার অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ আয়োজন পণ্য প্রদর্শনী, নতুন বাজার অনুসন্ধান ও পারস্পরিক যোগাযোগ স্থাপনে আমদানি ও রপ্তানিকারক এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসামগ্রীর প্রায় শতকরা ৯৩ ভাগই তৈরি পোশাক সামগ্রী। বর্তমানে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার ৩২তম বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার।
আরও পড়ুন: মেলবোর্নে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পবিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের পতাকার রঙে সাজল ক্যানবেরা
৯২১ দিন আগে
বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে সরকারের সহযোগিতা চায় বিটিসিসিআই
থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় শিল্প স্থানান্তরে সরকারের সহযোগিতা চেয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ-থাই চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিটিসিসিআই)।
দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার এবং অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের লাভজনক খাতগুলোকে উন্নীত করতে শুল্ক বাধা অপসারণের দাবি জানিয়েছে বিটিসিসিআই।
মঙ্গলবার শিল্প ভবনে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সঙ্গে বিটিসিসিআই সভাপতি শামস মাহমুদের সৌজন্য সাক্ষাতে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়।
শামস মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড সময়ের পরীক্ষিত বন্ধু। বিটিসিসিআই ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিটিসিসিআই সভাপতি বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে আরও যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শিল্পমন্ত্রীকে সহায়তা ও উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান।
আরও পড়ুন: ভিসা নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে ভাঙন ধরবে না: সালমান এফ রহমান
তিনি বলেন, ইটালিয়ান-থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, সিপি বাংলাদেশ লিমিটেড এবং সিয়াম সিটি সিমেন্ট লিমিটেডের মতো বাংলাদেশের কয়েকটি বড় কোম্পানির বিনিয়োগ বাংলাদেশকে বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করতে থাইল্যান্ডের আগ্রহ প্রমাণ করে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাট, চামড়া, কৃষি, হালকা প্রকৌশল প্রভৃতি খাত ছাড়াও বাংলাদেশ থাই বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ওষুধ, তৈরি পোশাক, পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা, হিমায়িত খাবার, মৎস্য, অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের দিকেও নজর দিতে পারেন।
বিটিসিসিআইকে তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন শিল্পমন্ত্রী।
তিনি বলেন, থাইল্যান্ডও বাংলাদেশের অবকাঠামোখাতে বিনিয়োগ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিটিসিসিআই'র জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও এফবিসিসিআই'র সহসভাপতি মো. মুনির হোসেন বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত সুসম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন: রাশিয়ান মুদ্রায় বাণিজ্যের অনুমতিপ্রাপ্তদের তালিকায় বাংলাদেশ: রুশ দূতাবাস
বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে চায় চেক প্রজাতন্ত্র
৯৭৬ দিন আগে
এলএনজি আমদানি অব্যাহত থাকবে, আরও টার্মিনাল স্থাপন হবে: জ্বালানি উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেছেন, দেশের উপকূলীয় এলাকা থেকে গ্যাস অনুসন্ধানের তাৎক্ষণিক কোনো সম্ভাবনা না থাকায় আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরতা অব্যাহত থাকবে।
রবিবার ঢাকায় বাংলাদেশ এনার্জি সোসাইটি (বিইএস) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তিনি একথা বলেন।
ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, সরকার সারাদেশে আরও ভাসমান স্টোরেজ বা টার্মিনাল এবং রি-গ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।
এফএসআরইউ হলো এলএনজি টার্মিনাল যা তরল আকারে গ্যাস আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয় সরবরাহ নেটওয়ার্কে ছেড়ে দেয়ার আগে এটিকে সেখানে পুনরায় গ্যাসীকরণ করা হয়।
জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে বিদ্যমান দুটি এফএসআরইউ ছাড়াও ভূমিভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য পটুয়াখালী ও ভোলার পায়রায় আরও জায়গা নির্ধারণ করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে আরও এলএনজি আমদানি করতে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন।
বর্তমানে, বাংলাদেশের এলএনজি আমদানির জন্য কাতার এবং ওমানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি রয়েছে এবং এটি স্বল্পমেয়াদী ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক স্পট বাজার থেকে তরলীকৃত গ্যাস আমদানি করে।
পড়ুন:দীর্ঘ মেয়াদে কাতার থেকে এলএনজি কিনতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
‘বর্তমান জ্বালানি সংকট– বাংলাদেশের জন্য এগিয়ে যাওয়ার পথ’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সেমিনার উপস্থাপনা করেন বিইএস সভাপতি ও সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোহাম্মদ তামিম, বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি দীপাল বড়ুয়া। এফবিসিসিআই-এর এনার্জি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশীদ, বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইপিপিএ) সভাপতি ইমরান করিম, সামিট গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ ফয়সাল করিম খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সাবেক চেয়ারম্যান ও বিইএসের সহ-সভাপতি এএসএম আলমগীর কবির।
অধ্যাপক এম তামিম বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের ওপর নির্ভর করে কোন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না, কারণ এটি বেশিদিন নাও চলতে পারে।
আরও পড়ুন: বিশ্বব্যাপী তেল, এলএনজির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে: মোমেন
বরং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেয়া উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দীপাল বড়ুয়া বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, তিনি রাউজানে তার গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন যেখানে সকাল ৮টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না।
এফবিসিসিআই নেতা এবং বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনকারী এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের সিইও হুমায়ুন রশীদ বলেছেন, অন্য কোনও মন্ত্রণালয়ের বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সম্পর্কে কথা বলা উচিত নয়। কারণ এটি মানুষের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।
তিনি দাবি করেন, আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমাদের সর্বকালের সেরা সময় পার করছি।
বিআইপিপিএ সভাপতি ইমরান করিম বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি খাতের ভূমিকা বাড়ছে এবং এটি দেশের বিদ্যুত খাতে ৩৩ শতাংশ অবদান রাখছে।
আরও পড়ুন: এলএনজি আমদানিতে জিডিএফ থেকে ২০০০ কোটি টাকা পাবে পেট্রোবাংলা
১৩৪৯ দিন আগে
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ইস্যুতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধি দল ঢাকায়
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিটির একটি প্রতিনিধি দল সোমবার তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন।
হেইডি হাউতালা এমইপি বাংলাদেশে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সফরে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রধানত বাণিজ্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সাথে সাম্প্রতিক বৈঠকের পর বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা ইইউ এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক অনুসরণ করতে আগ্রহী যা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে বাড়ছে।’
তিনি বলেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের (এমইপি) সদস্যদের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন মন্ত্রী ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে দেখা করবে।
ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, উভয় পক্ষই জিএসপি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিনিধি দল ব্যক্তিমালিকানাধীন কারখানা পরিদর্শন করবে এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করবেন।
পড়ুন: ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন শুরু
মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনে ৪ দিনের আসাম সফরে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল
১৪১২ দিন আগে
বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে চায় পাকিস্তান
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য চলমান। বাংলাদেশ থেকে চা, ফার্মাসিউটিকেল পণ্য, তৈরি পোশাক, সিরামিক পণ্য, স্যু, চামড়াজাত ও পাটজাত পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি হয়। এ রপ্তানি আরও বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে।
১৯৪৮ দিন আগে