মৃত্যু
প্রেম নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাত, রাজধানীতে যুবক নিহত
রাজধানীর সবুজবাগে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মো. সাইফ উদ্দিন সিফাত (২৮) নামে এক যুবক নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সবুজবাগের আদর্শপাড়া বরইতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সিফাতের বাড়ি রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এলাকায়। তার বাবার নাম জয়নাল আবেদীন।
সিফাতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বন্ধু হাসান জানান, নাজিফা শেখ নেহা নামে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে জয় ও আরও ২ থেকে ৩ জনের সঙ্গে সিফাতের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা সিফাতকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
হাসান আরও জানান, নেহার সঙ্গে আগে সিফাতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে জয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান তিনি। গতকাল (রবিবার) সিফাত মোটরসাইকেলে করে নেহার সঙ্গে দেখা করতে গেলে বিষয়টি জয় দেখতে পান। এরপর তিনি আরও কয়েকজনকে নিয়ে সিফাতের ওপর হামলা চালান।
এ ব্যাপারে নাজিফা শেখ নেহা জানান, বিকেলে সিফাত আদর্শপাড়া এলাকায় তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এ সময় স্থানীয় জয়, রাজিব, ইয়াসিনসহ ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল সিফাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। হামলার পর সিফাতকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নাজিফা আরও জানান, গত দুই বছর ধরে সিফাতের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথাবার্তা চলছিল।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
মেক্সিকোতে ধর্মীয় উৎসবে আতশবাজি বিস্ফোরণ, নিহত ১০
মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে এক ধর্মীয় উৎসবে আতশবাজির উপকরণ বিস্ফোরণে একটি দেয়াল ধসে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৬৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময়ে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মেক্সিকো স্টেটের তেমাসকালসিঙ্গো পৌরসভার নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে লা লুস গির্জার পাশে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
প্রায় ৬৬ হাজার বাসিন্দার এ পৌরসভার শত শত মানুষ ধর্মীয় উৎসবের অংশ হিসেবে আতশবাজির প্রদর্শনী দেখতে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই বিস্ফোরণটি ঘটে।
তেমাসকালসিঙ্গো দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটি থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় মেক্সিকো স্টেটের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় এক বিশপ জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দুইজন যাজকও রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণের পরের দৃশ্য দেখা গেছে। এতে ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে কয়েক বেশ কিছু মানুষকে জীবিতদের সন্ধান করতে দেখা যায়।
মেক্সিকোতে আতশবাজি-সংক্রান্ত বিস্ফোরণ প্রায়ই ঘটে। দেশটিতে বিভিন্ন রাস্তার উৎসব ও ধর্মীয় আয়োজনে আতশবাজির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
বছর চারেক আগে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় হিদালগো রাজ্যের হুয়েহুতলা পৌরসভার একটি গ্রামে শক্তিশালী আতশবাজির বিস্ফোরণে ১৭ জন আহত হয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে যানবাহনে আঘাত করে আগুন ধরে যায়। এ দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে মায়ামিতে পৌঁছানোর পর স্থানীয় সময় রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রানওয়ে ছেড়ে যায়। পরে বিমানবন্দরসংলগ্ন গুদাম ও বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ব্যবহার করেন এমন একটি সড়কের ওপর দিয়ে গিয়ে কয়েকটি যানবাহনে আঘাত করে।
মায়ামি-ডেড কাউন্টির কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, এ দুর্ঘঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তবে পাঁচজনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিমানের পাইলটরা বেঁচে আছেন কি না কিংবা নিহত সবাই বিমানটির আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের ভেতরে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মায়ামি-ডেড রেসকিউ ফায়ার বিভাগের প্রধান রে জাদাল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনায় পাইলট ও কো-পাইলট ককপিটে এবং কয়েকজন যাত্রী বিমানের যাত্রীবাহী অংশের ভেতরে আটকা পড়েন। একটি যাত্রীবাহী অংশের নিচে আটকে পড়া একজনকেও উদ্ধারকারীদের বের করে আনতে হয়েছে।
ঘন কালো ধোঁয়ায় আকাশ ছেয়ে যাওয়ার পর ব্যস্ত এই বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল বেশ কিছু সময় বন্ধ ছিল। দুর্ঘটনার পরপরই প্রায় ২০০ জরুরি উদ্ধারকর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেন। বিমানের ইঞ্জিনের জটিল অংশে আগুন ধরে যাওয়ায় প্রচণ্ড ধোঁয়া ও আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল বলে জানিয়েছে দমকল বিভাগ।
দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এতে আবহাওয়ার কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় বজ্রঝড় এবং ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৮ কিলোমিটার বেগে বায়ু প্রবাহ ছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, দুর্ঘটনার তদন্তে মায়ামিতে একটি দল পাঠাচ্ছে সংস্থাটি। এই তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে অ্যামাজন।
২ ঘণ্টা আগে
নয়াদিল্লিতে ভবন ধসে নিহত বেড়ে ৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপে আজ সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ সত্য নিকেতন এলাকায় অবস্থিত ওই পাঁচতলা ভবনটি ধসে পড়ে। ভবনটিতে একটি ছাত্রাবাস ছিল। এলাকাটি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ক্যাম্পাসের কাছে এবং বেসরকারি ছাত্রাবাসের হিসেবে পরিচিত।
দুর্ঘটনার পর পুলিশ, দমকল বাহিনী ও ভারতের দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থার সদস্যরা আজও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। ভারী যন্ত্র দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করে ভেতরে আটকে থাকা ব্যক্তিদের সন্ধান করা হচ্ছে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আজ ঘটনাস্থল থেকে সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অন্তত ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। ধ্বংসস্তূপের প্রায় ৮০ শতাংশ সরানো হয়েছে এবং এখন শুধু বেসমেন্টের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। এ ঘটনায় ছয়জন নিহত ও আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনটি অন্তত ৫৫ বছরের পুরোনো। কয়েক মাস ধরে সেটিতে সংস্কারকাজ চলছিল। কাজ পুরোপুরি শেষ না হলেও আগস্টে মূলত শিক্ষার্থীদের ভাড়াটিয়া হিসেবে সেখানে ওঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রকাশ চাঁদ জানান, ভবনটি ধসে পড়ার সময় কয়েকজন শ্রমিক বেসমেন্টে খননকাজ করছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, বেসমেন্টে পানি জমে যাওয়া এবং পুরোনো ভবনটিতে চলমান সংস্কারকাজের কারণে ভবনটি ধসে পড়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন গুপ্তা।
তিনি বলেন, সরকার এমন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করবে যার আওতায় জনসাধারণের ব্যবহৃত ভবন—বিশেষ করে ছাত্রাবাস, নার্সিং হোম ও স্কুল—নিয়মিত কাঠামোগত পরীক্ষা এবং নিরাপত্তা সনদ পাওয়ার বাধ্যবাধকতার মধ্যে আসবে। যেসব ভবন এসব শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হবে, সেগুলোতে কোনো ধরনের জনসাধারণের কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে না বলেও জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
দুর্যোগে নিহত ১,৩০০ ছাড়িয়েছে, জাতীয় শোক পালন করছে নেপাল
২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় নিহতদের স্মরণে আজ সোমবার নেপালে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হচ্ছে। এদিন সরকারি দপ্তরগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যরা শোকানুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।
বন্যার ত্রয়োদশ দিনে এসে নেপাল ও তিব্বতে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। এছাড়া বিদেশিসহ প্রায় ৫ হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা।
হিন্দুপ্রধান দেশটিতে সাধারণত মৃত্যুর পর ১৩ দিন শোক পালন করা হয়। এ সময়ে নিকটাত্মীয়রা বাড়িতে অবস্থান করেন এবং স্বজন ও পরিচিতরা তাদের সমবেদনা জানাতে যান। ত্রয়োদশ দিনে মৃতের আত্মার শান্তি কামনায় বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়।
যেসব পরিবারের সদস্য এখনও নিখোঁজ, তাদের অনেকেই প্রতীকী শেষকৃত্য ও শোকানুষ্ঠান পালন করেছেন। হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে দাহ গুরুত্বপূর্ণ শেষকৃত্য। প্রিয়জনের মরদেহ না পেলেও প্রতীকীভাবে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে কিছু পরিবার। তাদের কাছে এটি মানসিক ও আধ্যাত্মিক স্বস্তির মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
এর আগে, সোমবারকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করে নেপাল সরকার এবং সব সরকারি দপ্তরে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ প্রাণহানি, আহত ৬৬৪
গত আগস্ট মাসে দেশে ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত এবং ৬৬৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৬১ জন নারী ও ৫৮ জন শিশু।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের (আরএসএফ) আগস্ট মাসের সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৬.৫৯ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার ৩৫.৬৭ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা।
এই সময়ে ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ২১.২০ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৭ জন, অর্থাৎ মোট নিহতের ১৩.৯২ শতাংশ। এছাড়া আগস্টে সাতটি নৌ-দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও নয়জন আহত হয়েছেন। ৩৪টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন।
আরএসএফ ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৭৬ জন (৩৬.৫৯ শতাংশ), বাসের যাত্রী ৩৭ জন (৭.৬৯ শতাংশ), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-লরি-ড্রাম ট্রাকের আরোহী ৫১ জন (১০.৬০ শতাংশ), মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-জিপের আরোহী ১১ জন (২.২৮ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।
এছাড়া থ্রি-হুইলার যাত্রী—অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনা—নিহত হয়েছেন ৭৮ জন (১৬.২১ শতাংশ)। স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের—নসিমন, ভটভটি ও মাহিন্দ্র—যাত্রী নিহত হয়েছেন ২১ জন (৪.৩৬ শতাংশ)। রিকশা ও বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন পাঁচজন (১.০৩ শতাংশ)।
আরএসএফের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬৩টি (৩১.৭৭ শতাংশ) জাতীয় মহাসড়কে, ২১৭টি (৪২.৩০ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৬২টি (১২.০৮ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ৭১টি (১৩.৮৪ শতাংশ) শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগস্টে দুর্ঘটনায় মোট ৭৪৯টি যানবাহন সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে বাস ১০৩টি, ট্রাক ১০৮টি, কাভার্ডভ্যান ৩৬টি, পিকআপ ৩২টি, ট্রাক্টর আটটি, ট্রলি ছয়টি, লরি ১২টি, ড্রাম ট্রাক ১০টি, তেলবাহী ট্রাক একটি, ১৪ চাকার লরি একটি, মাইক্রোবাস ১৪টি, প্রাইভেটকার ২০টি, অ্যাম্বুলেন্স আটটি, জিপ চারটি, মোটরসাইকেল ১৯৪টি, থ্রি-হুইলার ১১২টি, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ৩৬টি, রিকশা আটটি, বাইসাইকেল পাঁচটি এবং অজ্ঞাত যানবাহন ৩১টি।
থ্রি-হুইলারের মধ্যে অটোরিকশা, অটোভ্যান, ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনা এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের মধ্যে নসিমন, ভটভটি, আলমসাধু, টমটম ও মাহিন্দ্র রয়েছে।
সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে সংঘটিত দুর্ঘটনার ৮ শতাংশ ভোরে, ২৭.৮৭ শতাংশ সকালে, ১৮.৯০ শতাংশ দুপুরে, ১৫.২০ শতাংশ বিকালে, ৯.৯৪ শতাংশ সন্ধ্যায় এবং ২০.০৭ শতাংশ রাতে ঘটেছে।
বিভাগভিত্তিক চিত্র
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে মোট দুর্ঘটনার ৩৩.৫২ শতাংশ এবং প্রাণহানির ২৯.৯৩ শতাংশ ঘটেছে। রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৪.৮১ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৮.৫০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ১৭.৩৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ১৫.৫৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.৯৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ৮.৭৩ শতাংশ।
বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ২.৯২ শতাংশ ও প্রাণহানি ২.৯১ শতাংশ, সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.০৬ শতাংশ ও প্রাণহানি ৭.৬৯ শতাংশ, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১০.৫২ শতাংশ ও প্রাণহানি ১০.৮১ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৫.৮৪ শতাংশ ও প্রাণহানি ৫.৮২ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে বগুড়ায় সবচেয়ে বেশি ৩৭ জন নিহত হয়েছেন।
রাজধানী ঢাকায় আগস্টে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত এবং ৫৪ জন আহত হয়েছেন।
জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে
আরএসএফের পর্যালোচনায় বলা হয়, গত জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ১৩.৪১ জন নিহত হয়েছিলেন। আগস্টে প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ১৫.৫১ জন। এ হিসাবে আগস্টে প্রাণহানি বেড়েছে ১৫.৬৫ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে অতিরিক্ত গতির কারণে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এ গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির মাধ্যমে নজরদারি এবং চালকদের মোটিভেশনাল প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণে পথচারী নিহতের ঘটনাও বাড়ছে বলে উল্লেখ করে আরএসএফ। এজন্য সরকারি উদ্যোগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে জীবনমুখী সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
দুর্ঘটনার প্রধান কারণ
আরএসএফের প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, ত্রুটিপূর্ণ সড়ক, বেপরোয়া গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা এবং মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকেও দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১১ দফা সুপারিশ
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনআরএসসি) পুনর্গঠন করে এর অধীনে বিআরটিএ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) পরিচালনার সুপারিশ করেছে আরএসএফ। কাউন্সিলের হাতে আইন, বিধি ও নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
সংস্থাটি বিআরটিএ, বিআরটিসি ও ডিটিসিএর ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং এসব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের নিয়োগের সুপারিশ করেছে।
মোটরযানে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং সড়ক থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন প্রত্যাহারের কথাও বলা হয়েছে।
রাজধানীতে রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক আধুনিক বাস সার্ভিস চালু, বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি ও পরিবহন সেবা উন্নত করে সরকারের পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে আরএসএফ।
দক্ষ চালক তৈরির প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ বৃদ্ধি করে তাদের বেতন, কর্মঘণ্টা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং স্বল্পগতির ছোট যানবাহনের জন্য সব মহাসড়কে সার্ভিস রোড নির্মাণসহ নিরাপদ রোড ডিজাইনের সুপারিশ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও সব রেলক্রসিংয়ে গেটকিপার নিয়োগ, সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়াতে জাতীয় বাজেটে অর্থ বরাদ্দ এবং প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, টেকসই পরিবহন কৌশলের অধীনে সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন একত্রিত করে একটি অভিন্ন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় গঠন করা হলে সমন্বিত, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।
আরএসএফ বলেছে, সময়োপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন, প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য শিক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ‘অতীব জরুরি’।
২ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ৩০ জন।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকায় যাচ্ছিল। গেড়াখোলা এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে ব্রিজ-সংলগ্ন খাদে পড়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গুরুতর আহত ১২ জনকে সেখানে ভর্তি করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আজাদুর রহমান বলেন, ‘টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস গেড়াখোলা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা গেছেন। আহতদের মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।’
২২ ঘণ্টা আগে
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ প্রাণহানি, আক্রান্ত ৯১৭
দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯১৭টি শিশু।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৯১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০০টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৯১টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৭৪টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৪৩। এই সময়ে ৭৬১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৭১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ১০৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৪১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজার ২১৪ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
১ দিন আগে
গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত, আহত ৪
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালিয়াকৈর-মাওনা আঞ্চলিক সড়কের কাঞ্চনপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, শ্রীপুরের মাওনা থেকে পাঁচজন যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা কালিয়াকৈরের দিকে যাচ্ছিল। কাঞ্চনপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশে গিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে অটোরিকশায় থাকা দুই যাত্রীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন, আর আহতাবস্থায় চালকসহ অন্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২ দিন আগে
কারওয়ান বাজারে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত
রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন কারওয়ান বাজার এলাকায় রেললাইনে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় (৫৫) এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কারওয়ান বাজারের পেছনের রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কারওয়ান বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী কাদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে কারওয়ান বাজারের পেছনের রেললাইন পার হওয়ার সময় চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় ওই ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে পড়ে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি আরেক পথচারীর সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
২ দিন আগে