মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৫ শিশুর মৃত্যু
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও হাম সন্দেহে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৩৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৭৪ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৯২ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ৪৬৭ জন।
এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ৮৯৮ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১১ হাজার ২৪৩ জন।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে ইস্কাটনের সচিব নিবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জানাজায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতারা, সর্বসাধারণ ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে স্বল্পসময়ের কাজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘দুই মাসের মতো হলো বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। দাপ্তরিক কাজে তিনি দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা ছিলেন। তার কাজের মধ্যে আমি নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে আমাদের অবস্থান অল্প সময়ের। কে কখন কার জানাজা পড়বে কেউ জানে না। পরকালের জন্য যেন কিছু সঞ্চয় নিয়ে যেতে পারি, আমাদের সে কাজে মনোযোগী হওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে গত ১৩ এপ্রিল মাহবুবুর রহমানকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় তার শরীরে রক্তের প্লাটিলেট আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকাকালে পরীক্ষায় তার শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়।
তার পারিবার জানায়, গাজীপুর জেলার গাছা এলাকায় তাকে দাফন করা হবে।
১৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে ওসমানী হাসপাতালে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হাম-রুবেলার সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়ছে সিলেটে। এই রোগের উপসর্গ নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৫ জনে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হাসপাতালের উপপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গতকাল (বুধবার) রাতে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু দুটি মারা যায়।
মারা যাওয়া দুই শিশুর মধ্যে হুজাইফা (১০ মাস) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদুন এলাকার জাকির হোসেনের মেয়ে। অপর শিশু মো. আব্দুল্লাহর (১০ মাস) গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পলভাগে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুজাইফের মৃত্যু হয়। সে হৃদ্যন্ত্র বিকলতা ও ব্রঙ্কোনিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল এবং হামের সন্দেহও ছিল। অন্যদিকে, একই দিন বিকেল পৌনে ৪টার দিকে পিআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুল্লাহর মৃত্যু হয়। তাকে গত ১৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, শক, হৃদ্যন্ত্র বিকলতা, ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া এবং হামজনিত জটিলতায় তার মৃত্যু হয়েছে।
শহিদ সামসুদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক, বাকিরা শিশু। এ নিয়ে হাসপাতালে ৬৭ জন রোগি ভর্তি রয়েছেন বলে জানান তিনি।
১ দিন আগে
ফরিদপুরে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে দুই ব্যবসায়ী নিহত, আহত ২৫
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস-পিকআপ সংঘর্ষে দুই বাঙ্গী ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার বাবলাতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে যাত্রীবাহী বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে ৪০ ফিট গভীর খাদে পড়ে উল্টে যায়। এ সময় পিকআপটিতে থাকা দুই যাত্রীর মধ্যে জাহাঙ্গীর মোল্লা (৪২) ঘটনাস্থলেই ও ঢাকা নেওয়ার পথে আলমগীর শেখ (৪০) নিহত হন। তারা দুজনই পেশায় ব্যবসায়ী। তাদের বাড়ি ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্ৰামে।
এ ছাড়াও বাসটিতে থাকা কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করেন। আহতদের ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহতদের সরকারি ও বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সযোগে ফরিদপুর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে অধিকাংশের হাত, পা, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে ও ভেঙে গিয়েছে।
এ বিষয় ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মামুন জানান, ফরিদপুর থেকে মাদারীপুরগামী শাহ ফরিদ নামের একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা টেকেরহাট থেকে বাঙ্গী বোঝাই একটি পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ২ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিকআপটি উদ্ধার করি। আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪ দিন আগে
কিংবদন্তির বিদায়: আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীত জগতে গভীর শূন্যতা
ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীত জগতে অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) মুম্বাইয়ে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পী।
১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাংলী জেলায় জন্ম নেওয়া আশা ভোঁসলে ছোটবেলা থেকেই সংগীতময় পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। তার বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকর ছিলেন নাট্যসংগীত শিল্পী এবং বড় বোন লতা মঙ্গেশকর ভারতীয় সংগীতের আরেক কিংবদন্তি। মাত্র ১০ বছর বয়সে ১৯৪০-এর দশকে বলিউডে প্লেব্যাক গানের মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে এক অনন্য অধ্যায়ে পরিণত হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৬ বছর বয়সে গণপত রাও ভোঁসলের সঙ্গে তার বিয়ে হলেও সম্পর্কটি ছিল অশান্ত। পারিবারিক অমত, মানসিক চাপ ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও তিনি সংগীতকে আঁকড়ে ধরে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে সংগীত পরিচালক আর ডি বর্মণের সঙ্গে তার বিবাহ তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে ওঠে।
সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ১২ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করে তিনি গড়ে তুলেছেন এক অনন্য দৃষ্টান্ত। হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, মারাঠি, গুজরাটি, পাঞ্জাবি ও ইংরেজিসহ বহু ভাষায় তার কণ্ঠ ছড়িয়ে পড়েছে। ‘ও লেকে প্যাহলা প্যাহলা পেয়ার’, ‘পিয়া তু আব তো আযা’, ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘ইন আঁখোঁ কি মস্তি’, ‘ঝুমকা ঘিরা রে’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গান আজও শ্রোতাদের মনে অমলিন।
তার কণ্ঠকে বিশ্বের অন্যতম বহুমুখী কণ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ক্লাসিক্যাল, পপ, কাবারে থেকে লোকসংগীত—সব ধারাতেই তিনি সমান দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সর্বাধিক রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্থান পান। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি মাইকেল জ্যাকসন ও বয় জর্জের মতো শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন।
সংগীতের পাশাপাশি রান্নার প্রতিও ছিল তার গভীর আগ্রহ। দুবাইসহ বিভিন্ন স্থানে তিনি রেস্তোরাঁ ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তার সন্তানদের মধ্যে আনন্দ ভোঁসলে ও নন্দিনী ভোঁসলে পরিচিত।
১১ এপ্রিল ২০২৬ মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে বুকে সংক্রমণ ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তাকে ভর্তি করা হয়। পরদিন, ১২ এপ্রিল দুপুরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার শেষকৃত্য মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে অনুষ্ঠিত হবে।
আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শুধু বলিউড নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার সংগীত অঙ্গন হারাল এক যুগস্রষ্টাকে। তার কণ্ঠ, সৃষ্টিকর্ম এবং সংগ্রামী জীবন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তার মৃত্যুতে ভারতীয় সংগীত জগতে এক গভীর শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
লেখক: গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষক
৫ দিন আগে
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ৯ ও ১০ মাস বয়সী দুই ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ১২ শিশুর মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৬ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ৭৩ শিশু।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকাল পারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত ২২ মার্চ ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। এরইমধ্যে শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
এছাড়া ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ১০ মাস বয়সী আরেক ছেলে শিশুকে ১১ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। পরে একই দিন সকালে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
ডা. গোলাম মাওলা আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে রবিবার (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ৩৯৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৩১২ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৮ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৭৩ শিশু।
তিনি বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী ভর্তি আছে। তবে ৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। হাসপাতালে সব রোগীকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
৫ দিন আগে
ফেনীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ, ক্লিনিক সিলগালা
ফেনীতে শহরের ওয়ান স্টোপস মেটারনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের ভুল অস্ত্রোপচারে নাঈমা আক্তার লিজা (২১) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ওই ক্লিনিক থেকে সংকটাপন্ন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর ক্লিনিকটি সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
নিহত লিজা ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের সৌদি প্রবাসী মুজিবুল হকের স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানান, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) লিজার প্রসব বেদনা শুরু হলে প্রথমে তাকে লস্করহাটের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানকার এক নার্সের মাধ্যমে তাকে শহরের শহিদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের ওয়ান স্টোপস মেটারনিটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দ্রুত সিজারিয়ান অপারেশন করানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। এ অপারেশনের জন্য ২২ হাজার টাকায় চুক্তিও করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে ওই ক্লিনিকে লিজার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন করেন ডা. নাসরিন আক্তার মুক্তা। অপারেশনের পরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনের পর থেকেই লিজার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়, কিন্তু ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাতে গুরুত্ব দেয়নি। একাধিকবার জানানো হলেও বিষয়টি তারা স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যান। পরদিন তাকে কয়েক দফা রক্ত দেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। এরপর স্বজনরা তাকে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
নিহতের স্বজন এমরান হোসেন বলেন, অপারেশনের পর থেকেই তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, কিন্তু চিকিৎসকরা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক ও নার্সরা ক্লিনিক ছেড়ে চলে যান। আমাদের ধারণা, অপারেশনের সময় তার জরায়ু বা কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের খালা আক্তার বানু নামে বলেন, তাদের এমন অবহেলায় দুনিয়াতে আসার মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যেই ছোট এই ছেলেটি এতিম হয়ে গেছে। বর্তমানে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানি না এই সন্তানের ভাগ্যে এখন কী আছে!
ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল হাই হুমায়ুন বলেন, এমন ঘটনা দুঃখজনক। এর ফলে প্রকৃতপক্ষে যারা হাসপাতাল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদেরও বদনাম হয়। ঘটনাটি জানার পর হাসপাতালের মালিককে কয়েকবার ফোন করেও সাড়া মেলেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ওই ক্লিনিক পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফেনী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান বলেন, বেসরকারি ক্লিনিক এবং ল্যাবরেটরি নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-১৯৮২ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি বেশকিছু ধারা লঙ্ঘন করেছে। অনৈতিক ও বেআইনিভাবে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এসব অপরাধে সিভিল সার্জনের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আইন অমান্য করে প্রতিষ্ঠানটি চালু করার চেষ্টা করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, এর আগেও ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়েছিল। তবে শর্তসাপেক্ষে পুনরায় চালুর অনুমতি পেয়েছিল। এখন প্রাথমিকভাবে অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ গুরুত্বের সঙ্গে ঘটনাটি তদন্ত করছে। প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নাঈমা আক্তার লিজা (২১) নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ওই ক্লিনিক থেকে সংকটাপন্ন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর ক্লিনিকটি সিলগালা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
নিহত লিজা ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের সৌদি প্রবাসী মুজিবুল হকের স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানান, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) লিজার প্রসব বেদনা শুরু হলে প্রথমে তাকে লস্করহাটের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানকার এক নার্সের মাধ্যমে তাকে শহরের শহিদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের ওয়ান স্টোপস মেটারনিটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দ্রুত সিজারিয়ান অপারেশন করানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়। এ অপারেশনের জন্য ২২ হাজার টাকায় চুক্তিও করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে ওই ক্লিনিকে লিজার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন করেন ডা. নাসরিন আক্তার মুক্তা। অপারেশনের পরপরই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। সেই সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনের পর থেকেই লিজার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়, কিন্তু ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাতে গুরুত্ব দেয়নি। একাধিকবার জানানো হলেও বিষয়টি তারা স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যান। পরদিন তাকে কয়েক দফা রক্ত দেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। এরপর স্বজনরা তাকে ফেনীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
নিহতের স্বজন এমরান হোসেন বলেন, অপারেশনের পর থেকেই তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল, কিন্তু চিকিৎসকরা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেননি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক ও নার্সরা ক্লিনিক ছেড়ে চলে যান। আমাদের ধারণা, অপারেশনের সময় তার জরায়ু বা কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের খালা আক্তার বানু নামে বলেন, তাদের এমন অবহেলায় দুনিয়াতে আসার মাত্র ২০ ঘণ্টার মধ্যেই ছোট এই ছেলেটি এতিম হয়ে গেছে। বর্তমানে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানি না এই সন্তানের ভাগ্যে এখন কী আছে!
ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল হাই হুমায়ুন বলেন, এমন ঘটনা দুঃখজনক। এর ফলে প্রকৃতপক্ষে যারা হাসপাতাল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদেরও বদনাম হয়। ঘটনাটি জানার পর হাসপাতালের মালিককে কয়েকবার ফোন করেও সাড়া মেলেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, প্রসূতির মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ওই ক্লিনিক পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফেনী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান বলেন, বেসরকারি ক্লিনিক এবং ল্যাবরেটরি নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-১৯৮২ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি বেশকিছু ধারা লঙ্ঘন করেছে। অনৈতিক ও বেআইনিভাবে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এসব অপরাধে সিভিল সার্জনের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আইন অমান্য করে প্রতিষ্ঠানটি চালু করার চেষ্টা করলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, এর আগেও ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়েছিল। তবে শর্তসাপেক্ষে পুনরায় চালুর অনুমতি পেয়েছিল। এখন প্রাথমিকভাবে অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ গুরুত্বের সঙ্গে ঘটনাটি তদন্ত করছে। প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
লালবাগে ছাদ থেকে পড়ে প্রাণ গেল যুবকের
রাজধানীর লালবাগে একটি বাসার ছাদ থেকে পড়ে অজ্ঞাত এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে লালবাগের বিডিআর ২ নম্বর গেটের নয়াপল্টন গলিতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর।
গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান পথচারীরা। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই যুবককে ঢামেকে নিয়ে আসা মো. হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, বিডিআর ২ নম্বর গেটের নয়াপল্টন গলির একটি বাসার চারতলার ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন ওই যুবক। পরে কয়েকজন পথচারী মিলে দ্রুত তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আমরা তার নাম পরিচয়ও জানতে পারিনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
৫ দিন আগে
৯২ বছর বয়সে চলে গেলেন আশা ভোঁসলে
চিরসবুজ ও বহুমাত্রিক কণ্ঠে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সংগীতপ্রেমীদের মুগ্ধ করা বর্ষীয়ান সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
রবিবার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আশা ভোঁসলের ছেলে আনন্দ ভোঁসলে মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিনি আর নেই। আগামীকাল বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।’
সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বুকে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আশা ভোঁসলে। এমার্জেন্সি কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল তাকে। হাসপাতালে নিয়ে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, কিংবদন্তী এই সংগীতশিল্পীর শারীরিক অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।
দ্রুত তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। তার মৃত্যুতে সংগীতের একটা যুগের অবসান ঘটল।
চলতি বছরের ৮ সেপ্টেম্বর ৯৩ বছরে পা দিতেন ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘কাজরা মোহাব্বত ওয়ালা’, ‘রঙ্গিলা রে’ ও ‘দিল চিজ ক্যা হ্যায়’-এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গানের জন্য খ্যাত আশা ভোঁসলে। তার প্রয়াণে সংগীত জগতে এবং তার গান শুনে বড় হওয়া অগণিত ভক্তের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মাত্র ১০ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালের মারাঠি চলচ্চিত্র ‘মাঝা বাল’-এ ‘চালা চালা নব বালা’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক শুরু করেন তিনি। শুরুতে ‘ও হাসিনা জুলফোঁওয়ালি’-র মতো আইটেম গানের জন্য তার ওপর একটি নির্দিষ্ট তকমা লেগে গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ‘দিল চিজ ক্যা হ্যায়’-এর মতো গজল এবং ‘তোরা মন দর্পণ কহলায়’-এর মতো ধ্রুপদী সংগীতে নিজের গভীরতা প্রমাণ করেন আশা।
৫ দিন আগে
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে বিভাগের ৬ জেলায় মোট ১২ শিশুর মৃত্যু হলো।
মৃতরা হলো ৫ মাস বয়সী ইমাম, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের পান্না খানের ছেলে, এবং ৯ মাস বয়সী আবু সালেহ, বরগুনার আমতলী উপজেলার বাসিন্দা আবু বক্করের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শেবাচিম হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা জানায়, সর্বশেষ মৃত দুই শিশু, ইমাম গত ৬ এপ্রিল এবং আবু সালেহ ৭ এপ্রিল হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে মোট তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, বর্তমানে হাসপাতালে ৯১ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় ২৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এ পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩১০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এতে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বিভাগের ছয়টি জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন। এসব হাসপাতাল ৬২ জন ছাড়পত্র নিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বরিশাল বিভাগে ১ হাজার ৮০ জনের মধ্যে হাম উপসর্গ দেখা দিয়েছে। যার মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে ৮২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৫২ জনের হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।
৮ দিন আগে