বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক
পানি-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় সরকার
পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি হিমাগারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানো হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।
তিনি বলেন, এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জনগণের সরকার। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি।’
বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন মন্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার খাতেও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।
সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি ফখরুলকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় বলেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাকে অভিনন্দন।
বার্তায় আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছে।
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ধারাবাহিক উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও বিস্তৃত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির প্রায় ৫০ জন জ্যেষ্ঠ নির্বাহী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ আরও বাড়ানো, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিসর সম্প্রসারণ, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এছাড়া সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত নীতিমালা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপ যৌথ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে অতুল কেশাপ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সরকারের সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো শীর্ষে রয়েছে। এসব কোম্পানি বাংলাদেশে উচ্চমানের ব্যবস্থাপনা, নৈতিক মানদণ্ড ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে যে পরিকল্পনা, বিশেষ করে ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য, তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী মহলের আস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
১৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন নৌবহর কমান্ডারের বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি. কোহলার। বৈঠকে মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যৌথ নৌ-মহড়া এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের পর যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত ‘অপারেশন সি অ্যাঞ্জেলস’-এর অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অ্যাডমিরাল কোহলার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নৌ-মহড়ায় বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশে কো-অপারেশন অ্যাফ্লোট রেডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং (ক্যারাট) মহড়া অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সি ভিশন এক্সারসাইজ-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে বিশ্বের বৃহত্তম বহুজাতিক নৌ-মহড়া রিম অব দ্য প্যাসিফিক (রিমপ্যাক)-এ বাংলাদেশের নিয়মিত অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে সামরিক তথ্যের নিরাপত্তাবিষয়ক সাধারণ চুক্তি (জিএসওএমআইএ) নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং এ বিষয়ে অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়।
২২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্যাসিফিক ফ্লিট’ কমান্ডার স্টিভ কোলার ঢাকায় আসছেন কাল
তিন দিনের সরকারি সফরে আগামীকাল মঙ্গলবার ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের (ইউএস প্যাসিফিক ফ্লিট) কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিভ কোলার।
সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র মারা বার্ডের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ৪ থেকে ৬ আগস্ট পর্যন্ত সফরকালে অ্যাডমিরাল কেলার বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
বৈঠকগুলোতে দীর্ঘদিনের যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা অংশীদারত্ব এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও পেশাগত সামরিক শিক্ষায় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হবে।
দূতাবাস জানায়, এ সফর আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার এবং অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রতিফলন।
অ্যাডমিরাল কোলার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নৌবহর ইউএস প্যাসিফিক ফ্লিটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই নৌবহর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করে।
সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উভয় দেশই সম্প্রতি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা ও মানবিক খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
২৩ দিন আগে
বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৫ জন শীর্ষ নির্বাহী ও ব্যবসায়ী নেতা বাংলাদেশ সফরে আসছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
শনিবার (১ আগস্ট) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মাহ্দী আমিন জানান, সফররত মার্কিন প্রতিনিধিদল বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবেন। তাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কথা জানানো হয়েছে। তারা মনে করে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে এবং গত প্রায় পাঁচ মাসে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে।
মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও গভীর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের মাধ্যমে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে এবং এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কীভাবে নীতিগত সহায়তা দেওয়া যায়, সেসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, রপ্তানি ও আমদানি বাড়ানোর উপায় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগ নিশ্চিত করার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪৫ জন ব্যবসায়ী নেতা বা প্রথম সারির কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরে আসবেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের ভ্রমণ সতর্কতা (ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি) ইতিবাচকভাবে সংশোধিত হওয়াও বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দেশটি থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের আশা করছে সরকার, যা দেশে কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে।
মাহ্দী আরও বলেন, বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরও সংবাদমাধ্যমকে একই ধরনের ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র অতীতের মতোই বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে পাশে থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি যে আস্থা প্রকাশ করেছে, তা ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো অর্থনৈতিক জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে এদিন কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান বহুমাত্রিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
২৫ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে আরও বেশি মার্কিন বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাত শাধিন।
বৈঠকে সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে।
এর প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ভ্রমণ সতর্কতা ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে। এর ফলে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত—এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা যাবে।
আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসতে যাওয়া ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের সফর নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ ছাড়াও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশে এফডিএর পরিদর্শন কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে তিনি সহযোগিতা করবেন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশন (ডিএফসি)-এর মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে বিশেষ করে গুদামজাতকরণ, সয়াবিন, তুলা, গমসহ কৃষিখাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
জবাবে সার্জিও গর বলেন, বাংলাদেশে ডিএফসির বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে ওয়াশিংটন ইতিবাচকভাবে কাজ করবে।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আরও জানান, ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন বিনিয়োগকারীরা অদূর ভবিষ্যতে একটি ‘ইউএস ইনভেস্টর সামিট’ আয়োজন করতে আগ্রহী।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও কাজ করছেন বলে জানান মার্কিন বিশেষ দূত।
২৫ দিন আগে
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় ঢাকা
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বুধবার (২২ জুলাই) ফিলিপাইনের রাজধানীতে আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয় বলে একটি কূটনৈতিক সূত্র ইউএনবিকে জানিয়েছে।
৩৩তম আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির (টিএসি) ৫০তম বার্ষিকী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. খলিলুর রহমান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকগুলোতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও যোগাযোগ খাতের সহযোগিতাসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোর দিয়ে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতেই দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক পরিচালনা করা হবে।
৩৫ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’ শুরু আগামীকাল
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে ১৯ জুলাই। দ্বিপক্ষীয় এ মহড়ায় দুই দেশের ১৬০ জনের বেশি সামরিক সদস্য অংশ নেবেন।
শনিবার (১৮) যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহড়াটির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এবারের মহড়ায় জঙ্গলাঞ্চলে অভিযান, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উভয় দেশের সামরিক সদস্যরা একে অপরের দক্ষতা ও কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ পাবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’ ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর লক্ষ্য হলো পেশাগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা, সামরিক কার্যক্রমের দক্ষতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও আন্তঃকার্যক্ষমতা আরও জোরদার করা।
‘টাইগার লাইটনিং’ ২০১৭ সালে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া। কোভিড-১৯ মহামারির সময় এটি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও, পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
মহড়াটি শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের অনুশীলনের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। এর সমাপনী পর্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হবে।
৩৯ দিন আগে
২৫০ বছরে আমেরিকা: বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব ও আগামীর উদযাপন
আজ থেকে আড়াই শতাব্দী আগে, ১৭৭৬ সালে, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতারা স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তারা এমন এক বিশ্বাসের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, যা তাদের কাছে ছিল মানুষের জন্মগত ও মৌলিক অধিকার—নিজেদের শাসন করার অধিকার।
‘আমরা এই সত্যগুলোকে স্বতঃসিদ্ধ বলে মনে করি যে, সব মানুষকে সমানভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা তাদের এমন কিছু অধিকার দিয়েছেন, যা কেউ কেড়ে নিতে পারে না। এর মধ্যে রয়েছে জীবন, স্বাধীনতা এবং সুখ অন্বেষণের অধিকার। আর মানুষের এই অধিকার রক্ষার জন্যই সরকার গঠিত হয়। জনগণের সম্মতিই সরকারের ক্ষমতার ভিত্তি।’
ইংল্যান্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিনের নানা অভিযোগ ও মতপার্থক্যের প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা অর্জনের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তুলে ধরার পর, আমাদের প্রতিষ্ঠাতা নেতারা ঘোষণা করেছিলেন, ‘এই ঐক্যবদ্ধ উপনিবেশগুলো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, এবং ন্যায়সঙ্গতভাবেই তাদের সেই মর্যাদা প্রাপ্য।’ এরপর তারা নিজেদের জীবন, সম্পদ এবং পবিত্র সম্মান বাজি রেখে সেই ঘোষণার প্রতি অটল থাকার অঙ্গীকার করেছিলেন।
এ ছিল সাহসী এক ঘোষণা। দুই শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণা যথার্থভাবেই বিশ্বজুড়ে মানুষের কল্পনাকে আলোড়িত করেছে। নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের আকাঙ্ক্ষায় মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষায়, ‘মাত্র এক টুকরো পার্চমেন্ট কাগজ এবং ৫৬টি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়েই মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক যাত্রার সূচনা করেছিল আমেরিকা।’
কিন্তু সেটি কেবল একটি ঘোষণা ছিল না। স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গড়ে তোলার স্বপ্নকে আমেরিকানরা বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন এবং সেই লক্ষ্যে নিজেদের জীবন পর্যন্ত বাজি রেখেছিলেন।
আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরকারী সেই ৫৬ জন সাহসী মানুষ জানতেন, তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
তারা জানতেন, সামনে অপেক্ষা করছে দীর্ঘ ও কঠিন এক যুদ্ধ, যে যুদ্ধে তাদের অনেকে হয়তো বেঁচে ফিরবেন না। তবু তারা নিজেদের আদর্শে অটল ছিলেন এবং আমেরিকাকে সবার আগে রেখেছিলেন।
আজ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে আমরা আবারও আমেরিকা ফার্স্ট নীতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।
তখন যেমন, এখনও তেমনি—আমেরিকা ফার্স্ট মানে আমেরিকা একা নয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমেরিকানরা তাদের মিত্রদের কাছ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা পেয়েছিলেন।
আজও আমরা এমন নীতি অনুসরণ করছি, যা আমেরিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করে। একইভাবে বাংলাদেশের নেতারাও এমন নীতি নিচ্ছেন, যা বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে সহায়ক।আর এভাবেই আমরা প্রায়ই এমন ক্ষেত্র খুঁজে পাই, যেখানে দুই দেশই লাভবান হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি এবং মে মাসে স্বাক্ষরিত জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক। এগুলো দুই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করছে। এটাই কূটনীতির মূল কথা।
তাই আজ, যখন আমরা আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছি, তখন আমরা শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শই স্মরণ করছি না। আমরা কূটনীতির দীর্ঘস্থায়ী ভূমিকাও স্মরণ করছি, যা আমাদের জাতির পথচলা এবং বিশ্বপরিসরে আমেরিকার প্রভাব গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
আমেরিকা প্রতিষ্ঠার এই ঐতিহাসিক মাইলফলক উদযাপনে আমাদের আয়োজনগুলো ফ্রিডম ২৫০ বৈশ্বিক উদ্যোগের অংশ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাকালীন আদর্শ, অর্থাৎ স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং মুক্তির চেতনাকে স্মরণ ও উদযাপন করা হচ্ছে।
ফ্রিডম ২৫০ শুধু অতীতের দিকে ফিরে তাকানোর উপলক্ষ নয়; এটি ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার এক সূচনামঞ্চ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দূরদর্শিতায় আমরা নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছি, উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিচ্ছি এবং কূটনীতির এক নতুন যুগের রূপরেখা তৈরি করছি, যা আগামী ২৫০ বছরের পথচলায় আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আমেরিকা যখন তার ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করছে, তখন আমরা বিশ্বের নানা প্রান্তের বন্ধুদের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তাদের মাঝে বাংলাদেশের মানুষও রয়েছেন। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে আমেরিকা সপ্তাহ এবং ২০২৬ সালজুড়ে আমাদের সঙ্গে আমেরিকার জন্মদিন উদযাপনে আপনাদের আমন্ত্রণ জানাই। আসুন, আমরা একসঙ্গে উদযাপন করি স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব এবং অভিন্ন ভবিষ্যতের যৌথ অঙ্গীকার।
৫৩ দিন আগে