বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক
পর্যবেক্ষক না এলেও নির্বাচনের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র: ইসি সচিব
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যবেক্ষক না পাঠালেও নিজ উদ্যোগে, অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বিষয়ে সার্বিক খোঁজ খবর রাখবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের এক বৈঠক চলাকালে এ আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে আখতার আহমেদ বলেন, তারা আমাদের জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোনো পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটি দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবেন।
তিনি বলেন, তবে এটি আনুষ্ঠানিক কোনো পরিদর্শন নয়। তারা এমনিতেই দেখতে যাবেন—ভোটের অবস্থাটা কী। এ বিষয়ে আমাদের তাদের ইচ্ছাটা জানিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশন সাদরে তাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
ইসি সচিব বলেন, বৈঠকে তারা নির্বাচনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে উনাদের বেশি কৌতুহল ছিল পোস্টাল ব্যালট নিয়ে। আমরা এ বিষয়ে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তাদের জানিয়েছি, সেইসঙ্গে নমুনা ব্যালট দেখিয়েছি। তারা বলেছেন যে এটি জটিল, বেশ কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার। তবে তারা আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন।
প্রতিনিধি দলটি নির্বাচনি আচরণবিধি বাস্তবায়ন এবং লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কেও জানতে চান উল্লেখ করেন আখতার আহমেদ। জবাবে নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছে, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল, তদন্ত কমিটি এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযোগ মোকাবিলা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বা বাড়াবাড়ি ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে কি না—এ বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের দূত জানতে চান। এর জবাবে নির্বাচন কমিশন জানায়, কমিশন পর্যায়ে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। কোথাও কোনো স্থানীয় সমস্যা থাকলে তা স্থানীয় পর্যায়েই সমাধান করা হয়েছে বলে কমিশন জানিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তারা এটাও জানতে চেয়েছিলেন যে আমরা আমাদের আইনশৃংখলা ব্যবস্থাপনা কী হতে যাচ্ছে। আমরা বলেছি যে আমাদের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কর্মী বিভিন্ন স্তরে কাজ করবেন।
ইসি সচিব জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তুষ্ট। তারা একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট একযোগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের তফসিল ঘোষণা করে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত) এবং মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ।
৪ দিন আগে
জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ পক্ষ নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। আমি এই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছি এবং এর ফলাফল দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।’
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র বাংলাদেশের জনগণের, এবং শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই। বাংলাদেশের জনগণ যাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে, আমরা সেই সরকারের সঙ্গেই কাজ করতে প্রস্তুত।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠক সম্পর্কে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার যে তথ্যগুলো আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন, সেগুলো নিয়ে আমি খুবই সন্তুষ্ট। আপনাদের সবার মতো আমিও ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের ফলাফলের অপেক্ষায় আছি।
তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে যখন আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তিনি বলেন, নির্বাচনের দিনটি উৎসবমুখর হবে। আশা করি, এটি একটি আনন্দময় নির্বাচন হবে। যেখানে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে গিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন এবং আপনারা একটি অত্যন্ত সফল নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট একযোগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানের তফসিল ঘোষণা করে।
আজ (বুধবার) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
৪ দিন আগে
২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা বন্ড কার্যকর
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ব্যবসা ও পর্যটন ভিসায় নতুন ‘ভিসা বন্ড’ প্রথা কার্যকর করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এই বিধান অনুযায়ী, ভিসার জন্য অনুমোদিত আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১ ও বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
ভিসাপ্রত্যাশীদের সতর্ক করে দূতাবাস বলেছে, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে।
বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। তবে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
১৩ দিন আগে
মার্কিন অভিবাসী ভিসা ইস্যুতে কৌশল ঠিক করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও নীতিগত পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে আজকে উপদেষ্টা পরিষদে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এঙ্গেজ করবেন।
কয়েকদিন আগে ছিল ভিসা বন্ডিং ইস্যু। সপ্তাহ পেরোতে আবার অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে জটিলতা। ৭৫টা দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। আমাদের কি কোথাও গ্যাপ থেকে যাচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা কি বাংলাদেশকে টার্গেট করে করেছে? আসলে যে সমস্ত দেশ থেকে ইমিগ্র্যান্ট (অভিবাসী) বেশি যায় বা যে সমস্ত দেশ থেকে মানুষ গিয়ে পরে পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম (রাজনৈতিক আশ্রয়) চায়, যে সমস্ত দেশ থেকে মানুষ গিয়ে ওদের সোশ্যাল সার্ভিসের (সামাজিক পরিষেবা) ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তাই তাদের সরকার ঠিক করেছে যে সেই সমস্ত দেশের ব্যাপারে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো, এই শর্তগুলো তারা আরোপ করবে।’
তিনি বলেন, ‘এটা (অভিবাসী ভিসা স্থগিত) তাদের সরকারের সিদ্ধান্ত। সেখানে আমার কোথায় অসুবিধা হচ্ছে, কী করণীয়—এখন আমরা সেগুলো নিয়ে কথা বলব।’
১৬ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের হালনাগাদ ভিসা বন্ড তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের নাম। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ ও ব্যবসা ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা ফেরতযোগ্য জামানত জমা দিতে হবে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ভিসা বন্ডের আওতাভুক্ত দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে।
এই কর্মসূচির আওতায়, নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর পাসপোর্টধারীদের অন্যান্য সব যোগ্যতা পূরণ থাকলে ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড দিতে বলা হতে পারে। এই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘পে ডট গভ’ (pay.gov)-এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই নীতির আওতায় থাকা দেশের সংখ্যা বর্তমানে ৩৮টিতে দাঁড়িয়েছে। তালিকাভুক্ত অধিকাংশ দেশই দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলভুক্ত।
বাংলাদেশের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে আলজেরিয়া, কিউবা, নেপাল, নাইজেরিয়া ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশ। নতুন এই শর্ত ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে অবস্থান (ওভার স্টে) নিরুৎসাহিত করতেই বন্ডের এই শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তবে বন্ডটি ফেরতযোগ্য। যদি ভিসার মেয়াদ থাকাকালীন সময়ের মধ্যে কিংবা মেয়াদের শেষ দিন কেউ প্রস্থান করে তাহলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। এছাড়া ভিসার মেয়াদের মধ্যে ভ্রমণ না করলে অথবা ভিসা আবেদনের পর প্রত্যাখ্যান করা হলে জামানতের অর্থ ফেরত দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ভিসার মেয়াদের পর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলে অথবা আশ্রয় প্রার্থনা করলে জামানতের শর্ত ভঙ্গ বলে বিবেচনা করা হবে।
উন্নয়নশীল দেশের অনেক আবেদনকারীর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ কার্যত নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা তুলে ধরে আরোপিত এই নীতিটি সমালোচিত হয়েছে।
এর আগে ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য কিছু ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা বন্ড চালুর উদ্যোগ নেয়, কিন্তু পরে তা বাতিল করে।
২৫ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে চমৎকার দ্বিপাক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে আগামীতে তা আরও জোরদার হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেনের সঙ্গে অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ ও আশাব্যঞ্জক আলোচনা হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ড. মোমেন দু'দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা পড়ে শোনান।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশের উষ্ণ সম্পর্কের ভিত্তি করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১৩৯৬ দিন আগে
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক: মোমেন- ব্লিংকেন বৈঠক ২৪ ফেব্রুয়ারি
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘বিস্তৃত’ আলোচনা করতে সোমবার রাতে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা হবেন।
১৮০৪ দিন আগে