জিটুজি
ইউরিয়া সার আমদানির ২ প্রস্তাব অনুমোদন
২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ব্যবস্থায় ইউরিয়া সার আমদানির দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত দুটি প্রস্তাব বিবেচনার পর অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রথম প্রস্তাবের আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের সঙ্গে বিদ্যমান জিটুজি চুক্তি সংশোধনের নীতিগত অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর ফলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার এফওবি (ফ্রি অন বোর্ড) ও সিএফআর (কস্ট অ্যান্ড ফ্রেইট)—উভয় শর্তে কেনার সুযোগ থাকবে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, এই সংশোধনের ফলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত দুটি সরবরাহ ও মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার যেকোনো একটির আওতায় বাংলাদেশ ইউরিয়া সার কিনতে পারবে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রস্তাবের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিটুজি ব্যবস্থায় প্রিল্ড ইউরিয়া সার আমদানির জন্য ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন প্রডিনটর্গের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের নীতিগত অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে কৃষি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৫ দিন আগে
ডিএপি সার আনতে চায় বাংলাদেশ, আম নিতে চায় রাশিয়া
রাশিয়া থেকে জিটুজি ভিত্তিতে ডিএপি ও পটাশিয়াম সার আনতে চায় বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে রাশিয়ার সাথে একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষরের আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আম নেয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি।
বুধবার কৃষিমন্ত্রীর সাথে ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাক্ষাৎকালে দুপক্ষ এ আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুনঃ কৃষির উন্নয়নে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহবান কৃষিমন্ত্রীরএসময় বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, সদস্য পরিচালক (সার ব্যবস্থাপনা) ড. এ কে এম মুনিরুল হক, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শরীফা আহমেদ, ঢাকার রাশান দূতাবাসের অ্যাটাচে খানুভা আমাতুলা উপস্থিত ছিলেন।সাক্ষাৎকালে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে কৃষকদেরকে ডিএপি সার ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার চার দফা সারের দাম কমিয়েছে। ডিএপির দাম ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে কেজিপ্রতি ১৬ টাকা করেছে। এর ফলে ডিএপি সারের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা রাশিয়া থেকে ডিএপি ও পটাশিয়াম আমদানি করতে চাই এবং এ ব্যাপারে একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ (এমওইউ) স্বাক্ষর করতে চাই।উল্লেখ্য, ২০১৩ সাল থেকে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশ জিটুজি ভিত্তিতে এমওপি সার আমদানি করছে। এ ব্যাপারে দুদেশের মধ্যে একটি এমওইউ বিদ্যমান রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ‘হাড়িভাঙ্গা’ আম উপহার শেখ হাসিনারএছাড়া কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে রাশিয়াকে আলু আমদানির বিষয়টি পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, আলুকে ব্যাকটেরিয়ামুক্ত ও নিরাপদ করতে বাংলাদেশ সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশে এখন অনেক উন্নতমানের আলু উৎপাদিত হচ্ছে। রাশিয়া আলু আমদানি পুনরায় শুরু করতে পারে।উল্লেখ্য, আলুতে ব্রাউনরট রোগের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে আলু রপ্তানিতে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। রাশান রাষ্ট্রদূত আলু আমদানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধুরাষ্ট্র। স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু থেকেই রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুনঃ মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতিকে শেখ হাসিনার আম উপহাররাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি বলেন, বাংলাদেশের আম অত্যন্ত সুস্বাদু ও উন্নত মানের। রাশিয়াতে এ আম রপ্তানির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আম নিতে রাশিয়ার আগ্রহ রয়েছে।বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানেও রাশিয়া প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার ভি. মান্টিটস্কি।
১৮৬৭ দিন আগে
ঢাকায় পৌঁছেছে ‘আকাশ তরী’ ড্যাশ-৮
বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে ক্রয় করা তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের দ্বিতীয় উড়োজাহাজ বুধবার বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে দেশে পৌঁছেছে।
২০৪২ দিন আগে