হত্যাকাণ্ড
রামিসা হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
এর আগে সকালে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, শনিবার ডিএনএ প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
এর আগে, আজ (রবিবার) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, এ মামলার বিচার প্রক্রিয়া পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
মামলার নথি অনুযায়ী, রামিসা আক্তার তার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লার মেয়ে। অভিযুক্ত সোহেল রানা পার্শ্ববর্তী একটি ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া ছিলেন। তিনি শিশুটিকে কৌশলে তার কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে রামিসার ছিন্নভিন্ন মরদেহ বিছানার নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং তার কাটা মাথা বাথরুমের একটি বালতির ভেতর থেকে পাওয়া যায়।
ঘটনার সময় স্বপ্না আক্তারকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে সোহেল রানা পালিয়ে যান। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
৩ দিন আগে
গাজীপুরে ৫ খুন: আসামি ফোরকানের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত নয় পুলিশ
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যা সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন কিনা—সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। তবে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে জিএমপির পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দিন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফোরকান মোল্লা।
গোপালগঞ্জের বাসিন্দা ফোরকান প্রায় ছয় মাস আগে স্ত্রী শারমিন ও তিন সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউৎকোনা পূর্বপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় ওঠেন। তিনি পেশায় প্রাইভেটকারচালক ছিলেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান, পারিবারিক অশান্তির বিষয়টি তদন্তে উঠে এসেছে। গত ৮ মে রাতে চাকরির কথা বলে শ্যালক রসূল মোল্লাকেও গোপালগঞ্জ থেকে কাপাসিয়ায় নিয়ে আসেন ফোরকান। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রাতের খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ বা অচেতন করার কিছু মিশিয়ে স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে অচেতন করা হয়। এরপর ধারালো চাপাতি দিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, নিহত শারমিনের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে কাপাসিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতিসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান মোল্লা পলাতক ছিলেন।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের অবস্থান মেহেরপুর এলাকায় শনাক্ত করা হয়। পরে তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া যায়। এক ট্রাক সহকারী পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি এলাকা থেকে একটি মোবাইল কুড়িয়ে পান। ওই সূত্র ধরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ।
ফুটেজে দেখা যায়, সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরা এক ব্যক্তি একটি সাদা প্রাইভেটকার থেকে নেমে রেলিংয়ের পাশে কিছু রেখে কিছুক্ষণ পর নদীতে ঝাঁপ দেন। ওই ব্যক্তি ফোরকান মোল্লা কি না, কিংবা তিনি মারা গেছেন কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিষয়টি যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দিন।
১৩ দিন আগে
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: দীপু মনি-রুপা-বাবুকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ
২০১৩ সালে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের সমাবেশে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আজ সকালে এই তিন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
এর আগে, তদন্ত সংস্থার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গত ৭মে তাদেরকে ট্রইব্যুাালে হাজির করার আদেশ দেন।
ওই দিন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। ওই দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক বক্তব্য হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা ও মোজাম্মেল বাবু।
ওই সময় মোজাম্মেল বাবু একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, আর ফারজানা রুপা ছিলেন টেলিভিশনটির সাবেক প্রধান প্রতিবেদক।
এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয় আসামি। তারা হলেন— সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
১৩ দিন আগে
গাজীপুরে গরু চোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গরু চোর সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
রবিবার (১০ মে) ভোর ৪টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাগচালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোরে ১০-১২ জনের সংঘবদ্ধ গরু চোর চক্রের একটি দল একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে বাগচালা এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিকের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে আশপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করলে স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া করেন। একপর্যায়ে জনতা তালা কাটার সরঞ্জাম, চাপাতি ও দাসহ তিনজনকে আটক করে পিটুনি দেয়। পাশাপাশি তাদের ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা-পুলিশ ও ফুলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এ বিষয়ে ময়নাতদন্তসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
১৭ দিন আগে
গাজীপুরে ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা: মরদেহের ওপর মিলল চাঞ্চল্যকর ‘অভিযোগপত্র’
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী ও তিন কন্যাসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর মরদেহের ওপর টাইপ করা অভিযোগপত্র রেখে পালিয়েছেন অভিযুক্ত গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্ত্রীর পরকীয়া ও অর্থ আত্মসাতের ক্ষোভ থেকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন—ফোরকানের স্ত্রী শারমিন খানম (৪০), তাদের তিন মেয়ে মিম (১৬), মারিয়া (৮) ও ফারিয়া (২) এবং ফোরকানের শ্যালক রসুল (২২)। শারমিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইকান্দি গ্রামের শাহাদাত মোল্যার মেয়ে ছিলেন। তার স্বামী ফোরকান মিয়া প্রাইভেট কারের চালক।
আজ সকালে ফোরকানের ফোন কল থেকেই তাদের মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বজনরা এসে ঘরের ভেতরে মরদেহগুলো দেখতে পান। গোপালগঞ্জের বাসিন্দা মো. ফোরকান তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের ওই বাড়িতে গত পাঁচ মাস ধরে ভাড়ায় বসবাস করছিলেন।
এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখনও জানানো হয়নি।
মরদেহের ওপর ৫টি অভিন্ন অভিযোগপত্র
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে মদের বোতল, চাপাতি ও কম্পিউটারে টাইপ করা একটি অভিযোগপত্রের পাঁচটি অভিন্ন কপি উদ্ধার করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লেখা ওই অভিযোগপত্রে ফোরকান তার স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে, স্ত্রী শারমিন তার খালাতো ভাইয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। বিষয়টি জানার পর ফোরকান এসব নিয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এর জেরে গত ৫ মে শারমিন ও তার লোকজন মিলে ফোরকানকে বেঁধে রেখে মারধর করেন।
এছাড়া শারমিন ও তার বাবাসহ কয়েকজন মিলে ফোরকানের উপার্জিত ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে তাদের নামে জমি কিনেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রটি উল্লিখিত থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা যাচাই করছে পুলিশ।
পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের আলামত
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ফোরকান তার পরিবার নিয়ে আগে টঙ্গীতে থাকতেন। মাস পাঁচেক আগে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে তিনি কাপাসিয়ার ওই নিরিবিলি এলাকায় বাসা ভাড়া নেন। সেখানে এতদিন ধরে বসবাস করলেও আশপাশের লোকজনের সঙ্গে তাদের তেমন সখ্যতা ছিল না।
ঘটনাস্থল থেকে মদের খালি বোতল ও চাপাতিসহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, হত্যার আগে সবাইকে চেতনাশক কিছু খাইয়ে অচেতন করা হয়েছিল। শুক্রবার রাতে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর ফোরকান নিজেই স্বজনদের ফোনে বিষয়টি জানান এবং এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। নিজের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটি নিয়ে তিনি পালিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, সিআইডি, পিবিআইসহ বিভিন্ন টিম আলাদাভাবে তদন্ত করছে। শিগগিরই ফোরকানকে গ্রেপ্তার এবং খুনের রহস্য উদঘাটন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
১৮ দিন আগে
গাজীপুরে স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক ব্যক্তির স্ত্রী, তিন কন্যাসন্তান ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত নারীর স্বামী ফোরকান পলাতক রয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ফোরকানের স্ত্রী, তাদের তিন কন্যাসন্তান এবং স্ত্রীর ভাই। তারা গোপালগঞ্জের বাসিন্দা এবং কাপাসিয়ার রাহাতখানা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
ফেকরান গাড়িচালক হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুর আলম জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামী ফোরকান স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যা করে পালিয়ে গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত ছাড়া বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।’
১৮ দিন আগে
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর
২০১৩ সালে হেফাজতের আন্দোলনে সারা দেশে ৫৮ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এই মামলায় প্রধান আসামি হবেন শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন সরকারের উদ্দেশ্য ছিল হেফাজতে ইসলামকে নিধন করা। এ ঘটনায় ৯০ শতাংশ তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৭ জুনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে প্রসিকিউশন। মামলায় ৩০ জনের বেশি আসামি হতে পারে বলেও জানান তিনি।
কোরআন ও মহানবী (সা.)-এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদ এবং ১৩ দফা দাবিতে ২০১৩ সালের ৫ মে ‘ঢাকা অবরোধ’ কর্মসূচি ঘোষণা করে হেফাজতে ইসলাম। ওই দিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আলেম, মাদরাসাশিক্ষার্থী ও সমর্থকরা রাজধানীতে সমবেত হন। কর্মসূচি শেষে তারা মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেন।
সেদিন দিনভর ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সন্ধ্যার আগেই দুজনের মরদেহ সমাবেশস্থলের অস্থায়ী মঞ্চের সামনে আনা হয়। পরে মধ্যরাতে যৌথবাহিনী অভিযান চালালে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। গুলি, টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের মধ্যে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় সমাবেশ। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনার নিহতের সংখ্যা নিয়ে শুরু থেকেই ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে আসে। ২০২৫ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলাম তাদের পক্ষ থেকে ৯৩ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে। তারা জানিয়েছিল, যাচাই-বাছাই শেষে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এর আগে, ২০২১ সালের ১০ জুন মানবাধিকার সংগঠন অধিকার তাদের এক প্রতিবেদনে এ ঘটনায় নিহত ৬১ জনের নাম সংগ্রহের কথা জানায়। ২০১৪ সালে ‘শহিদনামা’নামে একটি গ্রন্থে ৪১ জন নিহতের তথ্য তুলে ধরা হয়।
ঘটনার ১৩ বছর পার হলেও এখনো বিচার সম্পন্ন হয়নি। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। জুলাইয়ের অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ করেন।
ওই অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারসহ মোট ৫৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক তিন পুলিশপ্রধান হাসান মাহমুদ খন্দকার, বেনজীর আহমেদ ও এ কে এম শহিদুল হক এবং পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক মোল্যা নজরুল ইসলামও রয়েছেন।
আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বর্তমানে কারাগারে আছেন এবং বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহও এগিয়ে চলছে। শাপলা চত্বরের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।
এর আগে, রবিবার (৩ মে) চিফ প্রসিকিউটর বলেছিলেন, ঢাকায় হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে ২০ জন এবং চট্টগ্রামে পাঁচজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে সন্ধান পাওয়া গেছে। নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আজ তিনি মোট ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্তের তথ্য দিলেন।
২২ দিন আগে
কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিনতাইকারী চক্র: র্যাব
কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ছিনতাইকারী চক্র জড়িত বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ ঘটনায় কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন— মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং সুজন।
ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গ্রেপ্তাররা দূরদূরান্ত থেকে আসা যাত্রীদের রাতের বেলা টার্গেট করে তাদের সিএনজি বা অটোরিকশায় তুলে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এবং আঘাত করে ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে আসছিল। ঘটনার রাতে তারা সিএনজি নিয়ে কুমিল্লার জাগরঝুলি এলাকায় ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছিল।
তিনি বলেন, রাত ৩টার দিকে বুলেট বৈরাগী চট্টগ্রাম থেকে জাগরঝুলি এসে বাস থেকে নামলে তারা তার গন্তব্যস্থল জানতে চায়। তখন তিনি জাঙ্গালিয়া যাওয়ার কথা বললে অটোরিকশার পেছনে যাত্রীবেশে থাকা সোহাগ ও হৃদয় তাদের পাশে বসতে বলে। সিএনজিটি জাঙ্গালিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর সোহাগ ও হৃদয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুলেট বৈরাগীকে আঘাত করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। এ সময় ভুক্তভোগীর সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তিও হয়।
তিনি আরও বলেন, ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে জনি চাকু বের করে ভুক্তভোগীকে ভয় দেখায়, মারধর করে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ, টাকা, মোবাইল ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেয়।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এ র্যাব কর্মকর্তা বলেন, অটোরিকশাটি কোটবাড়ি বিশ্বরোড অতিক্রম করলে তারা ভুক্তভোগীকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত সিএনজি থেকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।
৩০ দিন আগে
ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ‘মারা যাওয়ার ভান করে’ বাঁচল ছেলে
ভোলার সদর উপজেলায় ঘরে ঢুকে ছেলের সামনে দুবাই প্রবাসীর স্ত্রী নাসিমা বেগমকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ৮ বছর বয়সী ছেলে আবির গুরুতর আহত হয়েছে। বর্তমানে সে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ মো. জিহাদ নামে এক যুবককে আটক করেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগর রাতে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে আজ (শনিবার) সকালে নিহত নাসিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সরদার বাড়ির দক্ষিণ পাশে বসবাস করতেন দুবাই প্রবাসী আল-আমিনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা বেগম। গতকাল (শুক্রবার) রাতে খাওয়া শেষে ছেলে আবিরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর নাসিমা ও তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। একপর্যায়ে নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তারা। পরে নাসিমার ছেলে আবিরের চিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশকে খবর দেন।
আবিরের দাবি, রাতের আঁধারে জিহাদ নামের এক যুবক ঘরে প্রবেশ করে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। এ সময় তাকেও আঘাত করেন তিনি। পরে সে মারা যাওয়ার ভান করলে জিহাদ চলে যায়। এরপর সে ঘরের বাইরে এসে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে।
নিহত নাসিমার চাচাশ্বশুর নাজিম উদ্দীন বলেন, ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ছুটে এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। এরপর ছেলেটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।
ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. ইব্রাহীম জানান, আহত শিশুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. জিহাদকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তদন্ত শেষে নিশ্চিত করা যাবে।
৩৯ দিন আগে
বরিশালে পুলিশের সামনে পিটিয়ে হত্যা, জড়িত অভিযোগে বিএনপি নেতা বহিষ্কার
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকে একজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীর হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন।
রবিবার (২২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহতের নাম খোরশেদ সিকদার (৬৫)। পুলিশের সামনে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হলেও সংঘর্ষ থামাতে এবং খোরশেদ সিকদারকে বাঁচাতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটির সদস্যরা।
এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, খোরশেদ সিকদারকে কয়েকজন মিলে বেদম মারধর করছেন। কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সামনেই ঘটছে এ ঘটনা। পুলিশ সদস্যরা হামলা থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। চেয়ার আর লাঠির উপর্যুপরি আঘাতে একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন খোরশেদ সিকদার। পরে তাকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মেহেন্দিগঞ্জ পৌর বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ রিয়াজ শাহিন লিটন ও সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী দিনু মিয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল (রবিবার) রাতেই বিষয়টি জানানো হয়।
মেহেন্দীগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বশির আহম্মেদ জানান, ঘর নির্মাণের পাওনা টাকা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রবিবার বিকেলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য সালিশ বসে। একপর্যায়ে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যাক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।
বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছিল।
৬৫ দিন আগে