বোমা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের পদ্মা নদীর ৪ নম্বর বেড়িবাঁধ-সংলগ্ন ফাঁসিতলা এলাকার একটি আমবাগান থেকে এসব সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে র্যাব-৫-এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে র্যাব-৫-এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার ফাঁসিতলা এলাকায় একটি আমবাগানে অভিযান চালায়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১টি সুটারগান, ১ রাউন্ড গুলি, ১ কেজি ৮৫০ গ্রাম গান পাউডার, ২টি হাসুয়াসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
জব্দ করা মালামাল আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
২ দিন আগে
ফরিদপুর-১: ভোটকেন্দ্রের পাশে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার
ফরিদপুর-১ আসনের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন বাজারে ভোটকেন্দ্রের পাশে মাংসের দোকানে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে মধুখালী উপজেলার ডুমাইন বাজারে ভোট কেন্দ্রের পাশে মাংসের দোকান থেকে বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান বলেন, এটি বোমা নয়। তবে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি উদ্ধার করে। তবে এটি মারাত্মক কিছু নয়।
তিনি আরও বলেন, বোমা সাদৃশ্য বস্তুটি ব্যাটারি ও তার প্যাচানো অবস্থায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে দুষ্কৃতকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
১৯২ দিন আগে
জাজিরায় ‘হাতবোমা বানাতে গিয়ে’ বিস্ফোরণ, যুবক নিহত
শরীয়তপুরের জাজিরায় বোমা বিস্ফোরণে সোহান বেপারী (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের কান্দি গ্রামে কুদ্দুস বেপারীর বাড়ির পাশে একটি ঘরে বোমা তৈরি করার সময় বিস্ফোরণ হয়। ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে একটি জমি থেকে সোহান বেপারীর মরদেহ উদ্ধার করে জাজিরা থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, রাতে বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারীর বাড়ির পাশে তার ভাই নুরুল ইসলাম বেপারীর একটি পরিত্যক্ত ঘরে হাত বোমা (ককটেল) বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হন। যার মধ্যে চেরাগ আলী বেপারী কান্দির সোহান বেপারী নামের একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহমেদ জানান, ঘটনাস্থল থেকে কিছু দূরে একটি জমি থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত করছি।
২২৭ দিন আগে
গুমের তদন্তকারীদের হত্যার জন্য বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর
গুমের তদন্তকারীদের হত্যার জন্য বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জুলাই গণহত্যার তিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে এসেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। আমরা আশা করছি— অন্তত দুটি মামলার ফরমাল চার্জ এ মাসেই দাখিল করতে পারব।’
রবিবার (৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গুমের মামলাগুলো তদন্ত করছে।’
টিএফআই সেলের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেটার ভেতরে ভূগর্ভস্থ অনেকটা বলা যাবে, সেমি ভূগর্ভস্থ সেলগুলো আবিষ্কার করা হয়েছে। যেগুলো ওয়াল তুলে বন্ধ করা হয়েছে। সেই ওয়াল ভাঙতে হয়েছে। পুরো গার্বেজ দিয়ে সেটাকে ভরে রাখা হয়েছে। সেগুলো সরিয়ে ক্রাইম সিনগুলো বের করতে হয়েছে।’
আরও পড়ুন: হাসিনা তখন হাসপাতালে গিয়ে ‘নো ট্রিটমেন্ট, নো রিলিজের’ নির্দেশ দেন: চিফ প্রসিকিউটর
‘আপনারা জানেন, এই কাজ করতে গিয়ে স্বয়ং চিফ প্রসিকিউটর তিনি এই ইনভেস্টিগেশন চলাকালে প্রেজেন্ট ছিলেন। আমরা যখন না বুঝে..., সেখানে বোমা ফিট করা ছিল, সেই বোমাগুলোর সঙ্গে টাইমার সেট করা ছিল। আমাদের অ্যাপারেন্টলি বোঝা যায় যে এই ইনভেস্টিগেশন করতে যারা গিয়েছেন, তাদের হত্যা করারও চেষ্টা করা হয়েছে।’
পরে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আর মন্তব্য করছি না। সময় হলে জানতে পারবেন। এত সব জটিলতার মধ্য দিয়ে যে কাজগুলো এগিয়েছে, সেগুলো প্রতিদিন জনসমক্ষে আসেনি। যে কারণে অনেকে মনে করতে পারেন যে তদন্তকাজ কিছু হয়নি।’
তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার বিষয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যা-গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা, আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা ও চানখারপুল গণহত্যার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এসেছে। এর মধ্যে অন্তত দুটি মামলার ফরমাল চার্জ এ মাসেই ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ (রবিবার) যাত্রাবাড়ীতে গণহত্যার অভিযোগে করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তিন মাস সময় মঞ্জুর করেছেন ট্রাইব্যুনাল। সাভারের আসহাবুল ইয়ামিন হত্যা মামলার আসামি সোহেল মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৩ এপ্রিল ও চানখারপুলে হত্যাকাণ্ডে করা মামলায় পুলিশ কর্মকর্তা নাসিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের বিচারকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে। কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো স্ক্যান্ডাল বিচারকাজ থামাতে পারবে না। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থার কোনো দুর্নীতি কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। এছাড়া আমিসহ গুমের মামলা তদন্ত দলকে হত্যার জন্য বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল। কোনো ষড়যন্ত্র বিচার বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।’
আরও পড়ুন: আলেপ-মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে গুম ও ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমরা মনে করি, একটি ট্রাইব্যুনাল যথেষ্ট নয়। আরও ট্রাইব্যুনাল হওয়া উচিত। সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা করেছে। খুব সহসাই অন্তত দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের যাত্রা শুরু হবে বলে আমরা আশা করছি। তবে আসামিদের পক্ষ থেকে বিচার বানচালের চেষ্টা সফল হবে না।’
৫০৪ দিন আগে
কেরু অ্যান্ড কোম্পানিতে পাওয়া বোমাটি ১০ ঘণ্টা পর নিষ্ক্রিয়
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড (চিনিকল) চত্বরে ঝোপের মধ্যে একটি সন্দেহজনক বোমাসদৃশ বস্তুটি আসলেই বোমা ছিল। কেরুজ ক্লাবের পাশে টানা ১০ ঘণ্টা পাহারা দেওয়ার পর বোমাটি উদ্ধার করে রাজশাহী র্যাব-৫ এর প্রশিক্ষিত দল। শেষপর্যন্ত বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে তারা।
র্যাব-৫ এর প্রশিক্ষিত দল গতরাত (বৃহস্পতিবার) ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আধুনিক পদ্ধতিতে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। বিকট শব্দে বোমাটি ফাটিয়ে নিষ্ক্রিয় করে দলটি।
জনবহুল এলাকায় শক্তিশালী বোমা পাওয়ার খবরে পুরো এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী কোম্পানির জেনারেল অফিস ও ক্লাবের পাশের ঝোপের মধ্যে লাল টেপ মোড়ানো বোমাসদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান। সন্দেহজনক বস্তুটি দেখে তারা দর্শনা থানা পুলিশ ও সেনাক্যাম্পে খবর দেন। খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা, দর্শনা থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মুহম্মদ শহীদ তিতুমীর ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে সেনাবাহিনী চলে গেলেও পুলিশ ও কেরুর নিরাপত্তাকর্মীরা সেটি পাহারা দেয়। এরপর রাজশাহী র্যাব-৫ এর প্রশিক্ষিত দলটি এসে বোমাটি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করে।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ তিতুমীর বলেন, ‘রাজশাহী র্যাব-৫ এর বোম ডিসপোজাল টিম এসে বোমাটি উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করেছে। আমরা প্রকৃত ঘটনা কী এবং কে বা কারা বোমাটি রেখেছে—সে বিষয়ে তদন্ত করছি। শিগগিরই প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন ও অপরাধী শনাক্ত করা হবে।’
কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আল ফারুক ওমর শরীফ গালিব ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হাসান বলেন, বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। আমরা প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনে পুলিশকে সাহায্য করছি।
এদিকে, এ ঘটনা নিয়ে নানা গুজব ও জল্পনা শুরু হয়েছে কেরু চিনিকল এলাকায়। কেউ কেউ বলছেন, এই ঘটনা সদ্য স্থগিত হয়ে যাওয়া শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কোনো পক্ষ করেছে। এটি ষড়যন্ত্রের অংশ বলেও নাম প্রকাশ না করে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
৫৫৫ দিন আগে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬টি বোমা উদ্ধার
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান থেকে ছয়টি দেশীয় বোমা উদ্ধার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এম শাহাদাত হোসেন আজাদ জানান, লালন শাহ হলের পকেট গেটে দুটি দেশীয় বোমা পড়ে থাকতে দেখে একদল শিক্ষার্থী প্রক্টরিয়াল বডিকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে বোমাগুলো উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে ৪ ভোটকেন্দ্রে আগুন, হাতবোমা উদ্ধার
পরে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদসংলগ্ন এলাকা থেকে দুটি এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল এলাকা থেকে একটিসহ চারটি দেশীয় বোমা উদ্ধার করা হয়।
প্রক্টর বলেন, দুর্বৃত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টির জন্য এসব বোমা রেখে থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে দুর্বৃত্তের ছোঁড়া পেট্রোলবোমায় আহত ২
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা পুলিশকে জানিয়েছি এবং তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।’
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও গণমাধ্যম) পলাশ কান্তি নাথ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে বাসে টাইম বোমার মতো বস্তু উদ্ধার
৯৫৪ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে বাসে টাইম বোমার মতো বস্তু উদ্ধার
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার মৌচাক এলাকায় কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে টাইম বোমার মতো একটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বাসটির সুপারভাইজার মো. হাসান জানান, ঢাকার গাবতলী এলাকা থেকে একজন যাত্রী বাসে ওঠেন এবং কেউ কেউ সায়েদাবাদে ওঠেন।
বাসটি যাত্রাবাড়ীর হানিফ ফ্লাইওভারে পৌঁছালে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাস থেকে এক যাত্রীকে নিখোঁজ অবস্থায় দেখতে পান এবং যাত্রীর ব্যাগ থেকে টাইম বোমার মতো বস্তু উদ্ধার করা হয়।
তারা জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি পুলিশকে জানান।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা বলেন, বোমায় একটি টাইমার লাগানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে যাত্রীরা নিরাপদে রয়েছেন।
৯৬০ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে রেললাইনে বোমা নিক্ষেপের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৩
নারায়ণগঞ্জ ২ নম্বর রেলস্টেশনে ‘নাশকতার উদ্দেশ্যে’ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) রেললাইন লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপের চেষ্টা করার সময় তিন যুবককে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন- জয়নাল, হাবিবুর ও হাসান।
নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোখলেছুর রহমান বলেন, রেলওয়েতে সম্ভাব্য হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের একটি দল স্টেশনে রেললাইন পাহারা দিচ্ছে।
পুলিশ সদস্যরা লক্ষ্য করেন কিছু যুবক বিকালে রেললাইন লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপের চেষ্টা করছে।
পরে পুলিশ তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে বলে জানান এসআই মোখলেছুর।
তবে গ্রেপ্তারদের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কি না তা স্পষ্ট নয়।
তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা, বিস্ফোরক আইন ও দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হবে।
আরও পড়ুন: ঢাকার পোস্তগোলায় বাসে আগুন
চুয়াডাঙ্গায় নাশকতার মামলায় বিএনপির ২ নেতা গ্রেপ্তার
৯৭৩ দিন আগে
ভোলায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ১
ভোলায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।
সোমবার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের জনতা বাজার সংলগ্ন একটি বাড়িতে বোমা তৈরির সময় ঘটনাটি ঘটে।
নিহত যুবকের নাম মনির বয়াতি (৪৮) এবং ওই এলাকার তালের আলীর ছেলে। আহত ব্যক্তির নাম ফিরোজ।
আরও পড়ুন: খুলনায় চায়ের দোকানে বোমা বিস্ফোরণে আহত ৩
স্থানীয়রা জানান, ভোলার লালমোহন উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের জনতা বাজার সংলগ্ন আজাহার মাঝির ঘরে সোমবার রাত ১১টার দিকে মনির বয়াতি ও ফিরোজ বোমা তৈরির সময় তা বিস্ফোরিত হয়।
এতে মনির বয়াতি, ফিরোজ গুরুতর আহত হন। এ ছাড়াও আরও একজন তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহত হয়েছেন। এদিকে আহতদের উদ্ধার করে লালমোহন হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক উন্নয়ন চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে নেওয়ার পথে আহত মনির বয়াতির মৃত্যু হয়।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুল আলম জানান, বোমা বিস্ফোরণে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।
আরও পড়ুন: ঢাবি’র কলা ভবন থেকে দুটি বোমা উদ্ধার
গাইবান্ধায় ৮টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার
১০০৬ দিন আগে
পাকিস্তানে বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপন সমাবেশে বোমা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে পৌঁছেছে। শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের মাস্তুং জেলায় ইসলামের শেষ নবী মুহাম্মদের (সা.) জন্মদিন উপলক্ষে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপন সমাবেশে একজন সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী বিস্ফোরণ ঘটায়।
কয়েক মাসের মধ্যে পাকিস্তানে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে করা সবচেয়ে মারাত্মক হামলা ছিল এটি।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘এ হামলায় প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছে। যাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর।’
এখনও পর্যন্ত কেউ এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।
তবে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর আঞ্চলিক সহযোগীদের দিকে মূলত সন্দেহের তীর রয়েছে। কারণ তারা পাকিস্তানের চারপাশে এর আগেও কয়েকটি মারাত্মক বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে।
বেলুচিস্তানে তাদের এক কমান্ডার নিহত হওয়ার পর আইএস কয়েকদিন আগেও একই এলাকায় একটি হামলা চালায়।
এছাড়াও, শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি জেলা হাঙ্গুতে একটি থানার চত্বরে অবস্থিত একটি মসজিদে বিস্ফোরণে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত এবং সাতজন আহত হয়।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উদযাপনের সমাবেশে বিস্ফোরণে নিহত ২১
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী পুলিশ স্টেশনের মসজিদের কাছে আসে। রক্ষীরা একজনকে গুলি করে হত্যা করলেও অন্যজন মসজিদে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভিতরে প্রায় ৪০ জন মুসল্লীকে নিয়ে ইটের তৈরি ভবনটি বিস্ফোরণে ধসে পড়ে।
ওই এলাকার পুলিশ প্রধান জাভেদ লেহরি জানিয়েছেন, মাস্তুংয়ে শুক্রবারের বোমা হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
একটি মসজিদের পাশের খোলা জায়গায় এই হামলা ঘটেছে, যেখানে প্রায় ৫০০ মানুষ জুমার নামাজের পরে নবীর (সা.) জন্মদিন উদযাপনের জন্য একটি মিছিলের জন্য জড়ো হয়েছিল, যা মিলাদুন্নবী নামে পরিচিত।
লেহরি বলেছেন, বেশিরভাগ লাশ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে এবং অন্যদের দেহাবশেষ নিজ শহরে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সন্দেহভাজন অপরাধী বা অপরাধীদের ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য বোমা বিস্ফোরণের স্থান থেকে উদ্ধার করা দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বেলুচিস্তান প্রদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মীর আলি মারদান ডোমকি সাংবাদিকদের বলেছেন, এখন পর্যন্ত তদন্তের সমস্ত ফলাফলে মনে হচ্ছে এটি একটি আত্মঘাতী বোমা হামলা।
তিনি বলেন, কাউন্টার-টেররিজম তদন্তকারীরা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য কাজ করছে। শিগগিরই পুরো জাতিকে তদন্তের ফলাফল জানানো হবে।
ডোমকি বলেন, ‘আমরা এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব এবং তাদের আর নিরপরাধ জীবন নিয়ে খেলতে দেবো না।’
তিনি বলেন, ‘সরকার গুরুতর আহত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য করাচিতে স্থানান্তর করতে চায়। প্রত্যেক আহত ও নিহত ব্যক্তির পরিবার আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবে।’
মাস্তুংয়ের মানুষ নিহতদের উদ্দেশে শোক জানাতে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। পাকিস্তানের অন্যান্য স্থানেও হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর গাড়িবহরে আত্মঘাতী বোমা হামলা, ৯ সেনা নিহত
একটি ধর্মীয় সংস্থা মজলিস-ই-উলামা নিজামিয়ার সদস্যরা বোমা হামলার নিন্দা জানাতে লাহোর শহরে একটি প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হয়েছিল।
জনতার উদ্দেশে মাওলানা আবদুস সাত্তার সাইদী মাস্তুং ও হাঙ্গুরের নৃশংস হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি, প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার-উল-হক কাকার, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সাবেক আইন প্রণেতা, রাজনৈতিক দলের প্রধান, সামাজিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী ও সুশীল সমাজের সদস্যরাও বোমা হামলা এবং মানুষের জীবনের ক্ষয়ক্ষতির নিন্দা জানিয়েছেন।
একটি বিবৃতিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরাও ‘পাকিস্তানে জঘন্য ও কাপুরুষোচিত আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলার’ নিন্দা করেছেন।
তারা ‘এই নিন্দনীয় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অপরাধীদের, সংগঠক, অর্থদাতা ও পৃষ্ঠপোষকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং তাদের বিচারের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।’
রাষ্ট্রীয় টিভির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন যে এই ধরনের হামলা প্রকাশ করে যে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা ছাড়া সন্ত্রাসীদের আর কোনো লক্ষ্য নেই।
ইসলামাবাদে মার্কিন দূতাবাস এক্স (টুইটার)-এ একটি বিবৃতি পোস্ট করেছে।
যেখানে বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তানের জনগণ সন্ত্রাসী হামলার ভয় ছাড়াই তাদের বিশ্বাসকে উদযাপন করার যোগ্য।’
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গির্জা ও খ্রিস্টানদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১২৯
১০৫৮ দিন আগে