অভিনেতা
সালমান শাহ: তিন দশকের মুগ্ধতা, স্মৃতি ও অমীমাংসিত প্রশ্ন
কিছু তারকা আসেন, উজ্জ্বলভাবে আলো ছড়ান এবং সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যান। তবে খুব অল্প কয়েকজন প্রজন্মের পর প্রজন্মের স্মৃতিতে থেকে যান। চলে যাওয়ার কয়েক দশক পরও তাদের উপস্থিতি মুছে যায় না।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন তারকাদের মধ্যে সালমান শাহর মতো দীর্ঘস্থায়ী ছাপ খুব কমই কেউ রেখে যেতে পেরেছেন। আজ (রবিবার) তার ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে ১৯ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া এই জনপ্রিয় অভিনেতার নাম ছিল চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।
মাত্র প্রায় চার বছরের ক্যারিয়ারে সালমান শাহ নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম তারকা হয়ে ওঠেন। ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিষেক হয়। এরপর ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘সুজন সখী’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘আনন্দ অশ্রু’সহ বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মন জয় করে নেন।
শাবনূরের সঙ্গে তার জুটি বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ঢালিউডে যার সঙ্গে তার অভিষেক হয়েছিল সেই মৌসুমীসহ শাবনাজ, লিমা ও শাহনাজের মতো শীর্ষ অভিনেত্রীদের সঙ্গেও তার অভিনয় তাকে রোমান্টিক নায়ক হিসেবে আরও প্রতিষ্ঠিত করে।
সালমান শাহর পোশাক, চুলের স্টাইল ও পর্দায় সাবলীল উপস্থিতি তাকে অনুসরণীয় তারকায় পরিণত করে। জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে যার প্রভাব এখনও অনুভূত হয়।
তবে এই তারকার প্রতি দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসার পাশাপাশি তার মৃত্যু ঘিরে প্রশ্নও তিন দশক ধরে অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পরবর্তী তদন্তগুলোতে তাকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এটি আত্মহত্যা বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। ২০২০ সালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তেও একই সিদ্ধান্ত আসে।
তবে সালমান শাহর পরিবার বরাবরই এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে দাবি করে আসছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
২০২৫ সালের অক্টোবরে ঢাকার একটি আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করার নির্দেশ দিলে বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। পরে তার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, অভিনেতা আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। চলতি বছরের আগস্টে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা কয়েক দফা পেছানো হয়েছে। সর্বশেষ ২৯ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করা হয়েছে।
সালমান শাহর মৃত্যুর তিন দশক পর আজও তার জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি। তাকে দেখে বড় হওয়া দর্শকদের কাছে তিনি এখনও তার সিনেমার পর্দায় থাকা সেই তরুণ নায়ক, যার আকর্ষণ আজও অমলিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও এই কিংবদন্তি অভিনেতার অগণিত ভক্তের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভরে উঠেছে।
ঢালিউডের সবচেয়ে বড় ‘যদি-কিন্তু’র গল্পগুলোর একজন সালমান শাহ। তিনি কখনোই সত্যিকার অর্থে পর্দা কিংবা তাকে কিংবদন্তিতে পরিণত করা মানুষের হৃদয় থেকে বিদায় নেননি।
৯ দিন আগে
সালমান শাহ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে অভিনেতা ডন
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
গত ২০ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ বিভাগের পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। নিবিড় ও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মামলার ঘটনায় জড়িত অন্যান্য সহযোগী আসামিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া এবং তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হতে পারে।
এ ছাড়া, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ডন কী কারণে, কার ইন্ধনে এবং কীভাবে বিভিন্ন কৌশলে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, সে সম্পর্কেও তথ্য উদঘাটনের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ওই দিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
১২ আগস্ট ডনের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন আদালত।
গত বছরের ২০ অক্টোবর আদালতের নির্দেশে সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম রমনা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন: সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামীরা হক, তার মা লতিফা হক লুছি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু এবং রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেননি। তবে ডনকে বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্র নায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ মারা যান। এ ঘটনায় তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী প্রথমে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন।
পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করেন তিনি। সে সময় অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যার অভিযোগ একসঙ্গে তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।
এদিকে, ডনের রিমান্ড শুনানিকে কেন্দ্র করে সালমান শাহর ভক্তরা আজ সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণের সামনে ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
১৯ দিন আগে
সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডন গ্রেপ্তার
জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় বাংলা চলচ্চিত্রের খলনায়ক চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৯ আগস্ট) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার আজ দুপুরে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) একটি দল এসে তাকে নিয়ে যায়।
আজ সকাল ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ডনের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল বলে জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সালমান শাহ হত্যা মামলাটি বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—সিআইডি তদন্ত করছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ওরফে ইমন, চলচ্চিত্র অঙ্গনে যিনি সালমান শাহ নামে পরিচিত। তার মৃত্যুর ঘটনায় ২৯ বছর আগের অপমৃত্যুর মামলা গত বছর হত্যা মামলায় রূপ নেয়। আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় সালমান শাহর মামা চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর হোসেন কুমকুম বাদী হয়ে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।
হত্যা মামলার এজাহারে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, বিতর্কিত ব্যবসায়ী অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, বাংলা চলচ্চিত্রের খলনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল হক ওরফে ডন।
এর আগে, গত বছর তার মৃত্যু নিয়ে দায়ের করা হত্যা মামলার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন। আদালতের ওই আদেশের পর মামলাটির তদন্ত পুনরায় শুরু হয়।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
৩৭ দিন আগে
স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্রারোচনা মামলায় অভিনেতা আলভী রিমান্ডে
স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভী ওরফে মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আব্দুল মালেক গত ২১ জুন জাহের আলভীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৪ জুন (বুধবার) দিন ধার্য করেন। এরপর আজ (বুধবার) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার জাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় নিজ বাসা থেকে ইকরার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।
ইকরার বাবা কবির হায়াত খান মামলায় বলেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়।
আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলেসন্তান রয়েছে।
আলভীর মা নাসরিন সুলতানা গত ৪ জুন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
৮৩ দিন আগে
রিমান্ড শেষে কারাগারে অভিনেতা সিদ্দিক
অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিককে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৭ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ৩০ এপ্রিল বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলশানে ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদারকে হত্যাচেষ্টার মামলায় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিককে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
সাত দিনের রিমান্ড শেষে সিদ্দিককে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।
গত ২৯ এপ্রিল বিকালে বেইলি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু যুবক সিদ্দিককে আটক করেন। তাকে মারধর করে রমনা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করলে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: ভ্যানচালক হত্যাচেষ্টা মামলায় সাতদিনের রিমান্ডে সিদ্দিক
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুরে কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন।
এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৯ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় এ মামলাটি করে জব্বার আলী হাওলাদার নিজেই।
৪৯৬ দিন আগে
অভিনেতা সিদ্দিককে মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ
অভিনেতা সিদ্দিককে মারধর করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে এসে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকালে এমন ঘটনা ঘটেছে। এরইমধ্যে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
এতে দেখা গেছে, জামাকাপড় ছেঁড়া অবস্থায় রাস্তায় হাঁটিয়ে সিদ্দিককে রমনা থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে। রমনা থানার ডিউটি অফিসার সাব-ইন্সপেক্টর জালাল এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আজ বিকালে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা সিদ্দিককে আমাদের হাতে তুলে দিয়ে যায়। তার জামাকাপড় ছেঁড়া ছিল। তিনি এখন পর্যন্ত আমাদের হেফাজতে আছেন।’
জানা গেছে, ঢাকার কাকরাইল এলাকায় সিদ্দিককে মারধর করে প্রকাশ্যে স্লোগান দিতে দিতে থানার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে থানার ভেতরে নিয়ে গেলে পুলিশ বাইরে আসে। এরপর পুলিশের হাতে তাকে তুলে দেওয়া হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, জামাকাপড় ছেঁড়া অবস্থায় তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন একদল যুবক। নেওয়ার সময়ও কেউ তাঁর গায়ে হাত তুলছিলেন। আর কান্নাকাটি করছিলেন অভিনেতা সিদ্দিক। এই অভিনয়শিল্পীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় আওয়ামী লীগের দোসর বলে তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন।
আরও পড়ুন: জবি শিক্ষার্থীকে মারধর ও পুলিশে সোপর্দ, প্রতিবাদে বিভাগের গেটে তালা
ভিডিওতে একজন ধারাবিবরণীতে বলছিলেন, ‘আমরা সিদ্দিককে, আওয়ামী লীগের একজন দালালকে পুলিশে হস্তান্তর করছি।’
সিদ্দিক অভিনয়ের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিকবার ঢাকার গুলশান ও টাঙ্গাইলের মধুপুর আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন।
৫০৪ দিন আগে
সাভারে গুলিবিদ্ধ অভিনেতা আজিজুর রহমান
সাভারের আশুলিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন অভিনেতা আজিজুর রহমান আজাদ (৩৪)। তাকে উত্তরার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
আহত টেলিভিশন অভিনেতা আজাদের পারিবারিক সুত্র জানায়, ‘আজ রবিবার ভোরে গ্রিল কাটার শব্দে আজিজের ঘুম ভাঙে। এ সময় তিনি বাসায় দুর্বৃত্তদের উপস্থিতি টের পান। দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে পর পর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে।’
তিনি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে রক্ষা করতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় স্ত্রী রোকসানা হক (৩৩) ও মা আজিজুন্নাহার (৬৫) আহত হন। পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ অভিনেতাসহ সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে কি কারণে তাকে হত্যা চেষ্টা করা হয় কেউ জানাতে পারেনি।
আরও পড়ুন: জগন্নাথপুরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩০, গুলিবিদ্ধ ১
শিপ ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালের চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান বলেন, অভিনেতার শরীরে তিনটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে আশুলিয়া থানার ওসি নূরে আলম সিদ্দিক বলেন, ‘বিষয়টি তিনি শুনেছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।’
তবে এখনো কেউ মামলা করেননি বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৫৬৯ দিন আগে
কোন নাটকের মাধ্যমে নির্দেশনায় ইতি টানছেন অঞ্জন দত্ত
শিল্প জগতে পা রেখেছিলেন অভিনেতা হতে। তবে কপালের রেখা খানিকটা পাল্টে দিয়েছেন ভাগ্যদেবতা। অভিনেতা তিনি হয়েছেন, তবে তার চেয়ে বেশি হয়েছেন সংগীতশিল্পী তারপরও দাপিয়ে বেড়িয়েছেন সিনেমা ও মঞ্চ নাটকের জগতে। তিনি ভারতীয় অভিনেতা, নির্দেশক, পরিচালক ও সংগীতশিল্পী অঞ্জন দত্ত।
কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি আর একটি নাটকে নির্দেশনা দেবেন। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে থাকে ইন্ডাস্ট্রিতে।
জীবনের শেষ নাটকের জন্য অঞ্জন উইলিয়াম শেক্সপিয়রের শরণাপন্ন হয়েছেন। ব্রিটিশ নাট্যকারের ‘কিং লিয়র’কে সমকালীন প্রেক্ষাপটে পুনর্নির্মাণ করেছেন অঞ্জন। নাম দিয়েছেন ‘আরও একটা লিয়র’।
কিং লিয়রের প্রযোজনা করছেন তিনি নিজেই। নাটকে অন্ধকার একটি জগৎকে তুলে ধরেছেন তিনি।
কিং লিয়রের মেয়েদের চরিত্রে রয়েছেন যথাক্রমে সুদীপা বসু, কমলিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্লস্টারের চরিত্রে লোকনাথ দে এবং কেন্টের চরিত্রে সুপ্রভাত দাস। এডমন্ডের চরিত্রে রয়েছেন শুভ্রসৌরভ দাস।
অঞ্জন শুরু থেকেই থিয়েটারে অভিনয়ের ক্ষেত্রে শরীরী ভাষা এবং বয়স অনুযায়ী চরিত্র নির্বাচনকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
৭১ বছর বয়সি অভিনেতা জানান, এরপর তিনি আর নাটকে অভিনয় করতে পারবেন না।
ভারতীয় গণমাধ্যমকে অঞ্জন বলেন, ‘এক সময় বাদল সরকার আমাকে তৈরি করেছিলেন। গ্যালিলিও যখন করেছি, তখন আমি মধ্য-পঞ্চাশে। কিন্তু এ বার রিহার্সাল করতে গিয়ে বুঝেছি, এরপর আর মঞ্চে অভিনয় করতে পারব না।’
কিন্তু শেষ নাটক হিসেবে ‘কিং লিয়র’কেই বেছে নেওয়া প্রসঙ্গে অঞ্জন বলেন, ‘ব্রেখ্ট ও রবীন্দ্রনাথের নাটক করেছি। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত শেক্সপিয়র করিনি। আর কিং লিয়রের কোনো বিকল্প নেই।’
এ নাটকে নামভূমিকায় অভিনয় করেছেন অঞ্জন দত্ত।
বাঙালি নাট্যপ্রেমীদের কাছে কিং লিয়র হিসেবে এখনও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় উজ্জ্বল। সেখানে কোনো রকম তুলনায় যেতে রাজি নন এ নির্দেশক ও অভিনেতা।
তিনি বলেন, ‘আগেই বলেছি, আমার নাটকটাই আলাদা। আমার লিয়র তো বদ্ধ উন্মাদ এবং বদমায়েশ এক চরিত্র। তাই তুলনা করার অবকাশ কম। তবুও দর্শক যদি তুলনা করেন, সেটা তাদের বিষয়।’
অঞ্জন জানান, আগামী কয়েক মাসে ‘আরও একটা লিয়র’-এর বেশ কয়েকটি শো মঞ্চস্থ হবে।
সম্প্রতি চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেন স্মরণে চালচিত্র এখন সিনেমা পরিচালনা করেছেন অঞ্জন দত্ত। সেখানে তিনি পরিচালক মৃণাল সেনের ভূমিকায় অভিনয়ও করেছেন।
সমালোচক মহলে ব্যাপক প্রসংশিত হয়েছে তার এ সিনেমা। এছাড়াও রঞ্জনা আমি আসব না, দত্ত ভার্সেস দত্ত, দ্য বং কানেকশন সহ আরও কয়েকটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন।
সূত্র: ভারতীয় গণমাধ্যম
৬৫৮ দিন আগে
বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি গঠন করলেন অভিনেতা সোহেল রানা
ঢালিউড অভিনেতা, মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা 'বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি' নামে একটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গঠন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে বর্ষীয়ান এই অভিনেতার সভাপতিত্বে দল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: অস্কারে যাচ্ছে লাপাতা লেডিস
নতুন দলের ৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হবে এ মাসের শেষে অথবা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। শান্তির প্রতীক পায়রাকে দলের আনুষ্ঠানিক প্রতীক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
ঢালিউডের 'সোনালি যুগ' খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছাত্রজীবনে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে পড়ার সময় তিনি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।
১৯৬৫ সালে তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সহকারী সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৮ সালে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সোহেল রানা ইকবাল হলের ভিপি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়ামের সদস্যপদ গ্রহণ করে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নির্বাচনি উপদেষ্টা নিযুক্ত হন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড চালু
প্রবীণ ও প্রশংসিত রুপালি পর্দার অভিনেতা সোহেল রানা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই প্রযোজক হিসেবে পারভেজ ফিল্মস প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।
এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা চাষী নজরুল ইসলাম ১৯৭২ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন' নির্মাণ করেন।
১৯৭৩ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক কাজী আনোয়ার হুসাইনের বিখ্যাত স্পাই থ্রিলার সিরিজ 'মাসুদ রানা'র গল্প অবলম্বনে 'মাসুদ রানা' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অভিনেতা ও পরিচালক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।
অভিনেতা হিসেবে চলচিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সোহেল রানা তার ক্যারিয়ারে আজীবন সম্মাননাসহ তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
আরও পড়ুন: ২০২৬-এর ঈদ চলচ্চিত্রে মুখোমুখি শাহরুখ ও রণবীর
৭১১ দিন আগে
আহমেদ রুবেল: একজন প্রথিতযশা অভিনয়শিল্পী
হুমায়ূন আহমেদের ‘বৃক্ষমানব’, অথবা ‘ঘোড়া মজিদ’, প্রথমদিকে এই নামগুলোতেই জনপ্রিয়তা পেলেও এমন আরও অনেক নামে পরিচিত অভিনেতা আহমেদ রুবেল। সফলতার একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার মাঝপথে আকস্মিকভাবে যেন যবনিকাপাত ঘটল তার জীবন গল্পের।
৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ৫৫ বছর বয়সী এই অভিনয়শিল্পী।
বসুন্ধরা সিটিতে অবস্থানকালে হঠাৎ পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পাওয়ায় সেখানে থেকে দ্রুত তাকে স্কয়ার হাসপাতালের নেওয়া হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার জানান- হাসপাতালে আনার পথেই মৃত্যু হয়েছে আহমেদ রুবেলের। গুণী অভিনেতার এমন অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা মিডিয়া পাড়ায়।
কেমন ছিল অভিনেতা আহমেদ রুবেলের বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবন, চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।
আরও পড়ুন: বিষাদের আবহে মুক্তি পেল ‘পেয়ারার সুবাস’
আহমেদ রুবেলের অভিনয় জীবন
১৯৬৮ সালের ৩ মে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রাজারামপুর গ্রামে জন্ম আহমেদ রাজিব রুবেল ওরফে আহমেদ রুবেলের। অভিনয়ের হাতেখড়ি হয়েছিল প্রখ্যাত নাট্যকার ও গবেষক সেলিম আল দীনের নাট্যদল ‘ঢাকা থিয়েটার’এর মাধ্যমে। মঞ্চে তার অভিনীত প্রথম নাটক ছিল সেলিম আল দীনের ‘হাতহদাই’।
নাটকের মানুষ হলেও চলচ্চিত্রে ডাক পেয়ে যান রুবেল। ১৯৯৩ সালে নাদিম মাহমুদ পরিচালিত ‘আখেরী হামলা’এর ছোট্ট একটি চরিত্র দিয়ে বড় পর্দায় তার পথচলা শুরু হয়। এরপর থেকে বাণিজ্যিক ছবিসহ একে একে মোট ৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ফেলেন। এর মধ্যে কয়েকটিতে তিনি খলনায়কের ভূমিকায়ও অভিনয় করেছিলেন।
মঞ্চের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা তখনও ছিল। বনঘাসফুল নামের মঞ্চ নাটকে কাজ করার সময় তার পরিচয় হয় নাট্যপরিচালক আতিকুল হকের সঙ্গে। তার মাধ্যমেই রুবেলের অভিষেক ঘটে টেলিভিশন নাটকে।
আরও পড়ুন: আহমেদ রুবেলকে উৎসর্গ করা হয়েছে ‘পেয়ারার সুবাস’
গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নযাত্রা’ নাটকের মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো টিভি দর্শকদের সামনের হাজির হন। এরপরেই তিনি সুযোগ পান গল্পের যাদুকর হুমায়ুন আহমেদের নাটকে কাজ করার। ঈদ নাটক ‘পোকা’তে তার অভিনীত ‘ঘোড়া মজিদ’ চরিত্রটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এরপর থেকে তিনি হুমায়ূন আহমেদের নাটক ও চলচ্চিত্রের নিয়মিত অভিনয় শিল্পীদের একজন হয়ে ওঠেন।
তন্মধ্যে ২০০৩ সালে ‘চন্দ্রকথা’ সিনেমায় তার কাজ মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের নজর কাঁড়ে। এখানে ‘আমিন’ চরিত্রের জন্য ২০০৪ সালে সমালোচকদের বিচারে তিনি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পান। একই বছরে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ছবি ‘শ্যামল ছায়া’তেও নিজের অভিনয় দিয়ে তিনি মুগ্ধতা ছড়ান ভক্তদের মাঝে।
৯৪৮ দিন আগে