অটোরিকশাচালক
গাজীপুরে অটোরিকশাচালক হত্যা, ছেলের শোকে মায়ের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৩
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় অটোরিকশা ছিনতাই করতে চালক আতাউর রহমান ওরফে আতা মিয়াকে (৬০) হত্যার ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় ছিনতাই করা অটোরিকশা, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লোহার রড, হাতুড়ি ও রশি এবং অটোরিকশা বিক্রির ২২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, ছেলের হত্যার খবর শুনে মানসিক আঘাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান নিহত আতাউরের মা জহুরা খাতুন (৭৫)।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন: কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া চালার বাজার এলাকার রাজীব খান (২৯) ও মির্জানগর এলাকার নকিবুল হাসান ওরফে রাকিব (২৪)।
পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান, গত ২০ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার মির্জানগর এলাকার কৃষক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক আতাউর রহমান জীবিকার জন্য প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। ওইদিন রাত ৮টার দিকে সনমানিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণগাঁও মির্জানগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে একটি নির্জন কলাবাগানের সামনে তাকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা হামলা করে হত্যা করে অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার পরদিন ২১ আগস্ট কাপাসিয়া থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে দস্যুতা ও হত্যা মামলা করা হয়। পরে মামলাটি পিবিআই তদন্তের জন্য গ্রহণ করে।
পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাডভান্সড আইসিটি, ডিজিটাল ফরেনসিক ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাপাসিয়ার চালার বাজার ও নরোত্তমপুর এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই আসামি রাজীব ও নকিবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার হাতিরদিয়া বাসস্ট্যান্ডের আল-মদিনা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে ছিনতাই করা অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া চোরাই মালামাল জেনেও অটোরিকশাটি কেনা ও হেফাজতে রাখার অভিযোগে দোকানের মালিক মো. কিবরিয়াকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, আসামিদের কাছ থেকে অটোরিকশা বিক্রির ২২ হাজার টাকা এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লোহার রড, হাতুড়ি ও রশি উদ্ধার করা হয়েছে। অটোরিকশাটি ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি করে আসামিরা টাকা ভাগ করে নেয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পিবিআই আরও জানায়, আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে রাজীব খান ও নকিবুল হাসান হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। ঋণের দায়ে জর্জরিত হয়ে তারা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। নকিবুলের দূরসম্পর্কের আত্মীয় হওয়ায় আতাউর রহমানকে সহজ টার্গেট হিসেবে বেছে নেন তারা।
পিবিআইয়ের ভাষ্যে, ঘটনার দিন ফোন করে আতাউরকে নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার পর দড়ি দিয়ে গলা চেপে ধরে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে মরদেহ ফেলে রেখে অটোরিকশাটি নিয়ে নরসিংদীর হাতিরদিয়া এলাকায় গিয়ে বিক্রি করেন আসামিরা।
আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিদের গ্রেপ্তার ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
৩ দিন আগে
হাজারীবাগে অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চালক নিহত
রাজধানীর হাজারীবাগে অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আব্দুর রহমান নামে (৫৫) বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি ওই অটোরিকশার চালক ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২০) আগস্ট দুপুর সোয়া ২ টার দিকে দিকে হাজারীবাগ থানাধীন মনেশ্বর রোডের একটি অটোরিকশার গ্যারেজে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
গ্যারেজের মালিক মো. আরিফ মিয়া জানান, আব্দুর রহমান দুপুরের দিকে গ্যারেজে এসে অটোরিকশা চার্জ দিচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে আমরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলায়। তার বাবার নাম আব্দুর রকিব। বর্তমানে তিনি রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার মনেশ্বর রোডে থাকতেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর উত্তরখানে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীর উত্তরখান থানার আব্দুল্লাহপুর আটিপাড়া এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উল্টে মো. মাসুদ (২৬) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাসুদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বোন আমেনা বেগম জানান, মাসুদ একজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক। গতকাল রাত ১১টার দিকে আব্দুল্লাহপুর আটিপাড়া এলাকায় রিকশা চালিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ অটোরিকশাটি উল্টে আমার ভাই গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে আমরা খবর পেয়ে আমার ভাইকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার চিকিৎসকেরা আমার ভাইকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলা মুক্তাগাছা থানার বিন্নাকুড়ি গ্রামে। বর্তমানে উত্তরখান আব্দুল্লাহপুর আটিপাড়া এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন মাসুদ। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
৩৩ দিন আগে
ফরিদপুরে অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
ফরিদপুরে অটোরিকশাচালক নাঈম শেখ হত্যা মামলার দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই মামলার আরেক আসামি আশিক শেখের শিশু আদালতে বিচার চলছে ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ (পারিবারিক আপিল আদালত) আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: আসমত শেখ ও সাগর মোল্লা।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২১ এপ্রিল অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে অটোরিকশাচালক নাঈম শেখকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।
ওই ঘটনার পরদিন ২২ এপ্রিল নিহতের ভাই রাসেদ শেখ বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আসমত শেখ, আশিক শেখ ও সাগর মোল্লাকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৫ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আজিজুর রহমান বলেন, আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসমত শেখ ও সাগর মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। অপর আসামির বয়স কম হওয়ায় শিশু আদালতে তর বিচার চলছে।
তিনি বলেন, ‘এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক বার্তা যাবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধপ্রবণতা কমাতে সহায়ক হবে।’
৩৬ দিন আগে
দিনাজপুরে অটোরিকশার ওপর গাছ উপড়ে পড়ে চালক নিহত
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে রাস্তার পাশের একটি মরা গাছ উপড়ে চলন্ত অটোরিকশার ওপর পড়ে আব্দুল গফুর নামে এক চালক নিহত হয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাঁচদহ-খালাশপীর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আব্দুল গফুর অটোরিকশা চালিয়ে কাঁচদহ থেকে খালাশপীরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে রাস্তার পাশের একটি মরা গাছ হঠাৎ অটোরিকশার উপড়ে ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
রংপুরের পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা নাজমুল সরকার বলেন, আজ (বুধবার) সকাল ১০টার দিকে রাস্তার পাশের একটি মরা গাছ উপড়ে পড়ায় অটোরিকশার চালক নিহত হন। পরে গাছটি অপসারণ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
৪৯ দিন আগে
মাগুরায় অটোরিকশাচালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, আটক ৪
মাগুরায় ১৬ বছর বয়সী এক অটোরিকশাচালককে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে আটক করা হয়েছে। মোবাইল ফোন-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে ওই যুবককে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম ও মাগুরা সদর সার্কেলের পুলিশ সুপার দীপঙ্কর রায়।
আটকরা হলেন— মো. ফেরদৌস হোসেন (২৪), মো. তাজুল ইসলাম (২৩), মো. শাকিব শেখ (১৯) এবং মো. তারিকুল ইসলাম (২৬)।
পুলিশ জানায়, গত ৩ এপ্রিল রাতে মাগুরা সদর থানাধীন পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ শ্রীপুর (মৌপাড়া) এলাকায় একটি কলাবাগান থেকে সুমন মোল্লা (১৬) নামে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মোবাইল ফোন-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে সুমনকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে তার মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ গোপন করতে কলাবাগানে ফেলে রাখা হয়।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার দীপঙ্কর রায় জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মামলা ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
১৩৩ দিন আগে
গাজীপুরে অটোরিকশা চালকদের মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার
গাজীপুরের শ্রীপুরে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি ও পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন অটোরিকশা চালকরা। পুলিশের চেষ্টায় প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল ১০টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে শ্রীপুর উপজেলার নতুন বাজার এলাকায় ২০০ থেকে ২৫০ জন অটোরিকশাচালক একত্র হয়ে এই অবরোধ শুরু করেন।
এ সময় তারা মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের বৈধ অনুমতি প্রদান এবং অযৌক্তিক পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। অবরোধের কারণে দীর্ঘ যানজটে পড়ে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করে। মহাসড়ক থেকে অবরোধকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে তাদের।
২১৩ দিন আগে
বগুড়ায় অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
বগুড়ায় অটোরিকশাচালক আজগর আলী পিয়াল হত্যা মামলায় দুই জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই মামলায় আরও একজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. আবু হানিফ এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আসামিরা হলেন— বগুড়া সদর উপজেলার ছোট কুমিড়া এলাকার মৃত জমির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হান্নান ও একই এলাকার দুলু খানের ছেলে রাশেদ খান। এছাড়া দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নয়াপাড়া এলাকার নুরুন্নবী মুন্নাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বগুড়া আদালত পরিদর্শক মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ‘বগুড়া শহরের নিশিন্দারা মধ্যপাড়ার মহিদুল ইসলাম খোকার ছেলে পিয়াল ২০২০ সালের ২১ মার্চ অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। ২৮ মার্চ শহরতলির বড় কুমিড়া হিন্দুপাড়ার কবরস্থানে তার গলিত লাশ পাওয়া যায়। লাশ শনাক্তের পর তার বাবা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত চলাকালে হত্যায় জড়িত সন্দেহে রাশেদ ও হান্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে দুজন হত্যার দায় স্বীকার করেন।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের যাবজ্জীবন
তারা জানান, অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে নেশার প্রলোভনে ২১ মার্চ রাতে পিয়ালকে তার অটোরিকশাসহ বড় কুমিড়া গ্রামে বিএড কলেজের পেছনে বাঁশবাগানে নিয়ে যাই। সেখানে তারা লোপেন্ট নামক মাদক সেবন করে। এক পর্যায়ে তারা ইট দিয়ে পিয়ালের মাথায় আঘাত করলে তিনি মারা যান। তারা লাশ পাশের পাকা কবরে ফেলে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান।
ওই রাতেই রিকশাটি ঘোড়াঘাটে নিয়ে বিক্রির জন্য মুন্নার কাছে রেখে আসেন। তাদের কাছ থেকে পিয়ালের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
৪৮৩ দিন আগে
অটোরিকশাচালককে হত্যা, কিশোরকে ১০ বছরের আটকাদেশ
নাটোরে আসাদ মোল্লা নামের এক চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই মামলায় এক কিশোরকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে নাটোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহম্মদ আব্দুর রহিম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মোহম্মদ হাসিবুল ওরফে মোহম্মদ আলী সদর উপজেলার হালসা এলাকার কামাল জোয়াদ্দারের ছেলে।
২০১৮ সালে ঘটনার সময় আসামির বয়স ছিল ১৬ বছর আর বর্তমানে ২২। রায় ঘোষণার সময় মোহম্মদ আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
আরও পড়ুন: বন্ধুকে হত্যা মামলার প্রায় ১০ বছর পর যুবককে আটকাদেশ
নাটোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ২০১৮ সালের ১১ মে রাতে আসাদ অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন উপজেলার হালসা এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে আসাদের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সিরাজ বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ওই মামলায় প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক আজ (রবিবার) এ রায় দেন।
৫২৮ দিন আগে
নবাবগঞ্জে সেই অটোরিকশাচালক হত্যার রহস্য উদঘাটন
ঢাকার নবাবগঞ্জে অটোরিকশাচালক রাকিবকে গুমের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আশরাফুল ও ইয়াসিন নামে দুই যুবককে আটক হয়েছেন। পুলিশ হত্যাকারীদের তথ্য অনুযায়ী লাশটি উদ্ধার করে।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) নবাবগঞ্জ থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
তারা জানান, ১৫ জানুয়ারি সকালে অটোরিকশা নিয়ে বের হন রাকিব। পরে বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজি করেন তার স্বজনরা। একপর্যায় না পেয়ে রাকিবের বড় ভাই রবিউল নবাবগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাকিবের ফোনের কল লিস্টের সর্বশেষ নম্বরটি বের করে সন্দেহভাজন হিসেবে আশরাফুল ও ইয়াসিনকে আটক করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: রাতে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু
তাদের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা রাকিবকে হত্যার কথা স্বীকার করে জানান, ইয়াসিন ও তার মামাতো ভাই মিলে অটোরিকশাটি নেওয়া জন্য রাকিবকে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুঁতে গুম করে ফেলে।
তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সেখানে গিয়ে রাকিবের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
৫৮৫ দিন আগে