২৬ মার্চ
যথাযোগ্য মর্যাদায় দেশজুড়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদায় ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে দেশ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও নানা উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার পর ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহিদের সর্বোচ্চ ত্যাগ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা।
আজ সরকারি ছুটির দিন। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার।
ভোরে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাইপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, ভোরে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরবর্তীতে বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে।
দিবসটি উপলক্ষে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আয়োজিত হচ্ছে ছাত্র সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য আত্মত্যাগ আমাদের একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার পথে দৃপ্ত পদভারে এগিয়ে চলার সাহস জোগায়। স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সর্বস্তরের জনগণের ক্ষমতায়নকে সুসংহত করা। রাষ্ট্র ও সমাজের সব ক্ষেত্রে সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সূর্যসন্তানদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। একইসঙ্গে আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা, বোন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সবাইকে গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি এবং সব শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরও বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।
এছাড়া গতকাল (বুধবার) দিবসটি উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিটও উন্মোচন করেন তিনি।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার, বিটিভি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করছে এবং সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ ক্রোড়পত্র। দেশের প্রধান বন্দর ও নদী বন্দরগুলোতে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের জাহাজগুলো সূর্যাস্ত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট, কাবাডি ও হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। সারাদেশের সিনেমা হলগুলোতে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে এবং জাদুঘর ও শিশু পার্কগুলো বিনা টিকিটে দর্শনার্থীদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ সকল উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে উন্নত মানের খাবার।
চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কোনো আলোকসজ্জা করা হয়নি। গত ৮ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণের লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।
১২ দিন আগে
২৬ মার্চে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জ্বালানি সংকট মাথায় রেখে কৃচ্ছ্রসাধনের উদ্দেশ্যে এবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রবিবার (৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পর্যালোচনা এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর সরকারি-বেসরকারি ভবনে আলোকসজ্জা করা হলেও এ বছর জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে তা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সম্ভাব্য ফুয়েল ক্রাইসিস (জ্বালানি সংকট) এড়ানো এবং কৃচ্ছতা সাধন করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।’
তিনি জানান, ঈদযাত্রা ও জনজীবনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে পৃথক দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব সভায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন চলাচল, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস যথারীতি ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হবে। এ আয়োজনের প্রধান দায়িত্বে থাকবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ও এতে ভূমিকা রাখবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতারা পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন। এ সময় সেখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি স্মৃতিসৌধ এলাকায় যাতায়াত সহজ করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি শুধু ঢাকায় নয়, সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
ঈদের আগে শ্রমিক অসন্তোষ বা শিল্পাঞ্চলে সম্ভাব্য সমস্যা মোকাবিলায় সরকার একটি ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করেছে বলেও জানান তিনি। শিল্প পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপিকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি শ্রমিক ও মালিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সমন্বয় করবেন যাতে ঈদের আগে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।
পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে, ঈদের আগেই শ্রমিকদের বেতন, ভাতা ও বোনাস পরিশোধ করা হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানে সমস্যা থাকলে, তা আগেভাগেই সরকারকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
সাম্প্রতিক ‘মব’ বা গণপিটুনির ঘটনার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মব এবং স্পট ক্রাইম এক বিষয় নয়। সব ঘটনাকে একসঙ্গে মিলিয়ে দেখলে সঠিক চিত্র পাওয়া যাবে না।’ উদাহরণ হিসেবে তিনি নরসিংদীর একটি হত্যাকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘সেখানে প্রথমে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে তদন্তে দেখা যায়, হত্যার সঙ্গে ভুক্তভোগীর সৎ বাবা জড়িত। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে হেফাজতে রাখা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সরকার মব কালচারের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের প্রবণতা এক সময় বিলুপ্ত হবে।’
৩০ দিন আগে
যেসব কর্মসূচিতে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হবে
আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার (২৪ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়েছে, এদিন ঢাকাসহ সারাদেশে প্রত্যুষে একত্রিশবার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এছাড়াও জেলা ও উপজেলার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: গণহত্যা দিবসে যেসব কর্মসূচি পালন করবে অন্তর্বর্তী সরকার
এ দিবসে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা এবং ঢাকা শহরে সহজে দৃশ্যমান ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলোতে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে। তবে ২৫ মার্চ গণহত্যার কালরাতে আলোকসজ্জা করা যাবে না।
ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপে জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হবে। এদিন সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বাণী প্রদান করবেন।
৩৭৯ দিন আগে
স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজ না হওয়ার খবর সঠিক নয়
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে এ বছর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত না হওয়ার খবর সত্য নয় বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার রবিবার (১৬ মার্চ) রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন, ঢাকায় জাতীয় স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ চলমান থাকায় গত কয়েক বছরের মতো এ বছরও ঢাকায় কুচকাওয়াজ আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। তবে দেশের বাকি ৬৩ জেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় কুচকাওয়াজ আয়োজন ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
আরও পড়ুন: ঈদ ও স্বাধীনতা দিবস ঘিরে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: স্বরাষ্ট্র সচিব
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
৩৮৭ দিন আগে
কুমিল্লায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত
কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২১ উদযাপিত হচ্ছে।
দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে কুমিল্লা কান্দিরপাড়স্থ টাউন হল মাঠে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় একত্রিশবার তোপধ্বনি দেয়া হয়।
স্বাধীনতা দিবস: মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন কুমিল্লা সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা, জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু তাহেরসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শপথ নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক সূচকে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী
পরে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সরকারী, বেসরকারি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার সকল উপজেলায় নানান অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হয়েছে।
১৮৩৮ দিন আগে
গাজীপুরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালিত
গাজীপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে মহানগর আওয়ামী লীগ, মহানগর যুবলীগ আহ্বায়ক কামরুল হাসান সরকার রাসেলের নেতৃত্বে যুবলীগসহ অন্যান্য সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
সেখানে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত দোয়া মাহফিল, বিশাল আয়তনের কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: গাজীপুরের সেফ হোম থেকে পালিয়েছে ১৪ কিশোরী, উদ্ধার ৭
অন্যদিকে, ভোরে জেলার কেন্দ্রীয় স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন, উপকমিশনার জাকির হাসানের নেতৃত্বে জিএমপি, এস এম শফিউল্লাহর নেতৃত্বে জেলা পুলিশ ছাড়া ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগসহ নানা শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়ে শ্রদ্ধা জানান।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে সাফারি পার্কে বাঘের থাবায় কর্মচারী আহত
এ উপলক্ষে সকাল ৮টার দিকে শহীদ বরকত স্টেডিয়াম জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। পরে বেলুন ও শান্তির পতাকা পায়রা ওড়ানো হয়। অনুষ্ঠানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
১৮৩৮ দিন আগে