কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কাভার্ড ভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ৩
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে কাভার্ড ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রবিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের তেভাগা সড়কসংলগ্ন কিশোরগঞ্জ-ভৈরব মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন: হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকালচর গ্রামের বদিউল আলমের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার (৪৫), একই গ্রামের নূরুল হকের মেয়ে জারামনি আক্তার (১০) এবং কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল মতিন মিয়ার ছেলে মো. মিলন মিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত ওই অটোরিকশাটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী রাবেয়া আক্তার ও জারামনি আক্তার গুরুতর আহত হন। পরে তাদের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত মিলন মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
এ ঘটনায় আহত ঝর্ণা বেগম (৩০), বদিউল আলম (৫০) ও প্রিয়া আক্তারকে (২২) কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৫ দিন আগে
আজকে যারা বড় বড় কথা বলছে, বিগত ১৭ বছর তাদের রাজপথে দেখা যায়নি: তারেক রহমান
বিএনপি সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের রাজনীতি অব্যাহত রাখতে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী ও রটনাকারী রয়েছে; তাদের অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে ভবিষ্যৎ ভূমিকার ওপর নজর রাখতে হবে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি এই রাজনীতির ধারা আমাদের অব্যাহত রাখতে হয়, যেই রাজনীতির ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে, তাহলে অবশ্যই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে; এদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে। সেই অতীত বিবেচনা করে তাদের আমাদের চোখে চোখে রাখতে হবে। সেই অতীত বিবেচনা করেই আমরা ভবিষ্যতে তারা কী করছে, সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে, ১৯৮৬ সালে, ১৯৯৬ সালে এবং বিগত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা জনগণ দেখেছে। ‘বিগত ১৭ বছরের জনগণের যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনে তাদের আমরা রাজপথে দেখিনি। আন্দোলনে বিএনপিসহ বিএনপির সঙ্গে যেসব রাজনৈতিক দল মাঠে ছিল, তাদেরই নেতাকর্মীরা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছে।’
‘আজকে যারা বড় বড় কথা বলছে, যারা বলছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে, তাদের আমরা রাজপথে বিগত ১৭ বছর দেখিনি,’ বলেন তিনি।
সংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে এরা সংস্কার-সংস্কার কথা বলছে। বিএনপি ২০২২ সালের সংস্কারের কথা বলেছে। কোথায় ছিলেন তখন আপনারা সংস্কার নিয়ে? সংস্কার এই দেশে সবচেয়ে প্রথম বিএনপি তথা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই সংস্কারের প্রস্তাবনা মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, এখন দেশকে স্থিতিশীল রাখতে হবে। ‘কোনো বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মতো, তাদের সমোচিত জবাব দিতে হবে—যে তোমাদের অতীত আমরা দেখেছি, তোমাদের অতীত আমরা জানি, তোমরা অতীতে কী করেছ। কাজেই তোমাদের কথায় আমরা কান দেব না।’
কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চায় না বিএনপি সরকার; বরং এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্রের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা এবং নিজের প্রাপ্য মর্যাদা পাবে।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের মতো বানাতে চাই না; আমরা বাংলাদেশকে এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে তৈরি করতে চাই, যেই রাষ্ট্রে কমবেশি প্রতিটি শ্রেণির মানুষকে রাষ্ট্র তার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করবে, সহযোগিতা দেবে; যেই রাষ্ট্রে প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি শ্রেণির প্রতিটি মানুষ তার মর্যাদা অনুযায়ী তার প্রাপ্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে পাবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতি দেশের মানুষকে ঘিরে এবং দেশের জন্য। কয়েকটি রাস্তা ও ভবন নির্মাণ করে উন্নয়নের দাবি না করে জনগণের জীবনমান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বান
সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সারা দেশে চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের পোশাক ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া, নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশে শান্তি বজায় রাখতে হবে।
চীনের সঙ্গে চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে বেশ কিছু মিল-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে দেশের তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
তারেক রহমান বলেন, এখন দেশ গঠনের সময়। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে জনগণ রাজপথে নেমে তা রক্ষা করেছে। এখন জনগণকে দেশ গঠনের কাজে মনোনিবেশ করতে হবে।
তিনি বলেন, এই দেশের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ। কাজেই এই ২০ কোটি মানুষকে আজকে সচেতন থাকতে হবে। ২০ কোটি মানুষকে আজকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে এই যে বিএনপির যে রাজনীতি আপনাদের সামনে বললাম, এই রাজনীতিতে যাতে কেউ ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে।
তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন চান।
সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থী, অসুস্থ, দুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অনুদান এবং মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
১৯ দিন আগে
জলজ সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই মৎস্য চাষে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জলজ সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং টেকসই মৎস্য চাষের মাধ্যমে দেশের মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে বিদ্যমান সব জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা পুকুর, বিল, হাওর ও অন্যান্য জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। এসব জলাশয় সংশ্লিষ্ট এলাকার তরুণদের মধ্যে বণ্টন করে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
রবিবার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং জাতীয় মৎস্য পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নদীমাতৃক বাংলাদেশে পুকুর, বিল, হাওর, বাওড় এবং অন্যান্য জলাশয় কাজে লাগিয়ে কিংবা অল্প জমি ব্যবহার করে মাছ চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ রয়েছে।’
তিনি বলেন, সারা দেশে বহু জলাশয় রয়েছে, যেগুলো কোনো কারণ ছাড়াই পড়ে আছে। সরকার এসব জলাশয় সংস্কার করে সেখানে মাছের পোনা ছাড়তে চায়। যে এলাকায় যেসব পুকুর, হাওর-বিল বা অন্যান্য জলাশয় রয়েছে, সেগুলো ওই এলাকার তরুণদের মধ্যে যথাযথভাবে বণ্টন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এ খাতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মৎস্য রপ্তানি সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখায় জাতীয় মৎস্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
১৯ দিন আগে
রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
দেশের মানুষের স্বার্থে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাধা এবং রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যারা দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলবে, যারা এই দেশের মানুষের জন্য নেওয়া বাস্তব পদক্ষেপগুলোতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে, তাদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।’
রবিবার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জে দিনব্যাপী সফরের অংশ হিসেবে জেলার পাকুন্দিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে পোনা মাছ বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ এখন শান্তি, শৃঙ্খলা, আইনের শাসন, কর্মসংস্থান, সন্তানদের জন্য শিক্ষা এবং পরিবারের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা চায়। এসব নিশ্চিত করতে সরকারকে ধৈর্যসহকারে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
‘একদিনে সকল সমস্যার সমাধান হবে না,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের সময় দেশের অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার এখন সেসব ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনের কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সংকট মোকাবিলা করতে হলে আমাদের ঐক্য ধারণ করতে হবে; ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা গ্রহণ করে ধীরে ধীরে সংকটের মোকাবিলা করতে হবে। বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাধারণ মানুষ। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
২০ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি (পদ স্থগিত) জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরকে (৫৮) প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের অভিযানে ঢাকা থেকে ভাড়া করে আনা তিনজন ‘পেশাদার খুনিকে’ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলা সদরের কামালপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহত হয়েছেন জাহাঙ্গীরের সহযোগী মোহাম্মদ আলীর ছেলে বিএনপি নেতা হাদিস মিয়া (৩৮)।
গ্রেপ্তাররা হলেন— বরগুনা জেলার বামনা থানার চালিতাবুনিয়া গ্রামের হেলাল এবং মহিউদ্দিন ও জাকির।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল (বুধবার) রাত ১০টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর কামালপুর এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে পৌঁছালে জাহাঙ্গীরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তিন দুর্বৃত্ত। ধারালো চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে গুরুতর জখম করা হয়। হামলার সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা প্রথমে আহত দুজনকে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বাছেদ শিকদার জানান, বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পরপরই তিনজন হামলাকারী জাহাঙ্গীরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি তাকে কোপাতে থাকে। হামলা ঠেকাতে গেলে হাদিস মিয়াকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ঢাকা থেকে মিঠামইনে এসেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পুরো এলাকায় জেলা পুলিশের কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, পরিকল্পনাকারী এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তা উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
৫১ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে লাশবাহী নৌকায় ডাকাতি
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ হাওরে ১৫ দিন বয়সী এক শিশুর লাশবাহী নৌকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় নৌকায় থাকা যাত্রীদের ৩টি মোবাইল ফোন, নৌকার সোলার প্যানেলের ব্যাটারি ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের নোয়াগাঁও সুইজগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নৌকায় থাকা শিশুটির দাদা আবদুল হক জানান, মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের চমকপুর গ্রামের বাবু মিয়ার ১৫ দিন বয়সী কন্যাশিশু জন্মের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে শিশুটি মারা যায়। পরে মরদেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
তিনি বলেন, করিমগঞ্জের বালিখলা ঘাট থেকে নৌকা ছাড়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর একটি ছোট নৌকায় করে ৬ সদস্যের ডাকাতদল তাদের গতিরোধ করে। তারা অনেক অনুরোধ করে জানান, নৌকায় একটি শিশুর মরদেহ রয়েছে। কিন্তু ডাকাতরা তা উপেক্ষা করে যার কাছে যা ছিল, তা ছিনিয়ে নেয়। মারধরের ভয়ে তারা তিনটি মোবাইল ফোন ও সঙ্গে থাকা কিছু নগদ টাকা ডাকাতদের দিয়ে দেন।
নৌকার মাঝি রতন মিয়া জানান, নোয়াগাঁও সুইজগেট এলাকায় পৌঁছালে ডাকাতরা নৌকায় উঠে সোলার প্যানেলের ব্যাটারি ও প্রায় ৪ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নৌ পুলিশের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
চামড়াঘাট নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইস্কান্দার বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫৮ দিন আগে
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা
দীর্ঘ ছয় মাস পর কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদী তীরের হারুয়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে ১৩টি লোহার দানবাক্স খোলে ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এরপর থেকে চলছে টাকা গণনা।
আজ শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় এ দানবাক্সগুলো খুলে এই ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া যায়।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মাচারীসহ পাঁচ শতাধিক মানুষের একটি দল এসব বস্তাভর্তি টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন।
৩ মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার রমজান ও জাতীয় নির্বাচনের কারণে ৬ মাস পর দানবাক্স খোলা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজমুস সাকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খানের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন জানান, কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের দানবাক্স খোলার কার্যক্রম আজ থেকে ৬ মাস পূর্বে গত ২৭ ডিসেম্বর হয়েছিল। সে সময়ে প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ ছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা যা গণনা শেষে রূপালী ব্যাংকের পাগলা মসজিদের একাউন্টে জমা করা হয়। এছাড়াও তখন প্রাপ্ত সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারীতে জমা রাখা আছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে সর্বমোট ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা জমা আছে। পাগলা মসজিদের একটি ওয়েবসাইট (www.paglamosque.org) ডেভেলপ করা হয়েছে যার মাধ্যমে যে কেউ যেকোনো জায়গা থেকে অনলাইনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দান করতে পারে। ইতোমধ্যে এই ওয়েবসাইটের বাংলা ভার্সনও লাইভ করা হয়েছে। অনলাইনে এখন পর্যন্ত ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা অনুদান পাওয়া গেছে।
৭০ দিন আগে
কিশোরগঞ্জে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ গেল জেলের, আহত ২
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় সাইদুর রহমান (৩০) নামে এক জেলে নিহত হয়েছেন। এ সময় তার দুই ভাইকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে যায় হামলাকারীরা।
বুধবার (২৭ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার মুশুরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের ধলাই এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে। আহত দুই ভাই হলেন আনিছুর রহমান (২৭) ও আতাউর রহমান (২৫)।
স্থানীয়রা জানান, গভীর রাতে তারা তিন ভাই ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল (চায়না দুয়ারি) দিয়ে মাছ ধরছিলেন। এ সময় মুখোশ পরা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র বল্লম ও দা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে সাইদুর রহমানকে নদীর পানিতে ফেলে বল্লম দিয়ে আঘাত করে।
একপর্যায়ে সাইদুর পানিতে ডুবে গেলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তিন ভাইকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইদুরকে মৃত ঘোষণা করেন।
মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ-আল-শাফী জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সাইদুরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। পরে বিষয়টি থানায় অবহিত করা হয়।
এ বিষয়ে মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী বলেন, আমরা খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলছে।
১০০ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ঈদুল আজহার জামাত সকাল ৯টায়
উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাত কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে এবারও অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত। ১৯৯তম এ জামাত অনুষ্ঠিত হবে ঈদের দিন সকাল ৯টায়।
জামাতে ইমামতি করবেন মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে মাঠের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
প্রশাসন জানিয়েছে, শোলাকিয়ার ঐতিহ্য ও খ্যাতির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও বিদেশ থেকে আসা মুসল্লিরাও প্রতি বছর এই জামাতে অংশ নেন। প্রতিবছরই মুসল্লির সংখ্যা বাড়ছে।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান বাহাদুর ১৮২৮ সালে কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বপ্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় সাত একর জমির ওপর ঈদগাহটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম জামাতে প্রায় সোয়া লাখ মুসল্লি অংশ নেওয়ায় এর নাম হয় ‘সোয়া লাখি মাঠ’, যা পরে উচ্চারণের পরিবর্তনে ‘শোলাকিয়া’ নামে পরিচিতি পায়।
এবারের ঈদ জামাত উপলক্ষে মাঠের ২৬৫টি কাতারের জন্য দাগ টানা শেষ হয়েছে। আগাছা পরিষ্কার এবং ছোট ছোট গর্ত ভরাট করে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে।
ঈদ জামাত ঘিরে নেওয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ভৈরব ও ময়মনসিংহ থেকে ‘শোলাকিয়া এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে।
১০১ দিন আগে
শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদুল আজহার জামাত শুরু সকাল ৯টায়
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আসন্ন ১৯৯তম ঈদুল আজহার জামাত উপলক্ষে প্রস্তুত্তিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও আয়োজক কমিটির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এ সভায় সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
১১৪ দিন আগে