জাতীয় পুরস্কার
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার পাচ্ছে পাঁচ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, শিক্ষা, গবেষণা ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬’ পাচ্ছে পাঁচ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে একজন গবেষক, একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, দুটি প্রতিষ্ঠান এবং বন অধিদপ্তরের একটি বিশেষ ইউনিটকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করেছে সরকার।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার নীতিমালা, ২০২৫’-এর আওতায় এ মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ (ব্যক্তি পর্যায়) ক্যাটাগরিতে জাতীয় পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন বন্যপ্রাণী গবেষক ও সংরক্ষণকর্মী ফয়সাল বীন আজাদ (আদনান আজাদ)।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ (প্রতিষ্ঠান/সংগঠন পর্যায়) ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছে নেচার কনজারভেশন ম্যানেজমেন্ট (নেকম)।
অন্যদিকে, বন্যপ্রাণীবিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণা (ব্যক্তি পর্যায়) ক্যাটাগরিতে মনোনীত হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজেদা বেগম।
বন্যপ্রাণীবিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণা (প্রতিষ্ঠান পর্যায়) ক্যাটাগরিতে জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।
এছাড়া, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী/ইউনিট/বিভাগ পর্যায় ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পেয়েছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল ইউনিট)।
১৬ দিন আগে
জাতীয় পুরস্কার জয়ী সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ আর নেই
জাতীয় পুরস্কার জয়ী সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ মারা গেছেন।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ফরিদ আহমেদ এবং তার স্ত্রী করোনা পজিটিভ ধরা পরার পর ২৫ মার্চ চিকিৎসার জন্য প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। পরে ফরিদ আহমেদের অবস্থার অবনতি ১১ এপ্রিল তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তরিত করা হয়। করোনার পাশাপাশি তিনি কিডনি এবং ডায়াবেটিস জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
আরও পড়ুন: রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী মিতা হক আর নেই
ফরিদ আহমেদের মেয়ে দুর্দানা ফরিদ জানান, আজ (মঙ্গলবার) বিকালে আসর নামাজে পর তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে কলাবাগান ল’ কলেজের মাঠে। জানাজা শেষে তাকে রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
আরও পড়ুন: করোনায় এনটিভির যুগ্ম বার্তা সম্পাদকের মৃত্যু
গুণী এই সংগীত পরিচালক ২০১৭ সালে ‘তুমি রবে নিরবে’ চলচিত্রে সংগীত পরিচালনার জন্য পান জাতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তার সুর করা আলোচিত গানের মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির আবহ সংগীত ‘কেউ কেউ অবিরাম চুপি’। এছাড়াও চ্যানেল-আই এর ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ এবং সেরা কণ্ঠের আবহ সংগীত পরিচালনার কাজও তার করা।
আরও পড়ুন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী মারা গেছেন
১৯০১ দিন আগে