ডিএমপি কমিশনার
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলিসহ ২ জনকে হত্যা: সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি ও দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পলাতক হাবিবুর রহমান ছাড়াও পুলিশের সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম এবং রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও পলাতক আসামি, পুলিশের সাবেক এসআই তরিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে যাবজ্জীবন ও একমাত্র গ্রেফতার আসামি সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের ২০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ১৫ জুন উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল।
জুলাই আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় মানবতাবিরোধী মামলাগুলোর মধ্যে এটি তৃতীয়, যেটা রায় পর্যন্ত গড়ালো। সেই সঙ্গে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এটি পঞ্চম রায়।
বরাবরের মতোই রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এছাড়া এ রায়ের মাধ্যমে পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হলো।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। গত ১৫ জুন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। ওই দিন রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন।
তিনি দাবি করেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে মামলার পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। পরে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ২৮ জুন রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলায় চঞ্চল চন্দ্র সরকার ছাড়া অন্য চার আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন: ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
চলতি বছরের ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে নতুন করে ডিজিটাল এভিডেন্স (তথ্যপ্রমাণ) জমা দেওয়ার আবেদন করে প্রসিকিউশন। এরপর রায়টি পিছিয়ে যায়।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই বছরের ৭ আগস্ট ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে চালানো পুলিশের গুলি থেকে প্রাণ বাঁচাতে রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন ভবনে ওঠেন আমির হোসেন। ওই সময় পুলিশও তার পিছু পিছু যায়। একপর্যায়ে ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তার ওপর ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়েন এক পুলিশ সদস্য। এতে জীবন বাঁচলেও গুরুতর আহত হন তিনি।
একই দিন বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন মায়া ইসলামের ছয় বছর বয়সী নাতি বাসিত খান মুসাও। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরও এখনও কথা বলতে পারছে না শিশুটি।
৮ দিন আগে
নতুন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
রবিবার (১৭ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসহকারী সচিব তৌহিফ আহমেদ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নতুন ডিএমপি কমিশনার হিসেবে বদলি ও পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএমপির নতুন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এর আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
৪৯ দিন আগে
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তাশঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার
মহান একুশে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকে ঘিরে কোনও নিরাপত্তাশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার জানান, মহান শহিদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ব্যাপক লোকসমাগম হবে। এ উপলক্ষে ডিএমপি নিয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মোতায়ন থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা নজরদারিও থাকবে।
সাজ্জাত আলী জানান, ‘কোনও নিরাপত্তা শঙ্কা না থাকলেও আমাদের নিয়মিত সদস্যদের পাশাপাশি সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোম ডিসপোজাল টিম ও ক্রাইম সিন ইউনিট সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারীসহ সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং, শহীদ মিনার রোড ব্যবহারের অনুরোধ, অন্যকোনও রোড দিয়ে আসা যাবে না। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দোয়েল চত্বর কিংবা চানখাঁরপুল দিয়ে বের হতে হবে।’
শহিদ মিনারে কোনও ধরনের ধারালো বস্তু কিংবা দাহ্য পদার্থ বহন না করারও অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে কিছু ডাইভার্সন চালু থাকবে বলেও জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাত আলী বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেবল শহিদ মিনার এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো রাজধানীজুড়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভোটাররা কোনো নিরাপত্তা উদ্বেগ ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারির কর্মসূচিগুলোও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হবে।
১৩৬ দিন আগে
ঢাকায় ৩৭টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, থাকবে বডি ক্যামেরা: ডিএমপি কমিশনার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংষদ নির্বাচনে ঢাকা মহানগরীর ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৩৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
ডিএমপি কমিশনার জানান, ডিএমপিতে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ১ হাজার ৬১৪টি। এই কেন্দ্রগুলোতে ৪ জন করে পুলিশ সদস্য থাকবে। আর ৫১৭টি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
১৪৭ দিন আগে
নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার
আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরাস্থ এপিবিএন হেডকোয়ার্টার্সে বাংলাদেশ পুলিশ এফসি ফুটবল টিমের সঙ্গে নতুন খেলোয়াড় এবং কোচের অন্তর্ভুক্তি চুক্তি সই অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
বাংলাদেশ পুলিশ এফসির প্রেসিডেন্ট হিসেবে নতুন খেলোয়াড়দের স্বাগত জানিয়ে সাজ্জাত আলী বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে আমাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও ক্রিকেট দলকে শক্তিশালী করতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এরই অংশ হিসেবে নতুন খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি পুলিশ এফসিকে আরও শক্তিশালী করবে।
৩০৯ দিন আগে
কর্মদিবসে সড়কে সমাবেশ না করতে অনুরোধ ডিএমপি কমিশনারের
কর্মদিবসে সড়ক দখল কর্মসূচি পালন না করতে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী। এ ধরনের কর্মসূচি ঢাকা শহরের সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য দুর্ভোগ নিয়ে আসে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সড়ক দুর্ঘটনা তদন্তে দক্ষতা বাড়াতে ডিএমপি কর্মকর্তাদের এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি) দুদিনের এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে। এতে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ৬০ পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
ঢাকা শহরের সড়কে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা রক্ষায় কর্মরত ঢাকার পুলিশ কর্মকর্তারা রোড ক্র্যাশের ঘটনা তদন্তে (ইনভেস্টিগেশনে) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কলাকৌশল দেশীয় প্রেক্ষাপটে কাজে লাগানোসহ বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন এই কর্মশালা থেকে।
শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, ‘সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে অফিস খোলার দিনগুলোতে সড়কে রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহারের অনুরোধ করেছি। কারণ, এ ধরণের কর্মসূচি ঢাকা শহরের সব সড়ক ব্যবহারকারীর জন্য দুর্ভোগ নিয়ে আসে।’
‘আর এগুলো করতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা তদন্তে পুলিশ পর্যাপ্ত সময় দিতে পারে না। কিন্তু বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে রোড ক্র্যাশের তদন্ত করে এর কারণ সঠিকভাবে চিহ্নিত করা গেলে তা ভবিষ্যতে সড়কে মৃত্যু কমিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে,’ যোগ করেন তিনি।
‘সেজন্য কোনো রোড ক্র্যাশ ঘটলে তা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তদন্ত করতে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। ট্রাফিক বিভাগ সড়কের দায়িত্বে থাকে, তবে ক্র্যাশের ঘটনা তদন্ত করে ক্রাইম বিভাগ। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা তদন্তে ট্রাফিক পুলিশকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।’
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধে সড়ক ব্যবহারীদের ট্রাফিক নিয়মকানুন মেনে চলা প্রয়োজন। বিশেষ করে নির্ধারিত গতিসীমা না মানা, হঠাৎ লেন পরিবর্তন ও যত্রতত্র রাস্তা পাড়াপাড় ক্র্যাশের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ঢাকা শহরে অধিকাংশ রোড ক্র্যাশ মধ্যরাত থেকে সকালের মাঝে ঘটে যখন সড়ক তুলনামূলক ফাঁকা থাকে। রোড ক্র্যাশ প্রতিরোধ করতে তিনি পুলিশ সদস্যদের কঠোরভাবে সড়কে গতিসীমা নিয়ন্ত্রণসহ বিদ্যমান আইন বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
বিশেষ অতিথির ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সারওয়ার বলেন, ‘চালক, যাত্রী, পথচারীসহ সব সড়ক ব্যবহারকারী যদি নিয়ম মেনে, গতিসীমা মেনে সড়ক ব্যবহার করেন, তাহলে রোড ক্র্যাশের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটির (বিআইজিআরএস) ইনিশিয়েটিভ কোঅর্ডিনেটর ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব আবদুল ওয়াদুদ। অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সুপারিন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মাহবুব আলম।
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রায় সড়কে বেড়েছে প্রাণহানি, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জিআরএপি’র এশিয়া-প্যাসিফিক ম্যানেজার ব্র্যাট হারম্যান ও সিনিয়র রোড পুলিশিং এডভাইজর পিটার জোনস্, এনফোর্সমেন্ট কোঅর্ডিনেটর গোলাম হোসেন, ট্রান্সপোর্ট কোঅর্ডিনেটর রেজাউর রহমান, সার্ভিলেন্স কোঅর্ডিনেটর ডা. তানভীর ইবনে আলী, ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের টেকনিক্যাল এডভাইজর আমিনুল ইসলাম সুজন প্রমুখ।
৩৮৩ দিন আগে
যেখান-সেখান দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না: ডিএমপি কমিশনার
পহেলা বৈশাখের আনন্দ শোভাযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন সবোর্চ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। নিরাপত্তার স্বার্থে এ বছর যেখান-সেখান থেকে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশনা দেন তিনি।
রবিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরের দিকে রমনা বটমূলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনের শেষে শেখ মো. সাজ্জাত আলী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নববর্ষের শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়, শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, বাংলা একাডেমি ও টিএসসি হয়ে পুনরায় চারুকলায় গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রার পুরো রুট নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে। পাশ থেকে বিকল্প পথে শোভাযাত্রায় প্রবেশ করা যাবে না।’
আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণ’ শব্দ না ব্যবহারে পরামর্শ: ডিএমপি কমিশনারের দুঃখপ্রকাশ
সাজ্জাত আলী জানান, শোভাযাত্রায় যোগদান করতে হলে শাহবাগ মোড় থেকে যোগ দিতে হবে। আর ছায়ানটের অনুষ্ঠান শেষে যারা শোভাযাত্রায় অংশ নিতে চান— তারা শাহবাগ হয়ে কাঁটাবন মোড় দিয়ে নীলক্ষেত মোড় হয়ে ঢাবি ভিসির বাংলোর সামনে থেকে অংশ নেবেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, বৈশাখে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ১৮ হাজার পুলিশ সদস্যসহ র্যাব, সেনাবাহিনী ও এন্টি-টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা দায়িত্বে থাকবেন।
বাংলা বর্ষবরণ উৎসবকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরকে ২১টি সেক্টরে ভাগ করে পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়ন করা হবে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাস্থলগুলো ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে। রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ মোট ২১টি স্থানে ব্যারিকেড থাকবে।
‘প্রতিটি অনুষ্ঠানস্থলের প্রবেশমুখে আর্চওয়ে ও হ্যান্ড মেটাল দিয়ে তল্লাশি করা হবে। অনুষ্ঠান স্থলে যাওয়া ও শোভাযাত্রার রোড সমূহ সিসি ক্যামেরাসহ স্থির ও ভিডিও ক্যামেরা দ্বারা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। অনুষ্ঠানের চারপাশে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফুট পেট্রোল থাকবে। সিটিটিসি, সোয়াত ছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে,’ বলেন ডিএমপি কমিশনার।
ইভটিজিং ও ছিনতাই প্রতিরোধে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ দল মোতায়েন থাকবে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। ‘এ ছাড়াও রমনা ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড সেন্টার’ স্থাপন থাকবে। সেখানে মাইকিং ব্যবস্থা থাকবে।’
গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে নববর্ষকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চালানো অপপ্রচার বন্ধ করতে নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানান মো. সাজ্জাত আলী।
এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে তল্লাশি কাজে সহায়তা করতে এবং অনুষ্ঠানস্থলে কোন ধরনের ব্যাগ, ধারালো বস্তু ও দাহ্য পদার্থ না নিয়ে আসতে নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার জানান, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে এবং অনুষ্ঠান স্থল ত্যাগ করতে হবে। কোনো ধরনের আতশবাজি, ফানুস উড়ানো যাবে না। শব্দ দূষণ হয়— এ ধরনের কোনো বাঁশি ব্যবহার করা যাবে না। বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য বাজারজাত করা যাবে না। বিশেষ করে শোভাযাত্রায় ও অন্যান্য অনুষ্ঠানস্থলে।
আরও পড়ুন: শোভাযাত্রার আগেই মোটিফে আগুন দেওয়া দুষ্কৃতকারীরা গ্রেফতার হবে: ডিএমপি কমিশনার
ছায়ানটের অনুষ্ঠানে আসতে ইচ্ছুক নগরবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘যারা নারী ও শিশু সঙ্গে নিয়ে আসবেন তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ভীড় এড়িয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করবেন। মহিলা ও শিশুদের জন্য নির্ধারিত গেট ব্যবহার করে বের হয়ে চলে যাবেন।’
তিনি জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনটি গেট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। সে সময় বের হওয়ার জন্যও তিনটি গেট ব্যবহার করা যাবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত উদ্যানে প্রবেশ করা যাবে। বিকেল ৫টার পর প্রবেশ পথগুলোও বের হওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। শোভাযাত্রা সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম পাশে চারুকলার বিপরীতে যে গেট আছে সেটি বন্ধ থাকবে। ওই সময় কেউ ওই গেট দিয়ে রাস্তায়ও যেতে পারবেন না।
৪৪৯ দিন আগে
শোভাযাত্রার আগেই মোটিফে আগুন দেওয়া দুষ্কৃতকারীরা গ্রেফতার হবে: ডিএমপি কমিশনার
ফ্যাসিস্টের মুখবয়বে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের আগামীকাল শোভাযাত্রার আগেই গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী।
রবিবার (১৩ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর রমনা পার্কে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এমন তথ্য জানিয়েছেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আপনারা জানেন, গতরাতে আগের রাতে একটা ওড সময় ভোর পাঁচটার দিকে একটি মোটিফ, যেটা তৈরি করা হয়েছিল শোভাযাত্রায় ব্যবহার করার জন্য, সেটিতে একদল দুস্কৃতকারী আগুন দিয়েছে।’
আরও পড়ুন: বর্ষবরণ উপলক্ষে ঢাবি চারুকলার তৈরি ফ্যাসিস্ট মুখাবয়বে আগুন
‘এটি নিয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে ও সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি মামলাটি উদ্ঘাটনের জন্য। তদন্তকালীন কোনো মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলি না। তবে এতটুকু বলছি, আমরা অত্যন্ত ক্লোজ, খুব নিকটে পৌঁছে গেছি মামলাটি ডিটেকশনের ক্ষেত্রে,’ যোগ করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, শোভাযাত্রার আগে আগামীকাল সকাল ৯টার আগেই মামলটির ডিটেকশনের ক্ষেত্রে আমরা একটি সন্তোষজনক পর্যায়ে চলে যাব। সম্ভব হলে এই সময়ের মধ্যে দুস্কৃতকারীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।’
শনিবার ভোরের দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে আগুন লেগে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার’জন্য তৈরি করা ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ ও ‘শান্তির পায়রা’ মোটিফ পুড়ে যায়।
এ ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মনে করছে পুলিশ। এর পেছনে ‘ক্ষমতাচ্যুত সরকারের দোসরদের’ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
আরও পড়ুন: ফ্যাসিস্টের মুখাবয়ব পোড়ানোয় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে: ফারুকী
সিসিটিভি ভিডিওতে একজনকে চিহ্নিত করা গেলেও এখনো তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি ও শাহবাগ থানায় মামলা করেছে। মামলায় নির্দিষ্ট কারও নাম না দিয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনসহ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।
৪৪৯ দিন আগে
‘ধর্ষণ’ শব্দ না ব্যবহারে পরামর্শ: ডিএমপি কমিশনারের দুঃখপ্রকাশ
‘ধর্ষণকে’ নারী নির্যাতন কিংবা নিপীড়ন বলার পরামর্শ দেওয়ার পর এবার দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী।
সোমবার (১৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রসঙ্গে আলোচনাকালে ধর্ষণকে বৃহত্তর পরিসরে নির্যাতন হিসেবে অভিহিত করেছি। আমার বক্তব্যে কেউ মনঃক্ষুণ্ণ হলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’
শনিবার এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে সাজ্জাত আলী গণমাধ্যমে ‘ধর্ষণ’ শব্দটি ব্যবহার না করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ‘আমি দুটি শব্দ খুব অপছন্দ করি, এর মধ্যে একটি হলো ধর্ষণ। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এটা ব্যবহার করবেন না। আপনারা নারী নির্যাতন বা নিপীড়ন বলবেন। আমাদের আইনেও নারী ও শিশু নির্যাতন বলা হয়েছে। যে শব্দগুলো শুনতে খারাপ লাগে, সেগুলো আমরা না বলি।’
আরও পড়ুন: একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনার ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার
তবে তিনি এই বক্তব্যের মাধ্যমে বাস্তবে ধর্ষকের পক্ষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তার ভাষ্য, ডিএমপি কমিশনার ধর্ষককে সুরুক্ষার উপায় বের করার অপচষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন, যা অগ্রহণযোগ্য। তার (ডিএমপি কমিশনার) এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করা উচিত, প্রত্যাহার করা উচিত।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, যে প্রতিষ্ঠানের ওপর সবচেয়ে বেশি নিশ্চিত করা বা নারীর অধিকার হরণের প্রতিরোধ করার দায়িত্ব, সেই আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তথা পুলিশ, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যখন বলেন ধর্ষণ শব্দটা ব্যবহার না করার জন্য; গণমাধ্যম আপনাদেরকে যখন অনুরোধ করে, তখন আমাদের অবাক হতে হয়। তাদের এই অবস্থানের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতে হয়।
৪৭৬ দিন আগে
একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনার ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনার ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পাশাপাশি রাত আটটা থেকে শহীদ মিনার চারপাশে এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের ভিতরে গোয়েন্দা পুলিশসহ ইউনিফর্ম পুলিশের মোবাইল টিম তৎপরতা শুরু করবে।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: সড়ক দুর্ঘটনা তদন্তে ট্রাফিক পুলিশকে সম্পৃক্ত করা দরকার: ডিএমপি কমিশনার
তিনি বলেন, ‘শহীদ মিনার চত্বর এলাকায় সকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে বিকেল ৫টায় এবং এরপর রাত ৯ টায় গোয়েন্দা পুলিশসহ অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হবে। তারা শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত এই এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।’
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘দিবসটিকে ঘিরে প্রথম প্রহর থেকেই ভিআইপিসহ জনসমাগম হবে। এজন্য ঢাকাবাসীকে অনুরোধ করব আপনারা ১২টা ৪০ মিনিটের পর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আসবেন। এ সময় মোবাইল ও মানিব্যাগসহ প্রয়োজনীয় জিনিস নিজ দায়িত্বে রাখবেন। এছাড়া কোনো ধরনের ধার্য পদার্থ ও বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করা থেকে বিরত থাকবেন। সবাইকে শহীদ মিনারে প্রবেশের আগে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করা হবে।’
নিরাপত্তা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত শহীদ দিবস ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আশঙ্কা নেই। এ সময় তিনি জঙ্গি হামলার কোনো আশঙ্কার বিষয়ক নাকচ করে দেন। এছাড়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা জামিনে রয়েছে তাদের নিয়েও কোনো থ্রেট দেখছে না ডিএমপি।’
আরও পড়ুন: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট মামলায় গুরুত্ব দিতে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশ
সাজ্জাদ আলী বলেন, এখানে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কোনো ইন্টারেস্ট থাকার কথা না এবং তাদের অপারেশন এলাকাও না। তারপরও যারা জামিনে আছে তাদেরকে মনিটরিং করা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শহীদ মিনারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপির পাশাপাশি র্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
৫০১ দিন আগে