মরদেহ
মেঘনায় নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ৩ জেলের মরদেহ উদ্ধার
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা-ছেলেসহ তিন জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ মে) ভোরে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাসানচর এলাকা থেকে নৌ পুলিশ স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় নিখোঁজ জেলেদের মরদেহগুলো উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন—নুর ইসলাম জমাদ্দার (৫২) ও তার ছেলে ইব্রাহিম জমাদ্দার (৩১) এবং হারুন বিশ্বাস (৩৫)। গতকাল (মঙ্গলবার) সকালে পুরাতন হিজলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তারা।
সোমবার (২৬ মে) বিকেলে হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে কালবৈশাখীর কবলে পড়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। এ সময় নৌকায় থাকা ওই তিনজন নিখোঁজ হন।
হিজলা থানা নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোবিন্দ চন্দ্র দাস জানান, ওই নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার মরদেহগুলো পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
সিলেটে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের হেতিমগঞ্জ পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ঝুমকি দেব (২৯) ওই গ্রামের চঞ্চল দাসের স্ত্রী।
গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় নিজ শয়নকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুমকির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঝুমকির শ্বশুরবাড়ির লোকজন ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছেন। তবে তার বাবার বাড়ির স্বজনদের দাবি, এটি হত্যাকাণ্ড।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
২ দিন আগে
ওমানে নিহত ৪ ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
ওমানের দক্ষিণ আল বাতিনাহর মুলাদ্দা এলাকায় গাড়ির ভেতরে গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে নিহত চার প্রবাসী ভাইয়ের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। আজ বুধবার সকালে চট্টগ্রারের রাঙ্গুনিয়ায় জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের মরদেহ পৌঁছায়।
এ সময় রাঙ্গুনিয়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা হুম্মাম কাদের চৌধুরী স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন। তিনি এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা করায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মরদেহ পরিবহন ও দাফনের জন্য পরিবারগুলোকে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এরপর আজ (বুধবার) ভোরে চার ভাইয়ের মরদেহ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় নেওয়া হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টায় উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের বন্দেরাজাপাড়া এলাকায় হোসনাবাদ লালানগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চার ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বন্দেরাজাপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে পাশাপাশি খনন করা চারটি কবরে তাদের দাফন করা হয়।
নিহতরা হলেন— রাশেদুল ইসলাম, সাহেদুল ইসলাম, মো. সিরাজ ও মো. শহিদ।
গত ১২ মে রাতে আল মিলিদ্দা, আল মোছানা স্টেট অব আল বাতিনাহ এলাকায় গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় এসির এক্সহস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ ঘটনায় রয়্যাল ওমান পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং আবদ্ধ গাড়ির ভেতরে ঘুমানো থেকে বিরত থাকার সতর্কতা জারি করেছে।
৭ দিন আগে
রাজবাড়ীতে মাটিতে পুতে রাখা মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় একটি পুকুরপাড়ে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে উজ্জ্বল শেখ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে খবর পেয়ে উপজেলার সীমান্তবর্তী উজানচর ইউনিয়নের কালিতলা এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
নিহতরা হলেন— গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের চর দৌলতদিয়া পরশউল্লাহ মাতুব্বরপাড়ার আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানারা আক্তার (৩২) ও তাদের ৪ বছর বয়সী মেয়ে সামিয়া আক্তার।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে উজ্জ্বল শেখকে গোয়ালন্দ থানা পুলিশের সহযোগিতায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
নিহতের স্বামী আমজাদ শেখ জানান, গত ৪ মে চর দৌলতদিয়া হাট এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়িতে কুলখানি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর থেকে তার স্ত্রী ও মেয়ে নিখোঁজ ছিলেন। হত্যার ঘটনায় স্থানীয় উজ্জ্বল নামের এক ভাটা শ্রমিককে সন্দেহ করছেন তিনি। এর আগে তার স্ত্রীর সঙ্গে উজ্জ্বলের পরকীয়ার সম্পর্ক নিয়ে সালিশও হয়েছিল।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়ালন্দ উপজেলার শেষ সীমানা উজানচর ইউনিয়নের জ্যোতিন বোদ্যিরপাড়ার কালিতলা গ্রামের স্থানীয় হাকিম উল্লাহর পুকুরপাড় থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এ সময় মাঠে কাজ করা কয়েকজন কৃষক দুর্গন্ধ পেয়ে গ্রামের লোকজনকে খবর দেন। স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে দেখতে পান, পুকুরপাড়ের মাটিতে পুতে রাখা মানুষের পা বাইরে বের হয়ে আছে। সেখানে কয়েকটি কুকুর ঘোরাফেরা করছে।
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের সহায়তায় মাটি খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা পুলিশকেও খবর দিয়ে আনা হয়।
উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. খবির হোসেন জানান, উজানচর ইউনিয়নের কালিতলা গ্রামের পায়ে চলার রাস্তার এক পাশে গোয়ালন্দ উপজেলার শেষ সীমানা। এর বিপরীত পাশে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের আনছারডাঙ্গী গ্রাম। পুকুরটি আনছারডাঙ্গী গ্রামের হাকিম উল্লাহর।
তিনি বলেন, ‘পুকুরের পাশে মাঠে কাজ করার সময় কৃষকরা দুর্গন্ধ পেয়ে গ্রামের লোকজনকে খবর দেয়। গ্রামের লোকজন এর উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখেন, মানুষের পা দেখা যাচ্ছে। এরপর পুলিশকে খবর দিলে তাদের উপস্থিতিতে মাটি খুঁড়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।’
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মাটি খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সাড়ে ৪টার দিকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সীমান্তবর্তী হওয়ায় দুই জেলার পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং জমি মাপার আমিনদের এনে সীমানা নির্ধারণ করা হয়। ঘটনাস্থলটি ফরিদপুর জেলার মধ্যে হওয়ায় সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া তারাই সম্পন্ন করবে।
১২ দিন আগে
ফেনীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে শিরিন আক্তার (৩৮) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে)সন্ধ্যায় ইউনিয়নের চোছনা গ্রামের পশ্চিম জের কাছাড় এলাকার একটি নির্জন নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিরিন আক্তার জের কাছাড় গ্রামের মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার স্বামী বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শিরিন আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর কেনা জমির পাশের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পাশেই তাদের নতুন বাড়ির নির্মাণকাজ চলছিল। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তাকে বাসায় না পেয়ে সন্তানরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহের ভিত্তিতে নির্মাণাধীন ঘরের ভেতরে বালু সরাতে শুরু করলে একটি কক্ষের ভেতর বালুর নিচ থেকে শিরিন আক্তারের মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় স্থানীয় রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম অথবা নিহত নারীর বড় ছেলে জড়িত থাকতে পারেন। তাদের দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত সাইফুল একই এলাকার জমিদার বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
নিহতের ছেলে রাজু জানান, মঙ্গলবার বিকেলে তার মাকে বাসায় না পেয়ে নতুন নির্মাণাধীন বাড়িতে খুঁজতে যান তিনি। সেখানে গিয়ে সাইফুল নামে এক শ্রমিককে কাজ করতে দেখেন। মায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে বালুর নিচে তার মায়ের মরদেহ দেখতে পান।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
১৪ দিন আগে
ফেনীতে মুক্তিপণ দাবির পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ
ফেনীতে নিখোঁজ হওয়ার পর ডোবা থেকে হাসান (১৮ মাস) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) সকালে দাগনভূঞা পৌরসভার আমানউল্ল্যাহপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত শিশু হাসান লক্ষ্মীপুর জেলার কমল নগরের বাসিন্দা তারেক ও তারজিনা আক্তার দম্পতির ছেলে।শিশুর বাবা মোহাম্মদ তারেক জানান, গত ৯ মে সকালে বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় হাসান। সন্ধ্যার দিকে একটি মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে। প্রথমে তাদের কাছে ১২ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে অপহরণকারীরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন, অন্যথায় হত্যার হুমকিও দেন তারা। এ বিষয়ে গতকাল (রবিবার) শিশুটির পরিবার দাগনভূঞা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে।
দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, আজ (সোমবার) সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি কোনো চক্রের কাজ। তদন্তে জানা গেছে, ফোন করে হুমকি দেওয়া নম্বরটি নওগাঁর।
তবে নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, নিখোঁজ ও মুক্তিপণ দাবিরর বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করার পরেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের গাফিলতির অভিযোগটি সঠিক নয়। তারপরও বিষয়টি আরও ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১৬ দিন আগে
কক্সবাজারে লাবণী পয়েন্ট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট এলাকা থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সমুদ্র সৈকত-সংলগ্ন ড্রিংকস কর্নারের সামনে একটি দোকানের মেঝে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পর্যটন করপোরেশনের ড্রিংকস কর্নার-সংলগ্ন একটি লাইব্রেরি ও ফার্স্টফুড দোকানের মেঝেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছমি উদ্দিন জানান, নিহত নারীর পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তার বয়স নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
২১ দিন আগে
রাজধানীতে বাসা থেকে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর শাহবাগে একটি বাসা থেকে এ বি এম আবিদ হাসান জিসান (২৬) নামে এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিসানের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পলাশপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আহসান হাবিব।
নিহতের সহকর্মী হাফিজুর জানান, জিসান ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্নশিপ শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি ধানমণ্ডির পপুলার হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, আমরা কয়েকজন সহকর্মী মিলে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসায় ভাড়া থাকি। আজ দুপুরে তার রুমমেট দীপ্ত সিংহ তাকে অস্বাভাবিক অবস্থায় বিছানায় দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানতে পারেননি তার সহকর্মীরা। মৃত্যুর আগে তিনি কিছু সেবন করেছিলেন কি না, সেটিও জানেন না তারা। তবে জিসান উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা।
দীপ্ত সিংহ বলেন, সকালে রুম থেকে বের হওয়ার সময়ে দেখেছিলাম জিসান তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিল।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
২৩ দিন আগে
জামালপুর যাচ্ছে লিমনের মরদেহ, বাদ মাগরিব জানাজা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে জামালপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন তার বাবা মো. জহুরুল হক ও ছোট ভাই যোবায়ের আহমেদ।
নিহত লিমনের কাকা মো. আসাদুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, দুপুরের মধ্যে লিমনের মরদেহ মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছাবে। তার জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব স্থানীয় লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। ইতোমধ্যেই কবর খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করে জানাজা নামাজের কথা প্রচার করা হচ্ছে। মরদেহের সঙ্গে লিমনের বাবা-মা, একমাত্র ভাই ও স্বজনরা রয়েছেন।
ফ্লোরিডায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের পক্ষে লিমনের মরদেহ গ্রহণ করেন তার খালা তাসলিমা বেগম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। মরদেহের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে আসছেন। তার ফ্লাইট আজ (সোমবার) দুপুর ১টার দিকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানান মো. আসাদুল্লাহ।
জামিল আহমেদ লিমনের বাবা মো. জহুরুল হক, মা লুৎফুন্নেছা ও ছোট ভাই যোবায়ের আহমেদ দীর্ঘদিন থেকে ঢাকার হাসনাবাদ এলাকায় বসবাস করছেন। জহুরুল হক পেশায় টেক্সটাইল মিলের কর্মকর্তা ছিলেন, মা গৃহিনী এবং একমাত্র ছোট ভাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) স্নাতকে অধ্যয়নরত।
লিমনের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশাপাশি এলাকায় চলছে শোকের মাতম।
২৩ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরে দাফনের ১৪ মাস পর কৃষকদল নেতার মরদেহ উত্তোলন
লক্ষ্মীপুরে দাফনের প্রায় ১৪ মাস পর কবর থেকে শাহাদাত হোসেন পরাশ নামে এক কৃষকদল নেতার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। পরাশ ২০২৫ সালের ৭ মার্চ চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ মোস্তানগর এলাকায় মারা যান।
রবিবার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার তেরবেকি এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। তার স্ত্রী শেফালি বেগম শেপুর করা মামলার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের নির্দেশনায় তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
পরাশ জেলা কৃষকদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সমসেরাবাদ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে ছিলেন।
শেফালি বেগম বলেন, প্রবাস থেকে এসে বন্ধুকে নিয়ে মাটি খনন যন্ত্র ভেকু মেশিন কিনতে চট্টগ্রাম গিয়ে মারা যান পরাশ। ঘটনার সময় পরাশের কাছে ১০ লাখ টাকা ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, পরাশের সঙ্গে থাকা ওই ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে অভিযুক্ত মোহন তাকে হত্যা করেন। পরাশ ও মোহনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।
এ সময় লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মুহাম্মদ নাহিদ শেখ সুমন ও সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা আরমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন বলেন, নিহতের মরদেহ উত্তোলন করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে সেটি পুনরায় দাফন করা হবে।
২৪ দিন আগে