মরদেহ
কক্সবাজারে লাবণী পয়েন্ট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট এলাকা থেকে এক অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সমুদ্র সৈকত-সংলগ্ন ড্রিংকস কর্নারের সামনে একটি দোকানের মেঝে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পর্যটন করপোরেশনের ড্রিংকস কর্নার-সংলগ্ন একটি লাইব্রেরি ও ফার্স্টফুড দোকানের মেঝেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছমি উদ্দিন জানান, নিহত নারীর পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তার বয়স নির্ধারণের চেষ্টা চলছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীতে বাসা থেকে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর শাহবাগে একটি বাসা থেকে এ বি এম আবিদ হাসান জিসান (২৬) নামে এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিসানের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পলাশপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আহসান হাবিব।
নিহতের সহকর্মী হাফিজুর জানান, জিসান ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্নশিপ শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি ধানমণ্ডির পপুলার হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, আমরা কয়েকজন সহকর্মী মিলে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসায় ভাড়া থাকি। আজ দুপুরে তার রুমমেট দীপ্ত সিংহ তাকে অস্বাভাবিক অবস্থায় বিছানায় দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানতে পারেননি তার সহকর্মীরা। মৃত্যুর আগে তিনি কিছু সেবন করেছিলেন কি না, সেটিও জানেন না তারা। তবে জিসান উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা।
দীপ্ত সিংহ বলেন, সকালে রুম থেকে বের হওয়ার সময়ে দেখেছিলাম জিসান তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিল।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
জামালপুর যাচ্ছে লিমনের মরদেহ, বাদ মাগরিব জানাজা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে জামালপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন তার বাবা মো. জহুরুল হক ও ছোট ভাই যোবায়ের আহমেদ।
নিহত লিমনের কাকা মো. আসাদুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, দুপুরের মধ্যে লিমনের মরদেহ মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছাবে। তার জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব স্থানীয় লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। ইতোমধ্যেই কবর খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করে জানাজা নামাজের কথা প্রচার করা হচ্ছে। মরদেহের সঙ্গে লিমনের বাবা-মা, একমাত্র ভাই ও স্বজনরা রয়েছেন।
ফ্লোরিডায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের পক্ষে লিমনের মরদেহ গ্রহণ করেন তার খালা তাসলিমা বেগম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। মরদেহের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে আসছেন। তার ফ্লাইট আজ (সোমবার) দুপুর ১টার দিকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানান মো. আসাদুল্লাহ।
জামিল আহমেদ লিমনের বাবা মো. জহুরুল হক, মা লুৎফুন্নেছা ও ছোট ভাই যোবায়ের আহমেদ দীর্ঘদিন থেকে ঢাকার হাসনাবাদ এলাকায় বসবাস করছেন। জহুরুল হক পেশায় টেক্সটাইল মিলের কর্মকর্তা ছিলেন, মা গৃহিনী এবং একমাত্র ছোট ভাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) স্নাতকে অধ্যয়নরত।
লিমনের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশাপাশি এলাকায় চলছে শোকের মাতম।
২ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরে দাফনের ১৪ মাস পর কৃষকদল নেতার মরদেহ উত্তোলন
লক্ষ্মীপুরে দাফনের প্রায় ১৪ মাস পর কবর থেকে শাহাদাত হোসেন পরাশ নামে এক কৃষকদল নেতার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। পরাশ ২০২৫ সালের ৭ মার্চ চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ মোস্তানগর এলাকায় মারা যান।
রবিবার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার তেরবেকি এলাকার পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। তার স্ত্রী শেফালি বেগম শেপুর করা মামলার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের নির্দেশনায় তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
পরাশ জেলা কৃষকদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সমসেরাবাদ এলাকার মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে ছিলেন।
শেফালি বেগম বলেন, প্রবাস থেকে এসে বন্ধুকে নিয়ে মাটি খনন যন্ত্র ভেকু মেশিন কিনতে চট্টগ্রাম গিয়ে মারা যান পরাশ। ঘটনার সময় পরাশের কাছে ১০ লাখ টাকা ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, পরাশের সঙ্গে থাকা ওই ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে অভিযুক্ত মোহন তাকে হত্যা করেন। পরাশ ও মোহনের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল।
এ সময় লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মুহাম্মদ নাহিদ শেখ সুমন ও সদর হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা আরমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন বলেন, নিহতের মরদেহ উত্তোলন করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে সেটি পুনরায় দাফন করা হবে।
৩ দিন আগে
রাজধানীর রাস্তায় পড়েছিল এক ব্যক্তির মরদেহ, মেলেনি পরিচয়
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর জনপথ মোড়ে হানিফ ফ্লাইওভারের নিচের ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২ মে) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরহাদ আলী জানান, খবর পেয়ে অচেতন অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, তিনি আর বেঁচে নেই।
এসআই ফরহাদ বলেন, ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকদের জিজ্ঞেস করে আমরা ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানতে পারিনি। সিআইডির ক্রাইম সিনের প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৪ দিন আগে
নিখোঁজের সাত দিন পর ফরিদপুরে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরে সাত দিন ধরে নিখোঁজ থাকা কবিতা আক্তার নামে এক সাত বছর বয়সী মেয়ে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুর সদরের গেরদা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের অধীনে বাখুন্ডা রেল স্টেশন-সংলগ্ন কলাবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কবিতা বাখুন্ডা আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা বাকা বিশ্বাসের মেয়ে ছিল। পাঁচ বোনের মধ্যে কবিতা ছিল সবার ছোট। শিশুটি বোকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে কবিতা নিখোঁজ ছিল। এ ঘটনায় শিশুটির মা তাহমিনা বেগম গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি প্রথম দেখতে পান ওই এলাকার বাসিন্দা সোনা শেখ ও দুলাল মিয়া নামে দুই শ্রমিক। তারা বাখুন্ডা রেলস্টেশনের পাশে অবস্থিত কলাবাগানে পড়ে যাওয়া একটি কলাগাছ অপসারণ করতে গিয়ে প্রথমে দুর্গন্ধ এবং তার সূত্র ধরে মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ইউপি (ইউনিয়ন পরিষদ) সদস্যকে জানান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মৃতদেহের পরণে কোনো পোশাক ছিল না। সালোয়ার দিয়ে শিশুটির মুখ বাধা ছিল। মরদেহটি উপুড় করা অবস্থায় পড়ে ছিল।
গেরদা ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকারিয়া খান জানান, সাড়ে ৯টার দিকে শ্রমিকরা কাজ করতে গেলে তারা দেখেন, বাগানে একটি কলাগাছ পড়ে আছে। সেটি অপসারণ করতে গিয়ে তারা গন্ধ পান। পরে মরদেহটি দেখতে পেয়ে তারা আমাকে জানান।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশকে খবর দেই। এরপর নিখোঁজ শিশুর মা ও বাবা ঘটনাস্থলে এসে শিশুটিকে শনাক্ত করেন।
মরদেহটি উদ্ধার করেন ফরিদপুর কোতয়ালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) পীযূষ কান্তি হালদার। তিনি বলেন, মরদেহটি পঁচে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। তা দেখে ধারণা করা যায়, যেদিন শিশুটি নিখোঁজ হয়, ওই দিনই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে গলিত ও বিকৃত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটির পোশাক দেখে তার বাবা-মা তাকে শনাক্ত করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি হত্যাকাণ্ড।
তিনি বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
৬ দিন আগে
বেনাপোলে ধানখেত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
যশোরে বেনাপোলে ধানখেত থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রামের হরিনাপোতা মাঠের একটি খেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে ধানখেতে একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রাতের কোনো একসময়ে হরিনাপোতা মাঠের ধানখেতে ফেলে রাখা হয়েছে। মরদেহের গলায় কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
১৩ দিন আগে
যশোরে বস্তাবন্দি অবস্থায় বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বেজপাড়া এলাকায় এক বৃদ্ধার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম সকিনা বেগম (৬০)।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার বাসার সামনের একটি বস্তা থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত সকিনা লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে দোকানে যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়মের কাছে মায়ের খোঁজ করলে তিনি বাইরে তালিমে গেছেন বলে জানান তার স্ত্রী। রাত ১০টার দিকে বাসায় ফিরে শহিদুল তার মাকে না পেয়ে পুনরায় খোঁজ নেন। তখনও তার স্ত্রী জানান, সকিনা বেগম বাসায় ফেরেননি।
বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি থানায় গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসার সামনের একটি বস্তার মধ্যে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন শহিদুল। পরবর্তীতে তিনি ও তার বোন শাহিদা বেগম মরদেহটি তাদের মায়ের বলে শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
১৪ দিন আগে
কুড়িগ্রামে দুই দিনে দুই বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় পরপর দুই দিনে পৃথক ঘটনায় দুই বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ও মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার পান্ডুল ও গুনাইগাছ ইউনিয়নে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— গুনাইগাছ ইউনিয়নের পূর্ব কালুডাঙ্গা গ্রামের মৃত মেহের আলীর ছেলে মো. আব্দুল জব্বার (৬৫) এবং উপজেলার পান্ডুল ইউনিয়নের ঢেঁকিয়ারাম গ্রামের মৃত বানছার আলীর ছেলে আব্দুল আখের ওরফে ফাকের (৬০)।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, আজ (মঙ্গলবার) সকালে বসতঘর থেকে আব্দুল জব্বারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জব্বারের পরিবারের সদস্যরা জানান, গতকাল (সোমবার) রাত ৯টার দিকে প্রতিদিনের মতো খাওয়া-দাওয়া শেষে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান জব্বার। আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তার বোনের স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম বকস খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে ঘরে ঢুকে তাকে ঘরের ধরনার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন।
স্থানীয়রা জানান, জব্বারের পারিবারিক জীবনে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিশেষ করে দ্বিতীয় স্ত্রী ফরিদা বেগমের নামে জমি লিখে দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথম পক্ষের ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে প্রায়ই বিরোধ লেগে থাকত তার। গত ১২ এপ্রিল এ নিয়ে নতুন করে বিরোধ সৃষ্টি হলে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান।
অন্যদিকে, গতকাল (সোমবার) উপজেলার পান্ডুল ইউনিয়নের ঢেঁকিয়ারাম গ্রাম থেকে আব্দুল আখের ওরফে ফাকেরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ভোরে বাড়ির আঙিনায় একটি কূলগাছ ও বাঁশের সঙ্গে বাঁধা দোলনার প্লাস্টিকের রশিতে তিনি গলায় ফাঁস দেন। সকালে তার পুত্রবধূ মাজেদা বেগম তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় সেখানে দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেন তিনি।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, দুটি ঘটনায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
২২ দিন আগে
সিলেট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে নিহতের চার দিন পরও ফেরেনি যুবকের মরদেহ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে খাসিয়া সম্প্রদায়ের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। তবে ঘটনার চার দিন পার হলেও তার মরদেহ এখনও দেশে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
বুধবার (১ এপ্রিল) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তের নিকটবর্তী ভারতের রাজনটিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা এবং মুক্তিযোদ্ধা কুটু মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই সাদ্দাম নিহত হন।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। সে সময় গুলিতে সাদ্দাম নিহত হওয়ার পাশাপাশি ফরহাদ মিয়া নামে আরেকজন আহত হন। পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)।
নিহতের বড় ভাই নাজীম উদ্দীন বলেন, ‘আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখানে খাসিয়ারা তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। চার দিন পার হয়ে গেলেও এখনও তার মরদেহ দেশে আনতে পারিনি।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জগৎ জ্যোতি দাস বলেন, ঘটনার পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বলেন, বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
৩১ দিন আগে