ফেনী
ফেনী মাসুম হত্যা মামলা: শেখ হাসিনাসহ ১৭৮ জন আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
জুলাই অভ্যুত্থানকালে ফেনীতে নিহত ছাত্র মাহবুবুল হাসান মাসুম হত্যা মামলায় আত্মগোপনে থাকা শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৭৮ জন আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ফেনীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ছালামাত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আদেশ জারির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। অন্যথায়, তাদের অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।
ঐ মামলায় আত্মগোপনে থাকা ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ফেনী–৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও ফেনী–২ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ ১৭৮ জনকে আদালতে হাজির হতে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে ফেনীর মহিপালে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিতে মাহবুবুল হাসান হত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ মামলায় ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ১৬২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। মামলায় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাতে মহিপালে নিহত মাহবুবুল হাসানের ভাই মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় এ মামলা করেন।
নিহত মাহবুবুল হাসান সোনাগাজী উপজেলার চর চান্দিয়া এলাকার নোমান হাসানের ছেলে। তিনি ছাগলনাইয়ার আবদুল হক চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফলপ্রার্থী ছিলেন।
আদালত সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফেনী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন ২২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি ফেনীর জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হাসান এই অভিযোগপত্র আমলে নেন। একই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ ১৭১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
এ মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন— ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীল, ফেনী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল।
মামলায় অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সভাপতি দিদারুল কবির, পরশুরাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম, ছাগলনাইয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. মোস্তফা, সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ, আওয়ামী লীগ নেতা জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, জেলা যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম ও ছাত্রলীগ নেতা জিয়া উদ্দিন। ছাত্র–জনতার আন্দোলনে গুলি করতে প্ররোচনা, উসকানি ও নির্দেশনার অভিযোগে তাদের আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ মামলায় ৫১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহিপালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গুলিবর্ষণে মাহবুবুল হাসানের মাথা, বুকে ও পিঠে গুলি লাগে। পরে তাকে চট্টগ্রামের পার্কভিউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ আগস্ট তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। সেদিন সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ওই দিন মোট ৭ জন নিহত হন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। এ ছাড়া অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রী ও শীর্ষ নেতারাও দেশে ছেড়ে বিদেশে আশ্রয় নেন।
৫ দিন আগে
ফেনীতে ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীতে সড়কের পাশে থেমে থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ৮ জন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে ফেনীর খাইয়ারা ভোজনবাড়ি রেস্টুরেন্টের সামনে ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর (৪০) নামে একজনের পরিচয় জানা গেলেও অপরজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। সকাল ৬টা পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে আসা সিলিন্ডারবোঝাই ট্রাকের চাকা নষ্ট হলে সেটি মহাসড়কের পাশে থামিয়ে চালক ও সহকারী চাকা পরিবর্তনের কাজ করছিলেন। এ সময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় কয়েকজন উৎসুক মানুষ জড়ো হন। হঠাৎ ঢাকামুখী একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক ও সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে চাপা দেয়।
খবর পেয়ে মহিপাল হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।
ফেনী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোশাররফ হোসেন তালুকদার বলেন, রাত ২টার পরপরই অন্তত ১০ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজন হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরে আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহতদের অনেকের হাত-পা ও মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। জরুরি চিকিৎসা শেষে পাঁচজনকে চমেক হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে এবং একজন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান ডা. মোশাররফ হোসেন তালুকদার।
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদ খাঁন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৮ দিন আগে
ফেনীতে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী ছাগলনাইয়ায় ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। বন্ধুদের সঙ্গে গুলিয়াখালী বিচে ঘুরতে গিয়ে বাড়িতে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে ছাগলনাইয়া থানার ঘোপাল ইউনিয়নের মুহুরীগঞ্জের চৌধুরী পাড়া রাস্তার মুখে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইকবাল হোসেন জিসান (২৩) ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের সমপুর গ্রামের ডাক্তার বাড়ীর বাসিন্দা আবু তৈয়বের ছেলে ছিলেন। জিহানুল ইসলাম শাওন (২০) ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর পাটোয়ারী বাড়ীর কামরুল ইসলাম রসুলের একমাত্র ছেলে। তিনি ফেনী হোমপ্লাস সুপার সপের হিসাব বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
শাওনের আত্মীয় সাংবাদিক এম এমরান পাটোয়ারী জানান, শাওনসহ তাদের কয়েকজন বন্ধু গতকাল (বুধবার) রাতে গুলিয়াখালী সৈকতে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে তার বন্ধুরা মিলে ফেনীর উদ্দেশে রওনা দেন।
তিনি বলেন, ‘শাওন ও জিসান একই মোটরসাইকেল ছিলেন। মোটরসাইকেলটিকে একটি ড্রাম্প ট্রাক চাপা দিলে জিসান ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। আর আমার মামাতো ভাই শাওন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।’
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, একটি মোটরসাইকেলে করে দুই বন্ধু চট্টগ্রাম থেকে ফেনীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি দ্রুতগতির ডাম্প ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জিসান নিহত হন। গুরুতর আহত আবস্থায় শাওনকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেল ও ডাম্প ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১৫ দিন আগে
ফেনীতে অস্ত্রের মুখে ব্যবসায়ীর গরু ছিনতাই
ফেনীতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিক্রির জন্য আনা এক ব্যবসায়ীর গরুর পালে হানা দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গরু ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি জানাজানির পর এলাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) ভোর ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুরে অবস্থিত র্যাব ক্যাম্প-সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘মানুষের থেকে ঋণ নিয়ে ঈদুল আজহায় বিক্রির জন্য ১০টি গরু ক্রয় করি। ফেনীর র্যাব ক্যাম্পের পাশেই গরুগুলো বেঁধে রেখে পাহারা দিচ্ছিলাম। শনিবার ভোর ৫টার দিকে হঠাৎ ৪/৫ জন ব্যক্তি এসে আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১টি গরু গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক আশপাশের লোকজন আমার চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে গাড়িটির পেছনে ধাওয়া করলেও আটকাতে পারেনি। আমি গরুটি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
স্থানীয়রা জানায়, অনেকেই লাভের আশায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু এনে ফেনীর হাট বাজারে বিক্রি করছেন। এভাবে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গরু ছিনতাইয়ের ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
ফেনী মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, রামপুরে ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে গরু ছিনতাইয়ের ঘটনা শুনেছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
২৭ দিন আগে
ফেনীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে শিরিন আক্তার (৩৮) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে)সন্ধ্যায় ইউনিয়নের চোছনা গ্রামের পশ্চিম জের কাছাড় এলাকার একটি নির্জন নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিরিন আক্তার জের কাছাড় গ্রামের মো. মানিক মিয়ার স্ত্রী। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার স্বামী বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শিরিন আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর কেনা জমির পাশের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পাশেই তাদের নতুন বাড়ির নির্মাণকাজ চলছিল। মঙ্গলবার বিকেল থেকে তাকে বাসায় না পেয়ে সন্তানরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে।
একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা সন্দেহের ভিত্তিতে নির্মাণাধীন ঘরের ভেতরে বালু সরাতে শুরু করলে একটি কক্ষের ভেতর বালুর নিচ থেকে শিরিন আক্তারের মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় স্থানীয় রাজমিস্ত্রি সাইফুল ইসলাম অথবা নিহত নারীর বড় ছেলে জড়িত থাকতে পারেন। তাদের দুজনই মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত সাইফুল একই এলাকার জমিদার বাড়ির আবুল খায়েরের ছেলে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।
নিহতের ছেলে রাজু জানান, মঙ্গলবার বিকেলে তার মাকে বাসায় না পেয়ে নতুন নির্মাণাধীন বাড়িতে খুঁজতে যান তিনি। সেখানে গিয়ে সাইফুল নামে এক শ্রমিককে কাজ করতে দেখেন। মায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে বালুর নিচে তার মায়ের মরদেহ দেখতে পান।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ।
৩৭ দিন আগে
ফেনীতে বাসচাপায় ঝরল মোটরসাইকেল-আরোহী বাবা-ছেলের প্রাণ
ফেনীতে বোনের বাড়ি থেকে ফেরার পথে বাসচাপায় মোটরসাইকেল-আরোহী বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হাফেজিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের নুর আলম ও তার ছেলে নিরব। নুর আলম ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ দুর্ঘটনায় নুর আলমের ভাগ্নি আফজাল মিঠু আহত হয়েছেন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও নিহতদের স্বজনরা জানান, ছেলে ও ভাগ্নেকে নিয়ে বোনের বাড়ি ভাঙার তাকিয়া থেকে মোটরসাইকেলে ফেনীতে ফিরছিলেন নুর আলম। পথে দ্রুতগতির একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই নুর আলম নিহত হন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে নিরবের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পর বাসটি থামিয়ে চালক পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। একইসঙ্গে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
মহিপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম জানান, বাসচাপার ঘটনায় জড়িত বাস ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পলাতক বাসচালককে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩৮ দিন আগে
ফেনীতে মুক্তিপণ দাবির পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ
ফেনীতে নিখোঁজ হওয়ার পর ডোবা থেকে হাসান (১৮ মাস) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) সকালে দাগনভূঞা পৌরসভার আমানউল্ল্যাহপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত শিশু হাসান লক্ষ্মীপুর জেলার কমল নগরের বাসিন্দা তারেক ও তারজিনা আক্তার দম্পতির ছেলে।শিশুর বাবা মোহাম্মদ তারেক জানান, গত ৯ মে সকালে বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় হাসান। সন্ধ্যার দিকে একটি মোবাইল নম্বর থেকে কল আসে। প্রথমে তাদের কাছে ১২ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে অপহরণকারীরা ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন, অন্যথায় হত্যার হুমকিও দেন তারা। এ বিষয়ে গতকাল (রবিবার) শিশুটির পরিবার দাগনভূঞা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে।
দাগনভূঞা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, আজ (সোমবার) সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টি কোনো চক্রের কাজ। তদন্তে জানা গেছে, ফোন করে হুমকি দেওয়া নম্বরটি নওগাঁর।
তবে নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, নিখোঁজ ও মুক্তিপণ দাবিরর বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করার পরেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাইফুল ইসলাম জানান, পুলিশের গাফিলতির অভিযোগটি সঠিক নয়। তারপরও বিষয়টি আরও ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৩৯ দিন আগে
ফেনীতে টাকা না দেওয়ায় মাদকাসক্ত সন্তানের ছুরিকাঘাতে মা নিহত
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদক সেবনের জন্য টাকা না পেয়ে এক যুবক ছুরিকাঘাতে মাকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের স্বামী ও মেয়ে।
রবিবার (১০মে) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম লাকি বেগম (৪৫)। আহতরা হলেন তার স্বামী মো. মোস্তফা (৫৫) ও মেয়ে মিথিলা মোস্তফা (১৮)। তারা দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ হুদুর বাড়ির বাসিন্দা।
মোস্তফা সৌদি আরব প্রবাসী। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদরাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
এ ঘটনায় ফেনীকে (২১) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে রাফি বাড়িতে এসে মাদক সেবনের জন্য তার মায়ের কাছে টাকা চান। এ সময় লাকি বেগম টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে রাফি ধারালো ছুরি দিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন লাকি বেগম।
মাকে ছুরিকাঘাতের পর বোন মিথিলাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাফি। মেয়েকে বাঁচাতে এগিয়ে যান মোস্তফা। সে সময় তাকেও ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। রাফি তখন পালানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
আহত তিনজনকে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছে। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রাফিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরি জব্দ করেছে পুলিশ।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
৩৯ দিন আগে
১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১৬ মে চাঁদপুর এবং ২৫ মে ফেনী জেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৬ মে) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, খাল-খনন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে চাঁদপুর ও ফেনীতে খাল-খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী চাঁদপুরে যাচ্ছেন। সেখানে অনেকগুলো কর্মসূচি রয়েছে। তিনি সেখানে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সারা বাংলাদেশে ইতোমধ্যে যেসব জেলায় তিনি যাচ্ছেন, খাল খনন কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, আপনারা জানেন যে আমরা আগামী পাঁচ বছরব্যাপী সারা বাংলাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। সে অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় গিয়ে খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন। আমাদের মন্ত্রী-এমপিরা সবাই যার যার এলাকায় এই কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি বলেন, যেহেতু বর্ষাকাল প্রায় চলে এসেছে, আমরা হয়তো এই মে মাস পর্যন্ত এই কর্মসূচি কন্টিনিউ (চলমান) রাখতে পারব। বর্ষা শেষে আবার আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বর-জানুয়ারির দিকে আমরা এই কর্মসূচি চালু কর।
মন্ত্রী বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগে মে মাসে প্রধানমন্ত্রী দুইটি জেলায় যাচ্ছেন সেটা হলো চাঁদপুর এবং ফেনী। ফেনীতে যাবেন ২৫ মে এবং চাঁদপুর যাচ্ছেন ১৬ মে।
পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রায় এক ঘণ্টার এ বৈঠকটি সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভ্যবতা জরিপ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে, সরকার শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান পানি সম্পদ মন্ত্রী।
৪৪ দিন আগে
ইঞ্জিনে ত্রুটি, ৬ ঘণ্টা পর ফেনী ছাড়ল চট্টলা এক্সপ্রেস
ইঞ্জিনে ক্রুটির কারণে ফেনীর প্ল্যাটফর্মে প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে আটকে থাকার পর চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে ট্রেনটি রাজধানীর দিকে রওয়ানা হয়। এর আগে, সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের ফেনী স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছালে ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ট্রেনের সাত শতাধিক যাত্রী।
রেলওয়ে কর্মকর্তা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলস্টেশনে ট্রেনটি আটকা পড়েছে। ট্রেনটির ইঞ্জিনের ট্যাবলেট কভার থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধানের চেষ্টা করতে গেলে সহকারী লোকোমাস্টার মোহাম্মদ কাওসার ধোঁয়ায় আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে ইঞ্জিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটি স্টেশনে আটকে থাকায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হওয়ায় অনেক যাত্রীকে স্টেশনে নেমে বিকল্প পরিবহনের খোঁজ করতে দেখা গেছে। তবে কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন যাত্রীরা।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন বলেন, ফেনী থেকে যেসব যাত্রীর এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাদের অনেকে টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে আটকে থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় অন্য ট্রেন চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
৫২ দিন আগে