গাইবান্ধা
গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় ভ্যানচালকসহ নিহত ২
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও ট্রাক্টরের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উপজেলার ফাসিতলা কলাহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ জানায়, গোবিন্দগঞ্জ থেকে একটি আলুবোঝাই ভ্যান ফাসিতলার দিকে যাচ্ছিল। ভ্যানটি ফাসিতলা কলাহাটিতে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্রাক্টরের সঙ্গে ভ্যানটির ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানের মালিক মুনছর আলী ও সহকারী রানা মিয়া নিহত হন।
নিহতদের বাড়ি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জে। গতকাল (শনিবার) রাতেই মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাক্টরচালক পালিয়ে যান।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোট এলেই দেওয়া হয় সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি
ভোট এলেই কদর বাড়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের রামনাথের ভিটা এলাকার দশ গ্রামের মানুষের। আর ভোট শেষ হলেই জনপ্রতিনিধিদের কাছে আর পাত্তা পাওয়া যায় না—এমন অভিযোগ স্থানীয়দের।
বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিদের মুখে একই প্রতিশ্রুতি শুনতে শুনতে গ্রামগুলোর ভোটাররা এখন চরমভাবে বিরক্ত। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘আর প্রতিশ্রুতি শুনতে চাই না। ভোট দেব তাকেই, যিনি লিখিতভাবে অঙ্গীকার করবেন, সাঁকোর জায়গায় স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে দেবেন।’
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের আলাই নদীতে একটি সেতু না থাকায় দশ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে না। নদী পার হতে হয় নড়বড়ে কাঠ ও বাঁশের সাঁকো দিয়ে। অসুস্থ রোগীকে ঘাড়ে করে পার করতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকোর কারণে নারী শিক্ষার্থীসহ অন্তত সাড়ে তিনশ দরিদ্র শিশু-কিশোর নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে না। বর্ষা মৌসুমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয় অনেকেই।
আলাই নদীবেষ্টিত এই এলাকায় রয়েছে জামাইপাড়া, মফুরজান, গোয়ালবাড়ি, রামনাথের ভিটা, পোড়াগ্রাম, সর্দ্দার পাড়াসহ অন্তত দশটি গ্রাম। এসব গ্রামের বাসিন্দাদের নদী পার হওয়ার একমাত্র ভরসা রামনাথের ভিটা স্টেশন বাদিয়াখালী এলাকার পাকা সড়কের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সাঁকো। এখানকার অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র। কেউ কৃষিশ্রমিক, কেউ ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালান, কেউ পোশাক কারখানায় কাজ করেন। আর্থিক সঙ্গতি না থাকায় নদীবেষ্টিত এসব গ্রামেই তাদের বসবাস। পান না উল্লেখযোগ্য কোনো নাগরিক সুবিধা।
কিছু পরিবারের সামান্য জমিজমা থাকলেও উৎপাদিত ফসল বিক্রির মতো কাছাকাছি কোনো হাটবাজার নেই। এলাকায় তরিতরকারি ও সবজির আবাদ ভালো হলেও যানবাহন চলাচলের সুযোগ না থাকায় নড়বড়ে সাঁকো পার হয়ে, পায়ে হেঁটে বা ঘাড়ে করে সবজি বহন করতে হয়।
স্টেশন বাদিয়াখালীর বাসিন্দা ও মানবাধিকারকর্মী কাজী আব্দুল খালেক বলেন, ‘এসব গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই কাঠ ও বাঁশের তৈরি সাঁকো। দশ গ্রামের মানুষ নিজেরাই চাঁদা তুলে প্রতি বছর সাঁকো তৈরি করেন। ভেঙে গেলে গ্রামে গ্রামে চাঁদা তুলে সেটি মেরামত করেন। নিজেদের টাকায় বাঁশ ও কাঠ কিনে সাঁকো বানানো ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাজার হাজার নারী-পুরুষের দাবি থাকা সত্ত্বেও এখানে দীর্ঘদিনেও একটি সেতু নির্মাণ হয়নি। ভোট এলেই প্রার্থীরা এসে বলেন—ভোট দিলে সেতু করে দেব। সেই প্রতিশ্রুতি শুনতে শুনতে মানুষ এখন ক্লান্ত।’
তিনি জানান, এই গ্রামগুলোতে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা কম নয়, অথচ কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক কিংবা হাটবাজার নেই। তেল-লবণ কিনতে হলেও যেতে হয় স্টেশন বাদিয়াখালী হাটে। মাথাব্যথা, পেটব্যথাসহ জরুরি ওষুধ কিনতেও সাঁকো পার হয়ে ওই হাটে যেতে হয়। দশ গ্রামের অন্তত সাড়ে তিনশ শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হয়ে এপারের সরকারি স্কুলগুলোতে আসতে হয়।
এলাকাবাসীর দাবী, আলাই নদীতে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে গ্রামগুলোর মানুষের জীবনধারায় বড় পরিবর্তন আসবে। শত শত শিশু নিরাপদে স্কুলে যাতায়াত করতে পারবে। গ্রামের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও গরুর দুধ হাটবাজারে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা সহজ হবে। পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এসব অবহেলিত গ্রামে রাস্তাঘাট, হাটবাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাই দ্রুত নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করে হাজারো গ্রামবাসীর দুর্দশা লাঘবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রকৌশলী বাবলু মিয়া বলেন, সেতু নির্মাণের বিষয়টি একাধিকবার উপজেলা পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। চেয়ারম্যানের সুপারিশে সেখানে বাঁশ ও কাঠের সাঁকো নির্মাণের বরাদ্দ এসেছে। তবে স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হলেও এখনও প্রয়োজনীয় বাজেট পাওয়া যায়নি।
৫ দিন আগে
গাইবান্ধায় স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী ও সৎ ছেলে গ্রেপ্তার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে শিউলী বেগম (৩৫) নামে এক নারীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী ফরিদ উদ্দীন (৪৫) ও সৎ ছেলে মো. হৃদয়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার বাগদা বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের বাজারস্থ কাটাবাড়ী গ্রামের বাগদা বাজার টাওয়ার এলাকা থেকে শিউলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে গলাকেটে হত্যার অভিযোগ ওঠে তার স্বামী ফরিদের বিরুদ্ধে। হত্যার পর মরদেহ কলাবাগানে ফেলে তিনি পালিয়ে যান বলে অভিযোগ নিহতের স্বজনদের।
এরপর রোববার ভোরে এক অভিযানে ফরিদ ও তার অন্য স্ত্রীর ছেলে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আরও পড়ুন: সিলেটে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা
স্থানীয়রা জানান, নিহত শিউলী বেগম ফরিদ উদ্দীনের দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রায় ১২ বছর আগে শিউলী ও ফরিদের বিয়ে হয়। ফরিদের প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য হচ্ছিলো না ।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে শিউলীকে মারধর করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন ফরিদ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়ির পাশে কলাবাগানে ফেলে রেখে তিনি গা-ঢাকা দেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের স্বামী ও অন্য স্ত্রীর ছেলেকে বাগদা বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১২৬ দিন আগে
৬২ বছর ধরে স্কুল আছে শিক্ষার্থী নেই, জানেন ঊর্ধ্বতনরাও
প্রতি ক্লাসে ৩ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী, তারপরও খিচুড়ি খাওয়া হলেই ছুটি; বাড়ি চলে যায় তারা। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। গাইবান্ধা শহরের প্রাণকেন্দ্র ভি এইড রোডে অবস্থিত কে এন রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিত্যকার চিত্র এটি। গত ৬২ বছর থেকে এভাবেই বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চললেও বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অজানা নয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠা হলেও বিদ্যালয়টির সরকারিকরণ করা হয় ১৯৭৩ সালে। শুরু থেকে এমপি মন্ত্রীদের সুপারিশে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়ে আসছে বিদ্যালয়টিতে। এ কারণে প্রথম থেকেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কম থাকলেও শিক্ষক ছিল পর্যাপ্ত।
বিদ্যালয়টি বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে সুন্দর মনোরম পরিবেশে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থীর কোলাহলপূর্ণ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বাস্তবে তা নয়, কোমলমতি শিশুদের ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে স্কুলের কার্যক্রম।
প্রতিষ্ঠার ৬২ বছর পরও স্কুলের শিক্ষকের সংখ্যা কম না হলেও শিক্ষার্থী নেই বললেই চলে। কোনো বছর প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীই ছিল না বলেও স্কুলের খাতাপত্র ঘেটে দেখা যায়। আবার কোনো কোনো ক্লাসে ছিল ১০ জন, কোনো ক্লাসে ১৫ থেকে ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ছিল না।
আবার দুটি ক্লাস চলে একই কক্ষে। দুই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা কীভাবে এক সঙ্গে নেওয়া হয়, তা অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ।
আরও পড়ুন: প্রভোস্টবিহীন জাবির কাজী নজরুল হল, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৬২ বছরেও স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল দেখাতে পারেনি বিদ্যালয়টি। অথচ শিক্ষকরা তাদের কর্তাব্যক্তিদের ‘ম্যানেজ’ করে মাসিক ভুয়া প্রতিবেদন দাখিল করে বহাল তবিয়তে চাকরি করে আসছেন।
অনিয়মের পাশাপাশি এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ না থাকায় কেউ এখানে ভর্তি হয় না বলে জানান স্থানীয় কাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, পড়ালেখার পরিবেশ নেই, শুধু ফাঁকিবাজি। সব জেনেও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা সব হজম করে পকেট ভরছেন আর ভালো রিপোর্ট দিচ্ছেন।
সম্প্রতি স্কুলের পড়ালেখার পরিবেশ তৈরি করতে ৬ জন শিক্ষিকা ছাড়াও একজন দপ্তরি নিয়োগ করা হয়। নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষিকারা কোমলমতি শিশুদের শিক্ষার মান উন্নয়নের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। শিক্ষার্থী পেতে বাড়ি বাড়ি ঘুরেছেন, কিন্তু কাজ হয়নি। বরং শিক্ষার্থী না পেয়ে তারাও হতাশ। অনেক চেষ্টা করে ৬টি শ্রেণির জন্য মাত্র ৬০ জন শিক্ষার্থীকে ধরে রাখতে পেরেছেন তারা। তার মধ্যে তৃতীয় শ্রেণিতে ৩ জন আর চতুর্থ শ্রেণিতে ৪ জন শিক্ষার্থী ক্লাস করে।
স্কুলের সামনের বাসিন্দা এবং ওই স্কুলের একসময়ের শিক্ষার্থী দুলাল মিয়া বলেন, ‘স্কুলের চারদিকে ভালো ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। শিশুরা সেখানে পড়তে যায়। সেই কারণে কে এন রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে।’
স্কুলের প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদা শিরিন বলেন, ‘স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়াতে আমরা কম চেষ্টা করিনি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিশুদের স্কুলে পাঠানোর অনুরোধ করেছি, কিন্তু কাজ খুব বেশি হয়নি। তাছাড়া এই স্কুলের চারপাশে কোচিং সেন্টারসহ ভালো কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সে কারণে শিশুরা ওই দিকে ঝুঁকে পড়ছে।’
স্কুলের অন্যান্য শিক্ষিকারা বলেন, স্কুলে শিক্ষার্থী ধরে রাখতে এবং উপস্থিতি বাড়াতে আমরা নিজেদের বেতনের টাকায় ছাত্রছাত্রীদের দুপুরে খিচুড়ি খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। খিচুড়ি খেয়েই শিক্ষার্থীরা চলে যায়। এই স্কুলের অবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন থাকলেও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা তা এড়িয়ে যান। তারা কোনো পরামর্শ দিতেও স্কুলে আসেননি।
গাইবান্ধা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লক্ষণ কুমার দাস স্কুলের বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘জেলা পর্যায়ের সভায় বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। আমরা স্কুলে শিক্ষার্থী বৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করছি।’
১৫০ দিন আগে
গাইবান্ধায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নেতা নজরুল ইসলাম নজিরের (৪০) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের শীতলগ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নজরুল ইসলাম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের শীতলগ্রাম ওয়ার্ডের সভাপতি ছিলেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত তোফজ্জল ইসলামের ছেলে।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (১৬ আগস্ট) গভীর রাতে শীতল গ্রামে তার দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাচ্ছিলেন নজরুল। পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা তাকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। এদিকে, রাতে বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা তাকে খুঁজে না পেলেও আজ সকালে বাড়ি থেকে কিছু দূরে তার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।
ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, গত রাতে বাড়ির পাশেই দুর্বৃত্তরা তাকে গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে তদন্ত চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এদিকে, এ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
১৬১ দিন আগে
গাইবান্ধার তিন নদীর বাঁধ হতে পারে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র
তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ডান তীরের প্রশস্ত বাঁধ হতে পারে মানুষের বিনোদনের উন্মুক্ত এলাকা। একটু সৌন্দর্য বৃদ্ধিই এই এলাকাকে শুধু মৌসুমি নয়, বরং স্থায়ীভাবে পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করতে পারে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে নদীর দুই তীরের অনেক মানুষের।
গাইবান্ধার চার উপজেলাজুড়ে নদীর পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চকচকে বাঁধ, বাঁধের পাশে সারি সারি সিমেন্টের বোল্ডার, বিস্তীর্ণ নদী ও বালুচর এই এলাকাকে দিয়েছে ভিন্নমাত্রার সৌন্দর্য। ডান তীরে রয়েছে বিস্তৃত জনপদ ও সবুজ আবাদি জমি। ছুটির দিন ছাড়াও সকাল-বিকালে এখানে মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। দূরদূরান্ত থেকেও নানা বয়সী নারী-পুরুষ ছুটে আসেন এই নদীতীরের দৃশ্য উপভোগ করতে।
সরকারি উদ্যোগে আধুনিকায়ন করা হলে এটি হতে পারে একটি মনোরম পর্যটন কেন্দ্র। গাইবান্ধা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বালাসীঘাট। ব্রহ্মপুত্র নদীর ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এখানে ৬৪ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। বাঁধের দুপাশে লাগানো হয়েছে সবুজ ঘাস। এছাড়া বালাসীঘাটে গড়ে তোলা হয়েছে বিআইডব্লিউটিএ-এর সুদৃশ্য গেস্ট হাউস, ট্রাক টার্মিনালসহ নানা অবকাঠামো।
আরও পড়ুন: বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, ধুবনি বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে লোকালয়ে
মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম বলেন, ‘আমরা চাই গাইবান্ধার চরাঞ্চল, বালাসীঘাট ও নতুন নির্মিত বাঁধগুলো পর্যটকদের দর্শনীয় স্থানে পরিণত হোক। কী নেই সেখানে—ঘোড়ার গাড়ি, ছোট-বড় নৌকা, নৌযান, নৌপুলিশ। বিকেলে বালাসীঘাট থেকে দেখা যায় ভারতের গারো পাহাড়।’
বালাসীঘাটের ইজারাদার জানান, বর্ষায় নদীর ভরা মৌসুমে তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড় দেখা যায় না। বালাসীঘাট থেকে নৌকা চলে কুড়িগ্রামের চিলমারী, রৌমারী, রাজীবপুর, গঙ্গাচড়া, জামালপুরের ইসলামপুর, বাহাদুরাবাদঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে। এসব পথে নৌপথে পণ্য বহন করে পাঠানো হয় ঢাকা, টাঙ্গাইলসহ দেশের নানা জায়গায়।
উৎসব এলে তো কথাই নেই। নদী ভরা হোক বা শুকনো—দুই সময়েই নদী নেয় ভিন্ন রূপ। নববর্ষ, পূজা, ঈদ কিংবা ছুটির দিনগুলোতে বালাসীঘাট পরিণত হয় আনন্দঘন মিলনমেলায়। কেউ নৌকায় এপার-ওপার হন, কেউ বা নৌকায় চরে ঘুরে বেড়ান। নদীর হিমেল হাওয়ায় নারী-পুরুষ একত্রিত হন আনন্দ উপভোগে। নদীতীরের এই বাঁধকে ঘিরে গড়ে উঠেছে চরাঞ্চল ভ্রমণ, বালুচরে ঘোরাঘুরি, নদীপারে বসে আড্ডা দেওয়ার সংস্কৃতি।
বর্ষায় যখন নদী যৌবনে, তখন শত শত নৌকায় করে উত্তরাঞ্চল থেকে ধান-পাটসহ নানা পণ্য চলে যায় বগুড়া, টাঙ্গাইলসহ দেশের অন্যত্র। দুই মৌসুমে নদী নেয় ভিন্ন রূপ—বর্ষায় এক রকম, শীতে আরেক রকম। ছুটির দিনে শত শত মানুষ বালাসীঘাটে আসেন সৌন্দর্য উপভোগ করতে। অনেকে ছোট বড় নৌকায় চরে বেড়ান, চরাঞ্চলের জীবনযাপন দেখেন।
বালাসীঘাট ছাড়াও ফুলছড়ি ঘাট, সৈয়দপুর ঘাট, কামারজানি ঘাট, শ্রীপুর ঘাট, পোড়ার চর, হরিপুর ঘাটসহ রয়েছে আরও অনেক ঘাট। দিনের বেলা চরাঞ্চল ঘোরা কিংবা সুযোগ বুঝে এনজিও কর্মীদের আবাসস্থলে রাত যাপন করাও সম্ভব।
ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘খুব অল্প খরচে এখানে খাবার পাওয়া যায়। ২০ টাকায় গাইবান্ধা শহর থেকে অটোতে চড়ে চলে আসা যায় বালাসীঘাটে। নদীর টাটকা মাছের ঝোল খাওয়ার মজাই আলাদা। চরাঞ্চলের মানুষের আতিথেয়তা মন ভরিয়ে দেবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে দেখা যাবে চরের হাটবাজার, জীবন-জীবিকা ও চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্য।’
চরাঞ্চলে উৎপাদিত ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, পাট, ভুট্টা, সরিষা, বাদাম, চিনা, কাউন, তিল, তিশি, টমেটো, বেগুন, ঢেঁড়স, পটল, মরিচ, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি। এক সময়ের বালুচর এখন রূপ নিয়েছে সোনার চরে। তবে বর্ষায় সেই চরাঞ্চল ডুবে যায়। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট—সবই চলে যায় পানির নিচে।
আরও পড়ুন: ফেনীতে টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ ৮ দাবিতে পদযাত্রা
এই তিন নদীর পারে বাঁধের পাশে বসার স্থান, দোলনা, স্পিডবোটে ভ্রমণের ব্যবস্থা, রিসোর্ট, আনন্দতরী, হোটেল-মোটেল তৈরি হলে এই স্থান হয়ে উঠবে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। নিরাপত্তায় রয়েছে নৌপুলিশ ফাঁড়ি। এসব বাস্তবায়িত হলে শুধু পর্যটন নয়, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয়েরও সম্ভাবনা রয়েছে।
গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহম্মদ বলেন, ‘বালাসীঘাট একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। এর সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য সরকার ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতোমধ্যে ভালো ভূমিকা রেখেছে। আমরা সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।’
১৭৮ দিন আগে
গাইবান্ধায় মাটি খুঁড়ে ধারালো অস্ত্র ও মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার ৪
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও প্রযুক্তি সামগ্রী জব্দের পাশাপাশি চারজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ জুলাই) রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের হীরকপাড়া এলাকায় গাইবান্ধা সেনা ক্যাম্পের মেজর ইনজামামুল আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেপ্তার চারজন হলেন— আজাদ, আসাদ, মোশাররফ ও ছোটন।
আরও পড়ুন: বেনাপোলে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে আজাদ মিয়ার বসতবাড়ির মাটি খুঁড়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। এরপর ওই চারজনকে গ্রেপ্তারের পর তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়িটি থেকে শতাধিক পিস ইয়াবা, একাধিক মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— একটি নকল পিস্তল, ধারালো অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল ও চাপাতিসহ দেশীয় অন্যান্য ধারালো অস্ত্র। এসব সরঞ্জাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল বলে ধারণা পুলিশের।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানায়, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
২০৪ দিন আগে
ঈদে বাড়ি ফেরা হলো না দম্পতির
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন আনোয়ার হোসেন ও শারমিন আক্তার নামের এক দম্পতি। কিন্তু বিধিবাম, সড়কেই প্রাণ ঝড়ল তাদের। বাড়ি ফিরলেন বটে, তবে লাশ হয়ে।
বৃহস্পতিবার (৫ জুন) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় তারা দুজন নিহত হয়েছেন। পরে এ ঘটনায় ঘণ্টাব্যাপী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন স্থানীয়রা।
এদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের চাঁপড়ীগঞ্জ নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলযোগে এই দম্পতিরা ঢাকা থেকে নিজ গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রাম ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহী আনোয়ার হোসেন (৩০) ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার গার্মেন্টসে চাকুরি করতেন।
স্থানীয়রা জানান, চাঁপড়ীগঞ্জ থেকে ফাঁসিতলা পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার মহাসড়কের পশ্চিম পাশে রাবারের সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আরোহী স্বামী-স্ত্রী ছিটকে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে পিছনে থাকা ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যান। পরে ঘাতক ট্রাকটিকে জব্দ করে স্থানীয়রা।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, আহত ২৫
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা সড়ক বিভাজক অপসারণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন। চাঁপড়ীগঞ্জ থেকে ফাঁসিতলা পর্যন্ত প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফ্ফর হোসেন জানান, লাশ দুটি হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত ট্রাকটিকে জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
২৩৩ দিন আগে
গাইবান্ধায় কালবৈশাখী ঝড়ে নারীর মৃত্যু, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছের নিচে চাপা পড়ে শাপলা বেগম (৩৪) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ মে) দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ সড়কের গোপালপুরে একটি গাছ ভেঙে প্রায় ১৪ ঘন্টা যানবাগন চলাচল বন্ধ থাকে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাতে ঝড় শুরু হয়। ১০ মিনিটের এই ঝড়ে ঘর-বাড়ি ফসল ও গাছপালার বেশ ক্ষতি হয়। ঝড়ে উপজেলা দুটির অনেক এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলা: প্রতিবেদন ফের পিছিয়ে ২ জুলাই
এ সময় গোবিন্দগঞ্জের রাখাল বুরুজ ইউনিয়নের পীরপল বাজারের একটি চায়ের দোকানের ওপর বট গাছ ভেঙে পরলে দোকানের মালিক খোকা মিয়ার স্ত্রী শাপলা বেগম ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২৫২ দিন আগে
ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের নিচে মোটরসাইকেল, ২ আরোহী নিহত
গাইবান্ধায় দ্রুতগামী একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে ওই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেলআরোহী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ মে) রাত ১১টার দিকে পলাশবাড়ি উপজেলার গাইবান্ধা-পলাশবাড়ি সড়কের ঢোলভাঙ্গা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের নাম কৌশিক ও শ্রাবণ। তাদের বাড়ি উপজেলার বিশ্বপুর ও শ্যামপুর গ্রামে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাইবান্ধা-পলাশবাড়ি সড়কের ঢোলভাঙ্গা সেতুর ওপর ওঠার পর মোটরসাইকেলের চালক পলাশবাড়িমুখী একটি দ্রুতগামী ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন। এ সময় চালক মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারালে সেতুর ওপরই ট্রাকের নিচে চলে যায় মোটরসাইকেলটি। এরপটর ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুজনই নিহত হন। ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও হেলপার ট্রাক রেখে পালিয়ে যান।
পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী ভুট্টু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশ ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে গেছে বলে জানান।
২৬৮ দিন আগে