প্রকল্প অনুমোদন
রামপাল সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ ১৬,২০৮ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রামপাল সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত ও একটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে সাতটি প্রকল্প। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন; রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়ন; রংপুর সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনর্বাসন; এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনে সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ।
একনেক সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে।
এছাড়া সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা সৃজন, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁ জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় সংশোধনীও অনুমোদন করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও আটটি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দুটি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ প্রকল্পটি তৃতীয় সংশোধনীতে অনুমোদন করা হয়েছে।
এছাড়া ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণের একটি রেল প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে।
ফ্রান্সের প্যারিসে ক্রয় করা চ্যান্সারি ভবনটি ব্যবহারোপযোগী করতে সংস্কার ও আধুনিকায়নের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পও একনেক সভায় অনুমোদন করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। এর একটি হলো ভজনপুর (নিজবাড়ী)-আটোরখাড়ি-ময়নাগুড়ি-আমতলী-মিরগড়-পঞ্চগড় (জেড-৫০৬০) সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণ এবং অন্যটি থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী।
এদিকে ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত একটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভাকে অবহিত করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় জয়পুরহাট জেলার নন্দাহার ও হারাবতী নদী এবং নুনগোলা ও খাড়োয়া খাল পুনঃখনন করা হবে।
১১ দিন আগে
একনেকে ১৫,৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, ভূমি প্রশাসন, গ্রামীণ সড়ক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ, বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতের ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ১১৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে ৫ হাজার ২৫২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
১৩টি প্রকল্পের মধ্যে আটটি নতুন, তিনটি সংশোধিত ও দুটি প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—বাংলাদেশে যক্ষ্মা, এইচআইভি/এইডস ও ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা প্রকল্প এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনে প্রথম সংশোধিত প্রকল্প।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্প-২ (এফএসএসপি-২)-ও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে বিদ্যমান শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং চট্টগ্রামের রৌফাবাদে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিষ্ঠানের হোস্টেল সুবিধা সম্প্রসারণের একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে মুসাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন। অন্য প্রকল্পটির লক্ষ্য মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা রক্ষা করা।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দ্বিতীয় সংশোধিত একটি প্রকল্পের আওতায় তিনটি সিটি করপোরেশন, একটি পৌরসভা ও দুটি গ্রামীণ উপজেলায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের মাধ্যমে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে। এগুলো হলো রংপুর বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ এবং মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন।
একনেক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) তৃতীয় সংশোধিত পর্যায় অনুমোদন করেছে।
এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প আগে র্যাব নামে পরিচিত স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির দ্বিতীয় সংশোধিত প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দুটি প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেনীর সোনাগাজীতে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ এবং তিনটি পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্প।
পরিকল্পনামন্ত্রী ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছেন—এমন ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ১৫টি প্রকল্প সম্পর্কেও একনেক সভায় জানানো হয়েছে।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নির্ঝরে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবকাঠামো সম্প্রসারণ, কুর্মিটোলায় বিএএফ শাহীন কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন, আলীকদম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন, ঢাকা মহানগর ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ১০ জেলায় বিএসটিআইয়ের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন।
অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের প্রথম সংশোধন, মিরপুর ইউসেপ-শ্রম ও কর্মসংস্থান ইনস্টিটিউটের উন্নয়ন, ক্লাইমেট-স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের প্রথম সংশোধন এবং কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প।
তালিকায় আরও রয়েছে হবিগঞ্জে বিবিয়ানী বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সামনে কুশিয়ারা নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়ন, ২৩টি পৌরসভায় নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, ভূয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নীতকরণ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় পরিশোধিত ভূ-উপরিস্থ পানি পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়ন প্রকল্প।
১৯ দিন আগে
একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮ হাজার ৪৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৯৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো—ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যবহার অনুপযোগী স্থাপনা প্রতিস্থাপন ও পুনর্নির্মাণ এবং ১০টি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৯টি আধুনিক ছাত্রাবাস (প্রথম সংশোধন) নির্মাণ।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ‘বাংলাদেশে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে সেতুর স্মার্ট রক্ষণাবেক্ষণ প্রযুক্তির সক্ষমতা উন্নয়ন’ প্রকল্পটিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্প রয়েছে। এর একটি ধরলা নদীর ডান তীরের ভাঙন থেকে লালমনিরহাট সদর উপজেলা রক্ষা এবং অন্যটি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট ও ফেরিঘাট থেকে কুমিরা ঘাট পর্যন্ত উপকূলীয় বাঁধ শক্তিশালীকরণ।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সক্ষমতা জোরদার করার একটি প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ খাতের দুটি প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো: জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) এবং ঢাকার ডেসকো এলাকায় বৈদ্যুতিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প।
এ ছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রামু সেনানিবাসের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
এদিকে, ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও নয়টি প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছেন বলে সভায় জানানো হয়।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বিএসএল-৩ গবেষণাগার স্থাপন এবং ভ্যাক্সিন ও বায়োলজিক্যাল গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (বেস্ট) প্রথম সংশোধিত প্রকল্প, সুন্দরবন সুরক্ষা প্রকল্প, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ট্রান্সমিশন গ্রিড সম্প্রসারণ (দ্বিতীয় সংশোধিত), ঢাকার গুলশানে ১৩২/৩৩/১১ কেভি ভূগর্ভস্থ গ্রিড উপকেন্দ্র নির্মাণ, ডিপিডিসির আওতাধীন বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত), মসজিদ পাঠাগার সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ (চতুর্থ পর্যায়), জনসেবা প্রদানে নিউ মিডিয়ার সর্বোত্তম ব্যবহার এবং কক্সবাজার জেলা ও নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন (প্রথম সংশোধন)।
৬০ দিন আগে
একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়-সংবলিত আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ হাজার ৪৯৪ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ হিসেবে ৩ হাজার ৫৫০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের। এগুলো হলো— সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (জিএসআইডিপি-২) (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প, বৃহত্তর দিনাজপুর (দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়) জেলা সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প এবং পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।
এর পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো— সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন ও একটি মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ (বেগমগঞ্জ-৫) এবং দুটি অনুসন্ধান কূপ (বেগমগঞ্জ-৬ এবং সুনেত্র-২) খনন প্রকল্প।
এ ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় সংশোধিত একটি প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর বিদ্যমান কিডনি ডায়ালাইসিস কেন্দ্রকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা এবং জেলা হাসপাতালগুলোতে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়-সংবলিত ১১টি প্রকল্প সর্ম্পকেও সভায় জানানো হয়।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপন, গৌরনদীতে বরিশাল টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক স্থাপন, আঞ্চলিক ও জেলা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ উন্নয়ন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন, পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিড নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন জেলায় বিটাকের ছয়টি কেন্দ্র স্থাপন।
অর্থ এবং পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
৮৮ দিন আগে
একনেকে ২,২৬৬.৪১ কোটি টাকার ৮ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ মঙ্গলবার ২,২৬৬.৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, অনুমোদিত প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২,২২৯.১৩ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭.২৮ কোটি টাকা জোগানো হবে।
অনুমোদিত আটটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি নতুন, তিনটি সংশোধিত এবং দুটি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, এই প্রকল্পগুলো মূলত পানিসম্পদ, পরিবহন অবকাঠামো, জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বিদ্যুৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
অনুমোদিত প্রধান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে—পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন’ এবং ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টৈটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ইদমানি) আঞ্চলিক মহাসড়ক’ যথাযথ মান্ন্নেয়ন ও প্রসস্তকরণ প্রকল্প।
এছাড়া, ঠাকুরগাঁওসহ ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট স্থাপন এবং স্বাস্থ্য খাতের অধীনে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদ্যমান গ্রিড সাবস্টেশন ও ট্রান্সমিশন লাইন সম্প্রসারণের প্রথম সংশোধিত প্রকল্পটিও একনেকে পাস হয়।
অন্যান্য অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়), মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্য পদ্ধতি (মেমিস) সহায়তা প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং সারা দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন।
এদিকে, ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভাকে অবহিত করা হয়, যা আগেই পরিকল্পনা মন্ত্রী অনুমোদন করেছিলেন।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সেবা (সংশোধিত), ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যান্ত্রিক পার্কিং সুবিধা, ডাক সেবা সম্প্রসারণ, ঢাকা সেনানিবাসে এমইএস ট্রেনিং সেলের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ উদ্যোগ (দ্বিতীয় পর্যায়) এবং খুলনার পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন (সংশোধিত) প্রকল্প।
একনেক সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
১৩১ দিন আগে
বড় প্রকল্প অনুমোদনে পরিবেশ রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বড় বড় প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আপত্তিকে ‘না’ বলে মনে না করে তা যেন ন্যায্য প্রতিরোধ হিসেবে বিবেচিত হয়। দেশের প্রতিটি ইঞ্চি জমিকে পরিকল্পনার আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (১০ মে) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী সিনেট অডিটোরিয়ামে চতুর্থ আন্তর্জাতিক নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা সম্মেলন (আইসিইউআরপি) ২০২৫-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বাংলাদেশে ন্যায়সঙ্গত রূপান্তরের জন্য স্থানিক পরিকল্পনা’ শীর্ষক এই সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় শুধু আইন ও নীতিমালা যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধের পরিবর্তন। সরকারের সব মন্ত্রণালয়কে পরিবেশবান্ধব হতে হবে। হাউজিং প্রকল্প অনুমোদনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নগর পরিকল্পনায় প্রতিটি খাতের প্রভাব বিবেচনা করা অপরিহার্য।’
আরও পড়ুন: অর্থনৈতিক অপরাধীদের বিচারে কমিটি গঠন হচ্ছে: রিজওয়ানা
তিনি বলেন, ‘রাজউকের মতো উন্নয়ন সংস্থাগুলোর একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে ক্ষমতায়ন করতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করতে হবে।’
অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে জানিয়েছে তিনি প্রকৃত পাহাড় দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু শ্রমিকদের দায়ী করা উচিত নয় উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সচিব মো. নজরুল ইসলাম, ইউএন-হ্যাবিট্যাটের নির্বাহী পরিচালক আনাক্লাউদিয়া রসবাখ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, বিআইপির সাধারণ সম্পাদক ও আইসিইউআরপি ২০২৫-এর আহ্বায়ক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহাম্মদ মেহেদী আহসান প্রমুখ।
৫২৬ দিন আগে
দেশ ও জনগণের কল্যাণে আসে না এমন কোনো প্রকল্প অনুমোদন দেব না: প্রধানমন্ত্রী
দেশ ও জনগণের কোনো কল্যাণে আসবে না এমন অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প তিনি অনুমোদন দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘শুধু নির্মাণের জন্য কোনো নির্মাণ করবেন না। এটা আমার অনুরোধ। অপ্রয়োজনীয় কোনো প্রকল্প দেখলে অনুমোদন দেব না। আমি এরই মধ্যে একনেকে বিষয়টি পরিষ্কার করেছি।’
আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শনিবার সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) ৬১তম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের সময় সবার আগে যে বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হয় তা হলো দেশ ও জনগণ এ থেকে কীভাবে লাভবান হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যেকোনো প্রকল্প থেকে কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে সে বিষয় আমাদের দেখতে হবে। জনগণ কতটুকু উপকৃত হবে, এর থেকে কী কী পাওয়া যাবে এবং প্রকল্পটি দেশের কাজে লাগবে কি না। এসব হিসাব-নিকাশ আমাদের করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সেভাবে পরিকল্পনা করতে হবে এবং আমি এটি আপনাদের কাছ থেকে চাই।’
যেকোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশের ওপর এর প্রভাব, স্থায়িত্ব ও ব্যয় সাশ্রয়ী বিবেচনা করতে প্রকৌশলীদের অনুরোধ জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, 'আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোধ, পরিকল্পনা যাই হোক না কেন তা পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং ব্যয় সাশ্রয়ী হতে হবে।’
তিনি বলেন, পরিবেশের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে।
আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি প্রকৌশলীরা: প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, 'এটাই আমাদের লক্ষ্য এবং এটা করতে হবে। প্রতি মুহূর্তে আমাদের খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলা করতে হবে, এটা মাথায় রেখে আমাদের পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী হাওর, বিল ও পুকুরের মতো জলাশয় ভরাটের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা না নিতে প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে আমরা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করব। এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন চলাচল করবে এবং এক্সপ্রেসওয়ের নিচ দিয়ে জাহাজ চলাচল করবে।’
বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে তা ব্যবহার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি বলেন, 'এজন্য আমাদের জলাধারগুলো ভরাট করলে চলবে না, রক্ষা করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রকৌশলী, কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, প্রকৌশল বিভাগ এবং এএমআইই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ গ্র্যাজুয়েটদের স্বর্ণপদক ও সনদপত্রসহ বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আইইবির প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর, আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন এবং আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে আইইবির ৬১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে থিম সংয়ের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের অবদান শীর্ষক একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা পরিবেশ পরিবেশন করা হয়।
আরও পড়ুন: কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সমবায়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
৮৯০ দিন আগে
একনেকে ৮৮টি পৌরসভায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়নে ৬,৩৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার ৪৮টি জেলার ৮৮টি পৌরসভায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়নে ৬ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকার একটিসহ মোট ১৬টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে দুই বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়নের সড়ক এবং তিন জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে ৮ হাজার ১৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও তিনটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত পরিকল্পনা বিভাগের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: একনেকে ১১ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা আনুমানিক ব্যয়সহ ১৮টি প্রকল্প অনুমোদন
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আজ মোট ১৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের সামগ্রিক আনুমানিক ব্যয় ২৪ হাজার ৩৬২ কোটি ১৪ লাখ টাকা (এখানে আটটি সংশোধিত প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় গণনা করা হয়েছে)।’
মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার ১২ হাজার ৮৭৩ কোটি ১১ লাখ টাকা, বৈদেশিক উৎস থেকে ১১ হাজার ৪৭২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং বাকি ১৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা হবে।
ব্যয়ের দিক থেকে সবচেয়ে বড় নতুন প্রকল্প হচ্ছে ৬ হাজার ৩৪৫ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ইমপ্রুভমেন্ট আরবান গভর্নেন্স অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট (আইইউজিআইপি), যা ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
পরিকল্পিত, সমন্বিত ও টেকসই নগরায়ন ও সুশাসনের অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর আট বিভাগের ৪৮টি জেলার ৮৭টি উপজেলার ৮৮টি পৌরসভায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
আরও পড়ুন: একনেকে ১২ প্রকল্পের অনুমোদন
দুই বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়নের সড়ক এবং তিন জেলার গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামোর জন্য পরিকল্পিত তিনটি নতুন প্রকল্প হলো- চট্টগ্রাম বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১১০ কোটি টাকা (২০২৮ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে); ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ (২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে) এবং নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে ২ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা (যা ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে)।
এছাড়া শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ (নিট) নেই এমন তরুণদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য ৩ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে 'ইকোনমিক এক্সেলারেশন অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ফর নিট (আর্ন)' শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পটির প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিকল্প শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট দক্ষতার সুযোগ বৃদ্ধি এবং তাদের উপার্জন নিশ্চিত করা। এছাড়া আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, তাদের কাজে যোগদানের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রকল্প পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
আরও পড়ুন: একনেকে ১৩,৬৫৫ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন
১২১৬ দিন আগে
একনেকে ৪২৫২.৬৬ কোটি টাকার ১১ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মোট চার হাজার ২৫২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ১১টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে।
মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে তিন হাজার ৬৪৫ কোটি ২১ লাখ টাকা আসবে সরকারি তহবিল থেকে এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে আসবে বাকি ৬০৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, অনুমোদিত ১১টি প্রকল্পের মধ্যে ছয়টি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো- ২৪৬ কোটি টাকায় ঢাকা সিএমএইচ (২য় পর্যায়) ক্যান্সার সেন্টার স্থাপন, ঢাকা সংলগ্ন ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন, ৭৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে প্রথম সংশোধিত মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ কর্মসূচি, তৃতীয় সংশোধিত কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়া।
আরও পড়ুন: একনেকে ৭ হাজার ১৮ কোটি টাকার ৬ প্রকল্প অনুমোদন
অন্যান্য প্রকল্পগুলো হলো- ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা টাওয়ার নির্মাণ, ৩য় ধাপ, ১৩১ কোটি ৯১ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে ১ম সংশোধিত, সারা বছর ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন, ২য় পর্যায় ২১১ কোটি ৩২ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে সংশোধিত এবং ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্গঠনে জরুরি সহায়তা প্রকল্প।
বাকি প্রকল্পগুলো হলো- এক হাজার ১২৫ কোটি টাকায় জামালপুর জেলার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বাংলাদেশে ১৫৬ কোটি ২৫ লাখ টাকায় ওয়াশ সেক্টর স্ট্রেংথেনিং অ্যান্ড স্যানিটেশন মার্কেট সিস্টেম (সানমার্কস) উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশে জলবায়ু সহনশীল টেকসই পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি প্রকল্প। ২৭৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে মোংলা বন্দর চ্যানেলের ভিতরের বারে ড্রেজিং, ১৯৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে প্রথম সংশোধিত এবং এক হাজার ৫৩২ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর-নবীনগর-শিবপুর-রাধিকা আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন।
আরও পড়ুন: দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে ৪ হাজার ৩২৩ কোটি টাকার প্রকল্প একনেকে অনুমোদন
১২৯৩ দিন আগে
একনেকে ১০ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকার ১০ প্রকল্পের অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) মঙ্গলবার ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক বাড়ানোর লক্ষ্যে ৬ হাজার ১৭৯ কোটি টাকার প্রকল্পসহ ১০ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকার ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বৈঠকে যোগ দেন।
সভায় ছয়টি নতুন প্রকল্প এবং চারটি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ১০টি প্রকল্পের মোট আনুমানিক ব্যয় ১০ হাজার ৮৮৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা (সংশোধিত প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয়সহ)।
তিনি জানান, মোট ব্যয়ের মধ্যে পাঁচ হাজার ১৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা অর্থায়ন করা হবে সরকারের তহবিল থেকে, ৭৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা আসবে সংশ্লিষ্ট সংস্থার তহবিল থেকে এবং বাকি ৪ হাজার ৯৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে আসবে।
ব্যয়ের দিক থেকে তিনটি বৃহত্তম নতুন প্রকল্প হলো- বিআরইবি নেটওয়ার্কের (ঢাকা-ময়মনসিংহ বিভাগ) আধুনিকীকরণ এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্প যার আনুমানিক ব্যয় ছয় হাজার ১৭৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (আরএমইউ) এক হাজার ৮৬৭ কোটি আট লাখ টাকার প্রকল্প এবং মর্ডানাইজেশন অব পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন-স্মার্ট গ্রিডস ফেজ ১ প্রকল্প যার ব্যয় এক হাজার ৬৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
পড়ুন: একনেকে ২ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
বাকি তিনটি নতুন প্রকল্প হলো সাতশ এক কোটি ৫৩ লাখ টাকায় কিশোরগঞ্জ সড়ক বিভাগ প্রকল্পের আওতায় গৌরীপুর-আনন্দগঞ্জ-মধুপুর-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-হোসেনপুর জেলা মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্প, মদনপুর-দিরাই-শাল্লা-জলসুখা-জলসুখা-আজমী হাইওয়ে প্রকল্পের সঙ্গে মদনপুর-দিরাই-শাল্লা-এর দিরাই-শাল্লা অংশ পুনর্নির্মাণ প্রকল্প ছয়শ ২৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় এবং মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কর্মসূচি (৬ষ্ঠ পর্যায়) প্রকল্প যার ব্যয় ৩৬৫ কোটি টাকা।
চারটি সংশোধিত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নলকা-সিরাজগঞ্জ-সৈয়দাবাদ আঞ্চলিক মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ শহর অংশ (শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ থেকে ওয়াপদা জংশন পর্যন্ত) চার লেনে উন্নীতকরণ এবং অবশিষ্ট অংশকে দুই লেনে উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত), বগুড়া শহর থেকে মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ (এন-৫১৯) (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প, বরিশাল-দিনারেরপুল-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙামাটি নদীর ওপর গোমা সেতু নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প, এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি (সংশোধিত ৪৬টি) উপজেলা সদর/স্থানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্প।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয় ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এবং ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: একনেকে ৫ হাজার ৮২৬ কোটি টাকার ১১টি প্রকল্পের অনুমোদন
১৫৮৭ দিন আগে