ডব্লিউটিও
এলডিসি উত্তরণের পর নির্দিষ্ট সময় বিশেষ সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) পর্যায় থেকে উত্তরণের পর একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিশেষ সুবিধা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের চতুর্দশ অধিবেশনের (এমসি১৪) তৃতীয় দিনের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি ডব্লিউটিও সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি কার্যকর, পূর্বানুমেয় এবং নিয়মভিত্তিক বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ও দ্বিস্তরবিশিষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা পুনর্প্রতিষ্ঠা আহ্বান জানান এবং আপিল বিভাগ পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় একটি শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা অপরিহার্য।
মৎস্য খাতে ভর্তুকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্ষতিকর ভর্তুকিতে বাংলাদেশের অবদান প্রায় শূন্যের কাছাকাছি, যেখানে বড় মৎস্য আহরণকারী দেশগুলোর অংশীদারত্ব বেশি। তিনি ক্ষতিকর ভর্তুকির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ এবং উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বিশেষ ও পৃথক সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি ন্যায্যতা ও স্থায়ীত্ব বজায় রাখতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জেলেদের সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বাংলাদেশ ‘উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ সহজীকরণ চুক্তি’ (ইনভেস্টমেন্ট ফ্যাসিলিটেশন ফর ডেভেলপমেন্ট এগ্রিমেন্ট)–এ ১২৯তম সদস্য হিসেবে যোগদানের ঘোষণা দেয়। এটি ডব্লিউটিও কাঠামোর অধীনে বাংলাদেশের প্রথম কোনো বহুপাক্ষিক চুক্তিতে অংশগ্রহণ।
৮ দিন আগে
ডব্লিউটিও সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ‘ডব্লিউটিও রিফরম: ফান্ডামেন্টাল ইস্যুস’ শীর্ষক সেশনে তিনি এ আহ্বান করেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
তিনি বলেন, ডব্লিউটিওর মূল ভিত্তি হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যনির্ভর উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। বৈষম্যহীনতা ও অন্তর্ভুক্তির নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ঐকমত্যভিত্তিক ও নিয়মভিত্তিক এই বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশ (এমএফএন) শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার প্রবেশাধিকার (ডিএফকিউএফ) এবং বিশেষ ও পার্থক্যমূলক সুবিধা (এসঅ্যান্ডডিটি)-এর মতো ব্যবস্থাগুলো বিশ্ব বাণিজ্যে সমতা ও অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
১০ দিন আগে
ডব্লিউটিও এর অধীনে দেশ অনেক বেশি বিকল্প সুবিধা পাবে: শেখ হাসিনা
উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত 'পরাজিত' হবে এমন আশঙ্কা দূর করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) বিধিমালার অধীনে দেশ অনেক বেশি বিকল্প সুবিধা পেতে সক্ষম হবে।’
তিনি বলেন, ‘অনেকের সম্ভবত সন্দেহ আছে যে আমরা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হব। কিন্তু আমরা যেসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হব তার চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা পেতে সক্ষম হব। এটি আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ হবে।‘
আরও পড়ুন: পূর্বাচলে অত্যাধুনিক প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার পূর্বাচলে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র ভার্চুয়ালি উদ্বোধন কালে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত কেন্দ্রটি সারা বছর বিভিন্ন পণ্য-ভিত্তিক মেলার স্থায়ী স্থান। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ অর্থায়নে একটি প্রকল্পের আওতায় এটি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) নির্মাণ করেছে।
আরও পড়ুন: পদ্মা ও মেঘনা নামে দুই বিভাগ চান প্রধানমন্ত্রী
১৬২৯ দিন আগে
ভ্যাকসিনের স্বত্ত্ব মওকুফের কথা ভাবছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
উন্নয়নশীল দেশগুলোকে করোনা মহামারি মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা ভ্যাকসিনের স্বত্ত্বসহ অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক সুরক্ষা সহজ করার লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ওই প্রস্তাবনাটির বিরোধিতা করছে ওষুধশিল্পে প্রভাবশালী বিশ্বের ধনী দেশগুলো।
মঙ্গলবার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্যানেলের দু'দিনের বৈঠকের উদ্বোধনী দিনে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ওপর সাময়িক স্বত্ত্ব মওকুফের জন্য ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা যৌথভাবে একটি সংশোধিত প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবটি চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের ৬০-এর অধিক দেশের সমর্থন পেয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু সদস্য দেশ এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। ইইউ শুক্রবার একটি বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে। বিকল্প প্রস্তাবটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিদ্যমান বিধিগুলোর ওপর নির্ভর করেই দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ফাইজারের পর মর্ডানার ভ্যাকসিনকে সবুজ সংকেত দিল ইউরোপীয় কমিশন
২৭ দেশের সমন্বিত জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, এই বিধিগুলি সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পেটেন্টধারীদের সম্মতি ছাড়াই তাদের দেশের উৎদনকারীদের উৎপাদন লাইসেন্স দেওয়ার অনুমতি দেয়।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে উৎসাহিত এডভোকেসি গ্রুপগুলো এই পরিকল্পনাটিকে সমর্থন দিয়েছে এবং জোর দিয়ে বলেছে, যারা এর বিরোধী, তাদের কথা মতো কাজ করা যাবে না।
আরও পড়ুন: কোভ্যাক্সের সাথে করা চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়ার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
নোবেল শান্তি পুরষ্কারপ্রাপ্ত সংস্থা ডক্টর্স উইদাউট বর্ডারস অভিযোগ করেছে, গত সোমবার স্বত্ত্ব মওকুফের প্রস্তাব বিলম্বিত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন সুইজারল্যান্ড, নরওয়েসহ কয়েকটি দেশকে দায়ী করেছে।
আরও পড়ুন: বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ছাড়ালো
তবে ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থাগুলির দাবি, স্বত্ত্ব মওকুফের ফলে গবেষকদের এবং উদ্যোক্তাদের বেশ ক্ষতি হতে পারে। পরবর্তীতে তারা এমন কাজে আগ্রহ হারাতে পারেন। তারা মনে করে, ধনী দেশগুলো উন্নয়নশীল বিশ্বের স্বাস্থ্যকর্মীদের ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সাথে ভ্যাকসিন শেয়ার করলে, টিকাদান কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বরাবরই ভ্যাকসিনের অসম বণ্টনের বিরুদ্ধে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে।
১৭৬৩ দিন আগে