প্রেস সচিব
নির্বাচনে পুরোপুরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে: প্রেস সচিব
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সরকার সব ব্যবস্থাই নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ নগরীর শিববাড়ি মন্দির পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, আমরা মনে করি খুব ভালো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। বর্তমানে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই চলছে। পুরোদমে নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে। আমরা মনে করি এখনো যথেষ্ট ভালো পরিবেশ রয়েছে। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। নির্বাচনের আমেজ আমরা সব জায়গায় দেখছি।
তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে দুই-একজন দুয়েকটা কথা বলেন। কিন্তু আমরা দৃশ্যমান এমন কিছু দেখছি না যে কেউ বলতে পারেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমরা মনে করছি পুরোপুরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। এটি ছোট পার্টির জন্য যেরকম বড় পার্টির জন্য একই রকম আছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, সরকার নির্বাচনে একটি দলের প্রতি ঝুকে পড়েছে এমন অভিযোগ অনেকে করছেন। সরকার কোনো দলের বা কারো প্রতি ঝুঁকে পড়েনি। কেউ কেউ হয়তোবা ভাবছেন যে, বেগম খালেদা জিয়া মারা যাওয়ার পরে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ঐটাকে দেখে অনেকে অন্যরকম ভাবছেন। সত্যিকার অর্থে ওনি জাতীয় নেত্রী ছিলেন। ওনি শুধু বিএনপির নেত্রী না। ওনি সমস্ত বাংলাদেশের নেত্রী। সেজন্য জাতীয় শোক প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে আসছেন— এটা দেখে দু-একজন এ ধরণের কথা বলছেন।
আমরা আবারও বলি এই নির্বাচনের আগে আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য যা যা করণীয় সব কিছু করা হচ্ছে। কারও জন্য কোনো ধরণের পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। বড় দল হোক, ছোট দল হোক— সবার জন্য প্লাটফর্মটা সমান।
প্রেস সচিব বলেন, প্রায় পৌনে তিনশ বছর আগের শিববাড়ী মন্দির পরিদর্শন করেছি। এই মন্দিরটি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত স্থান, কারণ এখানে দুর্গাপূজার পুরো আয়োজন নারীরাই করে থাকেন। এতে পুরুষদের কোনো ধরণের সম্পৃক্ততা থাকে না।
তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন আসছে। আমরা সবাই যেন ভালোভাবে ভোট দিতে পারি। আমি মুসলমান বলে ভোট দিতে পারব, আর অন্য কেউ পারবে না—এমনটি নয়। আমরা আমাদের নৃ-গোষ্ঠী, সনাতনী, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ভাই-বোন এবং এমনকি যারা ধর্ম পালন করেন না—সবাই মিলে একটি ভালো নির্বাচন চাই। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই।
এর আগে, প্রেস সচিব শফিকুল আলম নগরীর জুবলী রোডে বুড়া পীরের মাজার ও গত বছর ভাঙচুর ও হামলার শিকার হওয়া নগরীর থানা ঘাট এলাকায় হজরত শাহ সুফী সৈয়দ কালু শাহর (রহ.) মাজার পরিদর্শন করেন।
১ দিন আগে
নিরাপত্তার চাদরে খালেদা জিয়ার জানাজা-দাফন সম্পন্ন হবে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুরো কার্যক্রম ঘিরে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হবে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে খালেদা জিয়ার জানাজা, দাফন ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের জানান, জানাজা ও দাফন উপলক্ষে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, এপিবিএন ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্য মাঠে থাকবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু এলাকায় সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনাও থাকবে।
জানাজার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি বিষয় নতুন করে পর্যালোচনা করেছে। সম্প্রতি একটি বড় জানাজার অভিজ্ঞতা থাকলেও এবার আরও বৃহৎ পরিসরে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যাতে পুরো অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়।
শফিকুল আলম জানান, জানাজা ও দাফনের সার্বিক আয়োজন নিয়ে সরকারের সঙ্গে বিএনপির পূর্ণ সমন্বয় রয়েছে। এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। দলটির পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে এবং সরকারও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার কথা জানিয়েছে।
নিরাপত্তা শঙ্কা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, কোনো ধরনের উদ্বেগ নেই। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছানো পর্যন্ত জানাজা ও দাফনের সব আনুষ্ঠানিকতা পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হবে।
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে শফিকুল আলম বলেন, তিনি ছিলেন আপোষহীন নেত্রী। দেশের গণতন্ত্র বারবার সংকটে পড়লেও তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে এবং প্রায় ৪৫ বছরের দীর্ঘ জনসেবার মাধ্যমে তিনি দেশের জন্য যে অবদান রেখেছেন, তা অনন্য।
১১ দিন আগে
আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক মতবিরোধে সমাধানে আশাবাদী প্রেস সচিব
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান আলোচনা শান্তিপূর্ণ ও সামগ্রিক সমাধান এনে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
ফেব্রুয়ারিতে জুলাই সনদের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ কয়েক দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য দলের বিক্ষোভ কর্মসূচি-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে প্রেস সচিব ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।
ব্রিফিংয়ের সময় উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদও উপস্থিত ছিলেন।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনার মাধ্যমেই সবকিছুর সমাধান হবে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম জানান, চলতি বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নেবেন। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সফর বাংলাদেশের নির্বাচন কেন্দ্রিক কোনো মধ্যস্থতা বা আলোচনার জন্য নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে।
তিনি আারও বলেন, ‘তারা সরকারের অংশীদার হিসেবে এ ধরনের বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে অংশ নিচ্ছেন।’
ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গঠিত কমিশনটি এখন ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাবে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের এ কমিশনের দায়িত্ব হলো সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ পর্যালোচনা ও গ্রহণ করা। এর অংশ হিসেবে তারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে তারা।
১১৪ দিন আগে
শেখ হাসিনা সরকারের নজরদারি সরঞ্জাম ক্রয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশে নজরদারির সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয় খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটি খতিয়ে দেখবে কীভাবে, কোথা থেকে এবং কত দাম দিয়ে এসব যন্ত্র কেনা হয়েছে এবং কীভাবে এর ব্যবহার হয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, নজরদারি যন্ত্রপাতি বিগত সরকারের সময়ে কেউ বলছেন প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারে কেনা হয়েছে, কেউ বলছেন ২০০ মিলিয়ন ডলারে। পুরো রিপোর্টে আমরা যা পড়েছি সেখানে স্পষ্ট—গত স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক অধিকার হরণের জন্য নজরদারির যন্ত্রপাতি ও স্পাইওয়ার ব্যবহার করেছে। এই অবৈধ নজরদারির মাধ্যমে নাগরিকদের ন্যূনতম বাক-স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। সংবিধানে প্রদত্ত গোপনীয়তার অধিকারও তারা খর্ব করেছে।
পড়ুন: চাঁদাবাজিতে আমার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: আসিফ মাহমুদ
‘উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কমিটি গঠন করা হয়েছে তদন্তের জন্য। কত টাকা দিয়ে এগুলো কেনা হয়েছে, কোথা থেকে কেনা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনেক কিছু ইসরায়েল থেকে কেনা হয়েছে। এই বিষয়গুলো কমিটি খতিয়ে দেখবে,’ যোগ করেন তিনি।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনটিএমসি), পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে ১ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা মূল্যের নজরদারি সরঞ্জাম ক্রয় করেছে।
তিনি বলেন, পুলিশের জন্য কীভাবে মারণাস্ত্র কেনা হয়েছিল তা নিয়েও রিপোর্ট হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। কীভাবে এগুলো কেনা ও ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৪৯ দিন আগে
বিদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার: প্রেস সচিব
দেশে নিষিদ্ধ থাকলেও বিদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রবিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার মালয়েশিয়ার সফর সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
দেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে, তাই তাদের দেশের বাইরে কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’
তিনি বলেন, ‘তারা দেশজুড়ে কোনো অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে কি না সেটিও আমরা খতিয়ে দেখছি।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র শাহ আসিফ রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সম্প্রতি বিবিসি বাংলা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, কলকাতার একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে আওয়ামী লীগের একটি ‘পার্টি অফিস’ চালু হয়েছে।
পড়ুন: মালয়েশিয়ায় প্রধান উপদেষ্টার সফর গুরুত্বপূর্ণ ও কর্মমুখর হবে: প্রেস সচিব
চলতি বছরের মে মাসে আওয়ামী লীগ ও এর সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ করে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অন্তবর্তী সরকার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ ও তার সংশ্লিষ্ট সংগঠনসমূহের কোনো প্রকাশনা, গণমাধ্যম সংযোগ, অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা, মিছিল, সভা, সমাবেশ ও সম্মেলন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় সাইবারসহ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম আইনি ব্যবস্থা হিসেবে বিরোধী সন্ত্রাসবাদ আইনে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের সুরক্ষা এবং ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী ও বাদীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৫৩ দিন আগে
বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কম দেখানোর কোনো কারণ নেই: প্রেস সচিব
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের দুর্ঘটনা নিয়ে হতাহতের সংখ্যা ঘিরে ছড়ানো ভুয়া তথ্যকে উড়িয়ে দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, হতাহতের সংখ্যা কম দেখানোর সরকারের কোনো কারণ নেই।
বুধবার (২৩ জুলাই) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন হতাহতের সংখ্যা গোপন রাখা প্রায় অসম্ভব।
তিনি লিখেছেন, ‘২০০২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আমি বহু বড় ধরনের দুর্যোগ কভার করেছি। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, বাংলাদেশে হতাহতের সংখ্যা গোপন রাখা কার্যত অসম্ভব। প্রথমদিকে পরিবারগুলো তাদের প্রিয়জন নিখোঁজ হিসেবে জানায়, পরে হাসপাতাল বা কর্তৃপক্ষ থেকে তথ্য এলে তারা স্বজনদের অবস্থান জানতে পারে। এই ঘটনার ক্ষেত্রেও মাইলস্টোন কলেজ প্রতিদিনের হাজিরা খাতা যাচাই করে অনুপস্থিতদের শনাক্ত করতে পারবে।’
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের অবস্থা নিয়ে নিয়মিত তথ্য জানাচ্ছে, সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও সহযোগিতা করা হচ্ছে। ‘আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি, হতাহতের সংখ্যা কম দেখানোর সরকারের কোনো প্রয়োজন নেই।’
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই: প্রেস সচিব
তিনি লেখেন, ‘আমরা মাইলস্টোন কলেজে গিয়েছিলাম নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে, যারা এখনো এই শোক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। চারদিকে ভারী শোকাবহ পরিবেশ ছিল। অনেকে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছে এবং মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনে ক্ষোভ জানিয়েছে।’
ঘটনার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রেস সচিব জানান, দুই উপদেষ্টা স্কুল কর্তৃপক্ষকে ক্যাম্পাসে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এই কন্ট্রোল রুম থেকে নিয়মিত আহত ও মৃতের তথ্য জানানো হবে, যা স্কুলের উপস্থিতির তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে প্রকাশ করা হবে।
প্রেস সচিব জানান, উপদেষ্টারা সুপারিশ করেছেন যাতে বর্তমান শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন ছাত্ররা কন্ট্রোল রুমের কাজে যুক্ত থাকে। ‘আমরা আশা করছি, এটি আজ থেকেই সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হবে।’
‘আমরা গতকাল (মঙ্গলবার) নয় ঘণ্টা স্কুলে ছিলাম। চাইলে আগে বেরিয়ে আসতে পারতাম, কিন্তু উপদেষ্টারা শান্তিপূর্ণভাবে পরিস্থিতির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ছিলেন। প্রয়োজন হলে আরও দীর্ঘ সময় থাকতেন, আমরা তখনই বেরিয়েছি যখন সেটি যথাযথ মনে হয়েছে,’ বলেন প্রেস সচিব।
শফিকুল আলম বলেন, যেসব শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা। এই বিমান দুর্ঘটনাকে তিনি জাতীয় শোক হিসেবে অভিহিত করে নিহতদের শহীদ হিসেবে বর্ণনা করেন।
‘আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করি যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে। বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আকাশপথে শূন্য দুর্ঘটনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে,’ যোগ করেন তিনি।
১৭১ দিন আগে
নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই: প্রেস সচিব
নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী যথাসময়েই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।
শনিবার (১৯ জুলাই) কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘টেডএক্স কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
শফিকুল আলম বলেন, ‘নির্বাচন ঠিক যে সময়ে বলা হয়েছে, সেই সময়েই হবে। সুন্দর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা নির্বাচন।’
‘অধ্যাপক ইউনূস এটি বারবার বলছেন, আমরা আবারও বলি— নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা নেই। নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ সেটি ঠিক করা হবে এবং সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। কোনো প্রার্থীই বলতে পারবে না যে তার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে বা তিনি পরিবেশ পাচ্ছেন না। আমরা পরিবেশ নিশ্চিত করব।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পেছানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। নির্বাচন হবে এবং খুব ভালোভাবে হবে।’
পিআর পদ্ধতিতে সংসদ নির্বাচন বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে সকল রাজনৈতিক দল ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কথা হচ্ছে। অন্যান্য অনেক দেশে এসব বিষয়ে আলোচনা করতেই ২ থেকে ৪ বছর সময় লেগে যায়। সেখানে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো মত প্রকাশ করছে। এতে করে খুব দ্রুত সময়ে মধ্যে অনেক বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এরপর আমরা আশা করছি, জুলাই সনদও সবাই সই করবে। তারপরই আমরা সবাই নির্বাচনের পরিবেশে ঢুকব। বৃষ্টির এই মৌসুম শেষ হলেই দেখবেন যে বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে, আনাচে কানাচে নির্বাচনের হাওয়া বইছে। অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের যুবকরা ভোট দিতে পারেননি।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করছি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা ফলও পাচ্ছি। অপ্রীতিকর যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলো জড়িত প্রত্যেকেই গ্রেপ্তার হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে আইনও সংশোধন করে— যেমন: ধর্ষণের ক্ষেত্রে— আমরা দ্রুত বিচার করছি।’
গোপালগঞ্জ ইস্যুতে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা সেদিন আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন, যারা সহিংসতায় জড়িত ছিলেন, আমরা সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। অনেকেই গ্রেপ্তার হচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই বলছেন এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। তবে সাংবাদিকদের আমি বলব, আপনারা দেখুন, আমরা সবকিছু আইনানুগভাবে করছি।’
‘দ্য নেক্সট ওয়েভ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুবিতে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত ‘টেডএক্স কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি’ অনুষ্ঠানে স্পিকার হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হায়দার আলী, অ্যাসট্রো ফটোগ্রাফার জুবায়ের কাওলিন, চরকির সিইও রেদওয়ান রনি, লেখক ডেল এইচ খান, গায়ক আসিফ আকবর, সংবাদ উপস্থাপক ফারাবি হাফিজ প্রমুখ।
১৭৫ দিন আগে
কেএমপি কমিশনারের পদত্যাগ দাবি, ঢাকায় ফিরে সুরাহার আশ্বাস প্রেস সচিবের
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা খুলনা প্রেসক্লাব ঘেরাও করে। এ সময় ভেতরে অবস্থান করছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম।
শনিবার (২৮ জুন) বিকাল ৬টার দিকে প্রেস সচিব সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে খুলনা প্রেস ক্লাবে এলে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রেস সচিব ক্লাবে প্রবেশ করার কিছুক্ষণ পরই আন্দোলনকারীরা ক্লাব ভবনে উপস্থিত হয়ে সামনের সড়ক অবরোধ করে। কমিশনারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করবেন বলে ঘোষণা দেয়।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, কেএমপি কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দারের সময়কালে আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি চরম নাজুক পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিদিনই খুলনায় খুনের ঘটনা ঘটে চলেছে। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে খুলনা প্রেস ক্লাবের নেতারা প্রেস সচিব ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নেন। তবে আন্দোলনকারীরা প্রেস ক্লাব নেতাদের আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন এবং স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান ছাড়বেন না।
তবে এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা আলোচনায় বসতে সম্মত হন। প্রেসক্লাবের কনফারেন্স রুমে আলোচনায় খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এখানে ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হয়।
পড়ুন: পুলিশের উপপরিদর্শক সুশান্তকে ছেড়ে দেওয়ার প্রতিবাদে কেএমপি ঘেরাও ছাত্র-জনতার
প্রেস সচিব জানান, তিনি ঢাকায় ফিরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করে সুরাহা করবেন। পরে রাত ৮টা ১০ মিনিটে প্রেস সচিব ও তার সফরসঙ্গীরা প্রেসক্লাব থেকে বের হন।
এ সময় প্রেসক্লাব ও সংলগ্ন এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ, সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর আন্দোলনকারীরা প্রেসক্লাব চত্বরে ব্রিফিংয়ে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেএমপি কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দারের পদত্যাগ না হলে কেএমপিসহ নগরীর ৮ থানা ঘেরাও করার ঘোষণা দেয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে নগরীর খানজাহান আলী রোড গ্লাক্সোর মোড়ে কেএমপি হেড কোয়ার্টার ঘেরাও, সড়ক অবরোধ ও রাস্তায় টায়ার জালিয়ে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এরপর বিকাল ৫টার দিকে মিছিল নিয়ে খুলনা প্রেসক্লাবের উদ্দেশে রওনা হয়।
১৯৬ দিন আগে
ঐকমত্য কমিশনের আগামীকালের আলোচনায় অংশগ্রহণ করবে জামায়াত: প্রেস সচিব
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামী অংশগ্রহণ না করলেও আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার দলটি অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের শফিকুল আলম বলেন, ‘জামায়াতের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা আগামীকাল আলোচনায় আসবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’
জামায়াত কেন মঙ্গলবারের আলোচনায় যোগ দেয়নি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে শফিক বলেন, ‘আপনারা এটা জামায়াতকে জিজ্ঞাসা করেন।’
লন্ডনে বিএনপির সঙ্গে সরকারের যৌথ বিবৃতি জামায়াতের মনোমালিন্যের কারণ কিনা এর জবাবে শফিক বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে এ ধরনের যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়। এ নিয়ে কোনো ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা না।’
শিগগিরই প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতের কোনো বৈঠক হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে শফিক জানান, এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কমিশনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শফিক বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখছে। সব অংশীজন নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
কমিশনের দ্বিতীয় পর্বের আলোচ্যসূচি নিয়ে প্রেস সচিব জানান, খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনা হচ্ছে। আগামী ১২ কার্যদিবসের মধ্যে আলোচ্য এসব বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহায় আসা হবে।
আরও পড়ুন: ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় যোগ দেয়নি জামায়াত
২০৭ দিন আগে
আগামী ডিসেম্বর-জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: প্রেস সচিব
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন আগামী ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রধান উপদেষ্টাসহ সকল উপদেষ্টারা কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার (১৬ মে) মাগুরা প্রেসক্লাব পরিদর্শনকালে প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্যাপারে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ হয়েছে এবং এতে জনগণ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।’
শফিকুল আলম বলেন, দেশ ভালই চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে। যেসব জায়গায় সংস্কার দরকার সেসব জায়গাতেই সংস্কারের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ইকোনমিতে বড় ধরনের কিছু সংস্কার করা হয়েছে। সামনে আরও সংস্কার হবে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: নির্বাচন দিলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে: মির্জা আব্বাস
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলছে দাবি করে শফিকুল আলম বলেন, ‘শুধু কথা বলার স্বাধীনতা নয়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্যও কাজ করে যাচ্ছি।’
মাগুরা প্রেস ক্লাবের মতবিনিময়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমান ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক।
২৩৯ দিন আগে