নিতাই রায় চৌধুরী
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে ১৮ জুন থেকে দেশব্যাপী তিন দিনের কর্মসূচি
‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে দেশের ৬৪টি জেলায় ও ৭৪টি প্রত্যন্ত উপজেলায় আগামী ১৮ থেকে ২০ জুন তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
রবিবার (১৪ জুন) সচিবালয়ে ‘নজরুল বর্ষ উদযাপন’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় পর্যায়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ২৩ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী (২৩-২৫ মে) অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা দেন।
নজরুল বর্ষ পালনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে সাংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পর্যায়ে নজরুল বর্ষ পালনের জন্য কমিটি গঠন, নজরুল বর্ষের লোগো তৈরি, পোস্টার তৈরি, নজরুল বর্ষের ক্যালেন্ডার প্রণয়ন, স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ রয়েছে।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নজরুল বর্ষের উদ্বোধন উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলায় ও ৭৪টি প্রত্যন্ত/বিশেষ উপজেলায় আগামী ১৮-২০ জুন তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এই অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চলতি অর্থ বছরের বাজেট হতে দেশের ৬৪টি জেলায় এবং ৭৪টি উপজেলায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নজরুলবর্ষ পালনের জন্য বছরব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, শুধু অনুষ্ঠান আয়োজনের মধ্যেই নজরুলবর্ষ পালন সীমাবদ্ধ থাকবে না। নজরুলের সাহিত্যকর্ম, সংগীত ইত্যাদি বিষয়ে যাতে গবেষণা করা হয়, মন্ত্রণালয় থেকে সে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নজরুলের সৃষ্টিকর্মকে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘নজরুল ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে এক আপোসহীন কন্ঠস্বর। নজরুলের জীবনদর্শনের অন্যতম ভিত্তি হল অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবিক ঐক্য। তিনি হিন্দু-মুসলিম তথা ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে একটি সাম্যের সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার সাহিত্য ও সংগীতে যেমন ইসলামী ঐতিহ্যের সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে, তেমনি হিন্দু পুরাণ ও সংস্কৃতির প্রতিও তিনি দেখিয়েছেন গভীর অনুরাগ। তিনি বিশ্বাস করতেন— মানুষের পরিচয় তার মানবতায়। আজকের বাংলাদেশেও তার এই চেতনা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।’
১১২ দিন আগে
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সঙ্গীত শিক্ষা চালু করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সঙ্গীত শিক্ষা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন দূতাবাস আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, গুচ্ছভিত্তিক পদ্ধতিতে এই উদ্যোগ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন করা হবে। এ পদ্ধতিতে সঙ্গীত প্রশিক্ষকরা একটি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘুরে ঘুরে পাঠদান করবেন।
সরকার প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্কুল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি আমাদের মন্ত্রণালয় প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সকল প্রতিষ্ঠানে উপজেলাভিত্তিক ক্লাস্টার পদ্ধতিতে সঙ্গীত শিক্ষা নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যেভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে একইভাবে সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তখন সব প্রতিষ্ঠানে সঙ্গীত শিক্ষক পাওয়া যেত না এবং তারা মূলত জেলা পর্যায়ের স্কুলগুলোতে কেন্দ্রীভূত ছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নির্বাচিত না হওয়ায় জনগণের কাছে তাদের সরাসরি দায়বদ্ধতা ছিল না।
তিনি বলেন, ওই সময়ে কিছু ভালো সিদ্ধান্তের পাশাপাশি এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যা আমাদের মতে এড়িয়ে যাওয়া যেত। তবে আমি বলব না যে সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।
এ বছরের পহেলা বৈশাখ উদযাপন ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ নাকি চিরাচরিত ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার ঐতিহ্যগত মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে সমুন্নত রাখতে চায়।
তিনি আরও বলেন, জাতিগত পরিচয়, ধর্ম, বর্ণ ও আদর্শের ভিন্নতা থাকলেও বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাবে। রাজনৈতিক মতভেদ থাকবেই, কিন্তু মানুষ একই সমাজে সহাবস্থান করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
১৮৭ দিন আগে
বিএনপি নেত্রী নিপুণ রায় জামিনে মুক্ত
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। গ্রেপ্তারের আড়াই মাস পর শুক্রবার কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।
আরও পড়ুন: সরকারি অফিসে অস্ত্রের মহড়া: আ’লীগ-যুবলীগের ৩ নেতাকে বহিষ্কারের সুপারিশ
নিপুণ রায় দুপুর ১টার দিকে কারাগার থেকে বের হন বলে নিশ্চিত করেছেন তার বাবা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।
কারাগারের সামনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা নিপুণকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পরে তিনি বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
আরও পড়ুন: পরীমণির ঘটনায় সন্দেহের গন্ধ খুঁজছে বিএনপি
হেফাজতে ইসলামের হরতালের সময় বাসে আগুন দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গত ২৮ মার্চ র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) রায়ের বাজারের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: হৃদযন্ত্র, কিডনির সমস্যায় জ্বরে ভুগছেন খালেদা জিয়া: ফখরুল
গত ১৬ জুন উচ্চ আদালত নিপুণের জামিন আবেদন মঞ্জুর করায় তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ।
১৯৩৪ দিন আগে