হবিগঞ্জ
হবিগঞ্জে এমপির স্ত্রীকে নিয়ে প্রশাসনের সভা, ইউএনও-এসিল্যান্ড বদলি
সংসদ সদস্যের স্ত্রীকে প্রশাসনের সভায় অতিথি করাকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন দে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল আলমকে বদলি করা হয়েছে।
রবিবার (১ মার্চ) সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সংস্থাপন শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার উম্মে সালিক রুমাইয়া ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মুহাম্মদ তানভীর হাসান রুমান বদলির আদেশে সই করেছেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইউএনও লিটন দে-কে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এবং মাহবুবুল আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। যদিও সরকারি আদেশে এই রদবদলের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহলের দাবি, বির্তকিত ওই সভার জের ধরেই তাদের তড়িঘড়ি করে বদলি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাহুবল উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রশাসনের এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির আসনে বসেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়া। সেখানে তিনি বক্তব্যও দেন।
ওই সভার ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যায়, সিমির দুই পাশে বসে আছেন ইউএনও লিটন দে, এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলম এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম। সরকারি সভায় একজন জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যের এমন উপস্থিতি ও প্রধান অতিথির আদলে বসে থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
৭ দিন আগে
গালাগালকাণ্ডে হবিগঞ্জের সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ওসির মামলা, আদালতে সোপর্দ
হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী তুষারকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৮৯/ ৫০৪ ও টেলিকমিউনিকেশন অধ্যাদেশ ২০২৬-এর ৬৯ ধারায় বাহুবল থানায় মামলা করেছেন। আদালত পরিদর্শক সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, বাহুবল থানার ওসিকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে গতকাল (রবিবার) দুপুর ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তে নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি।
১৪ দিন আগে
ওসিকে গালাগাল করার অভিযোগে হবিগঞ্জে বিএনপি নেতা আটক
হবিগঞ্জের বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগে বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তুষারকে আটক করেছেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি শামীম ইকবাল।
এর আগে, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
আজ (রবিবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তুষার চৌধুরী। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি গত দুই মাসের মধ্যে কোনোদিন ওসিকে ফোনও দেইনি। আমি আমার ম্যানেজারকে গালাগাল করেছি, সেটাকে এডিট করে কেউ ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে।
সর্বশেষ, তুষারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কি না জানতে বাহুবল থানার ওসি, সহকারী পুলিশ সুপার বাহুবল সার্কেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) ও হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের মোবাইলে ফোন দেওয়া হলে কেউ কল ধরেননি।
১৫ দিন আগে
হবিগঞ্জ জেলা আ.লীগের কার্যালয়ের সামনে পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান
হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ধ্বংসপ্রাপ্ত কার্যালয়ের সামনে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং স্লোগান দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় ভিডিওটি নতুন নাকি পুরোনো তা যাচাইয়ের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
ভিডিওতে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট আন্দোলনকারীরা শহরের টাউন হল রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের পুড়িয়ে দেওয়া কার্যালয়ের সামনে কয়েকজন যুবক ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা আসবে’, ‘রাজপথ কাঁপবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা ছিল এবং কয়েকজনের মুখ ঢাকা ছিল।
ওই সময় একজন বক্তা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি আবু জাহিরের নির্দেশে আজ থেকে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় নেতাকর্মীদের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলো।’
অন্যদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি দুটি ভিডিও ও দুটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে দাবি করেন, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এবং হবিগঞ্জ সদর ও পৌর আওয়ামী লীগ, জেলা ও সদর উপজেলা যুবলীগ, জেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগ এবং তৃণমূল নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সশস্ত্র জঙ্গি সন্ত্রাসীদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কার্যালয়টি পুনরায় নেতা-কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ে একটি জাতীয় ও একটি দলীয় পতাকা টানানো রয়েছে। তবে স্থানীয় কয়েকজন জানান, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোছা. ইয়াছমিন খাতুন বলেন, আমরা মাত্র ভিডিওটি দেখেছি। ঘটনাটি আজকের নাকি পুরোনো, তা নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করার পর বলা যাবে।
১৯ দিন আগে
ভোটের মাঠে অনড় সিলেট বিভাগীয় বিএনপির ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল গতকাল (মঙ্গলবার)। সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনে মোট ২৬ জন প্রার্থী এদিন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বিএনপির ৫ বিদ্রোহী শেষ দিনেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে অনড় রয়েছেন তারা।
ওই পাঁচ প্রার্থী হলেন— সিলেট-৫ আসনে জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ (চাকসু মামুন), হবিগঞ্জ-১ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত, মৌলভীবাজার-৪ আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধু, সুনামগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন এবং সুনামগগঞ্জ-৪ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে এই পাঁচ আসনে বিএনপি ও তাদের জোটের প্রার্থীদের বিপাকে পড়তে হতে পারে বলে মত স্থানীয় রাজনীতি-সচেতন মানুষের।
সিলেট জেলার মধ্যে একমাত্র বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ। যিনি চাকসু মামুন নামে পরিচিত। তিনি সিলেট-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় মামুনকে দল থেকে সম্প্রতি বহিষ্কার করা হয়েছে। এই আসনটি জোটসঙ্গী জমিয়ত ইসলামকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এখানে প্রার্থী হয়েছেন।
মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপি নেতা শ্রীমঙ্গল পৌরসভার চেয়ারম্যান মো. মহসিন মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। আর এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য কয়ছর এম আহমদ। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন।
সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন।
তবে সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া।
৪৭ দিন আগে
রাতভর নাটকীয়তার পর সকালে জামিনে মুক্ত হবিগঞ্জের সেই বৈষম্যবিরোধী নেতা
রাতভর নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে আজ রবিবার সকালে জামিন পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহদী হাসান।
গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে তাকে হবিগঞ্জ থানায় সোপর্দ করা হয়। তবে কী অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা জানতে গতকালই সংবাদকর্মীরা যোগাযোগ করলেও, হবিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার, কেউই মুখ খোলেননি।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে মাহদীকে হবিগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মাহদীর আইনজীবী আব্দুল মালেক হৃদয় মাহদির জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
এই নেতার বিরুদ্ধে বেআইনি লোকজন মিলিত হয়ে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দেখানো হয়েছে।
এদিকে, মাহদীর মুক্তির দাবিতে রাতভর হবিগঞ্জ থানার ফটকের সামনে অবস্থান নেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। তারা মাহদীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে স্লোগান দেন। থানা এলাকার পরিস্থিতির অবনতি যাতে না ঘটে, সেজন্য পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। এছাড়া গতরাতে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হয়েও মাহদীর মুক্তির দাবি জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে রাত সোয়া ১টার দিকে পুলিশ একটি মাইক্রোবাসে করে মাহদীকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাকে আদালতের মাধ্যমে জামিন দেওয়ার প্রস্তুতির কথা শোনা গেলেও বিচারক না আসায় তাকে কোর্ট হাজতে রাখা হয়।
উল্লেখ্য, শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হাসান নয়নকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন।
নয়নকে আটকের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার নেতা-কর্মীরা তার মুক্তির দাবিতে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন। এ সময় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র অধিকার আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী ওসির কক্ষে অবস্থান নেন। তারা দাবি করেন, নয়ন একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও পরে তিনি জুলাই আন্দোলনে জড়িত হন। তারা নয়নকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি করেন।
আটক ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে নিতে একপর্যায়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ওসির সঙ্গে তর্কে জড়ান মাহদী হাসান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ওই ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মাহদী ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। আপনি (ওসি) বলেছেন, “আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে?”’ একপর্যায়ে মাহদী হাসান ওসিকে বলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম; এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিকলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছে নাকি?’
খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ছুটে যান। তার মধ্যস্থতায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
এ বিষয়ে মাহদী হাসান বলেন, ‘আটক হওয়া ছাত্রনেতা একসময় ছাত্রলীগ করলেও তিনি জুলাই আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। শুধু তার অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে আসে।’
মাহদী প্রশ্ন তোলেন, ‘আমাদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মূল সমন্বয়কারীদের একজন সারজিস আলম। তিনিও তো একসময় ছাত্রলীগ করেছেন। তাহলে তিনিও কি অপরাধী?’ তিনি দাবি করেন, তাদের তিন নেতা-কর্মীকে আটক করে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ আগেও ‘অপরাধ’ করেছে।
বানিয়াচং থানা জ্বালিয়ে দেওয়া ও পুলিশকে পুড়িয়ে ফেলার মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটি স্লিপ অব টাং (মুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে)।’
তবে, ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মাহদীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট জবাব দিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের সই করা একটি শোকজ নোটিশ গতকাল বিকেলে প্রকাশিত হয়। একইসঙ্গে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংগঠনের কার্যক্রম থেকে তাকে বিরত থাকতেও নোটিশে বলা হয়েছে। কারণ দর্শনোর নোটিশ মাহদী পেয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, ‘আমরা তাকে (এনামুল) বৈষম্যবিরোধী একটি মামলায় সন্দেহভাজন ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে আটক করি। ওই দিন রাত বেশি হওয়ায় আমরা যাচাই-বাছাই করতে পারিনি। পরদিন নানাভাবে তথ্য নিয়ে আমরা জানতে পেরেছি, আটক হওয়া ব্যক্তি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
৬৪ দিন আগে
হবিগঞ্জে মাদরাসা ছাত্র খুন, অভিযোগের তীর সহপাঠীর দিকে
হবিগঞ্জের মাধবপুরে হাফিজিয়া মাদরাসার আট বছর বয়সী এক ছাত্রকে ছুরির আঘাতে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তারই এক সহপাঠীর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মাদরাসার পাশের একটি ঝোপ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত ছাত্র আশরাফুল ইসলাম রাফি (৮) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাপড়তলা গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। সে মাধবপুরের ইটাখোলাস্থ আলহাজ ইয়াসমিন ফয়সল দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, গুরুতর আহত ১
স্থানীয়রা জানান, আজ (মঙ্গলবার) ফজরের নামাজ ও সকালের পড়া শেষে অন্যান্য শিক্ষার্থীরা ঘুমিয়ে পড়লে, নবীন (৯) নামের এক সহপাঠী সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে রাফিকে জুতা আনার কথা বলে মাদরাসা প্রাঙ্গণের দক্ষিণ পাশে একটি ঝোপে নিয়ে ছুরি দিয়ে উপুর্যপুরি আঘাত করে রাফিকে হত্যা করে এবং লাশ কাদামাটির ভেতর ফেলে চলে আসে।
পরবর্তীতে মাদরাসার দুই শিক্ষার্থী বিষয়টি জানতে পেরে নবীনকে আটক করে শিক্ষকদের খবর দেয়। এরপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা সুহেল পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
মাধবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১৯৫ দিন আগে
হবিগঞ্জে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অগ্নিকাণ্ড, ১০টি গাড়ি পুড়ে ছাই
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে আগুন লেগে অন্তত নয়টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি যাত্রীবাহী বাস পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা-হবিগঞ্জ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত আউশকান্দি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, সকালে একটি পুরনো যাত্রীবাহী বাস স্টেশন থেকে গ্যাস নিচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই তা আশপাশে থাকা গাড়িতে ছড়িয়ে যায়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ, বাহুবল ও ওসমানীনগর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরও পড়ুন: মহাখালীর সাততলা বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. হাবিবুর রহমান জানান, আগুনে স্টেশনে অফিস ও শয়নকক্ষ, দাঁড়িয়ে থাকা বাস ও বিভিন্ন স্থাপনা পুড়ে যায়। তবে ফিলিং মেশিন অক্ষত রয়েছে।
এ সময় স্টেশনের স্টাফ রাসেল আহমদ(৩০) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। তাকে সিলেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান হাবিবুর রহমান।
২০০ দিন আগে
হবিগঞ্জে শহিদ মিনারে সমাবেশের অনুমতি মেলেনি, ক্ষুব্ধ এনসিপি নেতারা
হবিগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) সমাবেশের অনুমতি দেননি জেলা প্রশাসক ড. মো. ফরিদুর রহমান। এ কারণে তাকে আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিযোগ করেছেন হবিগঞ্জের এনসিপি নেতারা।
বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে শহরের শ্মশানঘাটস্থ হবিগঞ্জ সদর উপজেলা এনসিপির কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন শেষে এ অভিযোগ করেন পদযাত্রা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।
তিনি বলেন, নিমতলা শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে কয়েকদিন আগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়। তবে বুধবার বিকালে ডেকে নিয়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রাম হওয়ার কারণে শহিদ মিনারে সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক।
আরও পড়ুন: এনসিপির নেতৃত্বে সরকার গঠনে দেশে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী
মোস্তাফা কামাল অভিযোগ করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর হলেও বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আঁতাত করে চলছেন। তার আচরণে আমরা বিস্মিত হইনি।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বৃহস্পতিবারের (২৪ জুলাই) পদযাত্রা শহরের নিমতলা (শহিদ মিনার) থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও অনুমতি না পাওয়ায় পৌরসভা মাঠ থেকে শুরু হয়ে টাউন হলে এসে শেষ হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— এনসিপি হবিগঞ্জ জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী নাহিদ উদ্দিন তারেক, যুগ্ম সমন্বয়কারী মাহবুবর বারী চৌধুরী মুবিন, বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব এড. ফখরউদ্দিন জাকি, আব্দুল বাছিত তরফদার মিঠু, এ কে এম নাছিম ও মীর দুলাল।
২২৮ দিন আগে
হবিগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত ২, নবীগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি
পূর্ববিরোধের জের ধরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ১৯ জনকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসন উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন।
সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরের পরপরই উত্তেজনা দানা বাঁধতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ই সংঘর্ষে রুপ নেয়। এরপর বিকাল ৫টা থেকে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।
সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে একে অপরের বিরুদ্ধে লেখালেখি নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী আশাহিদ আলীকে গত ৪ জুলাই নবীগঞ্জ উপজেলার আনমুন এলাকায় মারধর করেন অপর গণমাধ্যমকর্মী সেলিম তালুকদার ও তার লোকজন। এ সময় আনমুন গ্রামের লোকজন হামলাকারীদের মধ্য থেকে ২ তরুণকে আটক করে পুলিশে দেন।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশু নিহত
পুলিশে দেওয়া এই দুই তরুণের বাড়ি উপজেলার তিমিরপুর গ্রামে। এ ঘটনায় তিমিরপুর গ্রামের লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এ নিয়ে তিন দিন আগে ওই দুই গ্রামের মানুষের মারামারিও হয়। সেই মারামারির সূত্র ধরে গতকাল (সোমবার) দুপুরে ঘোষণা দিয়ে আনমুন ও তিমিরপুর গ্রামের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে জড়ো হতে থাকেন নিজ নিজ এলাকায়। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুপক্ষ।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের লোকজন ইটপাটকেল, বল্লম, ধারালো অস্ত্রসহ নানা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেন। সংঘর্ষকালে উভয় পক্ষের শতাধিক মানুষ আহত হন। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি দোকানপাট। এতে পুরো শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে পূর্ব তিমিরপুরের ফারুক মিয়া (৪০) ও আনমনু গ্রামের রিমন মিয়া (২৫) নামে দুই ব্যাক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ কামরুজ্জামান জানান, ওই ঘটনার নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি যাতে আর অবনতি না হয়, সে কারণে সোমবার বিকাল ৪টা থেকে নবীগঞ্জ উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
আজ মধ্যরাত পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) মো. রুহুল আমিন।
২৪৪ দিন আগে