বিদিশা সিদ্দিক
জামিনে মুক্ত বিদিশা সিদ্দিক
প্রতারণার মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড পাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রাক্তন স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান বলে জানিয়েছেন কারগারটির সিনিয়র জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নজরুল ইসলাম।
তিনি আরও জানান, এদিন সকালে বিদিশার জামিনের কাগজপত্র কারাগারে এসে পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে তাকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরে বিকেলে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে যান।
প্রতারণার এক মামলায় গত ২৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন বিদিশাকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন পান তিনি।
এর আগে গত ২০ মে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজার পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
ঢাকার পল্লবী এলাকার ব্যবসায়ী এ কে এম মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, মোশাররফ ২০০১ সালের ১০ জুলাই বারিধারায় একটি ফ্ল্যাটের জন্য বিদিশাকে ৭৫ লাখ টাকা দেন। ফ্ল্যাটটি ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে হস্তান্তরের কথা ছিল। তবে কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদিশা ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দিলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত (ডিসঅনার) হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া অভিযোগকারী জানান, টাকা ফেরত দেওয়া বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর—কোনোটিই না করে বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি বিলম্বিত করেন। পরে তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন।
৮ দিন আগে
প্রতারণার মামলায় বিদিশা সিদ্দিককে হাইকোর্টের জামিন
প্রতারণার মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. রাফিজুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে প্রতারণার মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদিশা সিদ্দিককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠিয়েছিলেন বিচারিক আদালত।
আদালতে বিদিশার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট মাসুদ মিয়া। পরে এ বিষয়ে আইনজীবী মাসুদ মিয়া বলেন, বিদিশার বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় তার মুক্তিতে বাধা নেই।
গত ২৬ আগস্ট প্রতারণার মামলায় বিদিশাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এ মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ড হওয়ায় তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা ছিল।
গত ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ২০ মে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলায় বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম ওই রায় ঘোষণা করেন। সে সময় কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। রায়ের দিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় বিদিশার বিরুদ্ধে সাজার পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
ঢাকার পল্লবী এলাকার ব্যবসায়ী এ কে এম মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি গুলশান থানায় মামলাটি করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, মোশাররফ ২০০১ সালের ১০ জুলাই বারিধারায় একটি ফ্ল্যাটের জন্য বিদিশাকে ৭৫ লাখ টাকা দেন। ফ্ল্যাটটি ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে হস্তান্তরের কথা ছিল। তবে কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও ফ্ল্যাটটি হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বিদিশা ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দিলেও পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত (ডিসঅনার) হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এছাড়া অভিযোগকারী জানান, টাকা ফেরত দেওয়া বা ফ্ল্যাট হস্তান্তর—কোনোটিই না করে বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে বিষয়টি বিলম্বিত করেন। পরে তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন।
১০ দিন আগে
প্রতারণার মামলায় বিদিশার দুই বছরের জেল
সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার মামলায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। দণ্ডিত অর্থ অনাদায়ে এক মাস আরও কারাভোগ করতে হবে আসামির।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ দণ্ডাদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদিশা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে গুলশান থানায় এ মামলাটি করেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামের এক ব্যবসায়ী।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোশাররফ হোসেনের বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট কেনার প্রয়োজন ছিল। লোক মারফৎ তথ্য পেয়ে বিদিশা ২০০১ সালের ১ জুলাই মোশাররফকে প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। পরে ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়।
বাদীর অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদীকে বনানীর রজনীগন্ধা কার্যালয়ে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেননি বিদিশা। তাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বাদী।
মামলার বিবরণে আরও জানা যায়, ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাদীকে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি প্রত্যাখ্যাত হয়। আসামি বিদিশা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে না দিয়ে বরং ‘সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকি’ দেন বাদীকে।
১১৯ দিন আগে
রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান করে ‘জাপার নতুন কমিটি’ ঘোষণা এরিকের
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের ছোট ছেলে এরিক এরশাদ রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান করে জাতীয় পার্টির নতুন কমিটি ঘোষণা করেছেন।
এরশাদের সাবেক স্ত্রী ও এরিকের মা বিদিশা সিদ্দিক এবং এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আল মাহি সাদকে (সাদ এরশাদ ) দলের কো-চেয়ারম্যান করা হয়েছে এবং এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশিদকে কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত করা হয়েছে।
বুধবার এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর বারিধারা এলাকার রাষ্ট্রপতি পার্কে আলোচনা ও দোওয়া মাহফিলের আয়োজনে এরিক এই ঘোষণা দেন।
আরও পড়ুন: ২০ দলীয় জোট ছাড়ল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর চাচা জিএম কাদের অসুস্থ অবস্থায় তাঁর বাবা এরশাদকে জিম্মি করে তাকে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে অবৈধভাবে সই করিয়ে নিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি এখন পতনের পথে। আমাদের অবশ্যই দলকে অবৈধ চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। আমরা তাকে গ্রহণ করি না।
বিদিশা, সাদ এরশাদ ও জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য দেলোয়ার হোসেন খান এবং জাফর ইকবাল সিদ্দিকী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: লঞ্চে স্বাস্থ্য বিধি না মানলে জরিমানা: নৌ প্রতিমন্ত্রী
ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে রওশন এরশাদের নাম উল্লেখ করা হলেও তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।
যোগাযোগ করা হলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, নতুন দল গঠনের প্রত্যেকেরই অধিকার আছে এবং এ নিয়ে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তিনি বলেন, কে কী ঘোষণা করেছে আমরা তার কোন গুরুত্ব দিচ্ছি না। আমি মনে করি এটি আমাদের দলে কোনও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাতের বাজেট লুট হচ্ছে: জিএম কাদের
১৮৮৯ দিন আগে