শিক্ষামন্ত্রী
রাজধানীর নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত
পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ও সশরীরে ক্লাস পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী সপ্তাহে এটি শুরু হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান। ভিকারুন্নেসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে, রাজধানীর বিভিন্ন স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে এ বিষয়ে সভা করেন শিক্ষামন্ত্রী। সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর অন লাইন ক্লসের সক্ষমতাসম্পন্ন এমন কিছু নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি চালু করা হবে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে নগরীর যানজট হ্রাস, জ্বালানি সাশ্রয় এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সপ্তাহে ক্লাস হবে ছয় দিন। এর মধ্যে তিন দিন অনলাইনে ও তিনদিন সশরীরে ক্লাস হবে। শনিবার, সোমবার ও বুধবার সশরীরে ক্লাস হবে। আর রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস হবে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ক্লাস নেবেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ পদ্ধতি চালু করতে সক্ষম সেখানেই তা চালু হবে।
সভায় বক্তারা বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির সংযোজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, ইন্টারনেট সুবিধা এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় তদারকি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া, অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি রিপোর্টিং সিস্টেম চালুর প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হয়, যা অফলাইন ক্লাসে ফলো-আপের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এটি কোনো বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত নয়; বরং একটি পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগ। যেসব প্রতিষ্ঠান সক্ষম, তারা স্বেচ্ছায় এই পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে এ ধরনের ব্যবস্থা আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি জানান, ‘আপাতত ঢাকা মহানগরীর বড় ও যানজটপ্রবণ এলাকার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই পদ্ধতি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘এটি সবার ওপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। যারা সক্ষমতা রাখে, সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে আমরা এই ‘ব্লেন্ডেড এডুকেশন’ বা সমন্বিত শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছি।
শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হলেও শিক্ষকদের স্কুলেই উপস্থিত থেকে অনলাইন ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। শিক্ষকরা বাসায় বসে ক্লাস নেবেন না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিবেচনায় এনে শিক্ষাব্যবস্থাকে অভিযোজিত করা জরুরি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগ সফল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব জনাব আবদুল খালেক উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে চলবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কীভাবে চলবে সেই কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে। অনলাইনেও ক্লাস নেওয়া হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত হবে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে। এর আগে, সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তাব দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তিনি আরও বলেন, সম্ভবত অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রিসভা বৈঠকে যাবে। মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সংবাদ সম্মেলন করবে। এর মাঝে আমাদের বলার কিছু থাকবে না।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, আমরা আলোচনা করছি অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোকে উৎসাহিত করার। যেহেতু বিশ্বব্যাপী সংকট (জ্বালানি সংকট), তার মানে বাংলাদেশেও সংকট। আমরা কেউ জানি না, কতদিন এই সংকট চলবে। সে কারণে আমরা দেশের স্কুলব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর—এই মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছি।
সাধারণত প্রতি বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই হিসাবে পরবর্তী মন্ত্রিসভা বৈঠক আগামী ৯ এপ্রিল।
গত বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে জ্বালানি সাশ্রয়ে অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। এটি আজ (রবিবার) থেকে কার্যকর হয়েছে। একইসঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধেরও সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কিনতে ঋণ দেওয়া বন্ধ, জ্বালানি বরাদ্দের ৩০ শতাংশ কমানোসহ আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। কারণ, এ বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার আছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী রবিবার থেকে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান–সংক্রান্ত আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে।
১০ দিন আগে
জ্বালানি সংকটে স্কুলে অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ও অফলাইন—উভয় পদ্ধতিতে ক্লাস চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হবে এবং আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক এই সংকট কেবল বাংলাদেশকেই প্রভাবিত করছে না এবং এটি কতদিন চলবে তাও আমাদের জানা নেই। সে কারণেই আমরা আমাদের স্কুল ব্যবস্থাকে অনলাইনের আওতায় আনা এবং একটি সমন্বিত পদ্ধতি অবলম্বনের কথা ভাবছি।
তিনি উল্লেখ করেন যে, রমজানের ছুটি এবং বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে ইতোমধ্যে স্কুলের স্বাভাবিক পাঠদান বিঘ্নিত হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, আগে সপ্তাহে পাঁচ দিন ক্লাস হতো। এখন অনেক সময় নষ্ট হওয়ায় আমরা স্কুল ছুটির দিন কমিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করার কথা ভাবছি। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে নির্দিষ্ট কিছু সময়ে অনলাইন ক্লাসের বিষয়েও ভাবা হচ্ছে।
এহছানুল হক মিলন জানান, সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৮৫ শতাংশ উত্তরদাতা অনলাইন শিক্ষার সুযোগ চান। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, পুরোপুরি অনলাইন শিক্ষায় চলে গেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি হতে পারে। তাই সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতির কথা চিন্তা করছে।
এর আগে, সকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১৫ দিন আগে
স্কুলে ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি বাতিল, ২০২৭ থেকে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা
দেশের সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে আর লটারি পদ্ধতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে ভর্তিতে পরীক্ষা নেব। তবে খুব জটিল কোনো পরীক্ষা নেওয়া হবে না। ক্লাস ওয়ানে তো আর আমরা ওদের নিউরোসার্জন বানাব না। একটা সিম্পল টেস্টের মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি করানো হবে।’
ভর্তি পরীক্ষা ফিরলে কোচিং বাণিজ্য ও তদবির বাড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কোচিং করানোর সুযোগ রাখা হবে না। সিম্পল টেস্ট হবে... সাধারণভাবে সবকিছু হবে। এটা নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি মনে করি, লটারি করে ভর্তি করানো কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকতে পারে না।’
৩০ দিন আগে
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দুই ক্যাটাগারিতে নির্বাচিত হয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে পেয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ জন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশের ঘোষণা দেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ড থেকে সারাদেশে মোট ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে ৪৬ হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে পেয়েছে ৩১ হাজার ৫০০ জন।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৬৩৫ এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৭ হাজার ৭৯০ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৯৬৭ ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২,০৭৩ জন বৃত্তি পেয়েছে।
রাজশাহী বোর্ডে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৯২৬ জন এবং সাধারণ ৪ হাজার ১২৮ জন; কুমিল্লায় ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৬৭৭ জন এবং সাধারণ ৩ হাজার ৫৯৩ জন; ট্যালেন্টপুলে ৯৪৮ এবং সাধারণ বৃত্তি ২ হাজার ৩০ জন পেয়েছে সিলেট বোর্ডে, বরিশালে ট্যালেন্টপুলে ৮৭৩ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৭১ জন।
এ ছাড়া যশোরে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৬৬২ এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৫৬১ জন; চট্টগ্রামে ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ২১০ জন এবং সাধারণ বৃত্তি ২ হাজার ৫৯৩ জন; ট্যালেন্টপুলে ১ হাজার ৮০২ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৩ হাজার ৮৬১ জন দিনাজপুর বোর্ডে।
ফলাফল দেখার প্রক্রিয়া
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Scholarship Result’ অপশনে রোল নম্বর ও সাল (২০২৬) দিলেই ফল দেখা যাবে।
এসএমএস পদ্ধতি: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে বোর্ডের নাম, রোল নম্বর এবং সাল টাইপ করে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই ফিরতি মেসেজে রেজাল্ট জানা যাবে।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সম্মাননা
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসিক ৪৫০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা করে পাবে। এ বৃত্তির টাকা দুই বছর (নবম-দশম) পর্যন্ত দেওয়া হবে। এছাড়া তাদের বছরে এককালীন অর্থও দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৮ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ও চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।
৪৯ দিন আগে
শিক্ষাখাতে যুগোপযোগী সংস্কারে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার
শিক্ষাখাতে সময়োপযোগী ও মানসম্মত সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে বিশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত সিদ্ধান্ত—যেমন পরীক্ষা বন্ধ বা অটোপাস—নেওয়া হয়েছিল। তবে সেগুলো কখনোই কাঙ্ক্ষিত বা স্থায়ী সমাধান ছিল না। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর মধ্যে আনা।
আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা প্রতিবন্ধকতা যেন না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষকদের দলীয়করণ এবং শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকতার মূল দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের পাঠদান। দাবি-দাওয়া থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে; তবে ক্লাস ফেলে রাজপথে নামা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার শিক্ষকদের যথাযথ সম্মান বজায় রেখে দাবি বিবেচনায় সমাধানের পথেই অগ্রসর হবে।
শিক্ষার মান রক্ষায় নকলবিরোধী অবস্থান অব্যাহত থাকবে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আর বিশেষ অভিযানের প্রয়োজন হবে না; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা ও অধ্যয়নচর্চা জোরদারের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই নকল প্রবণতা কমে আসবে।
উপকূলীয়, চর ও হাওর অঞ্চলে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিক্ষাব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিকল্প ব্যবস্থা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা ও পরিমার্জনের বিষয়ে তিনি জানান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষা কমিশন গঠনের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন ও মনিটরিং জোরদার করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ, বদলি ও শৃঙ্খলাজনিত বিষয়ে জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পুনর্বিন্যাস ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনতে পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। কোনো প্রতিষ্ঠান সরকারি বিধিবিধানের বাইরে পরিচালিত হতে পারবে না। অনিবন্ধিত বা অস্থায়ী অবকাঠামোয় স্কুল পরিচালনা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অগ্নি নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত মানদণ্ড বাধ্যতামূলক করা হবে এবং নিবন্ধন ছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ থাকবে না।
তফসিল ঘোষণার সময়কালে ব্যাপক বদলি ও সম্ভাব্য অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো খতিয়ে দেখা হবে। নির্বাচন কমিশনের বিধান লঙ্ঘন বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করা হবে। প্রায় ১,৭০০ এমপিও আবেদন চূড়ান্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি পর্যালোচনা করে বাজেট বরাদ্দ ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দুর্নীতির প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার বিষয়ে মন্ত্রী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সংশ্লিষ্ট ট্রাস্ট দ্রুত পুনর্গঠন এবং বকেয়া ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।
দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান কারিগরি শিক্ষায় তত্ত্বের তুলনায় ব্যবহারিক শিক্ষার ঘাটতি রয়েছে—এটি সমন্বয় করা হবে। পলিটেকনিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে প্র্যাকটিক্যাল অংশ বৃদ্ধি, শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ জোরদার এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী সরকারের তাৎক্ষণিক তিনটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন—শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনতে উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি, জাতীয় কারিকুলাম রিভিউ ও পরিমার্জন এবং কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন।
ঘোষিত ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক—সব পর্যায়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১৮০ দিনের রোডম্যাপের মাধ্যমে কোন পর্যায়ে কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মান ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে মনিটরিং জোরদার করা হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, শিক্ষা খাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নৈতিকতা, জবাবদিহিতা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
৫৫ দিন আগে
ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী
দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে খোলা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাত মন্ত্রী, চার সচিব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা জননিরাপত্তা এবং ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে চাই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এর আগেও বলেছি- যারা নিরাপরাধ শিক্ষার্থী এবং যারা শান্তিপূর্ণভাবে এ আন্দোলন অংশগ্রহণ করেছে তারা কেউই যাতে কোনো ধরনের প্রশাসনিক হয়রানির শিকার বা আইনি জটিলতায় না পড়েন এই ঘোষণা দিয়েছি।
যেসব শিক্ষার্থী বা অভিভাবকরা যদি মনে করেন তারা নিরপরাধ তারা অবশ্যই সেটা নিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা সরাসরি তাদেরকে সকল ধরনের সহযোগিতা দেব। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে অবশ্যই সেগুলো বলা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: সাঈদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রশ্নে আমরা বারবার বলছি সবার আগে জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সকল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলতে চাই। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য আমাদের যে বিদ্যালয়গুলো আছে এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো আছে সেগুলোও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরূপণের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এই মুহূর্তে আমরা প্রতিদিন নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরূপণ করছি। এগুলো বিবেচনায় নিয়েই আমরা যথাসময়ে জানাব।
অনলাইনে ক্লাসের শুরুর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট যেহেতু সচল হয়েছে সেহেতু আমরা এই বিষয়টি বিবেচনায় নেব। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি। বেসরকারি কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। সেটা আমরা যথাসময়ে জানিয়ে দেব। এইচএসসি পরীক্ষা কখন হবে সেটাও আমরা যথাসময়ে জানিয়ে দেব৷
এর আগে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, কারফিউ, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ, চলমান বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আলোচনায় বসে ৭ মন্ত্রী ৪ সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা।
বৈঠকে শিল্প মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিক্ষা মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী,আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান আলোচনায় যোগ দেন। এছাড়া বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব, বাণিজ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও জননিরাপত্তা বিভাগের দুই সচিবও বৈঠকে ছিলেন।
এছাড়া আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এবং র্যাব, বিজিবি ও আনসারপ্রধান সহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও মৌন মিছিল
৬২৪ দিন আগে
এই মূহুর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই: শিক্ষামন্ত্রী
এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
সোমবার (২৯ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম ইস্যুতে শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী একথা বলেন।
এদিনও কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমেছে, এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।’
আরও পড়ুন: আগামী বছর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা এগিয়ে নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
‘এই মহূর্তে সেই পরিস্থিতি তো নেই। আর আপনারা যেমনটি বলছেন- কয়েকজন নেমেছে। কয়জন নেমেছে বা কী হয়েছে- সে ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমাদের কাছে তথ্য নেই। তথ্য পেলে আমরা জানাতে পারব।’
প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে মন্ত্রিসভায় কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটা নিয়ে আমি এখন কোনো মন্তব্য করব না। মন্ত্রিসভায় কী আলোচনা হয়েছে, সেটি নিয়ে বাইরে আলোচনা করা যায় না।’
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে গত ১ জুলাই থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যান দেশের ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
এর আগে, এই ইস্যুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তাদের বৈঠকও হয়। কিন্তু সে বৈঠকে সমাধান না আসায় আন্দোলন চালু রাখেন তারা।
আরও পড়ুন: পেনশন ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষকরা
নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
৬২৫ দিন আগে
পেনশন ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষকরা
সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে গত ১ জুলাই থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের লাগাতার সর্বাত্মক কর্মবিরতির পর অবশেষে তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
সোমবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৃত্তি কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
বৈঠকের শুরুতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছি। এর মাধ্যমে আলোচনার শুরু হলো। পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে- সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। এখানে তো আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। কারণ আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয় আছে, আরও অন্যান্য কর্তৃপক্ষ আছে। এখানে কিছু বিষয়ে আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে গত ১ জুলাই থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যান দেশের ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
এর আগে, এই ইস্যুতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তাদের বৈঠকও হয়। কিন্তু সে বৈঠকে সমাধান না আসায় আন্দোলন চালু রাখেন তারা।
আরও পড়ুন: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী এডিবি
রমজানে ২৫ মার্চ পর্যন্ত খোলা থাকবে স্কুল: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
৬২৫ দিন আগে
নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
বুধাবার (২৪ জুলাই) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থীদের কর্মযোগ্যতা বৃদ্ধির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
তিনি বলেন, ‘তাড়াহুড়ো করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে আবার সমস্যা সৃষ্টি করা ঠিক হবে না। আগে পরিবেশ তৈরি করা হবে। শিক্ষার পরিবেশ তৈরি হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হবে।’
বারবার আল্টিমেটামের ঘোষণা দিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা চলছে জানিয়ে নওফেল বলেন, ‘আন্দোলনকারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রায় দিয়েছেন এবং রায় অনুযায়ী সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।’
তিনি বলেন, 'বর্তমানে মূল দুশ্চিন্তার বিষয় এইচএসসি পরীক্ষা। ২৫ জুলাই অনুষ্ঠেয় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তারিখ পরে জানানো হবে।’
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিবার্য কারণবশত সব শিক্ষা বোর্ডের ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৮ জুলাই থেকে অন্যান্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠেয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়।
আরও পড়ুন: আগামী বছর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা এগিয়ে নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্মবিরতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
৬৩০ দিন আগে