পোশাক কারখানা
আশুলিয়ার পোশাক কারখানার অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৮
আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার একটি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জিরোবো ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন।
নিহত ব্যক্তি একজন সবজি বিক্রেতা, তবে তার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামগড়া চৌরাস্তা এলাকার প্রীতি গ্রুপের ‘এফ অ্যান্ড এফ’ কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে গ্যাস সিলিন্ডার খালাস করার সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত সাড়ে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পার্শ্ববর্তী একটি পোশাক কারখানার লাইনম্যান ও প্রত্যক্ষদর্শী লিটন মিয়া জানান, বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পরপরই আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন জানান, আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলায় মারাত্মক যানজট ও রাস্তার বেহাল দশার কারণে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও সার্বিক পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
৩ দিন আগে
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন
সাভারের আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে জামগড়া চৌরাস্তার দাদা মার্কেট এলাকায় প্রীতি গ্রুপের একটি কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিস, ডিইপিজেড, সাভার ও উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট কাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর বিকট শব্দে একটি বয়লার বিস্ফোরিত হয়। এতে আশপাশের কয়েকটি ভবনের থাই গ্লাস ভেঙে পড়ে।
প্রীতি গ্রুপের লাইনম্যান লিটন মিয়া মুঠোফোনে বলেন, তাদের কারখানায় শিপমেন্টের জরুরি কাজ চলছিল। মাগরিবের নামাজের পর হঠাৎ অগ্নিকাণ্ড হলে তারা সবাই আতঙ্কিত হয়ে নিচে নেমে আসেন।
তিনি আরও বলেন, একটি বয়লার বিস্ফোরিত হয়েছে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে সে সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।
জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাবুদ্দিন অগ্নিকাণ্ডের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ভাঙা রাস্তা ও যানজট পেরিয়ে দীর্ঘ সময় পর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পেরেছি। আপাতত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেছি, এর বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।
ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর সোমেন বড়ুয়া বলেন, ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে আমাদের কাছে অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। তবে বাইপাইল সড়কে অনেক যানজট হওয়ায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে আমাদের ৮টা বেজে গেছে। বেশ দেরি হয়ে গেছে। আমরা কাজ শুরু করেছি।
৪ দিন আগে
তিন বছরে ৪ শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বিগত তিন বছরে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জের কারণে দেশে ৪০০টির বেশি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সদস্য ২৮২টি ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সদস্য ১২০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে।’
বিজিএমইএর ২২ জুন প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে আটটি প্রধান কারণ রয়েছে। এগুলো হলো—কোভিড-১৯ মহামারি; রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ; মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত; বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা; বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা; অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট; ভারত, ভিয়েতনাম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি; এবং সহজে সরাসরি তদারকি করতে চাওয়ার কারণে বিদেশি ক্রেতাদের ছোট ও মাঝারি কারখানায় ক্রয়াদেশ দিতে অনীহা।
বৈশ্বিক পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর উন্নত দেশগুলোর দেওয়া বিভিন্ন বাণিজ্য সুবিধার আওতায় অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা হারাবে, যার ফলে ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সই করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা করছে।
তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব (আরসিইপি) জোটভুক্ত দেশগুলো, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, চীন ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় রপ্তানি বাজারের সঙ্গে ইপিএ, সিইপিএ বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের উদ্যোগও চলছে।
বিএনপির সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিহার আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫০৫ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের জুলাইয়ে এ খাত থেকে ৩ দশমিক ৮৮৬৭২ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে।
এছাড়া জামায়াতের সংসদ সদস্য আবদুল বাতেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আরও বেড়েছে। বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে বাংলাদেশ ভারত থেকে ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বাকি অংশ ছিল প্রতিবেশী দেশটি থেকে আমদানি।
চীনের সঙ্গেও বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তবে সরকার কোনো একটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আলাদাভাবে মোকাবিলার পরিবর্তে সামগ্রিক রপ্তানি সক্ষমতার দিকে গুরুত্ব দিতে চায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত সামগ্রিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো।’
তিনি জানান, রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে—এমন খাত হিসেবে চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও সেমিকন্ডাক্টরকে সরকার চিহ্নিত করেছে। এসব খাতের রপ্তানি সক্ষমতা জোরদার করতে নীতিগত সহায়তা ও নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের পক্ষ থেকে কিছু বাধা রয়েছে। তবে গত দুই বছরে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশও কিছু বাধা তৈরি করেছে।
মুক্তাদির জানান, সম্প্রতি ভারতের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে সফর করেছে এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। সরকার এই প্রস্তাবে আগ্রহ দেখিয়েছে।
ভারত থেকে বাংলাদেশের বেশি আমদানির কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, এসব আমদানির বেশির ভাগই করেছে বেসরকারি খাত, সরকার নয়। ব্যবসায়ীরা যেসব উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য পেতে পারেন, সেখান থেকেই আমদানি করেন বলে তিনি জানান।
বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদে যে পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন, তাতে দেখা যায়, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ২০২১ অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ৩১৪ বিলিয়ন ডলার, ২০২২ অর্থবছরে ১১ দশমিক ৬৯৯ বিলিয়ন ডলার, ২০২৩ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৭১৭ বিলিয়ন ডলার, ২০২৪ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৪৩১ বিলিয়ন ডলার ও ২০২৫ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৮৬০ বিলিয়ন ডলার।
এছাড়া চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সারওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তাদির বলেন, ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ প্রায় পুরোপুরি আমদানিনির্ভর। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বছরে আনুমানিক ২২ লাখ থেকে ২৫ লাখ টন ভোজ্যতেলের প্রয়োজন হয়।
২১ দিন আগে
গাজীপুরে পোশাক কারখানায় অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ
গাজীপুরের ভোগড়া এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় হঠাৎ করে অন্তত অর্ধশত শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে ১৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার পর কারখানাটিতে ছুটি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১১ মে) সকালে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোগড়া এলাকার প্যানাসিয়া ক্লোদিং লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
কারখানার শ্রমিকরা জানান, সকালে তারা কারখানায় গিয়ে মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন। মিলাদ শেষে একে একে শ্রমিকরা অসুস্থ হতে থাকেন। পরে তাদের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত শুক্রবার (৮ মে) শ্বাসকষ্টে কারখানার একজন শ্রমিক মারা যান। এতে অন্য শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, গণ মনোদৈহিক রোগে আক্রান্ত এসব রোগীদের নিয়ে তেমন কোনো আশঙ্কা নেই। চিকিৎসা দেওয়ার পর আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠবেন তারা।
এদিকে, কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথমে একজন নারী শ্রমিক হঠাৎ চিৎকার করে ওঠেন। এরপর থেকেই অন্যরা অসুস্থ হতে থাকেন। বিষয়টি পরিকল্পিত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১৩৬ দিন আগে
গাজীপুরে কারখানা বন্ধের ঘোষণায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নোটিশে শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। কারখানা খুলে দেওয়া এবং তাদের কিছু দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে কারখানার প্রধান ফটকে জড়ো হয়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিক ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ী থানাধীন আমবাগ এলাকার পি এন কম্পোজিট লিমিটেড কারখানার এক শ্রমিক গত ৭ ডিসেম্বর জরুরি কাজে কারখানা থেকে বের হয়ে বাইরে যান। যখন তিনি কাজ শেষ করে ফিরে আসেন, তখন কারখানার এক কর্মকর্তার সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরের দিন, অর্থাৎ গতকাল (সোমবার) শ্রমিকদের কয়েকজন ওই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। সারা দিন শ্রমিকদের বুঝিয়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ। বিকেলে শ্রমিকরা চলে গেলে কর্তৃপক্ষ রাতেই সিদ্ধান্ত নিয়ে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে। বন্ধের নোটিশ কারখানার প্রধান ফটকে সেঁটে দেওয়া হয়।
নোটিশে লেখা রয়েছে, পি এন কম্পোজিট লিমিডেটের সংশিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ৭ ডিসেম্বর থেকে কারখানার শ্রমিকরা কিছু অযৌক্তিক দাবি উত্থাপন করে, অবৈধভাবে কারখানায় সংঘবদ্ধ হয়ে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে। চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি করে এবং অবৈধ ধর্মঘটে লিপ্ত হয়, যা আজও চলমান। এর ফলশ্রুতিতে কারখানার অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। এ ছাড়াও কারখানার নির্ধারিত রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে কোম্পানি বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুক্ষীন হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আহ্বান জানায় যে, যে কোনো প্রকার দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব এবং সবাইকে উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিন্তু শ্রমিকরা কাজে যোগদান করা থেকে বিরত থাকে। ফলে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। শ্রমিকদের এই আচরণ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী বেআইনি ধর্মঘট হিসেবে গণ্য হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কারখানার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় কারখানা কর্তৃপক্ষ এই কারখানার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে বাধ্য হয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা মোতাবেক মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করল। পরবর্তীতে কারখানা চালু করার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলে খোলার তারিখ নোটিশের মাধ্যমে জানানো হবে।
মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে গিয়ে জানতে পারেন, কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে তারা উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশ ও কোনাবাড়ি থানা পুলিশ শ্রমিকদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে জানতে কারখানার ব্যবস্থাপক তাপসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গত ৭ ডিসেম্বর ডিউটি চলাকালীন একজন শ্রমিক কারখানার বাইরে যায়। পরে তার সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হলে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেয়। একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করলেও তারা কথা না শুনে সোমবারও কাজ বন্ধ করে দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। পরে কর্তৃপক্ষ সকাল থেকে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ঘটনাস্থলে শিল্প ও থানা পুলিশ রয়েছে। শ্রমিক এবং কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি কীভাবে সমাধান করা যায় সেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
২৮৯ দিন আগে
৩ কারখানা মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার
শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে অবহেলা এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশে অবস্থানের অভিযোগে টিএনজেড গ্রুপ, ডির্ড গ্রুপ এবং রোয়ার ফ্যাশন লিমিটেডসহ তিনটি পোশাক কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে অনুরোধ জানানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
অভিযুক্তরা হলেন- টিএনজেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন শামীম, ডির্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ইত্তেমাদ উদ দৌলা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল উদ দৌলা এবং রোয়ার ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুল ইসলাম।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজীপুরের শ্রম আদালত এবং ঢাকার প্রথম ও তৃতীয় শ্রম আদালতে দায়ের করা মামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যারা শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় আচরণ করবে তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রম অধিকার ও প্রাসঙ্গিক আইন লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা পরিশোধ নিশ্চিত করার জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে, পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখা কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অনুরোধ পাঠিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফী সিদ্দিকী বলেন, ‘শ্রমিকদের বৈধ অধিকারের বিষয়ে কারখানা মালিকদের অবহেলা বা অসহযোগিতামূলক আচরণ সহ্য করা হবে না। এই ধরনের পদক্ষেপের জন্য অবশ্যই পরিণতি ভোগ করতে হবে। শ্রম উপদেষ্টার দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করি আমি।’
৩৮৭ দিন আগে
এখন থেকে পোশাক কারখানায় গ্যাস সংকট থাকবে না: জ্বালানি উপদেষ্টা
এখন থেকে তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে আর গ্যাস সংকট থাকবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
শনিবার (৩১ মে) সাভারের আশুলিয়ার ডিইপিজেড এলাকার নতুন জোনে অবস্থিত বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্ট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, আজ থেকে সব পোশাক কারখানায় লাইনে বাড়বে এবং চারটা নতুন এলএমজি কার্গো আনা হয়েছে এবং সরবরাহ শুরু হয়ে গেছে। তাই আজ থেকে গ্যাস সংকট থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে আন্দোলন করার কোনো কারণ নেই এবং কোনো অচলাবস্থাও নেই। আন্দোলকারীদের যেসব দাবি দাওয়া আছে, যেগুলো যৌক্তিক, সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ অফিস পরিদর্শনের পর উপদেষ্টা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলমান বিক্ষোভের বিষয়ে কথা বলেন।
তিনি বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ ও গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি)-এর মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা আগামীকাল চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।
আরও পড়ুন: দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম প্রয়োজন: জ্বালানি উপদেষ্টা
তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। বলেন, ‘আমরা এ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি এবং দ্রুতই সমাধান হবে। এ নিয়ে মিছিল-মিটিং করে কোনো লাভ নেই, বরং ক্ষতি হয়। এর আগেও প্রায় ২৬-২৭টি স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এটি ছিল নাশকতা। সে কারণে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে।’
পল্লীবিদ্যুৎ অফিস পরিদর্শনের সময় জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভেজ আহমেদ, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইফুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আজিমসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
৪৮১ দিন আগে
শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সোয়া ১২ কোটি টাকা সহায়তা দিল সরকার
ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে তিনটি পোশাক কারখানাকে ১২ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় শ্রম অসন্তোষ নিরসনে গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করায় টিএনজেডের একটি কারখানার প্রশংসা করেন তিনি। ‘শ্রমিকদের চলমান অসন্তোষ নিরসনে মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিএনজেড গ্রুপের অ্যাপারেলস ইকো লিমিটেড গাড়ি বিক্রি করে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে।’
কারখানাটির ভূমিকার প্রশংসা করে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা এর আগে বাংলাদেশে হয়েছে কিনা; আমার জানা নেই। মালিক অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন।’
‘রোয়ার ফ্যাশন নামক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে তাদের শ্রমিকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে পাওনাদি পরিশোধের জন্য এরইমধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় তহবিলের আপদকালীন হিসাব থেকে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫৩৪ টাকা দেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন উপদেষ্টা।
আরও পড়ুন: শ্রমিকদের টাকা না দিলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে: প্রিমিয়ারের এমডিকে উপদেষ্টা
তবে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগের আওতায় পড়বে না বলে জানান তিনি।
এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মাহমুদ গ্রুপের দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতাদি পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ সহায়তা বাবদ ১১ কোটি টাকা ছাড় করেছে বলেও জানান শ্রম উপদেষ্টা।
স্টাইলক্রাফট অ্যান্ড ইয়াংওয়ান বিডি লিমিটেড বেতন-ভাতাদি পরিশোধের জন্য মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) একটি সভা হয়েছে। সভায় শ্রমিকদের পাওনাদি পরিশোধের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ সময় পোশাক শিল্পে উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে উডদেষ্টা জানান, চলতি বছরে পোশাক শিল্পে ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
৫৪৬ দিন আগে
গাজীপুরে পোশাক কারখানার নিরাপত্তাকর্মী নিহত, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ
গাজীপুর সদরে বাসের ধাক্কায় অনন্ত ক্যাজুয়েল কারখানার নিরাপত্তা কর্মী মুন্নাফ মালিথা নিহত হন।
শনিবার রাতে তারগাছ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পোশাক কারখানা শ্রমিকরা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাতে তারগাছ এলাকায় বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন অনন্ত ক্যাজুয়েল কারখানার নিরাপত্তা কর্মী মুন্নাফ মালিথা। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া পথে মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন: গাজীপুরে ৬টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ
মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত শ্রমিকরা তিনটি গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করেন এবং কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করেন। এ সময় তারা মহাসড়কে অবরোধও করেন। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন লোকজন। পরের রাত সোয়া ১০টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার মো. শাহিন আলম জানান,
বাসসহ তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপন ইউনিট আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তাদের যেতে বাধা দেন। এতে নিরুপায় হয়ে তারা ফিরে আসেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কায়সার আহমেদ জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নিরাপত্তাকর্মী আশঙ্কাজনক অবস্থায় টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
আরও পড়ুন: সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ
৬৬২ দিন আগে
সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে ৫ পোশাক কারখানা বন্ধ
সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুরের ১২৭৮টি পোশাক কারখানার মধ্যে মাত্র পাঁচটি সোমবার বন্ধ রয়েছে।
সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাভার, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ প্রধান কেন্দ্রগুলোতে পোশাক শিল্পে উল্লেখযোগ্য কোনো বাধা-বিপত্তি দেখা যায়নি।
সাভার ও আশুলিয়া এলাকার ৪০৭টি কারখানার মধ্যে মাত্র তিনটি কারখানা বন্ধ রয়েছে এবং গাজীপুরে ৮৭১টির মধ্যে দুটি কারখানা বন্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন: মিরপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
এসব এলাকায় বেশিরভাগ বা ৯৯ দশমিক ২৬ শতাংশ কারখানা খোলা রয়েছে। বন্ধ রয়েছে ০.৭৪ শতাংশ।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জে সব পোশাক কারখানা খোলা রয়েছে।
আরও পড়ুন: ৩৯ পোশাক কারখানার জন্য সহজ শর্তে ৫৪ কোটি টাকা ঋণ চায় বিজিএমইএ
৭১০ দিন আগে