সমাজকল্যাণমন্ত্রী
মন জয় করতে পারলে জনগণ পাশে থাকবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেছেন, সফল হতে হলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে কুঁচদহ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘ঐক্যতেই শক্তি। একটি লাঠি সবাই ভেঙে ফেলতে পারে, কিন্তু ১০টি লাঠি একসঙ্গে বাঁধা থাকলে তা ভাঙা কঠিন। ঠিক তেমনি আমরা সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো শক্তিই আমাদের দুর্বল করতে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, শুধু মঞ্চে উপস্থিত মানুষের কাছে নয়, সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে যেতে হবে। বিশেষ করে যেসব মা-বোন এখনও আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। কথাবার্তা, আচরণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করতে পারলে জনগণও পাশে থাকবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়লে জনগণ তাদের ওপর আস্থা হারাবে। তাই ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের কষ্টের সময়ে সহযোগিতা করলে মানুষও সহযোগিতা করবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আদিবাসী, হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান কিংবা সাঁওতাল, আমরা সবাই মানুষ। আমাদের সবার রক্তের রং একই। তাই কোনো ভেদাভেদ নয়, বরং পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতার ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কেন অন্যের জায়গা দখল করব বা একে অপরের প্রতি হিংসা পোষণ করব? সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।’
এছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়নে স্থানীয় জনগণের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছেন কি না এবং শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পাঠদান পাচ্ছে কি না, তা খেয়াল রাখার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়, সমাজেরও। স্কুল পরিচালনা কমিটি, অভিভাবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সন্তানরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছে কি না এবং ভালোভাবে পড়াশোনা করছে কি না, তা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। শিক্ষিত ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
সভায় বিএনপির স্থানীয় ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করা, দলীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
মতবিনিময় সভায় বিএনপির বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও মজবুত করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিক ভূমিকা রাখতে হবে।
সভা শেষে নেতাকর্মীরা আগামী দিনে দলকে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
৫ দিন আগে
আগামী ৫০ বছরের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) ‘দ্য ফার্স্ট ওপেন হার্ট সার্জারি ডে’ ও ‘কার্ডিওভাস্কুলার সার্জিক্যাল কনফারেন্স অব এনআইসিভিডি-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু।
দেশে হৃদরোগ চিকিৎসার আধুনিকায়নে যেসকল প্রথিতযশা চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ নিরন্তর শ্রম দিয়েছেন, অনুষ্ঠানে তাদের অবদানকে মন্ত্রী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রারম্ভিক পর্যায়ে দক্ষ সার্জন গড়ে তুলতে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করায় বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র জাপানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, আমরা কেউ চিরদিন থাকব না, এ দেশ থাকবে এবং এ দেশের মানুষ থাকবে; তাই আগামী পঞ্চাশ বছরের চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
তিনি বলেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে প্রদান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তবে একই সঙ্গে রাষ্ট্রের সামগ্রিক আর্থিক সঙ্গতির বিষয়টিকেও বাস্তবসম্মতভাবে বিবেচনায় রাখতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে হৃদরোগ ও জন্মগত হৃদরোগের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ রোগ কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা না গেলে ভবিষ্যতে উৎপাদনশীল কর্মক্ষম জনসংখ্যার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। হৃদরোগ চিকিৎসার ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সরকার ইতোমধ্যে চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ভাল্ব এবং স্টেন্ট (রিং)-এর ওপর ট্যাক্স মওকুফ করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা সম্প্রসারিত হওয়ায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণের প্রবণতা অনেকাংশেই কমে এসেছে। সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে এবং জনকল্যাণে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সরকারের পাশাপাশি এ সকল মানবিক কাজে সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে হৃদরোগের সব ধরনের উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে। বিগত সময়ের অনিয়ম কাটিয়ে বর্তমান সরকার জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে, যার অংশ হিসেবে জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।
আলোচনার পূর্বে মন্ত্রী একটি বর্ণাঢ্য র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি নিম গাছ রোপণ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালে ডা. জন হেইশাম গিবনের হাত ধরে বিশ্বে ওপেন হার্ট সার্জারির সূচনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার এনআইসিভিডিতে কার্ডিও-পালমোনারি বাইপাসের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে প্রথম সফল ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন হয়। ঐতিহাসিক এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছর দেশে ১৮ সেপ্টেম্বর ‘দ্য ফার্স্ট ওপেন হার্ট সার্জারি ডে’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক, বিশিষ্ট কার্ডিয়াক সার্জন, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
লালমনিরহাটে মন্ত্রীদের সামনে বিএনপির ২ গ্রুপের মারামারি
লালমনিরহাটে দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারি হয়েছে। এ সময় একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দুজন আহত হন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত দেড়টার দিকে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ ঘটনা ঘটে।
জেলা বিএনপির সভাপতি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া লালমনিরহাট-১ ও ২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান ও রোকন উদ্দিন বাবুলও উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, রোকন উদ্দিন বাবুল ও তার চাচাতো ভাই কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। গত নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার পর তাদের দুজনের অনুসারীদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে এবং এ আসনের বিএনপি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
নির্বাচনের সময় ধানের শীষের পক্ষে কাজ না করে গোপনে বিরোধিতা করার অভিযোগও ওঠে বিএনপির একটি অংশের বিরুদ্ধে। ওই অংশের নীরব বিরোধিতার পরও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রোকন উদ্দিন বাবুল। এতে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব আরও প্রকট আকার ধারণ করে। তার পর থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিও পৃথকভাবে পালন করে আসছেন দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা।
গতকাল (রবিবার) জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় যোগ দিতে লালমনিরহাট আসেন। রাত ১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে তিনি জেলা বিএনপির আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
সভায় কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলমের অনুসারী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুলের দলীয় কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত রোকন উদ্দিন বাবুলের অনুসারী ও সমর্থকরা তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ওই নেতার বিরুদ্ধে ধানের শীষের বিরোধিতা করার অভিযোগ তোলেন।
একপর্যায়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং জেলা বিএনপির সভাপতি ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর উপস্থিতিতেই অডিটরিয়ামজুড়ে হট্টগোল ও মারামারি শুরু হয়।
পরে আসাদুল হাবিব দুলুর দীর্ঘ চেষ্টা এবং জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর থেকে লালমনিরহাট জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে থমথমে অবস্থা ও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এদিকে এ ঘটনার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন পলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান। আহত হন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামছুজ্জামান সবুজ ও একই উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আখেরুজ্জামান স্বাধীন। হামিদুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী এক নেতা বলেন, পঞ্চগড়ের চেয়ে হাজারগুণ বড় হট্টগোল এখানে হয়েছে। যারা ধানের শীষে ভোট না দিয়ে বিরোধিতা করেছে তারা আজও দলীয় পদ নিয়ে সংসদ সদস্যের বিরোধিতা তথা উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা করছে। এদের কারণে দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। যারা সংসদ সদস্যের বিরোধিতা করছে তারা নির্বাচনের সময়ও ধানের শীষের বিরোধিতা করেছে।
হামিদুর রহমানের ছেলে নাসির ইমতিয়াজ নিলয় বলেন, আমার বাবা অনেক অসুস্থ। তাকে কার্ডিওলজি বিভাগের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি মধ্যরাতে দলীয় কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় গিয়ে ধাক্কাধাক্কিতে অসুস্থ হয়েছেন। তিনি তার বাবার সুস্থতায় সবার কাছে দোয়া চান।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ জানান, জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভায় উত্তেজনা হয়েছিল। তবে কী কারণে হয়েছে এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই। খবর পেয়েই গিয়ে দেখি পরিবেশ শান্ত হয়ে গেছে। হামিদুর নামের একজন ধাক্কাধাক্কি আর চিৎকার-চেঁচামেচিতে অসুস্থ হলে আমাদের গাড়িতে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হককে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
১০ দিন আগে
সংকটে দেশ উদ্ধারের দায়িত্ব মানুষ বিএনপিকেই দেয়: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
দেশ যখনই কোনো কঠিন সংকটে পড়ে, তখন দেশের মানুষ সেখান থেকে উত্তরণের দায়িত্ব বিএনপির ওপরই দেয় বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেছেন, সংকটকালে দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষায় সঠিক নেতৃত্ব দেওয়াই বিএনপির প্রধান দায়িত্ব। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে দলের অভ্যন্তরে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতাকর্মীদের সতর্ক করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে তার চূড়ান্ত লাভ হবে ‘গুপ্ত ও পলাতক বাহিনীর’।
তিনি বলেন, ‘দল না থাকলে পদের কোনো দাম নেই। আর ডিসিপ্লিন না থাকলে কোনো সংগঠন কখনোই সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই সবাইকে দলের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকতে হবে।’
বক্তব্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আমাদের কঠিন সময় পার করতে হবে।’ এ সময় দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সভাপতিত্বে সভায় লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুলসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
এ সময় জেলার পাঁচ উপজেলার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
১৬ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
পরীক্ষামূলক প্রকল্পের পর আগামী ১৬ আগস্ট থেকে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, চলতি মাসের ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করবেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি একটি ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’-ভিত্তিক ব্যবস্থা। মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। কেউ দরিদ্র থেকে স্বাবলম্বী হলে বা আবার আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়লে সেই পরিবর্তনও নিবন্ধনে প্রতিফলিত হবে।
তিনি বলেন, ‘তথ্য সংগ্রহের পর ইউনিয়ন পর্যায়ে গণশুনানির আয়োজন করা হবে। এতে প্রকৃত উপকারভোগী যাতে বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যাতে অন্তর্ভুক্ত না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। প্রতি মাসেই তথ্য পর্যালোচনা ও হালনাগাদের ব্যবস্থা থাকবে।’
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘এই কর্মসূচিতে ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। সবার জন্য একই নীতিমালা অনুসরণ করা হবে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হবে।’
তিনি জানান, চলতি মাসের ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিবাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করবেন। এরপর অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলা ও ইউনিয়নে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে চার বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো এই সহায়তা শুধু ভাতা হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করে তোলা। বিশেষ করে পরিবারের নারী সদস্যরা এই অর্থ শিশুদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, হাঁস-মুরগি পালন, গাছ লাগানো, কুটিরশিল্প, সেলাই বা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রমে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন যেমন বাড়বে, তেমনি গ্রামীণ দারিদ্র্যও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।’
তিনি বলেন, ‘কর্মসূচির প্রভাব নিয়মিত মূল্যায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগ, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ও দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মাধ্যমে স্বাধীন মূল্যায়নের ব্যবস্থাও রাখা হবে। ছয় মাস পর কর্মসূচির প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।’
তিনি জানান, ইতোমধ্যে দেশের ৫৬টি স্থানে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যশোর ও নেত্রকোনার কলমাকান্দায় স্থানীয়ভাবে কিছু তথ্য সংগ্রহের সমস্যা দেখা দিলেও তা সংশোধন করা হয়েছে। বাকি ৫৪টি এলাকায় কার্যক্রম সফল হয়েছে এবং প্রতারণার হার ৩ শতাংশেরও কম ছিল।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়ায় তিন স্তরের তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে পৃথক কমিটি কাজ করবে। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং জাতীয় পর্যায়ে মন্ত্রিসভা কমিটি পুরো কার্যক্রম তদারকি করবে।
‘একজন ব্যক্তি যাতে একাধিক ভাতা না পান, সেজন্য অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা হবে। পুরো কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’
৪৯ দিন আগে
অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মানবিক বাংলাদেশে অর্থের অভাবে কারও চিকিৎসা বন্ধ থাকবে না।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটে ‘ওয়ার্ল্ড হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার ডে ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ বছর বিশ্বের ১৭১টি দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘প্রকাশ করুন, দ্রুত নির্ণয় করুন, জীবন বাঁচান’।
মন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন নয়, সার্বিক উন্নয়নেও বদ্ধপরিকর। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
সমাজে বসবাসরত মূক ও বধির ব্যক্তিরাও যে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটে নবনির্মিত অডিটরি ভারবাল থেরাপি (এভিটি) সেন্টারের উদ্বোধন করেন।
এ সময় জানানো হয়, যেসব শিশু জন্মগতভাবে বা পরবর্তীকালে শ্রবণশক্তি হারিয়েছে এবং অন্য কোনো উপায়ে যাদের শ্রবণশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়, তাদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ব্যয়বহুল কক্লিয়ার ইমপ্লান্টেশন সার্জারি করা হয়। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত এভিটি সেন্টারে থেরাপির মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিকভাবে কথা বলা শেখানো হবে। সেই সঙ্গে বিভাগীয় পর্যায়েও এভিটি সেন্টারের কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি মাথা ও ঘাড়-সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে অনুদানের চেক ও চিকিৎসা-সহায়ক ডিভাইস বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মাজহারুল শাহীন এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর হেড অ্যান্ড নেক সার্জনসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুস সাত্তার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় নাক, কান ও গলা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. হাসান জাফর।
৫৯ দিন আগে
সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে নানাবাড়ির দিকে নজর দিতে বললেন স্পিকার
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনকে তার নানাবাড়ি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার অনুরোধ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের উপর ময়মনসিংহ ১০ (গফরগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে ময়মনসিংহ ১০ (গফরগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আমার এলাকাটা অত্যন্ত অবহেলিত। এই এলাকাটিতে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকারমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রীসহ এখানে যারা রয়েছেন, তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সমাজকল্যাণমন্ত্রীর জন্মও কিন্তু আমার গফরগাঁওয়ে! উনার নানার বাড়ি আমার গফরগাঁওয়ে, আমার এই মন্ত্রী মহোদয়রা যদি একটু দৃষ্টি দেন এই অবহেলিত জনপদের প্রতি, তাহলে এই গফরগাঁওয়ের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। পিছিয়ে পড়া এই জনপদটি এগিয়ে যাবে। আমি আশা করব, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে গফরগাঁওকে গুরুত্ব দিয়েছেন, মন্ত্রী মহোদয়রাও যেন সেভাবে গুরুত্ব দেন।’
এ সময় সংসদে উপস্থিত সমাজকল্যাণমন্ত্রীর উদ্দেশে স্পিকার বলেন, ‘সমাজকল্যাণমন্ত্রী, নানার বাড়ির দিকে খেয়াল রাখবেন।’
গফরগাঁওকে অবহেলিত শুনে স্পিকার প্রশ্ন করেন, ‘গফরগাঁওয়ের বেগুন তো আছে!’ জবাবে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘লাফা বেগুন সেটিও বিলুপ্ত হয়ে গেছে।’
আক্তারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমার এলাকার কিছু সমস্যার কথা আমাকে বলতেই হবে এখানে। আমি যে এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছি, ৪৭ বছর পর ওই এলাকা থেকে এই সংসদে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। আমি ছিলাম গোলন্দাজের জুলুমের রাজ্যে।
‘আমার এখানে জিয়া হত্যার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন অবসরপ্রাপ্ত গিয়াস এই মহান সংসদে এসে এই সংসদকে কলঙ্কিত করেছিলেন। তারা জুলুমের রাজ্য কায়েম করেছিলেন, আমি ইনসাফের রাজ্য কায়েম করতে চাই। সেই ইনসাফের রাজ্য কায়েম করতে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করব, সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগে অবকাঠামো উন্নয়নে বিভাগভিত্তিক বরাদ্দ রয়েছে, কিন্তু ময়মনসিংহ বিভাগ সেখানে অন্তর্ভুক্ত নেই। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এখানে রয়েছেন, উনি অত্যন্ত আন্তরিক। আমি উনার প্রতি অনুরোধ জানাব, উনি সারা বাংলাদেশের মতোই ময়মনসিংহ বিভাগকে, ময়মনসিংহ জেলাকে ও আমার পিছিয়ে পড়া গফরগাঁও-পাগলার প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জুলাইয়ে যুদ্ধ করেছি। এখানে উপস্থিত অনেকেই জুলাইয়ে যুদ্ধ করেছেন, আমাদের সন্তানেরাও করেছেন। কিন্তু অনেকেই জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন। আমরা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করি না, আমরা জুলাইকে ধারণ করি। জুলাই তো বিক্রি করার বিষয় নয়।’
ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য আরও বলেন, যারা জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন জনগণের সামনে তুলে ধরা উচিত। অনেকেই আগে রিকশায় চড়তেন, এখন প্রাডো গাড়িতে চড়েন, আর জুলাইয়ের চেতনা বিক্রি করেন। আমি এখনও যে গাড়িতে আগে চড়তাম, সেই গাড়িতেই চলাফেরা করি। নির্বাচনের সময় গাড়িটির অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেছে, তারপরও সেটিই ব্যবহার করছি।
৯১ দিন আগে
অবহেলিত শিশুরা দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, অবহেলিত শিশুরা যেন বড় হয়ে সমাজের বোঝা না হয়ে বরং দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে ওঠে এবং স্বাবলম্বী হয়, সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার।
একইসঙ্গে শিশুদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এ ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন মন্ত্রী।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রংপুর নগরের মর্ডান মোড়ে অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার ঝটিকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সমাজের অবহেলিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তারা যেন নিজেদের পরিবারহীন বা সুবিধাবঞ্চিত মনে না করে, সে ধরনের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বলেও তিনি জানান।
১৭৩ দিন আগে
জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই চিকিৎসকদের সেবায় এগিয়ে আসতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ট ফেইলিউর বিভাগ এবং বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত ‘ব্রিজ দ্য গ্যাপ বিটুইন ড্রাগস, ডিভাইসেস অ্যান্ড সার্জারি ইন হার্ট ফেইলিউর’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তর্জাতিক হার্ট ফেইলিউর কনফারেন্সের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। জনগণের প্রতি সেই দায়বদ্ধতা থেকেই চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক ব্যাধি ও সংক্রামক ব্যাধির প্রতিকার বা প্রতিরোধের জন্য সরকারের যে প্রতিষ্ঠিত কাঠামো রয়েছে, সেই কাঠামোকে আরও কার্যকর, সমন্বিত এবং জনমুখী করতে হবে, যাতে করে চিকিৎসাসেবা দেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. শফিউদ্দিন।
জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে হৃদরোগীদের চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজেস (এনআইসিভিডি) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তীতে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে এটি হৃদরোগ চিকিৎসায় অন্যতম প্রধান বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, হার্টের রোগের বিভিন্ন ক্যাটাগরি রয়েছে যা পুষ্টিগত গুণাগুণ কিংবা নারী-পুরুষ ও ধনী-দরিদ্র কোনো শ্রেণিভেদে নির্ধারিত হয় না; এ রোগ সবার হয়।
জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে হৃদরোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা হৃদরোগীর সংখ্যার তুলনায় কম। উপস্থিত চিকিৎসকদের হৃদরোগবিদ্যার টেকনিক্যাল এক্সপার্ট উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারাই নির্ধারণ করবেন কীভাবে আপনারা হৃদরোগীদের সেবা দেবেন। দেশের নীতি-নির্ধারকদের আপনারাই রাস্তা দেখাবেন, কীভাবে এই সেক্টরে উন্নয়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের মধ্যে সম্ভাবনা রয়েছে। আপনারা যারা হৃদরোগবিদ্যার প্রশিক্ষক রয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারদের বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তাদের দায়িত্ব নিতে হবে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, দক্ষ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা বৃদ্ধি, চিকিৎসা অবকাঠামোর সম্প্রসারণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে হৃদরোগীদের জন্য বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আপনাদেরই দায়িত্বশীল এবং অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রখ্যাত কয়েকজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের স্মরণ করেন এবং প্রথমবারের মতো এ ধরনের সম্মেলন আয়োজনের জন্য আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরও বলেন, এ ধরনের সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, হৃদরোগবিদ্যায় প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সর্বোপরি, হৃদরোগীদের সেবার মানোন্নয়নের জন্য এটি একটি শক্তিশালী ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং সরকারকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
চিকিৎসাকে মহান পেশা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পেশার মহত্ত্বই সমাজে অন্যদের থেকে তাদের আলাদা মর্যাদা দেয়। তিনি চিকিৎসকদের মানবিকতার ব্রত নিয়ে রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা দেওয়ার আহ্বান জানান। দেশের চিকিৎসাখাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য চিকিৎসকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সম্মেলনের সমাপনী পর্বের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বাংলাদেশ হার্ট ফেইলিউর অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা করা। এ কমিটিতে সভাপতি হিসেবে অধ্যাপক ডা. আতাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক ডা. ডিএমএম ফারুক ওসমানী খোকন এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ডা. এস এম ই বাকেরের নাম ঘোষণা করা হয়।
দুইজন প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কে এম এইচ এস সিরাজুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলামকে হৃদরোগবিদ্যায় বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ছাড়াও ডা. শহিদুল হকের হার্ট ফেইলিউরের ওপর লিখিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ। সুইজারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল জুরিখ থেকে আগত অধ্যাপক ড. রবার্ট মানকা, যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ হাসপাতালের হার্ট ফেইলিউর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক থেরেসা এ. ম্যাকডোনাঘ, রয়্যাল প্যাপওর্থ হাসপাতালের অ্যাডভান্সড হার্ট ফেইলিউর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক স্টিফেন পেটিট, এবং অধ্যাপক ফ্র্যাঙ্ক রুশিৎসকাসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বৈজ্ঞানিক সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন।
সম্মেলনের প্রাক-আয়োজনে মেডিকেল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং কার্ডিয়াক চৌম্বকীয় অনুরণন ইমেজিং (এমআরআই) বিষয়ক বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
মালয়েশিয়া থেকে আগত আধুনিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. সুতান কাভেরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেশন পরিচালনা করেন, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। দেশি-বিদেশি ৮০০ জন কার্ডিওলজিস্ট এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
১৭৭ দিন আগে
১৬ মার্চ দিনাজপুরে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহিদ হোসেন
দিনাজপুরের কাহারোলের বলরামপুরে সাহাপাড়া থেকে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় একইসঙ্গে সারা দেশের ৫৩টি খাল খনন উদ্বোধন করবেন তিনি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সাহাপাড়া–বলরামপুর খাল পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জাতীয় সংসদের হুইপ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুরের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম এবং প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক আহমেদসহ সংশ্লিষ্টরা।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময় একইসঙ্গে সারা দেশে ৫৩টি জেলায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি।
তিনি বলেন, দলের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে যে সমস্ত খাল খনন করা হয়েছিল, সেই সমস্ত খালের অনেকগুলি ভরাট হয়ে গেছে। খালগুলো পুনরায় খননে বিগত সরকারগুলো কোনো দ্বায়িত্ব নেয়নি।
এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, খাল খননের মাধ্যমে কৃষকের সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাল নির্ভর অর্থনীতি—মাছ চাষ, হাঁস পালন, খালের পাড়ে বৃক্ষ রোপন দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, খাল খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর করে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়া যায়। শুকনা মৌসুমে পানি ধরে রেখে এর মাধ্যমে সেচ সুবিধা পাওয়া যাবে। এর ফলে ভূ-অভ্যন্তরের পানি কম ব্যবহার হবে এবং উপরিতলের পানি বেশি ব্যবহার হবে। এতে মরুভূমি হবার সম্ভাবনা কমে যাবে। এটা আমাদের উত্তরাঞ্চলের জন্য অতি জরুরি।
পাউবোর প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ জানান, সাড়ে ২২ কোটি টাকা খরচে ১২ দশমিক ২ কিলোমিটার পুরাতন ওই খাল পুনঃখননের ফলে প্রতি বছর রক্ষা পাবে ২টি বিলের ১ হাজার ৫০০ একর জমির প্রায় ৬০ হাজার টন আমন ধান। নষ্ট হয়ে যাওয়া ধানের দাম প্রায় ২০৫ কোটি টাকা। খননের ফলে পাশাপাশি সেচ সুবিধার আওতায় পানির অভাবে পড়ে থাকা অনাবাদি ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি থেকে আসবে বাড়তি ফসল। খালের সেচের সুবিধায় আসবে ৪০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা।
১৯৫ দিন আগে