সংঘর্ষ
নাটোরে পৃথক নির্বাচন-পরবর্তী সংঘর্ষে ১৪ জন আহত
নাটোরের বড়াইগ্রাম ও সিংড়ায় পৃথক সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার ধানাইদহ সেতুর নিকট একটি হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, গতকাল বিকেলে ধানাইদহ বাজারে জামায়াতের পক্ষে ভোট করা নিয়ে সাবেক বিএনপি কর্মী সাব্বিরকে মারপিট করে বিএনপি সমর্থক ফয়সাল ও ফাহিম। এর জেরে নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির হাসিনুর রহমানের নেতৃত্বে আজ (শনিবার) দুপুরে ধানাইদহ সেতুর কাছে জামায়াত সমর্থকরা জড়ো হন। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ফাহিমের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জামায়াতের লোকজনের ওপর হামলা চালান। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে হাসিনুরসহ ৫ জন আহত হন।
আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও ঈশ্বরদী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে, সকালে সিংড়া উপজেলার পারসিংড়া এলাকায় ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ৫ নারীসহ অন্তত ৯ জন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুন নূর জানান, এ ঘটনায় নেহাল নামের স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদার মাহমুদের এক সমর্থককে আটক করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ফরিদপুরে দুই উপজেলাবাসীর সংঘর্ষে আহত ২০, বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ও নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ফরিদপুরের সালথা উপজেলা ও বোয়ালমারী উপজেলাবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। খবর পেয়ে দুই উপজেলার সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সালথা উপজেলা ও বোয়ালমারী উপজেলার সীমান্তে ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ও নির্বাচনে ভোট দেওয়া নিয়ে বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মান্নান মাতু্ব্বরের সমর্থকদের সঙ্গে সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের টুলু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে আজ (শনিবার) সকাল ১০টার দিকে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগিসংযোগ করে সংঘর্ষকারীরা। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে।
১ দিন আগে
নাটোরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আটক ১
নাটোরের লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে লালপুর উপজেলার কচুয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ ও দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, নাটোর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকরা নির্বাচনি মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিএনপি প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনি ক্যাম্পের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উস্কানিমূলক স্লোগান দেয়। এ নিয়ে বিএনপি কর্মীরা প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
পরে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খলিলুর রহমান নামে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক সমর্থককে আটক করেন। এর প্রতিবাদে স্বতন্ত্র প্রার্থী টিপুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম জানিয়েছেন, বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৯ দিন আগে
শাহবাগে পুলিশ-ইনকিলাব মঞ্চের ফের সংঘর্ষ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে অবরোধে নামা নেতা-কর্মীদের কাঁদুনে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়।
পুলিশের বাধা উপেক্ষা অনেকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করতে চাইলে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে। এতে কয়েকজন আহত হন।
এরপর রাত ৮টার দিকে শাহবাগ মোড়ের আশপাশ থেকে অবরোধকারীরা ফের জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলে কাঁদুনে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ।
কাঁদুনে গ্যাসের কারণে এ দফাতেও ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু তারা আশপাশের সড়কে অবস্থান নেন।
এর আগে, হাদি হত্যার বিচার দাবিতে আজ (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যমুনা অভিমুখে রওনা হলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের। এতে সংগঠনের সদস্য সচিব সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে তার ফেইসবুক পেইজ থেকে এক পোস্টে লেখা হয়। পরে তা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। তাদের অবরোধে শাহবাগ মোড়ে যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেন। মিছিলটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে পথরোধ করে। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে চাইলে পুলিশ চড়াও হয়। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।
‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জ শুরু করলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এলাকাটি। আন্দোলনকারীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে বেশ কয়েকজনকে আহত হন।’
ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, এই ঘটনায় জাবেরসহ অন্তত ৭৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে আহতদের কেউ গুলিবিদ্ধ হননি।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্ত চেয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
বিকেল ৫টার দিকে শুরু হওয়া ওই কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ফাতিমা তাসনিম জুমা, হাদির স্ত্রী এবং বেশ কিছু নেতা-কর্মী অংশ নেন।
৯ দিন আগে
যমুনার সামনে সংঘর্ষের সময় ‘গুলি ছোড়া হয়নি’: প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভরত ইনকিলাব মঞ্চ নেতা-কর্মী ও অনুসারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি বলে দাবি করেছে সরকার।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে যমুনা অভিমুখে রওনা হলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে তাদের। এতে সংগঠনের সদস্য সচিব সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন আহত হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে তার ফেইসবুক পেইজ থেকে এক পোস্টে লেখা হয়। পরে তা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা।
বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, ‘যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বল প্রয়োগ করেনি। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে, এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
সংঘর্ষের ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন চিকিৎসাধীন বলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের বরাতে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। তবে তাদের কারও শরীরে গুলির আঘাত নেইও বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে যে শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।
বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছে সরকারের এ দপ্তর।
প্রধান উপদেষ্টার দপ্ত থেকে আরও জানানো হয়, ‘আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে সরকার সকলকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছে। দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ। বিদেশি বহু সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে বাংলাদেশে উপস্থিত হয়েছেন।
‘সরকার দেশের সকল নাগরিকের প্রতি একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও রক্তক্ষয়ের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচনি সুযোগ জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
‘দেশের সার্বিক অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই নির্বাচনকে অবশ্যই সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে কোনো ধরনের বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার বিশ্বাস করে, দেশের সকল নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্বশীল আচরণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য, মর্যাদাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’
৯ দিন আগে
নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ হয়ে স্কুলছাত্র নিহত
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় গোষ্ঠীগত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মুস্তাকিম মিয়া (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুস্তাকিম ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী মাসুদ রানার ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সায়দাবাদ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব চলছিল। এসব বিরোধকে কেন্দ্র করে এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষ হয়। এর জেরে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ৮ জন গুলিবিদ্ধ হন এবং এলাকায় বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকার এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন হানিফ মাস্টার এবং অপর পক্ষের নেতৃত্বে আছেন এরশাদ মিয়া। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় আজ (বুধবার) সকালে এরশাদ মিয়ার পক্ষের লোকজন দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হানিফ মাস্টারের অনুসারীদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষ চলাকালে এরশাদ গ্রুপের সাবেক ইউপি সদস্য ফিরোজ মিয়ার ভাতিজা মাসুম ওরফে চায়না গুলি ছোড়েন। এতে বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থী মুস্তাকিম গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে দাবি পরিবারের।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সায়দাবাদ এলাকার রফিকুল ইসলাম (৩৭), সোহান (২৬) ও রোজিনা বেগম (৩৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
নিহতের মা শাহানা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘সকালে আমার ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে ছিল। তখন হঠাৎ গুলি এসে লাগে। আমরা কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নেই। যারা আমার বুক খালি করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিমল চন্দ্র ধর বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুস্তাকিম নামে এক কিশোরকে হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা করে দেখা যায় তার শরীরের বাম পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে এবং গুলিটি শরীর ভেদ করে বের হয়ে গেছে। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
১২ দিন আগে
ঝিনাইদহে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) উপজেলার সাধুখালী গ্রামে সকালে এ সংঘর্ষ বাঁধে।
আহতদের মধ্যে সাধুখালী গ্রামের মো. আইয়ুব হোসেন (৬০), মোলায়েম হোসেন (৫৫), মো. নুরুল হোসেন (৪৫), নূর আলী বাদশা (৪৭), মতিয়ার রহমান (৪৮), নূর আলী (৪৫), আতিয়ার রহমান (৪৬), ইজারত মন্ডল (৬০), মদিনা খাতুন (৫৫), আহাদ আলী (১৩) ও শফি উদ্দিনের (৬০) নাম পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, সাধুখালী গ্রামের শহিদুল মাস্টারের সঙ্গে একই গ্রামের নূর আলী ও বাদশা মিয়ার জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধের জেরে আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ওই জমির দখল নিয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
তর্কাতর্কির একপর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে দুই পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্ল্যা বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনও থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১৭ দিন আগে
শেরপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে মধ্যরাতে জাবি শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল
শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে নির্বাচনি সভায় বিএনপি-জামায়াত নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে বটতলা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে শাখা শিবিরের সদস্য ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনা গুম-খুন ও দমন-পীড়নের রাজনীতির মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিলেন, যার পরিণতিতে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না ফ্যাসিবাদের পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। আমরা তারেক রহমানকে বলতে চাই, দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করুন। বাংলাদেশে হত্যা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। ছাত্র-জনতার শক্তি আপনারা ইতোমধ্যে দেখেছেন।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের এই নেতা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ প্রায় দুই হাজার ভাই-বোনের রক্তের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। যেখানে খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের রাজনীতি থাকবে না। এসব অপকর্মে জড়িতদের জনগণ কখনো ক্ষমা করবে না।’
জাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘হাজারও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেখানে নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা আবার পুরনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দমনমূলক রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরে নির্বাচনি অনুষ্ঠানে হামলা ও পরবর্তী হত্যাকাণ্ড কোনো সংঘর্ষ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। নারী নির্যাতন, মা-বোনদের ওপর হামলা এবং মানবিক মর্যাদা লঙ্ঘন এ দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না। এসব ন্যাক্কারজনক কাজের জবাব জনগণ আগামী নির্বাচনে দেবে।’
এ ছাড়াও নির্বাচন কমিশন ও অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে এক নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতকাল (বুধবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
১৮ দিন আগে
পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুজনই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের প্রার্থী।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার চরবোরহান এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুরের পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের ব্যাপারে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে তাদের নির্বাচনি কার্যক্রমে বাধা দেয় এবং নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে তাদের বেশ কয়েকজন আহত হন।
অন্যদিকে, হাসান মামুনের পক্ষ থেকেও পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে। তার সমর্থকদের দাবি, গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরাই প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন এবং তাদের নির্বাচনি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান।
এ ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমার কর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি নিজের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত।’ এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ।
২০ দিন আগে
ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ
ঝিনাইদহের শৈলকূপায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বিষ্ণুদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা যুবদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী ও শৈলকূপা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার সাদাতের সমর্থকদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দুই দিন আগে বিষ্ণুদিয়া গ্রামে মসজিদের জমির সীমানা নির্ধারণ নিয়ে দুই নেতার ওই গ্রামের সমর্থকদের বাগবিতণ্ডা হয়। এর একপর্যায়ে গতকাল (সোমবার) সকালে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্ল্যা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সবাইকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
২৬ দিন আগে