সংঘর্ষ
কুমিল্লায় খেলা নিয়ে সংঘর্ষে ব্রাজিল সমর্থক নিহত
কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা বনাম মিসরের ফুটবল ম্যাচ চলাকালে খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে হওয়া সংঘর্ষে ব্রাজিল সমর্থক এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কোটবাড়ি বিশ্বরোড-সংলগ্ন উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ধনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. শরিফুল ইসলাম (৩২) নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার উত্তর চেরাংগা এলাকার মো. মতিউর রহমানের ছেলে ছিলেন।
ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংকর কান্তি দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে আর্জেন্টিনা বনাম মিসরের ফুটবল ম্যাচ চলাকালে আর্জেন্টিনা প্রথম গোল হজম করলে ব্রাজিল সমর্থক শরিফুল ইসলাম উল্লাস করেন। এ সময় তিনি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ করতে থাকেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন আর্জেন্টিনা সমর্থক শরিফুলের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ফুটবল খেলা নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখনও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
১ দিন আগে
শ্রীলঙ্কায় কারাগারে ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ২৫
শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর উপকণ্ঠে একটি কারাগারের ভেতরে ভয়াবহ সংঘর্ষে হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত এবং শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বন্দি ও কারারক্ষী উভয়ই রয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) কলম্বো থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে নেগোম্বোর কারাগারে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়, যা আজ সোমবারও অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম ও পুলিশের প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেছে।
কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল হিরু জানিয়েছে, সংঘর্ষে ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ১০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
পুলিশের মুখপাত্র চন্দনা হেরাথ কারাগারের ভেতরে সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনা নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সংঘর্ষের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এলাকার প্রধান সরকারি হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কারাগারের সংঘর্ষে আহত শতাধিক ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আহতদের আঘাতের ধরন সম্পর্কে তিনিও কোনো তথ্য দেননি।
শ্রীলঙ্কার কারাগারগুলো দীর্ঘদিন ধরে তীব্র ধারণক্ষমতা সংকটে ভুগছে। দেশটির কারা ব্যবস্থার মোট ধারণক্ষমতা ১০ হাজার হলেও বর্তমানে সেখানে ৩৯ হাজারের বেশি বন্দি রয়েছেন।
৩ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিন ধরে চলা সংঘর্ষ বন্ধে আশ্বাস দিল দুই গ্রামবাসী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পাওনা টাকা ও এক ব্যক্তির নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে টানা তিন দিন ধরে চলা সংঘর্ষ বন্ধে আশ্বাস দিয়েছে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি ও ধরন্তী গ্রামের বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের হস্তক্ষেপে উভয় গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান তারা ।
বিকেলে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন রিপন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি তাজুল ইসলাম, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারসহ বিএনপির নেতারা গ্রামের সর্দারদের নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেন।
গ্রামবাসীর জানমালের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেতারা প্রথমে সূর্যকান্দি গ্রামে যান। সেখানে গ্রামবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা। পরে তারা ধরন্তী গ্রামে গিয়ে সংঘর্ষে নিহত খাদিম মিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান এবং ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তারা ধরন্তী গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গেও বৈঠক করে সংঘর্ষ বন্ধের আহ্বান জানান। এ সময় ধরন্তী গ্রামের বাসিন্দারা খাদিম মিয়া হত্যা মামলায় ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আশ্বাস দেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, ‘তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সূর্যকান্দি ও ধরন্তী গ্রামবাসী গত তিন দিন ধরে সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে। আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, আর সংঘর্ষে জড়াবেন না। বরং আইনিভাবে তারা তাদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে চান।’
প্রসঙ্গত, সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ মিয়ার কাছে ধরন্তী গ্রামের খাদিম মিয়া, আলাল ও আশিকের বিলের পাটি বিক্রির এক লাখ টাকা পাওনা ছিল। গত রবিবার সেই পাওনা টাকা পরিশোধ নিয়ে বিরোধের জেরে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে ধরন্তী গ্রামের খাদিম মিয়া নিহত হন।
এর জেরে সোমবার ও মঙ্গলবারও দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়ায় দুই গ্রামবাসী। টানা তিন দিনের সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
৮ দিন আগে
ফরিদপুরে কয়েক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েক গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ডে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় সড়কের দুই প্রান্ত থেকে দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ফলে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে বহু যানবাহন আটকে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন চালক ও যাত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুখরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে গ্রাম্য আধিপত্য নিয়ে ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মৌজী মহসরদি গ্রামবাসীর সঙ্গে মানিকদি ইউনয়নের পুখরিয়া, ব্রাহ্মনকান্দাসহ ৫ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। গ্রাম্য আধিপত্যকে কেন্দ্র করে কয়েক গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এ সময় কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।
১১ দিন আগে
রাজবাড়ীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নিহত ১
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির মাপজোককে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস (৫৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এর আগে গতকাল (রবিবার) রাত ৮টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামিন বিশ্বাসের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত দুইজন পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট গ্রামের একটি জমির মাপজোককে কেন্দ্র করে পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ সময় ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের বাসিন্দা মতিউর বিশ্বাসকে কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট গ্রামের হাকিম মণ্ডল ও তার লোকজন লাঞ্ছিত করেন।
এর জের ধরে গত শনিবার সকালে মতিউর বিশ্বাসের লোকজন হাকিম মণ্ডলের কাছে কৈফিয়ত চাইতে যান। একপর্যায়ে তারা হাকিম মণ্ডলকে লাঞ্ছিত করেন।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকালে হাকিম মণ্ডলের লোকজন খাল পার হয়ে ঢেঁপা গ্রামের মজিদ বিশ্বাসের বাড়িতে হামলার চেষ্টা করেন। এ সময় মজিদ বিশ্বাসের লোকজন বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনাস্থলে জামিন বিশ্বাসকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনায় আরও দুই থেকে তিনজন আহত হয়েছেন।
গুরুতর আহত জামিন বিশ্বাসকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
পাট্টা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অতুল চন্দ্র সরকার বলেন, পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের মতিউর বিশ্বাস ও কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট গ্রামের হাকিম মণ্ডলের জমির মাপজোক নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরে তিপক্ষের হামলায় মতিউর বিশ্বাসের ভাতিজা জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়ে রবিবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, আগের পাল্টাপাল্টি হামলার জের ধরে রবিবার সকালে সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামিন বিশ্বাস রাতে মারা যান। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রবিবার রাতেই ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের লোকজন দড়িবাংলাট গ্রামে গিয়ে হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ওসি আরও বলেন, এ মুহূর্তে আমরা পাট্টা ইউনিয়নের নদীর পাড়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অবস্থান করছি। এখনো দড়িবাংলাট গ্রামে পৌঁছাতে পারিনি। যে কারণে কতগুলো বাড়িঘর ভাঙচুর বা আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে জানতে পারিনি। পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলার অতিরিক্ত পুলিশসহ অন্তত ৭০-৭৫ জনের একটি দল এলাকায় অবস্থান করছে।
১৭ দিন আগে
নরসিংদী সংঘর্ষ: নদী থেকে ২ জনের মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষ্যা ইউনিয়নে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই প্রতিপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় নদী থেকে ২ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের গোপীনাথপুর এলাকায় মেঘনা নদী থেকে পুলিশের ভেস্ট পরিহিত অবস্থায় আব্দুল লতিফ (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের বীরগাঁও কান্দাপাড়া এলাকার শহিদ মিয়ার ছেলে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, গোপীনাথপুরে রফিক মেম্বারের বাড়ির সামনে মেঘনা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত পুলিশ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় আরও কেউ নিখোঁজ থাকার অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
এর আগে বুধবার বিকেলে মাধবদী থানার চরদিঘলদী ইউনিয়নের জিৎরামপুর গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় কাউছার মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও শাহ আলম মিয়ার ছেলে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে টেঁটাবিদ্ধ করে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরে মরদেহটি স্রোতের টানে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ভেসে আসে।
এ ছাড়াও সংঘর্ষের দিন মঙ্গলবার (১৭ জুন) নিলক্ষ্যা ইউনিয়নের সোনাকান্দি এলাকার বুলবুল মিয়া (৩৫) এবং পূর্বপাড়া এলাকার অনিক মিয়া (২২) গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।
স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁও এলাকায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত বছরের ৮ ডিসেম্বর এব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে কুয়েতপ্রবাসী মামুন মিয়া নিহত হন। এরপর হত্যা মামলার আসামি সাবেক ইউপি সদস্য জবা মিয়া, আলাল মুন্সি ও তাদের অনুসারীরা দীর্ঘদিন এলাকা ছাড়া ছিলেন।
গত মঙ্গলবার ভোরে সাবেক ইউপি সদস্য জবা মিয়া ও আলাল মুন্সির অনুসারীরা স্পিডবোটে করে ভাড়াটিয়া অস্ত্রধারীদের নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে। এ সময় তারা নাজিম উদ্দিনের সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। সেখানে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এরপর সংঘর্ষ দ্রুত হরিপুর ও দড়িগাঁও এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক দফায় সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
এ ঘটনায় রাজু (২৮) ও মোস্তফা (৬০) গুলিবিদ্ধসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
২১ দিন আগে
নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অনিক (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোরে উপজেলার নিলক্ষা ইউনিয়নের হরিপুর ও দড়িগাঁ এলাকায় স্থানীয় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত অনিক দড়িগাঁও এলাকার নাজিম উদ্দিন গ্রুপের সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিলক্ষা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকায় নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আজ (মঙ্গলবার) ভোরে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ । এ সময় কয়েকজন যুবক ও কিশোরকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নিতে দেখা গেছে|
এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে অনিক, রাজু, সুমন, কাশেম ও মোবারকসহ অন্তত দশজন গুরুত্বর আহত হন। আহতদের মধ্যে অনিক, রাজু ও মোবারককে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসাপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়র। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের তিনজনকেই ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অনিক মারা যান।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান বলেন, নাজিম উদ্দিন ও আলাল মুন্সি গ্রুপের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ ছিল। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভোরে তারা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ, র্যাব ও উপজেলা প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ সংঘর্ষে অনিক নামে একজন নিহত হয়েছেন।
২৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক-সংক্রান্ত বিরোধে সালিশে সংঘর্ষ, নিহত ১
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় সালিশ চলাকালে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
বুধবার (১০ জুন) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের দুর্লভপুর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় মাদক চোরাকারবারিদের বিজিবির কাছে ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে আজ (বুধবার) দুর্লভপুর এলাকায় সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন চর দুর্লভপুর এলাকার বাসিন্দা শওকত আলীর ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩৮)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। আহতদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
২৯ দিন আগে
হবিগঞ্জে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ নিয়ে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ৫০
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় চেয়ারম্যান ও প্যানেল চেয়ারম্যানের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানার ওসিসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৮ জুন ) সকালে উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি ফরিদ মিয়া জুলাই আন্দোলনের মামলায় কারাগারে ছিলেন। এ সময় তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় যুবদল নেতা কফিল উদ্দিন।
সম্প্রতি কারাগার থেকে বের হন ফরিদ আহমেদ। তিনি হাইকোর্টের আদেশে স্বপদে পুনর্বহাল হন। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন দায়িত্ব হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকেন।
এদিকে, সোমবার সকালে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভিজিএফ চাল বিতরণ শুরু করেন। সেই কার্যক্রমে কফিল উদ্দিন বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর হামলা করে। সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খবর পেয়ে বানিয়াচং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হকসহ ৪ জন আহত হন।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে সংঘর্ষ থামাতে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। এছাড়া সেখানে পাঁচটি সাউন্ড গ্রেনেড ও তিন রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
৩১ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের নাটাই-অষ্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
শনিবার (৬ জুন) সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির পুকুরপাড়ে শিরু মিয়ার একটি চায়ের দোকান রয়েছে। দোকানে নিয়মিত টেলিভিশন চালানোর কারণে সারা দিনই দোকান ও এর পাশের পুকুরপাড়ে মানুষের ভিড় থাকে। দোকানের পাশ দিয়ে চলাচলকারী গ্রামের নারী ও মেয়েদের উদ্দেশ্য করে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন অপ্রীতিকর মন্তব্য করা হয়। এ নিয়ে চায়ের দোকানটি তুলে দেওয়ার আলোচনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে।
পাশাপাশি গ্রামের মিন্দান আলীর বাড়ির মো. জোবায়েরের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামের মইধ্যের বাড়ি হাজী মো. জয়নাল আবেদীনের পক্ষের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এসব বিরোধের সঙ্গে চায়ের দোকান উচ্ছেদের প্রসঙ্গটি নতুন করে যুক্ত হয়। মিন্দান আলী বাড়ির লোকজন গ্রামের ওই চায়ের দোকান উচ্ছেদের পক্ষে রয়েছেন।
সম্প্রতি গ্রামের একটি সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জয়নাল আবেদীনের পক্ষের লোকজন ওই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নেন। এসব বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল (শনিবার) সকালে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি থেকে উভয়পক্ষের লোকজন রামদা, বল্লম, টেঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের দোকানপাট ও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। একপর্যায়ে গ্রামের ভেতর থেকে নাটাই-অষ্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যা চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। পরে দুপুর একটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইয়াকুব আলী ভূইয়া বলেন, গ্রামে জারু মিয়ার চায়ের দোকান উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কয়েকদিন আগে এক সালিশে দোকান উচ্ছেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও একটি পক্ষ তা মানেনি। এসব নিয়ে তারা প্রস্তুতি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৩২ দিন আগে