বিস্ফোরণ
নওগাঁয় চালকলে বয়লার বিস্ফোরণ, শ্রমিক নিহত
নওগাঁ সদর উপজেলায় চালকলের বয়লার বিস্ফোরণে এক শ্রমিক নিহত ও চার শ্রমিক আহত হয়েছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার হাঁপানিয়া এলাকার হাজি ইসারত আলী চালকলে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল খালেক (৪৫) সদর উপজেলার হাঁপানিয়া পাড়া এলাকার বছির উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মতো আজ (বুধবার) সকালেও শ্রমিকরা চালকলে ধান সিদ্ধ করার কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে হঠাৎ করে বিকট শব্দে বয়লারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে চার দিক কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়। এ সময় শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন।
পরে ধোঁয়া কিছুটা কমলে শ্রমিকরা চাতালে গিয়ে আব্দুল খালেককে পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত চার শ্রমিক নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে চালকলের মালিক পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার সময় চাতালে কাজ করা নারী শ্রমিক হামিদা বেগম বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিকট শব্দ হয়। তারপর আর ধোঁয়াতে কিছু দেখা যাচ্ছিল না। ফিরে এসে দেখি খালেক ভাই পড়ে আছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের কাজ করতে হয়। চালকলগুলোতে আমাদের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নাই। আমরা নিরাপত্তার সঙ্গে কাজ করতে চাই।’
নওগাঁ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। তদন্ত শেষে বিস্ফোরণের কারণ জানা যাবে।
নিহত আব্দুল খালেকের দেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৮ দিন আগে
নয়াপল্টনে এসি বিস্ফোরণে মেকানিকের মৃত্যু
রাজধানীর নয়াপল্টনে এসির কম্প্রেসর বিস্ফোরণে জীবন বর্মন (২৫) নামের এক মেকানিকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নয়াপল্টনে এমআই ইঞ্জিনিয়ারিং প্লাস নামের একটি দোকানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জীবন গাইবান্ধা সদর উপজেলার ভাটপাড়া গোপালপুর গ্রামের সচিন বর্মনের ছেলে।
নিহতের ভাই অনিক বর্মন জানান, সকালে কর্মস্থলে এসি মেরামতের কাজ করছিলেন জীবন। একপর্যায়ে হঠাৎ এসিটির কম্প্রেসর বিস্ফোরিত হলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে সহকর্মীরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
৯ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ, অবিস্ফোরিত উদ্ধার ১১টি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনয়নের কাবিরাজপাড়ায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরে অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আরও ১১টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন এ তথ্য জানিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মহারাজপুর ইউনিয়নের কবিরাজপাড়া ও শেখপাড়া গ্রামের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার সকালে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কবিরাজপাড়া থেকে ১১টি ককটেল উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ধদিন ধরেই স্থানীয় আব্দুল ওদুদ ও জালাল উদ্দীনের সমর্থকদের এলাকার আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি এই বিরোধ আরও তীব্র হয়। ওই বিরোধের কারণে সংঘাতে জড়াতেই ককটেলগুলো মজুত করা হয়েছিল।
ওসি একরামুল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলগুলো উদ্ধার করেছে। এলাকায় আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত বলে দাবি করেন ওসি।
১৩ দিন আগে
সিরিয়ায় অস্ত্রের গুদামে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ১৪
সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি অস্ত্রের গুদামে বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
ইদলিব প্রদেশের সারমাদা শহরের কাছে বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে বিপর্যস্ত দেশটিতে এ ধরনের ঘটনা তুলনামূলকভাবে নিয়মিতই ঘটে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশটিতে চলা বিদ্রোহ ও গৃহযুদ্ধের সময় পড়ে থাকা অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংরক্ষণে গুদামটি ব্যবহার করা হতো। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা জীবিতদের উদ্ধারে সিভিল ডিফেন্স ও সিরিয়ান রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকর্মীরা এখনও তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। বিস্ফোরণস্থলে থাকা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক আলোকচিত্রী মরদেহ উদ্ধার করতে দেখেছেন।
বিস্ফোরণের পর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে আকাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা যায়। এ সময় ছোট ছোট বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।
গুদামের কাছে কাজ করা গাড়ির মেকানিক আহমাদ ফাউর বলেন, প্রথমে তিনি ও অন্যরা একটি ছোট বিস্ফোরণের শব্দ শুনে সেখান থেকে দৌড়ে সরে যান। এরপর বড় বিস্ফোরণটি ঘটে।
নিজের গ্যারেজে ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িগুলোর দিকে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জনবসতিপূর্ণ এলাকায়, মানুষ ও দোকানপাট থাকা একটি গ্রামে অস্ত্রের গুদাম রাখা উচিত নয়। যারা মারা গেছেন, ওই অসহায় মানুষগুলোর কোনো দোষ ছিল না।’
৩৬ দিন আগে
মেক্সিকোতে ধর্মীয় উৎসবে আতশবাজি বিস্ফোরণ, নিহত ১০
মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে এক ধর্মীয় উৎসবে আতশবাজির উপকরণ বিস্ফোরণে একটি দেয়াল ধসে অন্তত ১০ জন নিহত ও ৬৪ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময়ে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মেক্সিকো স্টেটের তেমাসকালসিঙ্গো পৌরসভার নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে লা লুস গির্জার পাশে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
প্রায় ৬৬ হাজার বাসিন্দার এ পৌরসভার শত শত মানুষ ধর্মীয় উৎসবের অংশ হিসেবে আতশবাজির প্রদর্শনী দেখতে জড়ো হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর মধ্যেই বিস্ফোরণটি ঘটে।
তেমাসকালসিঙ্গো দেশটির রাজধানী মেক্সিকো সিটি থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় মেক্সিকো স্টেটের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয় এক বিশপ জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দুইজন যাজকও রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিস্ফোরণের পরের দৃশ্য দেখা গেছে। এতে ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে কয়েক বেশ কিছু মানুষকে জীবিতদের সন্ধান করতে দেখা যায়।
মেক্সিকোতে আতশবাজি-সংক্রান্ত বিস্ফোরণ প্রায়ই ঘটে। দেশটিতে বিভিন্ন রাস্তার উৎসব ও ধর্মীয় আয়োজনে আতশবাজির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
বছর চারেক আগে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় হিদালগো রাজ্যের হুয়েহুতলা পৌরসভার একটি গ্রামে শক্তিশালী আতশবাজির বিস্ফোরণে ১৭ জন আহত হয়েছিলেন।
৩৯ দিন আগে
রাশিয়ার গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিহত, নিখোঁজ একজন
রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি গ্যাস প্ল্যান্টে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে একজন বাংলাদেশি কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী আহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৃহস্পতিবারের (২৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আজ শুক্রবার পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার দূরে আমুর অঞ্চলে অবস্থিত কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (এজিসিসি) প্রকল্পের সিনোপেক গ্যাস ফিল্ডে গত ২৫ আগস্ট গ্যাস বিস্ফোরণে ১৫ জন কর্মী মারা যান।
নিহতদের মধ্যে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বাসিন্দা বাংলাদেশি কর্মী জাকির হোসেন রয়েছেন। অন্য নিহতদের মধ্যে চীন ও রাশিয়ার নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ওই দুর্ঘটনায় মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলাল হোসেন রাজু এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, এ দুর্ঘটনায় প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশি কর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে আইসিইউতে রয়েছেন। এ ছয়জনসহ গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য মস্কোতে নেওয়া হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মস্কোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা ও সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
দূতাবাস ইতোমধ্যে একটি হটলাইন নম্বর চালু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে কর্মরত অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।
নিহত জাকির হোসেনের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে তার বকেয়া পাওনা ও ক্ষতিপূরণের বিষয়ে এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে দূতাবাস।
এ মর্মান্তিক ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের পাশাপাশি রাশিয়ার জনগণ ও সরকারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
৪৮ দিন আগে
গাবতলীতে মাছবাহী গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যুবক নিহত
রাজধানীর গাবতলীতে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ইমরান হোসেন (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক মো. ফারুক হোসেন (৪০) আহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে গাবতলীর দীপনগর মাছের আড়তের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইমরানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়। তার বাবার নাম সারোয়ার মোল্লা। নিহত ও আহত দুজনই দীপনগরের একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানে কাজ করতেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত ফারুক হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত ইমরানের মামাতো ভাই সবুজ জানান, দীপনগর এলাকায় একটি রেফ্রিজারেটরের দোকানের সামনে মাছবাহী ফ্রিজিং গাড়ি মেরামত ও গ্যাস ভরার কাজ চলছিল। এ সময় হঠাৎ গাড়িটির সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে ইমরান ও ফারুক হোসেন আহত হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, ইমরানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত ফারুক জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৬৭ দিন আগে
সিলেটে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় একটি গ্যাস সিলিন্ডার গুদামে লোড-আনলোডের সময় গ্যাস লিকেজ থেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ সুরমা থানার খিদিরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন— দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা এলাকার ইমন আহমদ, জায়েদ আহমদ ও আকবর আলী।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গুদামে গ্যাস সিলিন্ডার লোড-আনলোডের সময় একটি সিলিন্ডারে গ্যাস লিকেজ দেখা দেয়। একপর্যায়ে সেটি বিস্ফোরিত হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে কর্মরত তিন শ্রমিক দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা আলমপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ফায়ার ফাইটার শাহজালাল বলেন, সিলেট-সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়কের পাশে একটি গ্যাস সিলিন্ডার গুদামে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
৮০ দিন আগে
ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ মামা-ভাগনির মৃত্যু
রাজধানীর ভাটারা থানাধীন নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধের ঘটনায় মো. শাহীন (২৪) ও তাদের ভাগ্নি হাফছা (৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থায় মারা গেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীনের মৃত্যু হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মারা যায় হাফছা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ভাটারা এলাকায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে আমাদের এখানে তিনজন এসেছিলেন। তাদের মধ্যে শাহিন আজ সকাল ৬টায় আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গতকাল রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে তার ভাগ্নি হাফছাও মারা যায়। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় শাহিনের স্ত্রী ফাহিমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, দগ্ধ শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে ভাটারার নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় থাকতেন। ওইদিন ভোরে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
৮৩ দিন আগে
সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
সিলেট নগরীর শাহপরান থানার একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লেগে চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে টিলাগড় এলাকার আল জালাল সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— আল জালাল সিএনজি স্টেশনের কর্মী আবু সাঈদ (২০) ও আবু সুফিয়ান (২২) এবং স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল (২০) ও হাবিব (২২)।
আহতদের প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আবু সাঈদের শরীরের ১৫ শতাংশ, আবু সুফিয়ানের ৯ শতাংশ, জুয়েলের ১২ শতাংশ এবং হাবিবের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে সবাই বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
আল জালাল সিএনজি স্টেশনের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান জানান, গতকাল সকালে একটি বাসে গ্যাস নেওয়ার সময় হঠাৎ বাসটির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে স্টেশনের দুই কর্মীসহ চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৮৫ দিন আগে