ধর্ষণের প্রতিবাদ
ধর্ষণের প্রতিবাদে মধ্যরাতে জাবিতে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ
সারাদেশে একের পর এক ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল ও পরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক-জব্বার হল চত্বর থেকে একটি মিছিল বের হয়। একে একে বিভিন্ন হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিলে এসে যোগ দেয়।
এরপর মিছিলটি মেয়েদের হল এলাকাসহ (উত্তরপাড়া) ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট) সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে অবস্থান নেয়। তারা প্রায় ৩০মিনিটের মতো সময় রাস্তা অবরোধ করে রাখে। এতে করে রাস্তার উভয় লেনে যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
মিছিলে শিক্ষার্থীদের "জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো ; দিয়েছি তো রক্ত, আরও দেব রক্ত ; রক্তের বন্যায়, ভেসে যাবে অন্যায়; ধর্ষকের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও ; ধর্ষকদের গতিতে, আগুন জ্বালো একসাথে ; ধর্ষকদের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না; আমার বোন ধর্ষিতা কেন, প্রশাসন জবাই চাই;" এসব স্লোগান দিতে শোনা যায়।
সমাবেশ চলাকালে ছোট্ট একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। দেশের মানুষ অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। ধর্ষকদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করে ধর্ষণবিরোধী নানান স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাইদ ফরিদ বলেন, আজ বাংলাদেশ অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। আমাদের মা বোনদের কোন নিরাপত্তা নাই। কখন কার উপর জুলুম হয় আমরা জানিনা। এই সরকার দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে।
আরও পড়ুন: মাগুরায় শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে জাবিতে বিক্ষোভ
তিনি আরও বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে প্রশাসনকে বলে দিতে চাই, ধর্ষকদের এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে করে পরবর্তীতে কেউ আর ধর্ষণ করার সাহস না দেখায়।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, সারাদেশে ধর্ষণের পরিমান আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। ধর্ষকরা এখন শিশু বাচ্চাদেরও ছাড় দিচ্ছে না। এমনকি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো দিনেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। এটা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক। দেশে একের পর এক ধর্ষণ হচ্ছে কিন্তু প্রশাসন ধর্ষকদের শাস্তির আওতায় আনতে পারছে না। এজন্য এই অপরাধ বেড়েই চলেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সরকারকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি এর মধ্যে ধর্ষকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় কঠর আন্দোলনের ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৬ই মার্চ) মাগুরায় এবং গত শনিবার (৮ মার্চ) গাজীপুরে পৃথকভাবে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ধর্ষনকারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গের ছড়িয়ে পড়েছে।
৩৭০ দিন আগে
ধর্ষণের প্রতিবাদে ২৫০ কিলোমিটার হেঁটে সিলেটে ২ শিক্ষার্থী
সিলেটের এমসি কলেজে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের পর সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
১৯৮১ দিন আগে
ধর্ষণের প্রতিবাদে শাহবাগে বিক্ষোভ অব্যাহত
সারাদেশে চলমান ধর্ষণ, যৌন হয়রানি ও সহিংসতার ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে শুক্রবার টানা পঞ্চমদিনের মতো বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
১৯৮২ দিন আগে
দেশব্যাপী প্রতিবাদ, বিক্ষোভের মধ্যেই চট্টগ্রামে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৮
দেশব্যাপী প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ও আন্দোলন কর্মসূচির পরও ধর্ষণের ঘটনা থেমে নেই। প্রতিদিনই বাড়ছে বর্বর এই ঘটনা।
১৯৮২ দিন আগে
ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: বুধবার শিক্ষকদের মানববন্ধন
রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় রবিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে বুধবার মানববন্ধন করবে ঢাবি শিক্ষক সমিতি।
২২৫৮ দিন আগে