হাইকমিশনার
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদনদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ন্যায়সঙ্গত ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান হলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও বাড়বে।
অভিন্ন নদনদীর পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদ-নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
জবাবে হাইকমিশনার এ বিষয়ে তার সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
তিনি বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক, ভবিষ্যতমুখী, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ ও লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
সাক্ষাৎকালে ভারতের হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে তার দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, পারস্পরিক মর্যাদা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়, উন্নত ও শক্তিশালী করতে ভারত প্রবলভাবে আগ্রহী।
রাষ্ট্রপতি তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে তাকে অনুরোধ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
দুই দেশের জনগণের সামর্থ্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অভিন্ন শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে ভারত ও বাংলাদেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি তার সফল কর্মকাল কামনা করেন এবং তার দায়িত্ব পালন দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ, ইতিবাচক ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
৪ দিন আগে
সেপ্টেম্বরের শেষে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে দুই লাখ কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে শুরু হবে এবং ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রবিবার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশ থেকে যে জনশক্তি রপ্তানি হবে, সেটি সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হবে এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে এটি সমাপ্ত হবে বলে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুই লাখ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে সর্বমোট ২ লাখ কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে। এর বাইরে মালয়েশিয়া আরও ১০ হাজার শ্রমিক বিনা খরচে নেবে বলেও জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আর এর বাইরে ১০ হাজার শ্রমিক তারা একদম ফ্রি নেবে, যেটাতে কোনো খরচ নেই। জিরো কস্ট। ওটাও সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হবে।’
এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়াকে এলএনজি আনার জন্য দেওয়া চিঠির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা—জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী আলোচনা হয়নি বলে জানান।
১৩ দিন আগে
লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
সাবেক পররাষ্ট্রসচিব মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতকে লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের হাইকমিশনার পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তাকে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে সোমবার (২৫ আগস্ট) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আব্দুল মুহিতের অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) ও সংশ্লিষ্ট সুবিধাদি স্থগিত এবং অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর পদে তার অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে গ্রেড-১ পদমর্যাদায় তাকে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে
দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত, ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন হাইকমিশনার
দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনের নিকটবর্তী সমো টাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয় বাংলাদেশি নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের, একজন পাশের বক্তাবলী ইউনিয়নের এবং অপরজন মুন্সিগঞ্জের রিকাবিবাজার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সমো টাউনের একটি দোকানে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
প্রিটোরিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিবৃতিতে ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা, শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা এবং গুরুতর আহত বাংলাদেশি নাগরিকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে।
হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার শাহ আহমেদ শফী আজ মঙ্গলবার দুপুরে কুইন্সটাউনের সমো টাউনের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। সফরকালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন, নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেবেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও দক্ষিণ আফ্রিকা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। বৈঠকে ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি, তদন্তের অগ্রগতি এবং ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে আলোচনা হবে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে হাইকমিশন।
এদিকে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রওশন আলী জানান, নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজন তার ইউনিয়নের বাসিন্দা।
তিনি বলেন, ‘খবরটি শুনে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের মধ্যে চারজন আলীরটেক ইউনিয়নের, একজন পাশের ইউনিয়ন বক্তাবলীর এবং আরেকজন মুন্সিগঞ্জের রিকাবিবাজার এলাকার বাসিন্দা। সবাই একে অপরের আত্মীয়।’
তবে এ ঘটনায় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এখনও কোনো বার্তা পাইনি। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও কেউ যোগাযোগ করেননি। আমরা বিষয়টি খোঁজখবর নিচ্ছি।’
একই তথ্য জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
৪৬ দিন আগে
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পদ থেকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। কমনওয়েলথের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এদিন লন্ডনে পৌঁছান।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আবিদা ইসলাম লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে অনেকটা ‘আওয়ামীকরণ’ করে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে এই পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
গত বছরের জানুয়ারিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়েছিল। এর আগে, বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা ইসলাম এর আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন শাখায় দায়িত্ব সামলেছেন।
১৮৮ দিন আগে
ভিসা ফি ছাড়াই এবার পাকিস্তান যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা: হাইকমিশনার
কূটনৈতিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশসহ ১২৬টি দেশের নাগরিকদের ভিসা ফি ছাড়াই ভ্রমণের অনুমতি দিয়ে নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে পাকিস্তান।
বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানান।
বৈঠকে হাইকমিশনার বলেন, দুই সপ্তাহ আগে চালু হওয়া নতুন ভিসা নীতির লক্ষ্য হচ্ছে পাকিস্তান ও অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভ্রমণ পদ্ধতি সহজীকরণ এবং পর্যটন ও ব্যবসার প্রসার ঘটানো।
তালিকার ১২৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ এই উদ্যোগ থেকে উপকৃত হবে।
এই নীতিটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য পাকিস্তানের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ বলেও জোর দেন মারুফ।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কোনো ধরনের ভিসা ফি ছাড়াই ভ্রমণ ব্যবস্থা বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে।
আরও পড়ুন: পররাষ্ট্র সচিবের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন খুরশেদ আলম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ভিসা নীতি ছাড়াও, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় শুরু করার বিষয়েও আলোচনা হয়। যা ২০১৮ সাল থেকে স্থগিত ছিল। রাষ্ট্রদূত পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততা আরও সহজতর করার জন্য এই ফ্লাইটগুলো আবারও চালুর গুরুত্বের উপর জোর দেন।
নতুন ভিসা নীতি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নতির ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা গত ১৫ বছর ধরে তুলনামূলকভাবে স্থবির ছিল। উভয় পক্ষই অতীতের চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে এবং আরও সহযোগিতামূলক ভবিষ্যতের দিকে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
এ সময় ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের কাউন্সেলর কামরান ধনগালসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: ইউএনএইচসিআরের সহায়তা চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস
৭৪০ দিন আগে
মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইকমিশনার জকি আহাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
মরিশাসে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার জকি আহাদ মরিশাস প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা, স্বরাষ্ট্র ও বিদেশি যোগাযোগ মন্ত্রী, রড্রিগেস, আউটার আইল্যান্ডস এবং টেরিটোরিয়াল ইন্টিগ্রিটির মন্ত্রী প্রভীন্দ কুমার জগনাথের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে তিনি এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী হাইকমিশনারকে তার অফিসে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মরিশাসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: মরিশাসে মাদক রোধবিষয়ক সম্মেলনে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
হাইকমিশনার মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে তার অফিসে উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানান। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মরিশাসের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক অভিন্ন স্বার্থ সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেন।
হাইকমিশনার জকি আহাদ মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি মরিশাসে আসার পর থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহযোগিতার জন্য মরিশাস সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টার আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রভীন্দ কুমার জগনাথকে আমন্ত্রণ জানান তিনি। পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করবেন মরিশাস প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও আহাদ বাংলাদেশ ও মরিশাসের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখায় আহাদ মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য অর্জন সম্পর্কে মরিশাস প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রীকে জানান হাইকমিশনার।
করোনা মহামারির মধ্যেও টেকসই জিডিপি প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন, নারীর ক্ষমতায়নসহ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্যসমূহ তিনি তুলে ধরেন।
মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সামগ্রিক সাফল্য অর্জন এবং এ অর্জনে বর্তমান সরকারের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তারা উভয়ে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের উপর বিশেষ জোর দিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর ও জোরদার করার সম্ভাব্য সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
আলোচনায় তারা উভয় দেশের উচ্চ পর্যায়ের সফর, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি সফর, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, শিক্ষা ও মরিশাসে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বিষয়ে আলোচনা সময় বাংলাদেশের হাইকমিশনার বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি কর্মী নিয়োগের ওপর জোরালো গুরুত্বারোপ করেন। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে হাইকমিশনারকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি প্রক্রিয়াধীন সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিসমূহ চূড়ান্তকরণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে তার সরকারের ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন।
হাইকমিশনের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম ও প্রথম সচিব (শ্রম) মো. আসাদুজ্জামানসহ মরিশাসের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: মরিশাসের প্রেসিডেন্টের কাছে হাইকমিশনার জকি আহাদের পরিচয়পত্র পেশ
মরিশাসের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক
৭৯৪ দিন আগে
মালয়েশিয়ার মাধ্যমে আসিয়ানের বাজার ধরতে পারে বাংলাদেশ: মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার
ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম বলেছেন, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অন্যতম গতিশীল অর্থনীতির দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে বৃহত্তর আসিয়ান বাজারের কেন্দ্র হিসেবে মালয়েশিয়াকে ব্যবহার করতে পারে বাংলাদেশ।
ঢাকায় কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের তিনি বলেন, ‘এফটিএ আপনাদের কাছে বাজারে প্রবেশের সুবিধা দেয়। আপনাদের খুব চ্যালেঞ্জিং বাজারে খুব প্রতিযোগিতামূলক হতে হবে। এফটিএ এমন একটি মাধ্যম, যা বিশেষ ব্যবস্থার সুযোগ করে দেয়।’
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া দুই আঞ্চলিক দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সম্মত হয়েছে।
মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে বর্ণনা করে বাংলাদেশ।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠার এবং মালয়েশিয়ার মাধ্যমে আসিয়ান বাজারকে বেছে নেওয়ার সময় এসেছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি মালয়েশিয়ার আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন হলো দু'দেশের মধ্যে বর্তমান সহযোগিতা।
হাইকমিশনার মালয়েশিয়াকে দেওয়া সব ধরনের সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।
ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সদস্যদের সঙ্গে সহযোগিতার আরও দুটি ক্ষেত্র শিক্ষা খাত ও স্বাস্থ্যসেবা (মেডিকেল ট্যুরিজম)খাত নিয়ে আলোচনা করেন হাইকমিশনার হাজনাহ।
শিক্ষা খাতের সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যের সঙ্গে মানসম্মত শিক্ষার পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
হাইকমিশনার বলেন, ‘বিদেশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কোনো সংকট নেই, নারী শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ নিরাপদ।’
আরও পড়ুন: আইসিআরসি: মানবতাকে বাঁচিয়ে রাখাই জেনেভা কনভেনশনের ৭৫ বছরের অর্জন
স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে হাইকমিশনার বলেন, তারা সাশ্রয়ী মূল্যে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা দেয়, যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় সাশ্রয়ী।
তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার মান ও ব্যয়ের বিষয়ে সরকারের জোরালো নজরদারি রয়েছে এবং এর সুবিধা নিতে বাংলাদেশিদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ় এবং তার দেশই প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ।
তিনি বলেন, আমরা পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব মুসলিম দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখি।
হাইকমিশনার ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সফরের কথা স্মরণ করেন, যা সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি।
ডিক্যাব সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এবং আলোচনা আয়োজনের জন্য হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়া বদ্ধপরিকর: হাইকমিশনার
৮৩৬ দিন আগে
বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়া বদ্ধপরিকর: হাইকমিশনার
বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম বলেছেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়া সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
হাইকমিশনার অবশ্য স্বীকার করেছেন, আমাদের এখানে সিন্ডিকেট থাকতে পারে, যা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া উভয় সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
আরও পড়ুন: জ্যামাইকা ও ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হাছান মাহমুদের বৈঠক
বুধবার (২৯ মে) ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন। ‘এটা আমাদের সরকার ঠিক করেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এটি ঘোষণা করা হয়েছে।’
হাইকমিশনার কম খরচে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও পর্যটন সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে তার দেশের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।
তিনি দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে এটি হবে।’
ডিক্যাব সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এবং আলোচনা সভা আয়োজনের জন্য হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
আরও পড়ুন: আইসিআরসি: মানবতাকে বাঁচিয়ে রাখাই জেনেভা কনভেনশনের ৭৫ বছরের অর্জন
৮৩৬ দিন আগে
ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায় ভারত: হাইকমিশনার
বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ভারত সহায়তা করতে চায় বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।
বুধবার(২৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান ও প্রণয় ভার্মার সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে কানাডার বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে এফআইপিএ: হাইকমিশনার
হাইকমিশনার বলেন, প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এটি আমার প্রথম বৈঠক, বলতে পারেন সৌজন্য সাক্ষাৎ। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। পরিবেশগত মিল থাকায় আমরা একই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হই।
তিনি বলেন, ডিজাস্টার রিজিলিয়েন্ট ইনফ্রাসট্রাকচারসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংস্থার সদস্য বাংলাদেশ। কাজেই এসব ক্ষেত্রে ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
তিনি বলেন, গতবছর দুই দেশের এই মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছিল। বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও আমাদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক রয়েছে।
২০২১ সালে আমরা একটি সমঝোতা স্মারকও সই করেছি। এই সমঝোতার বাস্তবায়ন নিয়েও আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে। এর মধ্যে রিমোট সেন্সিং, দুর্যোগ ব্যবস্থা কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ ও তথ্য বিনিময়ে দুই দেশ পরস্পরকে সহায়তার বিষয় রয়েছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, রিমোট সেন্সিং নিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে উভয়েই আগ্রহ প্রকাশ করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে বিশেষ ও বহুমুখী সম্পর্ক সমৃদ্ধির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের
৮৭১ দিন আগে