বিজিএমইএ
এফইএস রিটেইল বিরোধের সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে বিজিএমইএ-এলপিপি
এফইএস রিটেইলের (FES Retail) ইনভয়েস সংক্রান্ত দুটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের দাবিকে কেন্দ্র করে চলমান বিরোধের একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) ও পোল্যান্ডের পোশাকের ব্র্যান্ড এলপিপি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠান দুটি বাংলাদেশে আইনি নিশ্চয়তা, কর্মীদের সুরক্ষা এবং স্থিতিশীল ব্যবসায়িক প্রসার ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার প্রতি তাদের পারস্পরিক অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং এলপিপির ডিরেক্টর—পারচেজিং অ্যান্ড ইএসজি ডোরোটা জানকোভস্কা-টমকৌ।
বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে প্রকাশ্যে আলোচিত বিষয়টি চুক্তিবদ্ধ ও ইনভয়েস সংক্রান্ত কিছু বকেয়া দায়ের দাবির সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব দাবির ক্ষেত্রে এলপিপি কোনো দেনাদার বা অর্থ পরিশোধে আইনিভাবে বাধ্য থাকা পক্ষ নয়।
এলপিপি নিশ্চিত করেছে, বাংলাদেশে তাদের প্রত্যক্ষ সরবরাহকারী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের যাবতীয় দায়-দেনা তারা নিয়মিতভাবে এবং প্রযোজ্য চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পরিশোধ করে।
বিজিএমইএ এলপিপির এই অবস্থান বিবেচনায় নিয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট দাবিগুলো সেই সব প্রতিষ্ঠানের কাছেই উপস্থাপন করা উচিত, যারা এসব দায়ের সঙ্গে আইনিভাবে আবদ্ধ। উভয় পক্ষ স্বীকার করেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো কঠিন বাণিজ্যিক পরিস্থিতির সম্মুখীন।
তারা এ বিষয়ে একমত হয়েছে যে, এসব দায়-দেনা নিষ্পত্তির যেকোনো আলোচনা আইনিভাবে দায়বদ্ধ পক্ষের সঙ্গেই হওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে এলপিপি তার নিজস্ব আইনি অবস্থান অক্ষুণ্ন রেখে প্রয়োজন হলে গঠনমূলক সংলাপে সহায়তা করবে।
এলপিপি আরও নিশ্চিত করেছে, বাংলাদেশে সম্প্রতি তাদের কিছু সোর্সিং কার্যক্রম পর্যালোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় কর্মীদের সুরক্ষা প্রদান, আইনি নিশ্চয়তা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমের জন্য একটি স্থিতিশীল, অনুমানযোগ্য ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই পর্যালোচনা প্রস্তুতকারকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়নি এবং এটি এলপিপির নিজস্ব সব প্রত্যক্ষ চুক্তিভিত্তিক দায়বদ্ধতা মেনে চলার প্রতিশ্রুতিকে প্রভাবিত করে না।
বিজিএমইএ ও এলপিপি সম্মত হয়েছে, এলপিপির সঙ্গে বর্তমানে ব্যবসায়িকভাবে যুক্ত ৩৫০টিরও বেশি প্রস্তুতকারকসহ সমগ্র বাংলাদেশের পোশাক খাতের স্বার্থ যেন সীমিতসংখ্যক তৃতীয় পক্ষের মধ্যকার বিরোধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
এ কারণে ঢালাও বা বিভ্রান্তিকর কোনো প্রচার এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে উভয় পক্ষ। এ ধরনের প্রচার অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অন্য প্রস্তুতকারক, কর্মী অথবা এলপিপি ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
একটি সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বিজিএমইএ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, কর্তৃপক্ষ ও শিল্প অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। এর মধ্যে এলপিপির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যেকোনো অনুচিত হয়রানি, চাপ বা ভিত্তিহীন আইনি জটিলতা থেকে সুরক্ষা প্রদানও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আইনানুগ প্রক্রিয়ার স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন না করে এবং আইনিভাবে দায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেকোনো পক্ষের বৈধ দাবি উত্থাপনের অধিকার সীমাবদ্ধ না রেখেই এ বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
বিজিএমইএ ও এলপিপি তাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব এবং বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের প্রতি যৌথ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
চলমান বিরোধের একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশে নিরাপদ, স্থিতিশীল ও নিরবচ্ছিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রম বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে উভয় প্রতিষ্ঠান।
৭ দিন আগে
দায়িত্ব নিলেন বিজিএমইএর নতুন মহাসচিব ড. সাহেদুল
দেশের তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নতুন মহাসচিব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) ড. মো. সাহেদুল ইসলাম।
শনিবার (১ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ এ তথ্য জানায়।
বিজিএমইএর নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন মহাসচিব তার মেধা, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর মেজর জেনারেল ড. সাহেদুল ইসলাম (অব.) বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএতে যোগ দিতে পেরে তিনি আনন্দিত।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা, পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে তিনি বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদ ও সব উদ্যোক্তার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিজিএমইএর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সামরিক নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে ৩৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মেজর জেনারেল (অব.) ড. সাহেদুল ইসলাম ওয়াশিংটন ডিসিতে ডিফেন্স অ্যাটাশে হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ ‘লিজিওন অব মেরিট’ পদকে ভূষিত হন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘শ্রমিকদের দক্ষতা পর্যালোচনা ও উন্নয়ন’ বিষয়ে পিএইচডি, এমফিল ও এমবিএ এবং ভারতের ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) ডিন, সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে ট্রেজারার ও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৮ দিন আগে
পোশাক শিল্পের বিকাশে যা প্রয়োজন, তা-ই করবে সরকার, আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এ খাতের অগ্রযাত্রায় বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বিজিএমইএর নেতারা পোশাক শিল্পের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। পাশাপাশি এ খাতের স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কয়েকটি দাবি ও প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং যেসব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা সম্ভব, সেগুলো নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে অন্যান্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এগুলোর অনেকগুলোই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা। তবে যেসব সমস্যা এখনই সমাধান করা যায়, সেগুলোতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
২৭ দিন আগে
অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াতে নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন: বিজিএমইএ সভাপতি
বর্তমানে দেশে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চলছে, এতে বিনিয়োগকারীরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। একারণে অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য দ্রুতই দেশে একটি নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
সোমবার (৯ জুন) সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা শহরের সাহিদ প্যালেস হোটেলের লবিতে এক মতবিনিময় সভায় তিনি সাংবাদিকদের এসব বলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চলছে, এতে বিনিয়োগকারীরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অর্থনীতিতে এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। যারা নতুন শিল্প স্থাপন করতে চান বা ব্যবসা শুরু করতে চান, তারাও অপেক্ষা করছেন একটি নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের জন্য।’
যত দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হবে, তত দ্রুত দেশের অর্থনৈতিক গতি ফিরবে, বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে ও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসার লাভ করবে বলে মনে করেন তিনি।
এ সময় চুয়াডাঙ্গা জেলায় একটি গার্মেন্টস ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। যাতে যেসব অদক্ষ যুবক-যুবতী কর্মসংস্থানের খোঁজে রয়েছেন, তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব হয়। পরে এসব কর্মীকে তিনি বিভিন্ন গার্মেন্টস কোম্পানিতে চাকরির জন্য পাঠানোর আশা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে: ডা. শফিকুর রহমান
৪৩৫ দিন আগে
প্রয়াত সভাপতি কুদ্দুসের স্মরণে বিজিএমইএতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল
দেশের প্রখ্যাত শিল্পপতি, তৈরী পোশাক শিল্পের অন্যতম পথিকৃত, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এবং ড্রাগন গ্রুপ, রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের স্মরণে এক শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সম্মিলিত পরিষদের উদ্যোগে বিজিএমইএ অডিটোরিয়ামে এই শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ও সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেন; সংগঠনটির সাবেক সভাপতি রেদোয়ান আহমেদ, এস এম ফজলুল হক, আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ), ফারুক হাসান ও খন্দকার রফিকুল ইসলাম; বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের দুই প্যানেল নেতা আবুল কালাম ও মাহমুদ হাসান খান (বাবু) এবং প্রয়াত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের ছেলে মোস্তফা কিউ সুবহান (রুবেল) ও মেয়ে তাসনিয়া কামরান আনিকা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন আব্দুল্লাহ হিল রাকিব।
শোকসভায় প্রয়াত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি তারা প্রয়াত নেতার জীবনের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে একজন দূরদর্শী নেতা হিসেবে পোশাক শিল্পের কল্যাণে তিনি যেভাবে শিল্পকে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন, গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সেসব স্মরণ করেন উপস্থিত অতিথিরা।
এ সময় বক্তারা বলেন, পোশাক শিল্প আজ যে পর্যায়ে এসেছে, তার পেছনে রয়েছে প্রয়াত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের অসামান্য অবদান। বিশেষ করে তারই হাত ধরে এ দেশে সুয়েটার শিল্পের বিকাশ লাভ হয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, লাখো লাখো মুনুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
আরও পড়ুন: কে এম সফিউল্লাহর মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
শুধু তাই নয়, মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস শিশুশ্রম-সংক্রান্ত হারকিন বিলস মোকাবিলায়ও অগ্রণী ভূমিকা পালন এবং ‘আর্ন অ্যান্ড লার্ন’ কার্যক্রম চালু করেছিলেন, যা বিশ্বব্যাপী বহুল প্রশংসিত।
বিজিএমইএ প্রশাসক আনোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে প্রয়াত মোস্তফা গোলাম কুদ্দুসের স্মরণে শোকসভা আয়োজনের জন্য সম্মিলিত পরিষদকে এবং এ শোকসভায় অংশগ্রণের জন্য ফোরামের নেতাদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, সোয়েটার শিল্পের পথিকৃত হিসেবে বিজিএমইএ তাকে (মোস্তফা গোলাম কুদ্দুস) চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
৫৬০ দিন আগে
বিজিএমইএর প্রশাসক হলেন আনোয়ার হোসেন
বাণিজ্য সংগঠন আইন ২০২২ এর ১৭ ধারা মোতাবেক রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেনকে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: শ্রমিক অসন্তোষে পোশাক শিল্পে ক্ষতি ৪০০ মিলিয়ন ডলার: বিজিএমইএ
রবিবার (২০ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক বাণিজ্য সংগঠন) মো. আবদুর রহিম খানের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে নিয়োগ দেওয়া প্রশাসক ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্য একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে মন্ত্রণালয়কে জানাবেন।
আরও পড়ুন: ৩৯ পোশাক কারখানার জন্য সহজ শর্তে ৫৪ কোটি টাকা ঋণ চায় বিজিএমইএ
৬৬৭ দিন আগে
৩৯ পোশাক কারখানার জন্য সহজ শর্তে ৫৪ কোটি টাকা ঋণ চায় বিজিএমইএ
আর্থিক সংকটে পড়া ৩৯টি পোশাক কারখানার সহায়তায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে সহজ শর্তে ৫৪ কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
বেশ কিছু কারখানা আগে সুষ্ঠুভাবে চললেও সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের কারণে পূর্ণ উৎপাদন ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় বিজিএমইএর গভীর দুঃখ প্রকাশ; পরিবারকে ক্ষতিপূরণ
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এসব কারখানাকে প্রয়োজনীয় ঋণ দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনুরোধ জানিয়ে গত ৬ অক্টোবর অর্থ উপদেষ্টা বরাবর চিঠি পাঠায় বিজিএমইএ। ওই চিঠিতে এসব উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
এই ৩৯টি কারখানায় কর্মরত প্রায় ৫৬ হাজার শ্রমিকের বেতন সময়মতো পরিশোধে ৫৪ কোটি টাকা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে বিজিএমইএ। এ শিল্পে আরও সম্ভাব্য সংকট এড়াতে এবং হাজার হাজার শ্রমিকের জীবিকা রক্ষায় আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনের উপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি।
আরও পড়ুন: বিজিএমইএ'র প্রচেষ্টার পরও আশুলিয়ায় ৪০টি পোশাক কারখানা বন্ধ
৬৭৮ দিন আগে
আশুলিয়ায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় বিজিএমইএর গভীর দুঃখ প্রকাশ; পরিবারকে ক্ষতিপূরণ
আশুলিয়ায় শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোসহ নানা দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে বিজিএমইএ। এছাড়াও পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে তারা।
সোমবার বিজিএমইএ মহাসচিব মো. ফয়জুর রহমান এক বিবৃতিতে এসব কথা জানান।
আরও পড়ুন: ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানায় নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা চাইল বিজিএমইএ
নিহত কাউসার হোসেন খান আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার ম্যাঙ্গো টেক্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিক।
নিহতের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। শ্রম আইন অনুযায়ী তার সব পাওনা শিগগিরই পরিশোধ করা হবে বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ।
সোমবার সকালে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জিরাবোতে মণ্ডল গ্রুপের কারখানায় বিক্ষোভ করছিল শ্রমিকরা। এসময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মালিকপক্ষের আলোচনায় বসেন।
এসময় কিছু বহিরাগত ব্যক্তি ২ শ্রমিকের মৃত্যুর মিথ্যা গুজব তুলে কারখানার বাইরে অবস্থান নেয়। এই সংবাদ পেয়ে অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরাও সেখানে জড়ো হতে থাকে।
দুই বহিরাগত ব্যক্তি বাইরে থেকে কারখানার ভেতরে গুলি ছুড়লে কারখানা ভবনের কাঁচ ভেঙে যায়, আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিচে নেমে আসলে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। বহিরাগতরা ও শ্রমিকরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুলি ছোড়ে।
এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য ও শ্রমিক গুরুতর আহত হলে স্থানীয় পিএমকে হাসপাতাল ও সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এনাম মেডিকেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাউসার হোসেন খানকে মৃত ঘোষণা করেন।
সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১১ জন সদস্য বর্তমানে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন: পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানা বন্ধের নির্দেশ বিজিএমইএ’র
৬৮৭ দিন আগে
সেনাবাহিনীর নিরাপত্তার আশ্বাসে বৃহস্পতিবার খুলছে সব পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ
সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাসের পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার সব পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
বুধবার(৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: পোশাক শিল্পের কাস্টমস ও বন্ড সমস্যা সমাধানে এনবিআরকে বিজিএমইএর আহ্বান
এর আগে বিজিএমইএ কর্মকর্তা, পোশাক কারখানার মালিক, সেনাবাহিনী, শিল্প পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রফিকুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের কারণে ১৭০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, যদিও কারখানার শ্রমিকরা সরাসরি বাধাদানের সঙ্গে জড়িত ছিল না। তিনি বহিরাগতদের আক্রমণকে শিল্পাঞ্চলে বিশৃঙ্খলার জন্য দায়ী করেছেন।
প্রতিক্রিয়ায়, সেনাবাহিনী, শিল্প পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কারখানাগুলোর জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব আশ্বাস নিয়ে বিজিএমইএ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আরও পড়ুন: সাম্প্রতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহজ শর্তে ১৯০০ কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে বিজিএমইএ
পদত্যাগ করলেন কচি, বিজিএমইএর নতুন সভাপতি খন্দকার রফিকুল
৭১৩ দিন আগে
পদত্যাগ করলেন কচি, বিজিএমইএর নতুন সভাপতি খন্দকার রফিকুল
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন এস এম মান্নান কচি। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার কারণে তিনি সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগ পত্র দিয়েছেন বিজিএমইএ বোর্ডকে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার (২৪ আগস্ট) র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে বিজিএমইএর পরিচালনা পর্ষদের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানা বন্ধের নির্দেশ বিজিএমইএ’র
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এসএম মান্নানের (কচি) দত্যাগপত্র গ্রহণ করে বিজিএমইএর সভাপতি করা হয় খন্দকার রফিকুল ইসলামকে। যিনি ২০২৪-২০২৬ মেয়াদে এস এম মান্নানের (কচি) নেতৃত্বাধীন বিজিএমইএ বোর্ডে সিনিয়র সহসভাপতি পদে ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সহসভাপতি থেকে সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব নিলেন আব্দুল্লাহ হিল রাকিব এবং পরিচালক থেকে সহসভাপতির দায়িত্ব নিলেন আসিফ আশরাফ।
খন্দকার রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের সহসভাপতিরা হলেন—
প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল্লাহ হিল রাকিব, সহসভাপতি আরশাদ জামাল (দীপু), সহসভাপতি (অর্থ) মো. নাসির উদ্দিন, সহসভাপতি মিরান আলী, সহসভাপতি আসিফ আশরাফ ও সহসভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী।
আরও পড়ুন: পোশাক শিল্পের কাস্টমস ও বন্ড সমস্যা সমাধানে এনবিআরকে বিজিএমইএর আহ্বান
৭২৪ দিন আগে