বাঁচাতে
অন্য পর্যটককে বাঁচাতে সমুদ্রে নেমে নিজেই লাশ হলো মাদরাসাছাত্র তাহসিন
এক পর্যটককে বাঁচাতে সমুদ্রে নেমে নিজেই লাশ হলো মো. তাহসিন (১৬)। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) কক্সবাজারের সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট সমুদ্রে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. তাহসিন (১৬) কুমিল্লার দেবীদ্বারের মো. হোসেনের ছেলে এবং কাসেমুর উলুম মাদরাসার ছাত্র।
ট্যুরিস্ট পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে সমুদ্রে গোসল করার সময় অন্য এক পর্যটককে বাঁচাতে গিয়ে নিখোঁজ হয় তাহসিন।
আরও পড়ুন: কর্ণফুলীতে জাহাজডুবি: সীতাকুণ্ডে আরও একজনের লাশ উদ্ধার
ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মিজানুজ্জান বলেন, গত ১৩ অক্টোবর তাহসিনসহ তার তিন বন্ধু পরিবারকে না জানিয়েই কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসে। পরের দিন সকাল ৭টার দিকে সমুদ্র গোসলে নামলে তাহসিন খেয়াল করে অন্য একজন পর্যটক আরও দূরে হাত তুলে সাহায্য চাইছেন। তখন উপস্থিত কয়েকজন তৎক্ষণাৎ সেই পর্যটককে বাঁচাতে ছুটে যান। তাদের সঙ্গে সেও যায়। ওই পর্যটককে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। তবে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই পর্যকটকে বাঁচাতে গিয়ে তাহসিন সমুদ্রের ঢেউয়ে তলিয়ে যায়। সমুদ্রে ভেসে যাওয়ার ৪ ঘন্টা পর সাগর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশের এসআই আব্দুল আজিজ বলেন,
অন্যজনকে বাঁচাতে গিয়ে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছে তাহসিন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে সাগরের ভেসে যায়। সী সেইভ লাইফ গার্ড, ট্যুরিস্ট পুলিশ, বীচ কর্মীরা দীর্ঘ ৮ ঘন্টা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর বিকাল সাড়ে ৩ টায় তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে সদর হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে একই দিন বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সমুদ্রে ভেসে যায় নারায়ণগঞ্জের সদর থেকে আগত রহিম খানের ছেলে ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম। মুমুর্ষ অবস্থায় সমুদ্র থেকে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন: জৈন্তাপুরে ধানখেত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার
কুশিয়ারা নদী থেকে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার
২ বছর আগে
আয়শাকে বাঁচাতে চান মা আরজিনা
ব্লাড ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু মোছা. আয়শা খাতুনকে (১৩) বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন করেছেন তার মা মোছা. আরজিনা খাতুন। শিশু আয়েশার বাবা মো. ইদ্রিস আলী পেশায় ভ্যানচালক। তারা বাংলাদেশের পাবনা জেলার বাসিন্দা।
মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়ে আয়েশার মা জানান, আয়েশা ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম অসুস্থ হয়ে পড়ে আয়েশা। ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করে ১৭ দিন চিকিৎসার পর আয়েশাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য তারা ১৮ নভেম্বর আয়েশাকে নিয়ে ভারতে যান। ২৯ নভেম্বর থেকে ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে আয়েশা।
তার মা আরও জানায়, আয়েশার চিকিৎসার জন্য সব মিলিয়ে তাদের চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে। চিকিৎসক জানিয়েছে আরও ১৩ লাখ টাকা লাগবে। তবে, তাদের মতো দরিদ্র পরিবারের পক্ষে আয়েশার চিকিৎসার খরচ চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব হচ্ছে না।
তাই তিনি শিশু আয়েশাকে বাঁচাতে সমাজের সহৃদয়বান বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
আবেদন পাঠানোর ঠিকানা: আরজিনা খাতুন, হিসাবের নাম ১৪৯০১, হিসাব নম্বর ৩৯২১০১০০১৪৯০১, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
আরও পড়ুন: ৩৩৩-তে সাহায্য চেয়ে রিকশাভ্যান পেলেন হাটহাজারীর প্রদীপ
এসডিজি অর্জনে সাহায্যকারী ১৭ তরুণ নেতার একজন বাংলাদেশি জাহিন
২ বছর আগে