বরখাস্ত
নাটোরে সোনালী ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তা বরখাস্ত
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নাটোরে সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ব্যাংকের জিএম মো. শওকত জামানের স্বাক্ষরত চিঠিতে প্রিন্সিপাল অফিসার পদমর্যাদার এই কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
লিটন কুমার ও বিপুল পাল নাটোর থেকে বদলি হয়ে সর্বশেষ নওগাঁ জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া বাকি তিন কর্মকর্তা হলেন এইচ এম রোকনুজ্জামান, হাফিজুর রহমান ও মনিরুজ্জামান। তারা নাটোরের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
লিটন কুমারের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় ৯২ লাখ ৭ হাজার টাকা ও বিপুল পালের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। নাটোরে কর্মরত থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা হিসেবে প্রভাব বিস্তার করে তারা এসব অপকর্মে লিপ্ত হন বলে অভিযোগে রয়েছে।
এছাড়া বাকি তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও বিপুল অঙ্কের ভুয়া ঋণপত্র ও অতিরিক্ত আমানত সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।
নাটোর সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম আহসান রেজা বিষয়গুলো নিশ্চিত করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
১৩ ঘণ্টা আগে
রাবি শিক্ষার্থীকে রেলস্টেশনে মারধর-উত্তেজনা, ৪ আরএনবি সদস্য বরখাস্ত
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রেললাইন অবরোধ, রেলস্টেশন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইনে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। রাত পৌনে ১২টার দিকে একদল শিক্ষার্থী রাজশাহী রেলস্টেশন কার্যালয়ে গিয়ে জানালার কাচ ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। রাত ১টা পর্যন্ত সেখানে ভাঙচুর চলার কথা জানা গেছে।
এর আগে, ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ টু রাজশাহী রেলস্টেশন’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে স্টেশনের দিকে রওনা হন। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। এ সময় তিনি ট্রেন থামিয়ে দুই কর্মকর্তাকে আটকের হুঁশিয়ারি দেন।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে ঢাকাগামী আন্তনগর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাত ১১টা ২০ মিনিটে রাজশাহী থেকে ছাড়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারেনি।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম আইয়ুব আলী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা জানান, চাচাকে নিতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়েছিলেন আইয়ুব আলী। এ সময় স্টেশনে ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আইয়ুব আলী ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
আইয়ুবের সহপাঠী মোহাম্মদ মিজান বলেন, রেলস্টেশনে রাবির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে রেলওয়ের কর্মচারীদের বাগ্বিতণ্ডা হচ্ছিল। পরে আইয়ুব তাদের পক্ষে কথা বললে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বর্তমানে তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার পর বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তিনি বলেন, ‘জড়িতদের অনতিবিলম্বে আটক করতে হবে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর এত প্রতিহিংসা কিসের, এটা দেখতে চাই।’
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাপরিচালক আহম্মদ হোসেন মাসুম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ভায়োলেন্সের ঘটনা কাম্য নয়। আমরা এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠাচ্ছি। একই সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই অব্যাহতি দেওয়া হবে।’
শিক্ষার্থীদের অবরোধ বিষয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরে শিক্ষার্থীদের আবেগপ্রবণ হয়ে পড়া একদম স্বাভাবিক। আমি তাদের আইন হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানাব। আমরা আইনগতভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এরই মধ্যে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় আরএনবির চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল (রবিবার) রাজশাহী রেলওয়ের চিফ কমান্ড্যান্ট মোহা. আশাবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তরাদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া আরএনবির সদস্যরা হলেন: মো. আরিফ হোসেন, মো. রোকন উদ্দীন, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শাহাদত হোসেন।
দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, গতকাল সন্ধ্যায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের কমান্ড্যান্ট (সদর)-এর কাছে নিয়মিত দৈনিক হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, রাত দেড়টার দিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও পুলিশের কর্মকর্তারা স্টেশনে গিয়ে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে আনেন।
৭ দিন আগে
জাল সনদে চাকরি, বেরোবির সহকারী পরিচালক ‘সাময়িক’ বরখাস্ত
শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রেজিস্ট্রার বলেন, সনদ যাচাইয়ে জাল সনদ ব্যবহারের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া যাদের বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, নিয়োগের সময় শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল রানা রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সনদ জমা দেন। পরবর্তীতে সনদের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকার কাছে চিঠি পাঠায়। জবাবে রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা জানায়, সোহেল রানার নামে তারা কোনো স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সনদ ইস্যু করেনি। এরপর তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, জাল সনদ ব্যবহার-সংক্রান্ত অন্যান্য অভিযোগও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপাচার্য ড. শওকাত আলী বলেন, জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে। সম্পূর্ণ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও যদি তিনি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ধরনের অভিযোগে আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে বলে জানান উপাচার্য। তিনি বলেন, যারাই দোষী হিসেবে চিহ্নিত হবেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।
৬০ দিন আগে
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তা বরখাস্ত
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বরখাস্তের এই সিদ্ধান্ত তিনি যেদিন থেকে অনুপস্থিত ছিলেন, অর্থাৎ ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ সেবা-১ অধিশাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট থেকে বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। এ বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তার জবাব সন্তোষজনক হয়নি।
পরবর্তীতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগটি চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবও সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী ‘চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ’-এর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) প্রস্তাবিত এই গুরুদণ্ড আরোপের পক্ষে তাদের মতামত দিলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাকে চূড়ান্তভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
৭০ দিন আগে
কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে কয়েদি পলাতক, বরখাস্ত ৭
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে নারী বন্দি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তত্ত্বাবধায়ক ও নারী কারারক্ষীসহ ৭ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
দায়িত্বে অবহেলার প্রাথমিক তথ্য পাওয়ায় ভিত্তিতে ওই সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ।
তিনি জানান, কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও কীভাবে একজন বন্দি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেন, সেটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত দল গঠন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।
বরখাস্তরা হলেন— তত্ত্বাবধায়ক লায়লা আনজুমান সুমি, মেরিনা ও রেহেনা এবং নারী কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।
এআইজি মো. জান্নাতুল ফরহাদ জানান, গত বৃহস্পতিবার কারাবন্দি মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার রিম্পা (২১) কারাগার থেকে পালিয়ে যান। এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ি থানায় মামলা করা হয়েছে। রিম্পা ঢাকার ধানমণ্ডি থানার ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেওয়া একটি মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় টমহিলা কারাগারে ছিলেন।
কারা সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতরে প্রায় ৪০ জন নারী বন্দিকে দিয়ে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে রিম্পা কারাগারের দেওয়াল টপকে পালিয়ে যান। পরে কারাগারের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বন্দির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় কর্তৃপক্ষ।
৭২ দিন আগে
ভাতার দাবিতে আন্দোলন: সচিবালয়ের ১৪ কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
সচিবালয় ভাতার দাবিতে আন্দোলন করা ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করায় সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে ওই কর্মচারীদের বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী ও নজরুল ইসলাম রয়েছেন।
এ ছাড়াও সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মচারীরা হলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মো. তায়েফুল ইসলাম, বিকাশ চন্দ্র রায়, ইসলামুল হক, মো. মহসিন আলী, রোমান গাজী ও আবু বেলাল, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিজানুর রহমান সুমন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কামাল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিপুল রানা বিপ্লব এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নাসিরুল হক।
সচিবালয় ভাতার দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে আন্দোলনে নামেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের নেতৃত্বে হওয়া ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রায় ছয় ঘণ্টা সচিবালয়ের একটি দপ্তরে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।
পরের দিনও আন্দোলন অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজন কর্মচারীকে সচিবালয় এলাকা থেকেই আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে আদালত তাদের রিমান্ডেও পাঠান।
সরকার দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
২৮৫ দিন আগে
পিআইবি পরিচালক শাখাওয়াত মুন বরখাস্ত
প্রাথমিক তদন্তে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআইবি) অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণ শাখার পরিচালক কে এম শাখাওয়াত মুনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপ-প্রেস সচিব ছিলেন।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ পুলিশের ১৮ কর্মকর্তা বরখাস্ত
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মুনের বিরুদ্ধে আনীত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট-এর চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৮৮ এর বিধি ৩৯(১) অনুযায়ী সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন।
শাখাওয়াত মুন বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নির্বাহী প্রযোজক (অনুষ্ঠান) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
৩৯০ দিন আগে
বেরোবির দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, ‘একজন’ বরখাস্ত
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) যৌন হয়রানির অভিযোগে পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রশীদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে একই অভিযোগে অভিযুক্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিরুদ্ধে এখনও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিচার বৈষম্যের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উঠেছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৪ জুলাই) রাতে শিক্ষার্থীরা ইউএনবিকে জানান, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে তারা আন্দোলনে নামবেন।
শিক্ষার্থী সুমন, জুয়েল ও মেহেরা আফরোজের অভিযোগ, উপাচার্য বিমাতাসুলভ আচরণ করছেন এবং অভিযুক্ত তানজিউল ইসলামকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন, তবে আমরা তা কোনোদিনই হতে দেব না।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরিসংখ্যান বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৩শ সভার সিদ্ধান্তক্রমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. রশীদুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুন-অর রশিদের সই করা এক আদেশের মাধ্যমে তার বরখাস্তের বিষয়েটি জানানো হয়।
বেরোবি সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথমে ওই শিক্ষককে ক্লাস ও পরীক্ষা থেকে এক বছরের জন্য বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়— এমন তথ্য জানাজানি হলে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে উপাচার্যের কাছে তার বহিষ্কার দাবি করেন। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের কাছে বেশ কয়েকবার সময় নিয়েও ব্যবস্থা না নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ডাক দেন। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে ওই শিক্ষককে বহিষ্কারের খবর জানানো হয়।
তবে প্রায় একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ড. তানজিউল ইসলামের বিরুদ্ধেও পরীক্ষায় নম্বর দেওয়া নিয়ে কারসাজি ও যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত একটি অডিও ক্লিপও ছড়িয়ে পড়ে। তাই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তবে চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি শিক্ষক জীবনের বিরুদ্ধে তেমন কিছু খুঁজে পায়নি— এই মর্মে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কিন্তু এত তথ্যপ্রমাণ থাকার পরও তদন্ত কমিটির কোনো কিছু খুঁজে না পাওয়া সন্দেহজনক।
সূত্র বলছে, তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী শিক্ষক জীবনকে তার অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি দেওয়া হবে এবং আগামী যেকোনো সিন্ডিকেটে এ সিদ্ধান্ত পাস করিয়ে নেওয়া হবে।
এ খবর জেনে ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষার্থীরা। অনেকেই বলছেন, এই শিক্ষক বিএনপিপন্থি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ভিসির সঙ্গে সখ্যকে কাজে লাগিয়ে তিনি তদন্তকাজ প্রভাবিত করেছেন।
আরও পড়ুন: বেরোবি প্রশাসনকে ‘শাড়ি-চুড়ি’ দিল শিক্ষার্থীরা
এ ছাড়াও প্রভাবশালী পরিচয়, প্রশাসনের ঘনিষ্ঠতা কিংবা গোপন সমঝোতার জেরে তানজিউল ইসলাম রেহাই পেয়ে যাচ্ছেন বলেও দাবি অনেকের। শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় নিষ্পত্তিমূলক তদন্ত ও সমান বিচার দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে ড. তানজিউল ইসলাম জীবনের বিপক্ষে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক আমির বলেন, ‘আমরা তদন্ত কমিটি গঠন হওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন কবে এটি প্রকাশ করবে তা উপাচার্য জানেন।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো শওকত আলী বলেন, ‘আমরা একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছি। সিন্ডিকেট মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাময়িক বহিষ্কার করেছি।’
একই অভিযোগ, একই তদন্ত কমিটি। তাহলে একটির ফল সাময়িক বহিষ্কার, অথচ অন্যজন এখনো বহাল— এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা সামনের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এটা তুলব। তারপর সিদ্ধান্ত নেব। এসব বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স।’
৪১৯ দিন আগে
বিএসইসির ২১ কর্মকর্তা বরখাস্ত, ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান চেয়ারম্যানের
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ২১ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। পরবর্তীতে কমিশনের সবাইকে নিয়ে সভা করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কমিশন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
কমিশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) জরুরি সভা করে বিএসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় গত ৫ মার্চ বিএসইসিতে যারা চেয়ারম্যান, কমিশনার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আটকে রেখে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে তাদের তালিকা ধরে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিএসইসি এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। বরখাস্তরা জানান, আগে পিছে এ নিয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। অফিসে এসে খবর পেয়েছেন তারা।
সাময়িক বরখাস্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম, পরিচালক আবু রায়হান, মো. মোহতাছিন বিল্লা, অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম, যুগ্ম পরিচালক রাশেদুল ইসলাম, উপপরিচালক বনী ইয়ামিন, আল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক জনি হোসেন, রায়হান কবীর, সাজ্জাদ হোসেন ও আবদুল বাতেন, লাইব্রেরিয়ান মো. সেলিম রেজা বাপ্পী, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবু ইউসুফ।
এর বাইরে রয়েছেন পরিচালক আবুল হাসান ও ফখরুল ইসলাম মজুমদার, অতিরিক্ত পরিচালক মিরাজ উস সুন্নাহ, উপপরিচালক নান্নু ভূঁইয়া, সরকারি পরিচালক আমিনুর রহমান খান, তরিকুল ইসলাম ও সমির ঘোষ।
আরও পড়ুন: রূপপুর ‘দুর্নীতি’: প্রচ্ছায়ার ৮ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ৫ মার্চ সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চার দফা দাবিতে চেয়ারম্যান ও তিন কমিশনারকে প্রায় চার ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ ঘটনায় পরদিন রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় সংস্থাটির ১৬ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করে মামলা করে বিএসইসির চেয়ারম্যানের গানম্যান আশিকুর রহমান। যারা বরখাস্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ১৪ জন এ মামলায় অভিযুক্ত।
এদিকে বরখাস্তের ঘোষণার পর কমিশনের সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে জরুরি সভা করেছেন রাশেদ মাকসুদ। সভায় তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
বলেন, চলমান যে-সব বিষয় নিয়ে বিবাদ আছে তা শিগগিরই সুরাহা করা হবে। দেশের পুঁজিবাজারকে সচল রাখতে নতুন উদ্যোমে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।
৫১৬ দিন আগে
সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক বরখাস্ত
কূটনৈতিক পাসপোর্টকে রাতারাতি অর্ডিনারি পাসপোর্ট করে দেওয়াসহ নানা অভিযোগে সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিনি সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুন: জুলাই হামলা: জাবিতে ২৫৯ ছাত্রলীগকর্মী ও ৯ শিক্ষক বরখাস্ত
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিলেট বিভাগের পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৩৯ ধারার উপবিধি ২-এর বিধান অনুযায়ী তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, রাতারাতি কূটনৈতিক পাসপোর্টকে অর্ডিনারি পাসপোর্ট তৈরি করে দেওয়াসহ আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
৫১৮ দিন আগে