দগ্ধ
সিলেটে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় একটি গ্যাস সিলিন্ডার গুদামে লোড-আনলোডের সময় গ্যাস লিকেজ থেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় ৩ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে দক্ষিণ সুরমা থানার খিদিরপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন— দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা এলাকার ইমন আহমদ, জায়েদ আহমদ ও আকবর আলী।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গুদামে গ্যাস সিলিন্ডার লোড-আনলোডের সময় একটি সিলিন্ডারে গ্যাস লিকেজ দেখা দেয়। একপর্যায়ে সেটি বিস্ফোরিত হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে কর্মরত তিন শ্রমিক দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা আলমপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ফায়ার ফাইটার শাহজালাল বলেন, সিলেট-সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়কের পাশে একটি গ্যাস সিলিন্ডার গুদামে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
১ দিন আগে
ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ মামা-ভাগনির মৃত্যু
রাজধানীর ভাটারা থানাধীন নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধের ঘটনায় মো. শাহীন (২৪) ও তাদের ভাগ্নি হাফছা (৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থায় মারা গেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীনের মৃত্যু হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মারা যায় হাফছা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ভাটারা এলাকায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে আমাদের এখানে তিনজন এসেছিলেন। তাদের মধ্যে শাহিন আজ সকাল ৬টায় আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গতকাল রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে তার ভাগ্নি হাফছাও মারা যায়। তার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় শাহিনের স্ত্রী ফাহিমা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, দগ্ধ শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তিনি পরিবার নিয়ে ভাটারার নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় থাকতেন। ওইদিন ভোরে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
৫ দিন আগে
সিলেটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৪
সিলেট নগরীর শাহপরান থানার একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লেগে চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে টিলাগড় এলাকার আল জালাল সিএনজি ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— আল জালাল সিএনজি স্টেশনের কর্মী আবু সাঈদ (২০) ও আবু সুফিয়ান (২২) এবং স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল (২০) ও হাবিব (২২)।
আহতদের প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আবু সাঈদের শরীরের ১৫ শতাংশ, আবু সুফিয়ানের ৯ শতাংশ, জুয়েলের ১২ শতাংশ এবং হাবিবের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে সবাই বর্তমানে শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
আল জালাল সিএনজি স্টেশনের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান জানান, গতকাল সকালে একটি বাসে গ্যাস নেওয়ার সময় হঠাৎ বাসটির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে স্টেশনের দুই কর্মীসহ চারজন দগ্ধ হন। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
৭ দিন আগে
ভাটারায় গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে এক পরিবারের দগ্ধ ৩
রাজধানীর ভাটারায় একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে শিশুসহ একটি পরিবারের ৩ জন দগ্ধ হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ভাটারা থানার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে সকাল ৬টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তারা জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দগ্ধরা হলেন— মো. শাহীন (২৪), তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) ও তাদের ভাগনি হাফছা (৮)।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা শাহীনের ভগ্নিপতি মো. জসিম জানান, শাহীন পেশায় একটি দোকানের কর্মচারী। তিনি পরিবার নিয়ে ভাটারা থানাধীন নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। আজ ভোরে তারা সবাই ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হঠাৎ গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং ঘরে আগুন ধরে যায়। পরে তাদের দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, ভাটারা এলাকা থেকে গ্যাস লাইন লিকেজজনিত বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে তিনজন হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ, তার স্ত্রী ফাহিমার ৪৫ শতাংশ ও তাদের ভাগনি হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দগ্ধ তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের সবাইকে বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৮ দিন আগে
কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইনের কাজ করার সময় বিস্ফোরণ, ৩ শ্রমিক দগ্ধ
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের একটি বাসায় গ্যাস লাইনের কাজ করার সময় পাইপলাইনে বিস্ফোরণে তিন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— রাকিব (১৪), রাজন (২৫) ও সুমন (২৭)।
তাদের সঙ্গে থাকা সহকর্মী সজীব জানান, গতকাল (শুক্রবার) রাতে বরইতলা এলাকার আরিফ মিয়ার বাসায় গ্যাস লাইনের কাজ করছিলেন তারা। কাজের একপর্যায়ে পাইপলাইনে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটলে তিন শ্রমিক দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, রাকিবের শরীরের প্রায় ১৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্য দুইজনের দগ্ধের পরিমাণ তুলনামূলক কম। তাদের শরীরে ড্রেসিং চলমান থাকায় এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট পরিমাণ বলা সম্ভব নয়। তবে তিনজনই বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
১৮ দিন আগে
রাজধানীর বংশালে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ব্যবসায়ী নিহত, দগ্ধ ১
রাজধানীর বংশালে একটি মোটর পার্টসের দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দেলওয়ার হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নাজমুল হোসেন (৩৩) নামে আরও একজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বংশাল থানার মুকিম বাজার রোডের শিয়া গলি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দেলওয়ার হোসেন যশোরের শার্শা উপজেলার আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি দগ্ধ নাজমুলের খালাতো ভাই। বংশাল এলাকায় মোটর পার্টসের ব্যবসা করতেন দেলওয়ার।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা দোকানের কর্মচারী মো. হামিদুল ইসলাম জানান, ভোরে মোটর পার্টসের দোকানে হঠাৎ গ্যাস লিকেজ থেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় দোকানের একটি ভারী বস্তু দেলওয়ারের মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আঘাত পান।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনা দেখে আশপাশের লোকজন ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেলওয়ার হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
দগ্ধ নাজমুল বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি বংশাল থানাকে জানানো হয়েছে।
১৯ দিন আগে
রাজধানীর কলাবাগানে সেপটিক ট্যাঙ্কের গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩
রাজধানীর কলাবাগানে একটি সাততলা ভবনের নিচ তলায় সেপটিক ট্যাঙ্কে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১জুলাই) দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে কলাবাগান থানার কাঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মো. জুয়েল (২০), মো. রানা (২২) ও মো. পারভেজ (২১)।
জুয়েলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বাংখালী গ্রামে। তার বাবার নাম সবুজ মিয়া। রানা একই এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে এবং পারভেজ একই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কলাবাগান এলাকা থেকে জুয়েলকে শরীরের ৩০ শতাংশ, রানাকে ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজকে ২১ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদের ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রানা ও জুয়েলকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।
পারভেজকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকেও আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো. রাজিব জানান, তিনজনই পান্থপথের একটি ফার্নিচারের দোকানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। রাতে তারা কাঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি সাততলা ভবনের নিচতলায় জুয়েলের বাসায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ সেপটিক ট্যাঙ্কে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়।
২৭ দিন আগে
মিরপুরে মাদ্রাসার সাইনবোর্ড টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ ৩
রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর এলাকায় আশরাফুল উলুম মাদ্রাসায় সাইনবোর্ড টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শিক্ষক ও ২ ছাত্র দগ্ধ হয়েছেন।
রবিবার (১৪ জুন) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুপুরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন—মাদ্রাসার শিক্ষক মো. সালমান (২৬), শিক্ষার্থী মো. মারুফ (১২) ও খাইরুল ইসলাম (১৪)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, আজ (রবিবার) দুপুরে মারুফ শরীরে ১৮ শতাংশ দগ্ধ, সালমান শরীরে ২ শতাংশ দগ্ধ এবং খাইরুল ইসলাম শরীরে ৩ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়। দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় তাদের মধ্যে আমরা ২ জনকে জরুরি বিভাগে পর্যক্ষেণে রেখেছি। মো. মারুফকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালে আহত মারুফের বড় ভাই মান্নান জানান, সকালে মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক দুই ছাত্র ও একজন শিক্ষককে সাইনবোর্ড টাঙানোর দায়িত্ব দেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে তারা তিনজনই দগ্ধ হন।
পরে আমরা খবর পেয়ে দ্রুত তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসি।
৪৫ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে এক পরিবারের চারজনসহ দগ্ধ ৫
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি ফ্ল্যাট বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে বন্দর থানার মদনপুরে এই ঘটনা ঘটে।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দগ্ধরা হলেন— মান্নান (৫০), সুলতানা (৩৫), মিম (১৩), হযরত আলী (৮) ও সিয়াম (১৯)।
ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মান্নানের শরীরে ৩০ শতাংশ, সিয়ামের শরীরের ৭৭ শতাংশ, মিমের শরীরের ৪১ শতাংশ, সুলতানার শরীরের ৯০ শতাংশ ও হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এবং দুজনকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
৪৮ দিন আগে
পাবনায় ধষর্ণ-হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ: দগ্ধ হয়ে নিহত ৩
পাবনা সদর উপজেলায় ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার জেরে আসামিদের বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন জন উৎসুক জনতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়।
এর আগে, সোমবার (৮ জুন) বিকেলে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন— সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার তজির উদ্দিন শেখের ছেলে সুমন শেখ, পাশের নতুন পাড়া এলাকার শকুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার ইউসুফের ছেলে সাপু।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পাবনার ভাড়ারায় পদ্মা নদী থেকে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরের দিন ৪ জুন তার মরদেহ দাফন করা হয়। দাফন শেষে উত্তেজিত জনতা আসামিদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে বাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আশপাশের বেশ কয়েকজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অগ্নিসংযোগের সময় আসামিপক্ষের কেউ বাড়িতে ছিলেন না। দগ্ধরা সবাই প্রতিবেশী ও আশপাশের মানুষ এবং উৎসুক জনতা ছিলেন।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল (সোমবার) একজন এবং আজকে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ, পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মা নদী থেকে এক কিশোরীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের কথিত প্রেমিক নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে অভিযুক্তরা।
৫০ দিন আগে