দগ্ধ
গাজীপুরে ট্রান্সমিটারের তার ছিঁড়ে নিহত এক, দগ্ধ ৩
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ীতে ট্রান্সমিটারের বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজন নিহত হয়েছে। এতে আরও ৩ জন দগ্ধ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে ) সকালে কোনাবাড়ীর পারিজাত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রবিউল ইসলাম (১৭) রাজশাহী জেলার মো. সোহেল মিয়ার ছেলে ছিল। সে ওই বিদ্যালয়-সংলগ্ন সেলিম মিয়ার বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করত।
দগ্ধ তিনজন হলেন— কোনাবাড়ী থানাধীন পারিজাত এলাকার মো. সোহান এর ছেলে তালহা (১০) এবং পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ এলাকার মৃত নুরুল হকের ছেলে মো. হাবিবুর রহমান (৫৬)। তিনি বর্তমানে পারিজাত এলাকার গাউছুল আজম জামে মসজিদের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরজন কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল থানাধীন সড়কঘাটা গ্রামের জামরুল ইসলামের ছেলে মো, নিরব (১০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদের নামাজ শেষে ওই বিদ্যালয়-সংলগ্ন কাকলি নিবাসের সামনে হঠাৎ বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটারে ত্রুটি দেখা দেয়। একপর্যায়ে ট্রান্সমিটারের তার ছিঁড়ে নিচে পড়ে যায়। এ সময় তারের সংস্পর্শে এসে রবিউল ইসলাম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। ঘটনাস্থলেই তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায় এবং মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আরও তিনজন ঝলসে গেছে। আহতদের প্রথমে গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহতদের মধ্যে দুইজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। অপর একজন বর্তমানে তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ দুর্ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জানিয়ে কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিশ্বজিৎ মজুমদার বলেন, খবর পেয়ে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
২ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জের ক্যান্টিনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরও একজনের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনা ঘাটে বিদ্যুৎকেন্দ্রে ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ আমির (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ জনে।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গত বুধবার (১৩ মে) দুপুর পৌনে ২টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ১২ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার শংকর নামের একজনের মৃত্যু হয়েছিল। আজ (শনিবার) সকাল ১০টার দিকে আইসিইউতে আমির নামের চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। তার শরীরে ৮০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
তিনি জানান, দগ্ধের পরিমাণ কম থাকায় ৬ জনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এখনও ৪ জন জাতীয় বার্নে ভর্তি রয়েছেন বলে জানা তিনি।
১৪ দিন আগে
মৃত্যুর সঙ্গে পাঁচ দিন লড়াই করে হার মানলেন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ মনিরা
রাজবাড়ীতে ছুটি শেষে কার্যালয়ের পতাকা নামাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হওয়া অফিস সহায়ক সেই মনিরা খাতুন (২৮) মারা গেছেন।
টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শুক্রবার (১৫ মে) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মনিরা খাতুন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ রাজবাড়ী জেলা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি রাজবাড়ী সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের কোলারহাট গ্রামের মেহেদী হাসানের স্ত্রী এবং একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তার স্বামী মেহেদী হাসানও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত আছেন।
মেহেদী হাসান জানান, মনিরা খাতুনের শরীরের ৮০ ভাগ দগ্ধ হয়েছিল বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এই কারণে তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তাদের সংসারে মাত্র ১০ মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মা ছাড়া এই শিশু নিয়ে তিনি অনেক অসহায় হয়ে পড়েছেন বলে জানান।
জানা যায়, রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক-সংলগ্ন রাজবাড়ী শহরের দক্ষিণ ভবানীপুর পশু হাসপাতাল এলাকায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রাজবাড়ী জেলা কার্যালয় অবস্থিত। গত রবিবার (১০ মে) বিকেলে ছুটি শেষে কার্যালয়ে উত্তোলনকৃত জাতীয় পতাকা নামাতে যান মনিরা। কার্যালয়ে একপাশে স্থাপিত পাইপ থেকে জাতীয় পতাকা নামাতে গেলে অসাবধানতাবশত পতাকাবাহী ইস্পাতের পাইপটি বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের হাইভোল্টেজ তারের ওপর পড়ে। এই অবস্থায় পাইপটি বিদ্যুতায়িত হলে মনিরার পরনের কাপড়ে আগুন ধরে যায়। সে সময় অফিসে কেউ না থাকায় তাকে উদ্ধার করতে দেরি হয় এবং আগুন ছড়িয়ে শরীরে বেশিরভাগ অংশ দগ্ধ হয়। পথচারীরা টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মনিরাকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, মনিরা খাতুনের শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঝলসে যায়। তাকে সদর হাসপাতালে আনা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে পরিবারের লোকজন ফরিদপুর না নিয়ে ওই দিন রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
রাজবাড়ী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আসিফুর রহমান জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে মনিরা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ওই দিন জরুরি মিটিংয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে থাকা অবস্থায় বিকেল সোয়া ৪টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত এসে তিনি শোনেন মনিরাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
গতকাল (শুক্রবার) রাতে গ্রামের বাড়িতে মনিরার মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্বামী মেহেদী হাসান। তার অকাল মৃত্যুতে কর্মস্থলসহ গোটা পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
১৪ দিন আগে
নারায়ণগঞ্জে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বাসায় ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছেন।
সোমবার (১১ মে) সকাল ৬টার দিকে ফতুল্লার কুতুবপুর লাকিবাজার এলাকার এ ঘটনা ঘটে।
পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে সকাল সাড়ে আটটার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন—আব্দুল কাদের (৫০) এবং তার তিন ছেলে মোহাম্মদ মেহেদী (১৭), সাকিব (১৬) ও রাকিব (১৬)।
তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. ফারুক জানান, সকাল ৬টার দিকে আমরা বিকট শব্দ পেয়ে বাসায় গিয়ে দেখি, বাবা ও তার ছেলেরা দগ্ধ অবস্থায় আগুনে ঝলসে গেছে। পরে জানতে পারি, ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ হয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। পরে আমরা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসি। সেখানে চিকিৎসক তাদেরকে ভর্তি করান।
তিনি আরও জানান, আব্দুল কাদের পেশায় একজন অটোরিকশাচালক। তিনি পরিবার নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার কুতুবপুর লাকিবাজার এলাকায় বসবাস করেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে চারজন এসেছেন। তাদের মধ্যে আব্দুল কাদেরের শরীরের ৫৭ শতাংশ, মেহেদির ১৮ শতাংশ, সাকিবের ১৭ শতাংশ এবং রাকিবের ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আব্দুল কাদেরের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
১৯ দিন আগে
শ্যামপুরে স্টিলমিলে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৮
রাজধানীর শ্যামপুরে আর এস এম স্টিলমিলে বয়লার বিস্ফোরণে ৮ জন দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন— হীরা (৩৫) মানিক (৪৫), রাজিব আলি (২৯), আরশাদ (৪৫), খলিলুর রহমান (৫৬), মো. লিটন (৩২), মতিউর রহমান (২২) ও ইউসুফ (৪০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
তিনি বলেন, আহতদের মধ্যে হীরার শরীরের ১৭ শতাংশ, মানিকের শরীরের ৪০ শতাংশ, রাজিব আলির ৪ শতাংশ, আরশাদের ১১ শতাংশ, খলিলুর রহমানের ৯ শতাংশ, লিটনের ৭ শতাংশ, মতিউরের ১০ শতাংশ ও ইউসুফের শরীরের ৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মানিকের শরীরে দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে। আর হীরাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানান এ চিকিৎসক।
৫৯ দিন আগে
গাজীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণ, আগুনে দগ্ধ ৩
গাজীপুরের শ্রীপুরে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে আগুন ধরে পাশের একটি মার্কেটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) রাত পৌনে ১১টার দিকে শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তায় এলাকার আ. সাহিদ সুপার ভিউ নামের একটি মার্কেটের সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটির ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ হয়। ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তিনজন দগ্ধ হন। আগুন ছড়িয়ে পড়লে ওই মার্কেটের কয়েকটি কক্ষের মালামাল পুড়ে যায়।
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর নুরুল করিম জানান, খবর পেয়ে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় আল হেরা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।
৭৯ দিন আগে
রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ একই পরিবারের ১০
রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ায় একটি বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন— মো. রুবেল (২৮), তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সোনিয়া আক্তার (২৫), মেয়ে রোজা (০৩), সোনিয়ার বড় বোন রিয়া (২৭), রুবেলের চাচাতো ভাই মো. এনায়েত (৩২), তার স্ত্রী মোছা. দুলারা খাতুন (২৮), ছেলে জুনায়েদ (১৩), এনায়েতের ভাই মো. হাবিব (৩০), ভাগনি আয়েশা, (১৯) মো. হাবিব (৩৫) ও আবু কালাম রুবেল (৩৫)।
দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা সাজেদ মাতব্বর জানান, উত্তরার কামারপাড়া ১০ নম্বর সেক্টরের কবরস্থান রোডের মেম্বার বাড়ির পাশে আবুল কালামের বাসায় দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকেন রুবেল। ওই বাসায় ভোরে গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে।
তিনি জানান, রুবেল মোটরসাইকেল রাইড শেয়ার করেন। রুবেলের চাচাতো ভাই এনায়েত দুবাই প্রবাসী। কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারি অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তিদের মধ্যে শিশু রোজার শরীরের ১৮ শতাংশ দগ্ধ, সোনিয়া আক্তার দগ্ধ ১০০ শতাংশ, রুবেলের ৩২ শতাংশ, জুনায়েদ ২৪ শতাংশ, এনায়েত আলী ৪৫ শতাংশ, দিলেরা খাতুন ১৪ শতাংশ, আবু কালাম রুবেলের ৭ শতাংশ, হাবিবের ১৯ শতাংশ, আয়েশা আক্তার ১২ শতাংশ ও রিয়া আক্তারের শরীরের ৩২ শতাংশ দগ্ধ রয়েছে।
যাদের শরীরের দগ্ধের পরিমাণ বেশি, তাদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অন্যদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানান এ চিকিৎসক।
৮৫ দিন আগে
পুরান ঢাকায় এসি বিষ্ফোরণে দগ্ধ একজনের মৃত্যু
রাজধানীর পুরান ঢাকার নারিন্দায় একটি বাসায় এসির গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ মো. সেলিম (৩৩) নামে একজন মারা গেছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান তিনি।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সেলিমের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। বর্তমানে মো. মোক্তার বেপারী শরীরের ২২ শতাংশ দগ্ধ ও সেলিনা আক্তার ২০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মোক্তার বেপারী (৫৫), সেলিনা আক্তার (৪৫) ও মোহাম্মদ সেলিম (৩৩)।
স্থানীয়রা জানান, ওই বাসায় একাধিক এসির গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। সেখান থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। নারিন্দা এলাকার পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ওই বাসা থেকে বেশ কিছু গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেন। তাছাড়া দগ্ধদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান তারা।
৯১ দিন আগে
পুরান ঢাকায় এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩
রাজধানীর পুরান ঢাকায় নারিন্দার একটি বাসায় এসির গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
দগ্ধরা হলেন— মোক্তার বেপারী (৫৫), সেলিনা আক্তার (৪৫) ও মোহাম্মদ সেলিম (৩৩)।
স্থানীয়রা জানান, ওই বাসায় একাধিক এসির গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ছিল। সেখান থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। নারিন্দা এলাকার পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা ওই বাসা থেকে বেশ কিছু গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করেন। তাছাড়া দগ্ধদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান তারা।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে মো. মোক্তার বেপারীর শরীরের ২২ শতাংশ, সেলিনা আক্তারের ২০ শতাংশ ও মো. সেলিমের শরীরের ১০০ শতাংশ পুড়ে গেছে। সেলিমের অবস্থা বেশ আশঙ্কজনক বলে জানান তিনি।
৯২ দিন আগে
কক্সবাজারে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ, ১৬ জন দগ্ধ
কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে এন আলম নামের একটি এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন ও বিপুল জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ৭ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ নিশ্চিত করেছেন, ওই ফিলিং স্টেশনটির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না এবং গ্যাস লিকেজ থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, এন আলম নামক ওই ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকায় গ্যাসের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
রাত সোয়া ১০টার দিকে বিকট শব্দে পাম্পের ১৪ হাজার লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। আগুন দ্রুত পাম্পের চারপাশের স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় ৫ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
৯৩ দিন আগে