আন্দোলন
পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলন: পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ৬
সরকারি চাকরিতে নবম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে যমুনা অভিমুখী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জে অন্তত ৬ জন সরকারি কর্মচারী আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় দুপুর পৌনে ১টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
আহতরা হলেন— সরকারি কর্মচারী আব্দুল হান্নান (৪৫), জয় দাস (৩৫), আব্দুল আউয়াল (৪০), তন্ময় (৩২), জাকারিয়া (৬০) ও মো. সিকান্দার (৪০)।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সহকর্মী মো. কালাম হাওলাদার ও মো. মাসুদ জানান, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে একটি মিছিল কর্মসূচি ছিল। মিছিলটি শাহবাগ অতিক্রম করার সময় পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও জলকামান ব্যবহার করে মিছিল ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
তারা আরও জানান, পুলিশের ওই অভিযানে তাদের ৬ জন সহকর্মী আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, দুপুরের দিকে শাহবাগ থেকে আহত অবস্থায় ৬ জন সরকারি কর্মচারীকে হাসপাতালে জরুরিভাবে আনা হয়েছিল। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ছেড়ে দিয়েছেন চিকিৎসক।
৭ দিন আগে
বিএসসি ডিগ্রিধারীদের নিয়োগের সুপারিশ বাতিলের দাবিতে নরসিংদীতে মহাসড়ক অবরোধ
উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে বিএসসি ডিগ্রিধারীদের নিয়োগের সুপারিশ বাতিলের দাবিতে নরসিংদীর ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছে কারিগরি শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে নরসিংদী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীসহ বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পুলিশ লাইন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই অবরোধ করেন।
এ সময় মহাসড়কের দুপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দূর্ভোগে পড়ে মহাসড়কে চলাচলরত সাধারণ যাত্রীসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। দুপুর দেড়টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও অবরোধ চলছিল।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দশম গ্রেডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পাশাপাশি বিএসসি প্রকৌশলীদের নিয়োগের বিধান করার সুপারিশ করেছে সরকার। সরকারকে এই সুপারিশ বাতিল করতে হবে।
তারা আরও জানান, সহকারী প্রকৌশলী পদে বরাবর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা আবেদন করার সুযোগ পান। তবে গতবছর এ পদে বিএসসি ডিগ্রিধারীদের নিয়োগের সুযোগ চেয়ে আন্দোলন করেন বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবির প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু করেন কারিগরি শিক্ষার্থীরা। আমরা এমন সুপারিশের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। কারণ উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদটি বরাবরই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীদের জন্য ছিল।
আন্দোলনে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষার্থী রবিন মিয়া, ফাহিম আহমেদ, রিয়াদ হোসেন, মো. সাজ্জাদ, মো. তামজিদ ও সিয়াম মিয়া।
১০ দিন আগে
টঙ্গীতে আন্দোলন চলাকালে শতাধিক পোশাক শ্রমিক অসুস্থ
বেতন পরিশোধের দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীতে আন্দোলন চলাকালে ব্রাভো অ্যাপারেলস লিমিটেডের দুইটি কারখানার অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে হঠাৎ করে একের পর এক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাদের।
অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে মা আওয়ার টাওয়ার ও আলম টাওয়ারে অবস্থিত কারখানার শ্রমিকরাই বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের দ্রুত টঙ্গী সরকারি হাসপাতালসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আক্রান্ত শ্রমিকদের অধিকাংশই বমি, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও অস্বস্তিজনিত উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জরুরি বিভাগে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক রোগী আসায় কিছু সময়ের জন্য হাসপাতাল চত্বরে চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ও কারখানা সূত্র জানায়, নভেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকরা রবিবার (১১ জানুয়ারি) সারা দিন কর্মবিরতি ও আন্দোলন করেন। একই দাবিতে পরদিন সোমবার সকালে কাজে যোগ দিয়েও তারা পুনরায় আন্দোলন শুরু করেন। আন্দোলনের মধ্যেই হঠাৎ একে একে শ্রমিকরা অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন। তবে কী কারণে তারা অসুস্থ হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাহিদ সুলতানা বলেন, আক্রান্ত শ্রমিকদের মধ্যে প্যানিক অ্যাটাক, বমি ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ শ্রমিকই আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, অসুস্থতার পরিপ্রেক্ষিতে গার্মেন্টস কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বসহ তদন্ত করছে।
৩০ দিন আগে
তারেক রহমানের জন্য শাহবাগ ছাড়ল ইনকিলাব মঞ্চ
ইনকিলাব মঞ্চের সদ্য প্রয়াত আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ-সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে সরে গেছে ইনকিলাব মঞ্চের আন্দোলনকারীরা।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) আন্দোলনকারীরা শাহবাগ এলাকা থেকে সরে এসে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
এ বিষয়ে নিজেদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ইনকিলাব মঞ্চ জানায়, ঠিক দুপুর ১২টায় পুনরায় শাহবাগ মোড়ে শহিদ হাদি চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। বিচার আদায়ের দাবিতে সারা দেশের জনতাকে শহিদ হাদি চত্বরে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চ শুক্রবার রাত থেকে শাহবাগে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালন করে।
৪৯ দিন আগে
ভাতার দাবিতে আন্দোলন: সচিবালয়ের ১৪ কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত
সচিবালয় ভাতার দাবিতে আন্দোলন করা ১৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করায় সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে ওই কর্মচারীদের বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির, সহ-সভাপতি শাহীন গোলাম রাব্বানী ও নজরুল ইসলাম রয়েছেন।
এ ছাড়াও সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মচারীরা হলেন—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মো. তায়েফুল ইসলাম, বিকাশ চন্দ্র রায়, ইসলামুল হক, মো. মহসিন আলী, রোমান গাজী ও আবু বেলাল, তথ্য মন্ত্রণালয়ের মিজানুর রহমান সুমন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কামাল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিমুজ্জামান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিপুল রানা বিপ্লব এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নাসিরুল হক।
সচিবালয় ভাতার দাবিতে গত ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তরে আন্দোলনে নামেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের নেতৃত্বে হওয়া ওই আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রায় ছয় ঘণ্টা সচিবালয়ের একটি দপ্তরে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন আন্দোলনকারীরা।
পরের দিনও আন্দোলন অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজন কর্মচারীকে সচিবালয় এলাকা থেকেই আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে আদালত তাদের রিমান্ডেও পাঠান।
সরকার দাবির বিষয়ে আশ্বাস দেওয়ার পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো।
৫৮ দিন আগে
পল্লী বিদ্যুৎ কর্মীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে ফিরতে নির্দেশ
চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কাজে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই সতর্কবার্তা জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যাবশ্যক পরিষেবা। এ সেবায় বাধা দেওয়া বা বিঘ্ন ঘটানো অত্যাবশ্যক পরিষেবা আইন অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
সরকার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের দাবিসমূহ সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪৬৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী গণছুটিতে
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, পল্লী এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কাজে নিয়োজিত এবং গণছুটির নামে অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলন এসে দাবি আদায়ে রোববার থেকে গণছুটিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা।
১৫৯ দিন আগে
বাকৃবি: ২ দাবি মেনে নিল প্রশাসন, আন্দোলন সাময়িক স্থগিত
ছয় দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দুটি দাবি মেনে নিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) প্রশাসন। বাকি চারটি দাবির বিষয়ে আলোচনা চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনের আশ্বাসে আপাতত আন্দোলন স্থগিত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলোচনা শেষ হয়। এ সময় বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানোর পর চলমান ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।
আলোচনায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের ছয় দফা দাবির প্রথম দুটি মেনে নেওয়া হয়েছে, বাকি চার দাবি নিয়ে আলোচনা চলবে।
আলোচনা শেষে বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন থেকেই হলে থাকতে পারবেন। আগামীকাল (আজ বুধবার) সিন্ডিকেট মিটিংয়ের ব্যবস্থা করে বিজ্ঞপ্তি আকারে হল ত্যাগের নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হবে। তাছাড়া আগামী সাত দিনের মধ্যে ক্লাস-পরীক্ষা শুরুর ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে কম্বাইন্ড ডিগ্রির বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তই বলবৎ থাকবে বলে জানান এই শিক্ষক।
আরও পড়ুন: বাকৃবির একাডেমিক কাউন্সিল সভার পরবর্তী ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
তিনি আরও জানান, বহিরাগতদের হামলায় শিক্ষার্থীরা আহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ এন এম এহসানুল হক হিমেল জানান, কম্বাইন্ড ডিগ্রির বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি। পরবর্তীতে এই বিষয়ে আরও আলোচনা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের একক কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবির পক্ষেই আমরা অবস্থান করছি। তবে আগামীকাল আমরা কোনো আন্দোলন কর্মসূচি রাখিনি।’
আন্দোলনরত আরেক শিক্ষার্থী শিবলী জানান, আন্দোলনে যেসব শিক্ষার্থী জড়িত ছিল, তাদের প্রশাসনিক বা অ্যাকাডেমিক কোনো ধরনের হ্যারাসমেন্ট করা হবে না বলে উপাচার্য আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা লিখিত চাইলে উপাচার্য আজকের (বুধবার) মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান বলে উল্লেখ করেন এই শিক্ষার্থী।
১৬৪ দিন আগে
বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার সংরক্ষণের আন্দোলন বেগবান করার আহ্বান
অভিন্ন নদীগুলো থেকে ভারত এক তরফা পানি সরিয়ে নেওয়ায় বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য হুমকিতে পড়ায় যৌথ নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে আন্দোলন বেগবান করার আহ্বান জানিয়েছেন নদী গবেষক পরিবেশকর্মীরা।
শনিবার (২ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মৌলানা আকরম খান হলে পানি অধিকার যোদ্ধা আতিকুর রহমান সালু স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তারা এই আহ্বন জানান।
বক্তরা বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার সংরক্ষণের আন্দোলন আরো বেগবান করার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, ভারতের সঙ্গে ৫৪টি যৌথ নদীর মধ্যে গঙ্গা ছাড়া অন্য কোনটির পানি ব্যবস্থাপনার চুক্তি নেই। গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ ডিসেম্বরে শেষ হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর লেখা মুখবন্ধসহ আতিকুর রহমান সালু স্মারকগ্রন্থে মোট ৩০টি লেখায় তার সংগ্রামী ও কর্মময় জীবনের উপর আলোকপাত করা হয়েছে। বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার আন্দোলনে তার আপোষহীন সংগ্রাম একটা অতূলনীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে যুগযুগ ধরে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা বলেন, কোনো চুক্তি বা বোঝাপড়া ছাড়া উজানের দেশ ভারত সকল যৌথ নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করে শুকনো মওসুমে পানির প্রবাহ সরিয়ে নিয়ে বাংলাদেশে এক মারাত্মক পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি করে চলেছে। অন্যদিকে বর্ষা মওসুমে বানের পানি বিনা নোটিশে ছেড়ে দিয়ে সৃষ্টি করছে প্রলয়ঙ্করী বন্যা ও নদী ভাঙ্গন। অথচ বর্তমান বিশ্বে যৌথ নদীর পানি সমস্যার সমাধান নিহিত রয়েছে বেসিনভিত্তিক যৌথ ব্যবস্থাপনায়, যেন উজান ও ভাটির সকল দেশ তার সুফল পায়। পাশাপাশি নদীগুলো হিমালয়ের উৎপত্তিস্থল থেকে সাগর পর্যন্ত জীবন্ত থাকে।
পড়ুন: যৌথ নদী কমিশন: ঢাকা, দিল্লি পানি-বন্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা
তারা বলেন, আতিকুর রহমান সালুর লক্ষ্য ছিল ২০০৫ সালের ৪ মার্চ চিলমারিতে অনুষ্ঠিত দশ লাখ লোকের সমাবেশের মতো আরেকটি বড় সমাবেশ আয়োজন করে নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের দাবি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা এবং এ জীবন-মরণ সমস্যার সমাধানে ভারতের উপর চাপ প্রয়োগ করা। ১৯৭৬ সালের ১৬ মে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চের পরেই ১৯৭৭ সালের ভারসম্যপূর্ণ গঙ্গা পানি চুক্তি সই সম্ভব হয়েছিল। আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটি (আইএফসি), বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায়) ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার,আইএফসি, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক জসীম উদ্দিন আহমদ, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক শাহরিয়া আখতার বুলু, আতিকুর রহমান সালুর সহধর্মিণী ও স্মারক গ্রন্থের প্রকাশক ফরিদা ইউসুফজাই, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তফাফিজুর রহমান ইরান ও স্মারক গ্রন্থের সম্পাদক কামরুল হুদা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্ক আইএফসির চেয়ারম্যান সৈয়দ টিপু সুলতান এবং সঞ্চালনা করেন আইএফসি, বাংলাদেশের সভাপতি মোস্তফা কামাল মজুমদার।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নিউইর্য়কস্থ ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা গিয়াস আহমেদ, অধ্যক্ষ শেখ ফিরোজ আহমদ, অধ্যাপক ইসরারুল হক, কামাল উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যক্ষ আবদুল মান্নান খান, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, জামালউদ্দিন জামাল, রফিকুল ইসলাম আজাদ ও আতাউর রহমান আতা
১৯৫ দিন আগে
দখলদার ও খুনিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলবে: মুফতি ফয়জুল করীম
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য দখলদার ও খুনিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।
শনিবার (২১ জুন) বিকালে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার গণহত্যার বিচার এবং সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে এই গণসমাবেশের আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখা।
পড়ুন: ফয়জুল করীমকে মেয়র ঘোষণার মামলা খারিজ
ফয়জুল করীম বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্টকে এদেশ থেকে তাড়াতে, ভাগাতে বাধ্য করেছিলাম। আমরা ইনশাআল্লাহ ঐক্যবদ্ধভাবে যদি আবারও রাস্তায় নামি—তাহলে চাঁদাবাজদের উৎখাত করতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ, কোনো সন্দেহ নাই।
দলটির কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শাহজাহান মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী মাওলানা আতাউর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আমির মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী, জামায়াতের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নিজাম উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, কুড়িগ্রাম ২ আসনের ইসলামি আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নুর বকত প্রমুখ।
২৩৭ দিন আগে
সরকারি চাকরির অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে ফের আন্দোলন
ঈদের ছুটি শেষে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে ফের আন্দোলন শুরু করেছেন কর্মচারীরা। সচিবালয়ে গণজমায়েত করার ও তিনজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেবেন তারা।
সোমবার (১৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীরা সচিবালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
বাংলাদেশে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-মহাসচিব মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাদামতলায় জড়ো হবেন কর্মচারীরা। গণজমায়েতের পর স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টাদের স্মারকলিপি দেওয়া হবে। পরে ঐক্য ফোরামের নেতারা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।’
এ ছাড়া, আজ (সোমবার) গণজমায়েতে অংশ নিতে ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ১৯৭৯ সালের অর্ডিনেন্সের মতো অমানবিক, অসাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী ও হাস্যকর আখ্যা দিয়ে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অবিলম্বে বাতিলের জন্য গণজমায়েতে অংশ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
কর্মচারী নেতারা জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা জন্য আইন উপদেষ্টার নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হলেও কমিটি তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। একারণে তারা আজ থেকে আবার আন্দোলনে যাচ্ছেন বলে জানান।
আরও পড়ুন: সরকারি চাকরি সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন স্থগিত
এর আগে, গত ২৫ মে চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধুমাত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে এমন বিধান রেখে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। তার আগে, গত ২২ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়।
এরপর, ২৪ মে থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। তারা এই অধ্যাদেশটিকে নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
২৪৩ দিন আগে