গুলি
সিলেট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় খাসিয়াদের ছররা বন্দুকের গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে ভারতের প্রায় ১ কিলোমিটার ভেতরে একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সালেহ আহমেদ কোম্পানীগঞ্জের দয়ারবাজার-সংলগ্ন কারবালার টুক গ্রামের বাসিন্দা।
আজ (শুক্রবার) দুপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালেহ আহমেদ ও তার আরও দুই সহযোগী মিলে মাদকের চালান আনার উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করেন। তারা চংকেটের বাগান ও মারকানের বাগানের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় ভারতীয় খাসিয়া সম্প্রদায় তাদের ‘সুপারি চোর’ সন্দেহে ছররা বন্দুক দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এতে সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
পরে সালেহর সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের মো. সুমন মিয়া (২৫) এবং কারবালার টুক গ্রামের মো. মাসুম আহম্মদ (২০) তার মরদেহ বহন করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বিজিবি জানিয়েছে, ওই তিনজনই এর আগে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য আনা-নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
৯ দিন আগে
সিলেট সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে নিহতের চার দিন পরও ফেরেনি যুবকের মরদেহ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে খাসিয়া সম্প্রদায়ের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। তবে ঘটনার চার দিন পার হলেও তার মরদেহ এখনও দেশে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে নিহতের পরিবার।
বুধবার (১ এপ্রিল) সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তের নিকটবর্তী ভারতের রাজনটিলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদ্দাম হোসেন উপজেলার উত্তর রণীখাই ইউনিয়নের লামা উত্তমা গ্রামের বাসিন্দা এবং মুক্তিযোদ্ধা কুটু মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, গত ১ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে সাদ্দামসহ চারজন সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই সাদ্দাম নিহত হন।
স্থানীয়রা জানান, সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। সে সময় গুলিতে সাদ্দাম নিহত হওয়ার পাশাপাশি ফরহাদ মিয়া নামে আরেকজন আহত হন। পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)।
নিহতের বড় ভাই নাজীম উদ্দীন বলেন, ‘আমার ভাইসহ চারজন ভারতে যায়। সেখানে খাসিয়ারা তাকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। চার দিন পার হয়ে গেলেও এখনও তার মরদেহ দেশে আনতে পারিনি।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জগৎ জ্যোতি দাস বলেন, ঘটনার পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উত্তমা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আবুল কালাম বলেন, বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
১৪ দিন আগে
রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ
রাজধানীর কোতোয়ালি এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে রাসেল (৩১) নামে এক যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাত পৌনে ৯টার দিকে কোতোয়ালি থানার নয়াবাজার পার্ক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ রাসেল কোতোয়ালি থানা যুবদলের সদস্য। তিনি রাজধানীর শ্যামপুরের আরসিং গেট এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
রাসেলের বন্ধু রিপন দাস জানান, রাতে নয়াবাজার পার্ক এলাকায় অবস্থানকালে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় একটি গুলি তার বুকের বাঁ পাশে একটি গুলি লাগে। এরপর দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে রাসেলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ধানমণ্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে বলে জানান তিনি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক জানান, রাতে নয়াবাজার এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ওই যুবককে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকের বাম পাশে গুলির আঘাত ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসার পর স্বজনরা তাকে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।
১৫ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ নেতাকে গুলি করে হত্যা
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সুতাকর্মপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নীতি দত্ত চাকমা (৪৫) ইউপিডিএফের পানছড়ি উপজেলা সংগঠক ছিলেন। তিনি উপজেলার উত্তর শান্তিপুর এলাকার বাসিন্দা বর্ণনাতীত চাকমার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার সময় নীতি দত্ত চাকমা সুতাকর্মপাড়ার একটি দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় এক দল লোক সেখানে এসে তাকে লক্ষ্য করে কাছ থেকে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জয়া ত্রিপুরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই নীতি দত্ত চাকমার মৃত্যু হয়েছে।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
ইউপিডিএফের কেন্দ্রীয় সংগঠক অমর চাকমা এই হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রসিত খীসাপন্থি ইউপিডিএফকে দায়ী করেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রতিপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২৩ দিন আগে
খুলনায় ছিনতাইকারীর গুলিতে প্রাণ গেল আরেক ছিনতাইকারীর
খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় এক ছিনতাইকারীর ছোড়া গুলিতে অপর এক ছিনতাইকারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক ব্যবসায়ী।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে দিঘলিয়া উপজেলার স্টিমারঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দৌলতপুরের দেয়াড়া এলাকার মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসায়ী তাহিদুল ইসলাম (২৮) সাইকেলে চড়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে দেয়াড়া স্টিমারঘাট-সংলগ্ন পপুলার জুট মিল এলাকায় পৌঁছালে ৩-৪ জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করেন। ছিনতাইকারীরা তাহিদুলের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের বাধা দেন তাহিদুল। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা গুলি ছোড়েন। এতে তাদের নিজেদের এক সহযোগী সাগর গুলিবিদ্ধ হন। পরে অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ সাগরকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত সাগরের বাড়ি দিঘলিয়ার দেয়াড়া এলাকায়। এ ঘটনায় আহত তাহিদুল বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানান, গুলিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ খুমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যবসায়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে।
২৩ দিন আগে
জমির দ্বন্দ্বে বড় ভাইয়ের গুলিতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বড় ভাইয়ের ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছেন ছোট ভাই। জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার চতুল এলাকায় ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের পেছনে রেলগেটে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। সকালে চতুল ফায়ার সার্ভিসের পেছনে রেলগেট এলাকায় গাছ বিক্রিকে কেন্দ্র করে তারা দুজন বিতর্কে জড়ান। বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ডা. গোলাম কবির তার ছোট ভাই মিন্টুকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন।
সে সময় গুরুতর অবস্থায় মিন্টুকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত গোলাম কবীরকে আটক করেন। পরে বোয়ালমারী থানা পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় গোলাম কবিরকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ডা. গোলাম কবির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন।
২৫ দিন আগে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ঘরে ঢুকে বিএনপি নেতাকে গুলি
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ওসমান গনিকে (৪২) তার ঘরে ঢুকে গুলি ও কুপিয়ে আহত করেছে মুখোশ পরা দুর্বৃত্তরা। হামলার সময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার বাবা-মাকেও আহত করা হয়।
রবিবার (২৩ মার্চ) রাত ৮টার পর সরফভাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গঞ্জম আলী সরকারের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় ওসমান গণির হাতে ও পেটে এবং তার বৃদ্ধা মা আছিয়া বেগমের পায়ে গুলি লেগেছে। এছাড়া ওসমান গনির একটি হাতে ও পিঠে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। তার বাবা রশিদ আহমদের মাথায়ও আঘাত লেগেছে বলে জানান তাদের স্বজনরা।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। ওসমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার মা ও বাবাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তারা আশংকামুক্ত বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক।
ঘটনার খবর শুনে রাতেই উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ওসমান গণির বাড়িতে যান।
স্থানীয়রা জানান, হামলায় ওসমানের শরীরে একাধিক ছররা গুলি লেগেছে। এর মধ্যে পেটে লাগা গুলিটি গুরুতর। এছাড়া তার একটি হাত কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। চিকিৎসক বলেছেন, এটি কেটে ফেলতে হতে পারে। তবে বিএনপি নেতারা অনুরোধ করেছেন, না কেটে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া যায় কিনা। তার মেরুদণ্ডেও ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলায়েত হোসেন হামলার ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুখোশ পরা চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত বিএনপি নেতা ওসমান গণির বাড়িতে হামলা করেছে। শুনেছি তিনি গুলিতে আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ ওই এলাকায় গেছে। দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।
২৭ দিন আগে
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল নেতা নিহত
খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে রাশিকুল আনাম রাশু নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানার কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি দৌলতপুর থানাধীন দেয়ানা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আনামের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাশু রাজনীতির পাশাপাশি কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের পাশে ইট বালুর ব্যবসা করতেন। সোমবার সকালে তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে একটি গুলি মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
৩৪ দিন আগে
কু্ষ্টিয়ায় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, গুলিবিদ্ধ ৩
কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চলসহ (২৯) তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা উপজেলার দক্ষিণ রেলগেট-সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চল, কাচারীপাড়া এলাকার যুবদল সদস্য ফরিদ হোসেনের ছেলে জীবন হোসেন এবং একই এলাকার গোলাম কিবরিয়ার ছেলে ও ছাত্রদলের সদস্য কাইছার আহমেদ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে চঞ্চলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন।
চঞ্চল জানান, গতকাল (বুধবার) সন্ধ্যায় ইফতার শেষে বাড়ি থেকে মসজিদে যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জেরে জাসদ নেতা ছাদু, ওসামা, মাটি ও নিতুলসহ কয়েকজন তার পথরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. হোসেন ইমাম জানান, গতকাল রাত ১০টার দিকে চঞ্চল নামে এক যুবক সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তার মাথার পেছনে গুলি চামড়া ছুঁয়ে বেরিয়ে গেছে। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, দক্ষিণ রেলগেট এলাকায় মোটরসাইকেলকে পাশ দেওয়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গুলিবর্ষণের বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৩৮ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলায় গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫, আটক ৩
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ঝগড়ার জেরে প্রতিবেশীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিনু বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার (৮ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ লাইসেন্স করা অস্ত্রসহ হারুন খা, আব্দুল মান্নান খা ও মহসিন খাকে আটক করেছে। মান্নান খার ঘর থেকে একটি ওয়াকিটকি জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মান্নান খা ও তার চাচা হারুন খা গ্রুপের সঙ্গে প্রতিবেশি মিজানুর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিকেলে ওই এলাকার কাদিরের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মিজানুর রহমানকে মান্নান খার লোকজন মারধর করেন৷ পরে বাড়িতে গিয়ে মিজান পরিবারকে জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এদিকে, তারাবির নামাজের পর মান্নান খা, হারুন খা, আমিন খাসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল অস্ত্র নিয়ে মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়৷
আহতদের মধ্যে রয়েছেন— মিজানুর রহমান, মিনু বেগম, জয়তন বেগম, কাজল বেগম, ইভা, বন্যা, নুপুর বেগম, আয়ান, ফাহিমা, দোলন, আলামিন, খোরশেখ খা, মোস্তাকিম, ইদ্রিস খাঁ ও সাফি বেগম।
স্থানীয়রা জানান, আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত মিনু বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন সেখানকার চিকিৎসক। এছাড়া আহত মিজানের অবস্থাও গুরুতর।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, র্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল মিয়া বলেন, মূল অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে৷
৪১ দিন আগে