গুলি
সিলেটে বিমানবন্দরে আনসারের গুলিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত
সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে পাখি তাড়ানোর উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলিতে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রুবেল আহমদকে তাৎক্ষণিকভাবে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, সকালে টহলরত আনসার সদস্য মোজাম্মেল পাখি তাড়াতে তার কাছে থাকা শটগান থেকে গুলি ছোড়েন। তবে গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশে থাকা পরিচ্ছন্নতাকর্মী রুবেলের কোমরে লাগে।
এদিকে পাখি তাড়াতে সাধারণত গাড়ি থেকে নেমে গুলি ছোড়ার নিয়ম থাকলেও সংশ্লিষ্ট আনসার সদস্য গাড়িতে বসে গুলি ছোড়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। আহত কর্মীর অবস্থা গুরুতর নয়।
তবে এ ঘটনায় কোনো গাফিলতি বা নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।
২ দিন আগে
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার দুই
খুলনা নগরীতে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাদের দুইজনকে খুলনা সদর ও হরিণটানা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুই আসামির হলেন লবণচরা থানার হরিণটানা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ওলিয়ারের ছেলে আবিদ হাসান রানা এবং দক্ষিণ টুটপাড়া সার্কুলার রোডের সাব্বিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া সৈয়দ চৌধুরীর ছেলে সালাউদ্দিন আহমেদ।
গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একটি রিভলবর, একটি রিভলবারের কার্তুজ, ১৬টি পিস্তলের কার্তুজ এবং ২৪টি শর্টগানের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল উদ্দিন বলেন, গতকাল রাতে সদর থানা এলাকায় বিশেষ ডিউটি করছিলাম। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টুটপাড়া সার্কুলার রোড হতে সালাউদ্দিনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যমতে লবণচরা থানার হরিণটানা হতে রানার শয়ন কক্ষের বিছানার নিচ হতে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর সহযোগী বলে জানায়। এ ছাড়াও তারা খুলনা মহানগরীতে তাদের সহযোগীদের বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র প্রদান করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সহায়তা করত বলে তারা জানায়।
এ ঘটনায় লবণচরা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
৩ দিন আগে
ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ, বিজিবির মামলা
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নলজুড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মো. বাবলা লিটন (২৮) নামের এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) তামাবিল ক্যাম্পের কমান্ডার মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এ ঘটনায় বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা করেন।
বাবলা লিটনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলার এজাহারে বলা হয়, মঙ্গলবার সকালে সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে বিএসএফ গুলি করলে তা লিটনের হাতে লাগে।
বাবলা লিটন নলজুড়ি এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার সময় তার সঙ্গে আরও সাত থেকে আটজন ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিজিবির মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, সরকারি কাজে বাধা ও বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে সীমান্তের ১২৭৮/৪ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে বাবলা লিটনসহ সাত থেকে আটজন ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। তখন তারা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়লে বিএসএফ সদস্যরা চারটি গুলি ছোড়েন। এতে বাবলা লিটন গুলিবিদ্ধ হন।
এজাহারে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও বাবলা লিটনসহ অন্যরা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ করেন। পরে খবর পেয়ে সিলেট বিজিবির তামাবিল ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের লক্ষ্য করেও ইট-পাথর ছোড়া হয়। এতে বিজিবির কয়েকজন সদস্য সামান্য আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি সদস্যরা পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন এবং অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হলে সতর্কতামূলকভাবে চার থেকে পাঁচটি গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৫
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ ও তিনজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চরকান্দিপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. সোহেল ও আবেদ গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের সময় গোলাগুলি ও হামলায় উভয় পক্ষের আটজন আহত হন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুলি লেগেছে বলে জানা গেছে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন ইসরাফিল শিকদার, রাসেল শেখ, মতিউর রহমান, মুক্তি শেখ ও হাসান শেখ।
আহতদের প্রথমে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী বলেন, পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাদের অবস্থা গুরুতর। এছাড়া আরও তিনজন সামান্য আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন।
নড়াগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন আলী বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে চরকান্দিপাড়ার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে ওসি বলেন, শুনেছি কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। চিকিৎসক বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারবেন।
এছাড়া সংঘর্ষে কোন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
এদিকে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
৫ দিন আগে
নেত্রকোণায় ফাঁকা গুলির পর তাঁতী দল নেতাকে খুঁজছে পুলিশ
নেত্রকোণার পূর্বধলায় ব্যস্ত বাজারে পিস্তল দিয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা তাঁতী দলের সহ-সম্পাদক ও খলিশাউড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক ওরফে হাজী সিদ্দিকের বিরুদ্ধে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
ওসি মামুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তলের গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গুলির ঘটনায় আবু বকর সিদ্দিকের নাম এসেছে। তার নামে কোনো অস্ত্রের লাইসেন্স নেই। অস্ত্র উদ্ধার ও তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুতই তাকে আটক করা সম্ভব হবে।
৭ দিন আগে
সীমান্তের ওপারে বিএসএফের গুলি: আসাদুলের মরদেহ দেশে, গুলিবিদ্ধ দুজন ভারতের কারাগারে
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হকের মরদেহ দেশে ফিরেছে। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে বেঁচে যাওয়া আরও দুই বাংলাদেশি মোস্তাকিম ও শ্রী উদাকে ভারতে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট সীমান্তের ৩৩৩ নম্বর পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আসাদুল হক (৩৮) পীরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের আব্দুল ওয়াজেদের ছেলে। আহত মোস্তাকিম একই উপজেলার উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে এবং শ্রী উদা নারায়ণের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোররাতে কয়েকজন বাংলাদেশি যুবক চান্দেরহাট বিওপির আওতাধীন সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় ভারতের উত্তর দিনাজপুরের ৬৩ নম্বর চকশিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের একটি টহলদল তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
এতে আসাদুল, মোস্তাকিম ও শ্রী উদা গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে ভারতের উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাদুলকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
পরে ভারতীয় পুলিশ আসাদুলের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। অন্যদিকে চিকিৎসা দেওয়ার পর মোস্তাকিম ও শ্রী উদাকে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় পুলিশ।
তাদের বিরুদ্ধে ভারতের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫-এর ২১ ধারাসহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয়। পরে তাদের রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।
আসাদুলের মরদেহ দেশে ফেরাতে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চান্দেরহাট সীমান্তের শূন্যরেখায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে দিনাজপুর ৪২ বিজিবি এবং ভারতের পক্ষে বিএসএফের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সেখানে আসাদুলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার রাত ১০টার দিকে বিএসএফ আসাদুলের মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।
আসাদুলের স্বজনেরা বলেন, আসাদুল আর কোনোদিন তাদের মাঝে ফিরবেন না—এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। তারা ভেবেছিলেন, আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়ে হয়তো তিনি বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার মরদেহ ফিরেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করেন।
মোস্তাকিমের পরিবারের সদস্যরা বলেন, গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়ার পর থেকেই তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর তাকে ভারতীয় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে জানতে পেরে তারা আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। মোস্তাকিম বেঁচে আছেন, এটিই এখন তাদের সবচেয়ে বড় স্বস্তি। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।
শ্রী উদার পরিবারের সদস্যরাও তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। তারা বলেন, গুলিতে আহত হওয়ার পর শ্রী উদা বেঁচে আছেন, কিন্তু এখন ভারতের কারাগারে। পরিবারের সঙ্গে আবার কথা বলতে পারাটাই তাদের সবচেয়ে বড় চাওয়া।
বৈরচুনা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. শাহাজাহান আলী বলেন, বিএসএফের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। তার বাড়ি ওই এলাকায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর জানার পর বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হয়। পরে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে। রোববার রাতে আসাদুলের মরদেহ দেশে ফেরত আনা হয়েছে। অন্য দুইজনকে ভারতের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। নিহতের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ ও আলোচনা করা হয়। প্রক্রিয়া শেষে রবিবার রাত ১০টার দিকে বিএসএফ আসাদুলের মরদেহ ফেরত দিয়েছে।
১৪ দিন আগে
বাড্ডায় বাসায় ঢুকে যুবককে গুলি
রাজধানীর বাড্ডায় একটি বাসায় ঢুকে মো. রানা (৩৫) নামে এক যুবককে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড্ডা থানাধীন হোসেন মার্কেটের পেছনে ময়নারবাগ বউ বাজার এলাকার ৩৭৩ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
রানা নোয়াখালী জেলার মাইজদী এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত আব্দুর রব। তিনি বর্তমানে ভাটারা থানার নতুন বাজার কাজীবাড়ি এলাকায় থাকেন। পেশায় তিনি একজন গাড়িচালক।
গুলিবিদ্ধ রানা বলেন, ‘আমি গতকাল (শনিবার) দুপুর ৩টার দিকে উত্তর বাড্ডায় এক ভাই জয়ের বাসায় দাওয়াত খেয়ে একটি রুমে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। সঙ্গে আমার এক ছোট ভাই ছিল। সেই সঙ্গে জয় ভাইও ছিলেন ।
তিনি বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে বাসার দরজায় নক করা হয়। এ সময় ভেতর থেকে জিজ্ঞেস করা হয়—কে? কিন্তু বাইরে থেকে কোনো সাড়াশব্দ আসেনি। আমি বিছানায় শুয়েই ছিলাম। এরপর জয় ভাই দরজা খুলে কাউকে দেখতে না পেয়ে বাসার মেইন দরজার কাছে চলে যান। এমন সময় হঠাৎ বাসার ভেতরের দরজা দিয়ে তিনজন প্রবেশ করে। তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে আমার ডান পায়ে গুলি করে। গুলিটি আমার ডান পায়ের হাঁটুর ওপর লাগে। গুলি করেই তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘একই এলাকার বাসিন্দা তামিম নামের এক ব্যক্তি আমাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এতে আমার ডান পায়ে হাঁটুর উপরে গুলি লাগে।’
পরবর্তীতে স্বজনরা তাকে দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন।
আহত রানার স্বজনরা বলেন, তার বড় ভাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তামিম নিয়মিত চাঁদা চাইতেন। একপর্যায়ে রানা তামিমকে বলে দেন, কোনো চাঁদা দেওয়া হবে না। সেই চাঁদা না দেওয়ায় এই গুলির ঘটনা ঘটতে পারে বলে তারা ধারণা করছেন। তামিমের নামে বাড্ডায় একটি খুনের মামলা রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, রাতে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাড্ডা থেকে রানা নামে একজনকে নিয়ে আসা হয়। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
১৫ দিন আগে
খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা
খুলনা নগরীতে পূর্বশত্রুতার জেরে মো. জলিল মুন্সি (৩৫) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দৌলতপুর থানার কুলিরবাগান বটতলার অদূরে একটি অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জলিল দৌলতপুর থানার সাধুবাগান এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে। তিনি পেশায় পাটশ্রমিক ছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, কুলিরবাগান এলাকায় জলিলের একটি পানের দোকান রয়েছে। আজ সকাল পৌনে ১০টার দিকে এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে তিনি বাসা থেকে সেখানে যাওয়ার জন্য বের হন। কিছুক্ষণ পর তার ফোনে একটি কল আসে। ফোনকলে অপরপ্রান্তের ব্যক্তির তার সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়।
এরপর কুলিরবাগান বটতলা থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পর মোটরসাইকেলে আসা তিন যুবকের সঙ্গে জলিলের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের একজন জলিলকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে। গুলি দুটি তার বুকের ডান পাশে ও পিঠের বাঁ পাশে বিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কাউকে এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি। কী কারণে বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
১৬ দিন আগে
দক্ষিণ বাড্ডায় গুলিবিদ্ধ লঞ্চ ব্যবসায়ী ঢামেকে ভর্তি
রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডায় দুর্বৃত্তের গুলিতে উজ্জ্বল ভূঁইয়া (৪৭) নামের এক লঞ্চ ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে দারোগাবাড়ি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
উজ্জ্বল দক্ষিণ বাড্ডার দারোগাবাড়ি মোড় এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল সাত্তার।
গুলিবিদ্ধ উজ্জ্বলের ভাই যুবরাজ জানান, রাত ১১টার দিকে বুকের ডান পাশে হাত দিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় বাসায় ফেরেন উজ্জ্বল। এ সময় তিনি শুধু গুলি লাগার কথা জানান। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে গুলি করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারেননি। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হাবিবুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাড্ডা থেকে উজ্জ্বল নামে একজনকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে বাড্ডা থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
১৭ দিন আগে
কার পার্কিং নিয়ে তর্ক, জনসমক্ষে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়লেন যুবক
ফরিদপুরে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে প্রাইভেটকার থেকে অজ্ঞাত যুবকের এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
গাড়ি পার্কিং করা নিয়ে সামান্য কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে জনসমক্ষে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন ওই যুবক। এ ঘটনার কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে গিয়ে ২ জন আহত হয়েছেন। তবে প্রাথমিকভাবে গুলি ছোড়া ওই যুবকের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী একটি প্রাইভেট কার ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে থামিয়ে চা খেতে নামেন এক যুবক ও যুবতী। তখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন ওই যুবককে বলেন, ‘ভাই, প্রাইভেট কারটি সাইড করে দাঁড়ান।’ এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ওই যুবক গাড়িতে ঢুকে পিস্তল বের করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। এরপর প্রাইভেটকার নিয়ে তারা দ্রুত খুলনার দিকে চলে যায়।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু বলেন, বিষয়টি জানা নেই। তারপরও এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারব।
৪১ দিন আগে