ময়মনসিংহ
বিরোধী দল অযৌক্তিকভাবে রাস্তায় নেমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে: ডা. জাহেদ
জ্বালানি সংকট নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং জনগণের জীবন সহজ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘অহেতুক সরকারকে দায় চাপানো ঠিক হবে না। জ্বালানি সংকট দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা। বিরোধী দল অযৌক্তিকভাবে রাস্তায় নেমে জনগণের ভোগান্তি তৈরি করছে।’
বিরোধী দলকে রাজপথে কর্মসূচি দিয়ে জনদুর্ভোগ না বাড়িয়ে সংসদে গিয়ে সরকারের ভুল-ত্রুটি ও পরিকল্পনা তুলে ধরার আহ্বান জানান তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যুক্তিনির্ভর সমালোচনা ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাবই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বেশি কার্যকর।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, নজরুলকে শুধু প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিটি স্কুলে শিশুদের বয়স উপযোগী করে তাঁর সাহিত্য, চিন্তা ও দর্শন নিয়ে চর্চা করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘একটা কম্পিটিশন বাচ্চাদের মধ্যে আসলে এটা আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য না। যারা স্কুলের প্রধান বা শিক্ষা কর্মকর্তা বা প্রশাসনে আছেন, তারা এই বার্তাটা পৌঁছে দেবেন, যাতে প্রতিটা স্কুলে যেন নজরুলকে নিয়ে তার বয়স উপযোগী কিছু চর্চা হয়।’
এ সময় নজরুলের চিন্তা ও দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন নজরুল কেন এই আলাপটা খুবই জরুরি, যে দলটা এখন ক্ষমতায় আছে সে দলের রাজনীতি হচ্ছে মধ্যপন্থী, উদার গণতন্ত্র। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘একেক জনের একেক রাজনৈতিক মতাদর্শ আছে। আমাদের দেশেই যারা এখন কাজ করছে, তাদের নানান রকম মতাদর্শ আছে। এখন বিএনপি মতাদর্শটা ধারণ করে, কারণ বিএনপি মনে করে এই মতাদর্শই একটা রাষ্ট্রের জন্য, জনগণের জন্য কল্যাণকর।’
নজরুলের উদার, মধ্যপন্থী ও গণতান্ত্রিক চিন্তার প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘নজরুলের মতো একজন উদার মধ্যপন্থী গণতান্ত্রিক মানুষ শাসনের হয় না এবং তাত্ত্বিকভাবে না। উনি সব করে করে দেখেছেন, উনি কী করেন, উনি সব কিছু করেছেন।’
নজরুলের সৃষ্টির বৈচিত্র্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘উনি যদি গানের দিকে তাকাই, গানের রেঞ্জ যদি আমরা দেখি, যিনি হামদ-নাত থেকে শুরু করে কীর্তন পর্যন্ত লিখেছেন, এই রকম একটা মানুষকে আমরা শিশুদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া।’
তিনি বলেন, ‘একটা কবিতা শিখলে আমাদের প্রবণতা আছে, সে একটা প্রাইজ পাবে, বাবা-মাও আগ্রহী, একটা আবৃত্তি বা গান শিখিয়ে দিলাম। আমি মনে করি নজরুল বর্ষের মূল স্পিরিট এই আনুষ্ঠানিকতাগুলো না, মূল স্পিরিট হচ্ছে, নজরুলকে সামনে নিয়ে আসা।’
‘নজরুল কী করেছে, নজরুল কেমন ছিলেন, নজরুলের বিভিন্ন দিক, তার চিন্তা, তার দর্শন—এগুলো বয়স উপযোগী করে কথাবার্তা বা আলোচনা যেন চলে,’ বলেন তিনি।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো কম্পিটিশন হলেই সেটা নিয়ে আমরা কেয়ারফুল হবো, সেটা যেন না হয়। প্রতিটা স্কুল, প্রতিটা সমাজের বিভিন্ন জায়গা থেকে যেন এই চর্চাগুলো সবসময় হয়। রাষ্ট্রের জন্য, জনগণের জন্য সেটাই ভালো হবে।’
বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব দীপংকর বিশ্বাস, ডিআইজি মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান প্রমুখ।
২০ ঘণ্টা আগে
ময়মনসিংহে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ত্রিশাল ইউনিয়নের সতেরো পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো: সতেরো পাড়া এলাকার তরিকুল ইসলামের ছেলে মো. ফারহান (৪) ও আশরাফুল ইসলামের ছেলে মো. মাশরাফি (৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করেছিল ফারহান ও মাশরাফি। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায় তারা। কিছুক্ষণ পর শিশুদের দেখতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে পুকুরের পানি থেকে অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
দুই শিশুর এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সন্তান হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
এ বিষয়ে ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই শিশুর এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।
১ দিন আগে
ময়মনসিংহ বোর্ডে পাস করেনি ৪ প্রতিষ্ঠানের কেউ, শতভাগ পাস করেছে ১০ প্রতিষ্ঠান
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী।
এ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৩৪৪ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করেছে। তবে এ বোর্ডে চার প্রতিষ্ঠানের কেউই পাস করেনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ জ ম রেজাউল করিম খান ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর ১ হাজার ৩৪৪ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৬০ হাজার ২৭৪ জন।
এই শিক্ষা বোর্ডে গত ৫ বছরের মধ্যে এবারের পাসের হার সবচেয়ে কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৬৭৮ জন। আর ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮৫ শতাংশ আর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৩ হাজার ১৭৮জন।
এদিকে, এ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০টি প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করলেও চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।
শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ছাপরকোনা মনিজা আবুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি। এ তালিকায় আরও আছে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মুক্তাগাছা কলেজ (স্কুলশাখা)। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৪ জন অংশ নিলেও পাস করেনি কেউ। অন্যদিকে, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ পাস করেনি। জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার কদমতলী কারিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এ স্কুল থেকে অংশ নেয় ৩ জন শিক্ষার্থী।
শতভাগ পাস করা ময়মনসিংহ বোর্ডের দশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে—ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, আইডিয়াল মডেল অ্যাকাডেমি, ময়মনসিংহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভালুকজান মডেল অ্যাকাডেমি।
শতভাগ পাসের তালিকায় জামালপুর জেলায়ও রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠান। এ দুটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে—ইসলামপুর উপজেলার উত্তরা গোয়ালের চর আইডিয়াল স্কুল ও সরিষাবাড়ি উপজেলার চিলড্রেনস হোম পাবলকি স্কুল। শতভাগ পাস করা নেত্রকোনা জেলার একমাত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কেন্দুয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ।
বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর পাসের হার সবচেয়ে কম। তবে অভিভাবকরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে কম পড়াশোনা করেও ভালো ফলাফল করেছে শিক্ষার্থীরা। এই অবস্থা দেখে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে ২০২৬ সালের ফলাফলে।
৮ দিন আগে
ময়মনসিংহ বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫,৭০০
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ জ ম রেজাউল করিম খান ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এ বছর ১ হাজার ৩৪৪ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৬০ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩২ হাজার ৬৭৭ জন, মানবিক বিভাগে ২৫ হাজার ৩৫০ জন এবং ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে ২ হাজার ২৪৭ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছেলেরা এগিয়ে থাকলেও ফলাফলের দিক দিয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে পাস করেছে ২৮ হাজার ৩৭২ জন আর মেয়ে শিক্ষার্থী পাস করেছে ৩১ হাজার ৯০২ জন।
তিনি আরও জানান, এবারও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র ২ হাজার ৬২১ জন এবং ছাত্রী ৩ হাজার ৭৯ জন।
এই শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নেত্রকোনা জেলায় ৬০ দশমিক ৪৯ শতাংশ, ময়মনসিংহ জেলায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮০ শতাংশ, জামালপুর জেলায় ৫৫ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং শেরপুর জেলায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪১ শতাংশ।
গত ৫ বছরের মধ্যে এ শিক্ষা বোর্ডে এবারের পাসের হার সবচেয়ে কম। গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ২২ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬ হাজার ৬৭৮ জন।
৮ দিন আগে
ময়মনসিংহ বিভাগে ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’ চালু
ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যপণ্য পরীক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল জানানোর লক্ষ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য ‘ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার’ চালু করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সমানে এই পরীক্ষাগারের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার।
উদ্বোধনকালে তিনি জানান, ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলাজুড়ে এই ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যেসব এলাকায় বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিক্রি হয় সেখানে গাড়িতে থাকা এই পরীক্ষাগার নিয়ে যাওয়া হবে, তারপর খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিক ফলাফল জানানো হবে।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন বলেন, কোথাও খাদ্যপণ্যে ভেজাল পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধ্বংস করা হবে। এ ছাড়াও এই পরীক্ষাগারে কোনো ভোক্তা চাইলে তিনিও বাজার থেকে নমুনা নিয়ে বিনামূল্যে পরীক্ষা করাতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে খাদ্যপণ্য পরীক্ষার পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল পাওয়া যাবে। এছাড়া ভোক্তারা নিজেদের আনা খাদ্য নমুনাও বিনামূল্যে পরীক্ষার সুবিধা পাবেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান, মেট্রোপলিটন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আতিকুর রহমান, জেলা কর্মকর্তা মাহবুব আরেফিন রাফি, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক হারুন অর রশিদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ দিন আগে
দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা সদর দপ্তরের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার
ময়মনসিংহের নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার গেজেটভুক্ত সদর দপ্তরের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির। এ সময় তিনি জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত উপজেলা স্থাপনের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলার প্রাণকেন্দ্র কান্দিপাড়া-সংলগ্ন জে এল-১৪৩ নম্বর নয়াবাড়ি মৌজা পরিদর্শন শেষে তিনি এ আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান, গফরগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমির সালমান রনিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার অন্তর্ভুক্ত আটটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর হিসেবে নয়াবাড়ি মৌজাতেই দ্রুত উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানান।
পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সরকারের গেজেট, স্থানীয় বাস্তবতা এবং জনগণের প্রত্যাশার আলোকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয়ে উপস্থিত জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ইসহাক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আনছারউদ্দিন, সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিএনপি নেতা আব্দুস ছালাম বেপারীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়দের মতে, গেজেটভুক্ত সদর দপ্তর হিসেবে নয়াবাড়ি মৌজায় উপজেলা কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের আটটি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং সরকারি সেবা আরও সহজে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।
১৯ দিন আগে
ভালুকায় ইটিপি ট্যাংক পরিষ্কার করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি সিরামিকস কারখানার নির্মাণাধীন ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) পরিষ্কার করতে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও এলাকায় অবস্থিত এক্সিলেন্ট সিরামিকস কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার নকসা গ্রামের ফারুক গাজীর ছেলে ও মেকানিক্যাল ওয়েল্ডার শফিকুল ইসলাম (২৮) এবং নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ি উপজেলার বল্লী গ্রামের কুহিল মিয়ার ছেলে ও সিভিল হেলপার রুমেল মিয়া (২৫)।
সহকর্মীদের অভিযোগ, কাজ করার সময় প্রথমে শফিকুল ইসলাম ইটিপি প্ল্যান্টের ট্যাংকে নামেন। বেশকিছু সময় তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রুমেল মিয়া নিচে নামেন। তিনিও বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে অন্য শ্রমিকরা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এর আগেই কারখানা কর্তৃপক্ষ অসুস্থ দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ দুটি বর্তমানে মমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ময়মনসিংহ শিল্প পুলিশ-৫-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনছার উদ্দিন বলেন, এ ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বা উদ্ধারকাজে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩১ দিন আগে
ময়মনসিংহে মিন্টু হত্যা মামলায় দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ময়মনসিংহের ভালুকায় দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টু হত্যা মামলায় দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস অভিযুক্তদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন। সেই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ৩০ হাজার টাকা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ভালুকার নারাঙ্গীর বাসিন্দা মো.মাসুদ মিয়া (৪১) ও মো. ফরিদ খলিফা (৪৮)।
এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফরিদ খলিফার ভাই আব্দুস ছামাদ (৬৮) ও ভাতিজা আব্দুল মতিন (৪৫); মো. মোশারফ হোসেন (৫৮) ও তার ভাই মো. মোখলেছুর রহমান (৫৩); মো. মোফাজ্জল হোসেন (৫৮) ও তার ভাই তোফাজ্জল হোসেন (৪৮); মো. নাজমুল মিয়া (৪৩), মো. শাহজাহান আকন্দ (৪৮) ও তার ভাই মো. আতিকুল আকন্দ (৩৯) এবং মো. সিদ্দিক মিয়া (৬৩)। আদালতে সব আসামি উপস্থিত থাকলেও সিদ্দিক মিয়া পলাতক রয়েছেন।
বিশেষ দায়রা জজ আদালতের স্টোনোগ্রাফার হাফিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট সকালে ভালুকার নারাঙ্গী এলাকায় দলিল লেখক আবু জাকারিয়া মিন্টুর ওপর তার প্রতিবেশীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহত মিন্টুর স্ত্রী লতিফা খাতুন ভালুকা মডেল থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
মামলার তদন্ত, ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা, আইনজীবীদের তর্ক, শুনানী শেষে আদালতে বিচারক এ আদেশ দেন বলে জানান হাফিজুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. আকরাম হোসেন এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী এ এইচ এম খালেকুজ্জামান মামলাটি পরিচালনা করেন।
৩৪ দিন আগে
ময়মনসিংহে শিশু নিছামনি ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় চাঞ্চল্যকর পাঁচ বছরের শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নদীতে ফেলে হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে তাদের দুই লাখ টাকা করে জরিমানা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক সুদীপ্তা সরকার এই রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— আরিফ, রাকিব ও সিয়াম। এই মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্ক অপর আসামি মারুফকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের টাঙ্গাহাটি গ্রামের তাজু মিয়ার মেয়ে শিশু নিছামনিকে ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। পরদিন ১৫ জুন নিছামনির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) বজলুল করিম চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে মামলার মাত্র ৯ দিনে ৪ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঘটনার ২৫ দিনের মধ্যে আদালত তিন আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, রায়ে নিছামনির বাবা-মা সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন। তারা এই রায় কার্যকর করতে সরকারের কাছে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানান।
নিছামনির মা বলেন, ‘এই রায় দ্রুত কার্যকর হলে আমার মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে। আমার মতো আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়।’
বাবা তাজু মিয়া বলেন, আমার মেয়ের বয়স ছিল ৪ বছর ৭ মাস। এই বয়সের একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যার পর পানিতে ফেলে দেয়। এই ঘটনা যে শুনেছে, সে-ই কেঁদেছে। আমি দেশবাসীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই এবং সরকার যেন এই রায় দ্রুত কার্যকর করে, সেই দাবি জানাই।
তবে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার।
৪০ দিন আগে
ময়মনসিংহে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে নিহত ১
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নের বয়ড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মজনু মুন্সি ওই ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে। তার ছেলে জহরুল ইসলাম আকন্দ কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন।
নিহতের ছেলে জানান, গতকাল (রবিবার) রাতে স্থানীয় বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে একদল কিশোর গ্যাং তার বাবার পথরোধ করে। তাদের চিনে ফেলায় দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তার বাবা দুর্বারচর পশ্চিমপাড়ার তিনজনের নাম উল্লেখ করে গেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, তার বাবা বয়ড়া বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা অন্য কাউকে ছিনতাই বা হত্যার উদ্দেশ্যে ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় ভুলবশত তারা তার বাবার পথরোধ করে। পরে তাকে বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করা হয়।
নিহতের ছেলের অভিযোগ, হামলার পর দুর্বৃত্তদের একজন তার বাবার মোবাইল ফোন থেকে তাকে ফোন দেয়। এ সময় প্রায় ১৩ সেকেন্ড কলটিতে সংযোগ থাকলেও তারা কোনো কথা বলেনি। পরে একই নম্বর থেকে তার বোন মাহিয়া আক্তার বৃষ্টিকে ফোন করে একজন বলেন, আপনার বাবাকে আমি মারিনি, আরেকজন ছুরি মেরেছে।
এ বিষয়ে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জড়িতদের শনাক্তের কাজ চলছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৪৩ দিন আগে