ময়মনসিংহ
সুপারী চুরির অপবাদ দিয়ে শিশু হত্যা
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে সুপারী চুরির অপবাদ দিয়ে এক শিশুকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম ইমন মিয়া (৯)।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নের বাউশা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় এক মাস আগে ইমন প্রতিবেশী আতাহার আলীর গাছ থেকে সুপারী চুরি করে। এতদিন কিছু না বললেও শুক্রবার ইমনকে প্রতিবেশী আতাহার আলী তার ঘরে ডেকে নেয়। সেখানে ঘরের দরজা লাগিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। খবর পেয়ে ইমনের পরিবার তাকে উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। বর্তমান পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফেরদৌস আলম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে সুপারী চুরির ঘটনায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই হত্যাকান্ডের সাথে নির্বাচনি সহিসংতার কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে বিএনপির ৮টি, জামায়াতের ২টি এবং একটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর
ময়মনিসংহের ১৩টি উপজেলায় ১১টি আসনের মধ্যে ৮টিতেই বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত ২টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। আর ১টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ময়মনসিংহের আসনগুলোর ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া)
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, এই আসনে ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বহিষ্কৃত) সালমান ওমর রুবেল ১ লাখ ৮ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯২৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা)
এই আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহ ‘রিকশা’ প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে ১ লাখ ৪৪ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৪৪ ভোট।
ময়মনসিংহ -৩ (গৌরীপুর)
এই আসনে ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেইন ৭৪ হাজার ৪৭৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র বিএনপি বিদ্রোহী) ‘ঘোড়া’ প্রতীকে আহম্মেদ তায়েবুর রহমান হিরন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫১৩ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে। আর ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর কামরুল আহসান এমরুল।
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। ১ লাখ ৮৭৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া)
এখানে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন বিজয়ী হওয়ার পথে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৯৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) আখতার সুলতানার ফুটবল প্রতীকে পড়েছে ৫২ হাজার ৬৬৯ ভোট।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল)
এই আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন ৯৮ হাজার ৫৭৯ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের আসাদুজ্জামান সোহেল ৮২ হাজার ৯৬২ ভোট পেয়েছেন।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ)
এই আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু ১ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ৪৫ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন এডিপির প্রার্থী (১১ দলীয় ঐক্য) অ্যাডভোকেট আওরঙ্গজেব বেলাল।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৫ হাজার ৪৭৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (১১দলীয় ঐক্য) বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির এ কে এম আনোয়ারুল হক পেয়েছেন ৭০ হাজার ১৫২ ভোট।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও)
এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুজ্জামান বাচ্চু ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে ৭৪ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) এবি সিদ্দিকুর রহমানের ‘হাঁস’ পেয়েছে ৬৬ হাজার ৪২৪ ভোট।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা)
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তবে এই আসনে ভোটের দৌঁড়ে হেরে গেছে মোর্শেদ আলমের ‘হরিণ’। স্বতন্ত্র এ প্রার্থী পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট।
৩ দিন আগে
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ড: ময়মনসিংহে পাশাপাশি সমাহিত হলেন এক পরিবারের ৩ জন
রাজধানীর উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ জনের মধ্যে তিনজনের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে। একই পরিবারের ৩ সদস্যের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পড়েছে পুরো গ্রাম। অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাবা, ছেলে ও ভাতিজিকে পাশাপাশি তিনটি কবরে দাফন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ঈশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হারেছ উদ্দিন (৪৭) ও শহীদুল ইসলাম (৪২) কাজের সন্ধানে ১৯৯৪ সালে ঢাকায় যান। দুই ভাই পরিবার নিয়ে রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর রোডের একটি বাসায় বসবাস করতেন। উত্তরা জমজম এলাকায় ফলের ব্যবসা করতেন তারা। গতকাল (শুক্রবার) সকালে ওই বাসায় অগ্নিকাণ্ডে হারেছ উদ্দিন, তার ছেলে রাহাব চৌধুরী (১৭) ও ভাই শহীদুল ইসলামের মেয়ে রোদেলা আক্তার (১৫) নিহত হয়। রাহাব উচ্চমাধ্যমিক ও রোদেলা অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরগঞ্জের দড়িপাঁচাশি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, দড়িপাঁচাশি দারুর রহমান হাফিজিয়া মাদরাসা-সংলগ্ন মসজিদের পাশে পাশাপাশি তিনটি কবর খোঁড়া হয়েছে। মসজিদের সামনে বাঁশ কেটে রাখা হচ্ছে।
মসজিদের ইমাম ও খতিব আবদুল আজিজ বলেন, মাদরাসা ও মসজিদে নিয়মিত সহযোগিতা করতেন হারেছ উদ্দিন। এমন ভালো মানুষের মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।
হারেছের দোকানে একসময় কাজ করতেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, তিনি দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে এবং শহীদুল ইসলাম স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়ে নিয়ে বাসাটিতে থাকতেন। হারেছের তিন বছরের ছেলে আরহান চৌধুরীকে নিয়ে স্ত্রী মিরপুরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। শহীদুলের স্ত্রী সকালে ছেলেকে নিয়ে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। তিনি দোকানে চলে গিয়েছিলেন। এ সময় অগ্নিকাণ্ডে পরিবারের অন্য তিনজন মারা যান।
হারেছের চাচা নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা বেলা ১১টার দিকে মৃত্যুর খবর পাই। অগ্নিকাণ্ডে ৩ জন মানুষ মারা গেল। এমন মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত।
এই অগ্নিদুর্ঘটনায় মোট ৬ জন নিহত হয়েছে। অন্য তিনজনের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। তাদেরও নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।
৩০ দিন আগে
ময়মনসিংহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধন নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নজরুল ইসলাম (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের সমর্থকদের মাঝে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত নজরুল ইসলাম উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের রামসিংহপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী রুবেলের কর্মী ছিলেন।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যার পর ধোবাউড়া উপজেলার এরশাদ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেলের নির্বাচনি কার্যালয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যান সালমান ওমর রুবেল। উদ্বোধন শেষে ফিরে আসার সময় এমরান সালেহ প্রিন্সের সমর্থকরা হঠাৎ রুবেলের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করেন। এ সময় নজরুলকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে সালমান ওমর রুবেল বলেন, আমাদের অফিস উদ্ধোধন করে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে অতর্কিত হামলা করে প্রিন্স ভাইয়ের লোকজন। আমার কর্মী নজরুল হত্যার সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তারে দাবি জানাচ্ছি।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আমি হালুয়াঘাটে আছি। এই ব্যাপার নিয়ে আমি পুরোপুরি অবগত নই। তবে প্রাথমিকভাবে যেটুকু শুনেছি এটা তাদের পারিবারিক কোনো একটা সমস্যা নিয়ে ঝামেলা। এটাকে রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা করছে তারা। যে মেরেছে তিনি আমাদের দলের সাবেক কর্মী। তবে এটা যদি এরকম হয়ে থাকে, আমরা ব্যবস্থা নেব।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শুনেছি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমরান সালেহ প্রিন্স ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী সালসান ওমর রুবেলের সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষের হয়েছে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। পরে আরও বিস্তারিত জানানো হবে।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৩০ দিন আগে
পুলিশের ওপর হামলা করে আসামি ছিনতাই: ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার ৭
ময়মনসিংহ সদরের দিঘারকান্দা এলাকায় মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেওয়ার পথে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আসামির বাবাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতভর যৌথ বাহিনীর অভিযানে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে, ওইদিন বিকেলে দিগারকান্দা ফিশারি মোড় এলাকায় মামলার আসামি স্থানীয় আরিফুল ইসলামকে ধরতে গেলে তার পরিবারের লোকজন এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। এ সময় হামলাকারীরা পাঁচ পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম করে আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।
অভিযানে পুলিশের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ। আহত হয়ে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কয়েকদিন আগে রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে দিঘারকান্দা এলাকার সাগর আলীর ছেলে আরিফুল ইসলামসহ কয়েকজনের নামে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে আমার নেতৃত্বে পুলিশের পাঁচ সদস্যের একটি দল দিগারকান্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে নিয়ে আসার সময় আরিফুলের বাবা সাগর আলীর নেতৃত্বে এলাকাবাসী লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে গুরুতর জখম করে হাতকড়া পরিহিত আরিফুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব ও সেনা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল পৌঁছে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমকে) হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল রাতেই আরিফুলের বাবা সাগর আলীসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তিনি।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ মমেক হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ওসি আরও জানান, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ আরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এছাড়া রাতভর অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
৩৩ দিন আগে
নির্বাচনে পুরোপুরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে: প্রেস সচিব
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে সরকার সব ব্যবস্থাই নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ নগরীর শিববাড়ি মন্দির পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, আমরা মনে করি খুব ভালো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। বর্তমানে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই চলছে। পুরোদমে নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি থেকে। আমরা মনে করি এখনো যথেষ্ট ভালো পরিবেশ রয়েছে। প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাচ্ছেন। নির্বাচনের আমেজ আমরা সব জায়গায় দেখছি।
তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে দুই-একজন দুয়েকটা কথা বলেন। কিন্তু আমরা দৃশ্যমান এমন কিছু দেখছি না যে কেউ বলতে পারেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমরা মনে করছি পুরোপুরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে। এটি ছোট পার্টির জন্য যেরকম বড় পার্টির জন্য একই রকম আছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, সরকার নির্বাচনে একটি দলের প্রতি ঝুকে পড়েছে এমন অভিযোগ অনেকে করছেন। সরকার কোনো দলের বা কারো প্রতি ঝুঁকে পড়েনি। কেউ কেউ হয়তোবা ভাবছেন যে, বেগম খালেদা জিয়া মারা যাওয়ার পরে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। ঐটাকে দেখে অনেকে অন্যরকম ভাবছেন। সত্যিকার অর্থে ওনি জাতীয় নেত্রী ছিলেন। ওনি শুধু বিএনপির নেত্রী না। ওনি সমস্ত বাংলাদেশের নেত্রী। সেজন্য জাতীয় শোক প্রকাশ করা হয়েছে। অনেকে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করে আসছেন— এটা দেখে দু-একজন এ ধরণের কথা বলছেন।
আমরা আবারও বলি এই নির্বাচনের আগে আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য যা যা করণীয় সব কিছু করা হচ্ছে। কারও জন্য কোনো ধরণের পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। বড় দল হোক, ছোট দল হোক— সবার জন্য প্লাটফর্মটা সমান।
প্রেস সচিব বলেন, প্রায় পৌনে তিনশ বছর আগের শিববাড়ী মন্দির পরিদর্শন করেছি। এই মন্দিরটি বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত স্থান, কারণ এখানে দুর্গাপূজার পুরো আয়োজন নারীরাই করে থাকেন। এতে পুরুষদের কোনো ধরণের সম্পৃক্ততা থাকে না।
তিনি বলেন, সামনে নির্বাচন আসছে। আমরা সবাই যেন ভালোভাবে ভোট দিতে পারি। আমি মুসলমান বলে ভোট দিতে পারব, আর অন্য কেউ পারবে না—এমনটি নয়। আমরা আমাদের নৃ-গোষ্ঠী, সনাতনী, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ভাই-বোন এবং এমনকি যারা ধর্ম পালন করেন না—সবাই মিলে একটি ভালো নির্বাচন চাই। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই।
এর আগে, প্রেস সচিব শফিকুল আলম নগরীর জুবলী রোডে বুড়া পীরের মাজার ও গত বছর ভাঙচুর ও হামলার শিকার হওয়া নগরীর থানা ঘাট এলাকায় হজরত শাহ সুফী সৈয়দ কালু শাহর (রহ.) মাজার পরিদর্শন করেন।
৩৮ দিন আগে
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাকৃবি উপাচার্যের শোক
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ শোক জানানো হয়।
শোকবার্তায় উপাচার্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, আজ আমরা একজন সৎ, দৃঢ়চেতা ও দেশের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ আপসহীন নেত্রীকে হারালাম। তিনি দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন তা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা তার অশেষ রহমতে মরহুমার সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের অনন্ত শান্তির আশ্রয় দান করুন, আমিন।
৪৮ দিন আগে
বিকল্প পথে ময়মনসিংহ থেকে ট্রেন চলাচল শুরু
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন খুলে নেওয়ার ঘটনায় ট্রেন লাইনচ্যুতির কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে কয়েক ঘণ্টা পরে বিকল্প পথে ময়মনসিংহ-ভৈরব হয়ে ঢাকাগামী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর সোয়া ৫টার দিকে গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের ২ কিলোমিটার আগে সালটিয়া মাঠখোলা নামক স্থানে লাইনচ্যুত হয় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি।
রেলওয়ে স্টেশন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তারাকান্দি থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনটি হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে যায়। রেলপথের ওই স্থানটিতে ২০ ফুটের একটি লোহার দণ্ড দুপাশ থেকে নাট খুলে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এতে ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ সামনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। ট্রেন লাইচ্যুত হওয়ায় ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।
এদিকে, জামালপুর থেকে ঢাকাগামী যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেন সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ময়মনসিংহ স্টেশনে এসে অস্থান করে। এরপর বিকল্প রুট হিসেবে গৌরীপুর, কিশোরগঞ্জ ও ভৈরব হয়ে ঢাকা পাঠানো হয় ট্রেনটিকে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন সুপার আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, আজ বেলা সোয়া ১১টার দিকে ট্রেনটি ময়মনসিংহ ছেড়ে যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে জামালপুর এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন ভৈরব হয়ে ময়মনসিংহে আসবে বলেও জানান তিনি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ বন্ধ হয়ে পড়ায় ঢাকা-তারাকান্দি রুটের আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৫ নম্বর) ট্রেন, তারাকান্দি-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস (৭৩৬ নম্বর) ট্রেন, দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস (৭৪৪ নম্বর) ট্রেন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটের আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস (৭৭৮ নম্বর) ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এসব ট্রেনের জন্য কাটা টিকিটের মূল্য ফেরত পেতে অনলাইনে লগইন করে রিফান্ড গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
দুপুর আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহ রেলওয়ের পরিবহন পরিদর্শক শাহীনুর ইসলাম বলেন, উদ্ধারকারী ট্রেন উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও ২ থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
৪৯ দিন আগে
রেললাইন তুলে ফেলায় দুই বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে রেললাইন তুলে ফেলায় ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও স্টেশনের আগে দুর্বৃত্তরা ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় এই ঘটনা ঘটে।
গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হানিফ বলেন, আমি এখনও ঘটনাস্থলে পৌছাতে পারিনি। তবে রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে, ওই এলাকার ২০ ফুট রেললাইন সরিয়ে ফেলায় তারাকান্দি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ দুই বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী (আরএনবি) ময়মনসিংহের পরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবাহিনী ঘটনাস্থলে আছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-১০ গফরগাঁও আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। এরপর মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদের কর্মীরা রেললাইন এলাকায় আন্দোলন শুরু করেন।
৪৯ দিন আগে
দীপু হত্যা মামলায় মামলার আরও ৬ আসামি গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপু চন্দ্র দাস নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় হওয়া মামলার আরও ৬ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ-ডিবি।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের কাশর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশ। এ নিয়ে এই মামলার মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার ৬ জন দীপুকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য করেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সুনামগঞ্জের তাকবির (২২), ঠাকুরগাঁওয়ের রুহুল আমিন (৪২), ময়মনসিংহ সদরের নূর আলম (৩৩), তারাকান্দা উপজেলার মো. শামীম মিয়া (২৮) নোয়াখালীর সেলিম মিয়া (২২) ও মাদারীপুরের মো. মাসুম খালাসী (২৩)।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকার জামিরদিয়া এলাকার পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কারখানায়। ধর্ম অবমাননার অভিযোগে জনতা দীপুকে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেয়। পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে নিয়ে তার মরদেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ রাত আড়াইটার দিকে অর্ধপোড়া মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পরের দিন (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে দীপুর ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০-১৬০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা করেন। মামলার পর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ।
৫৩ দিন আগে