ফ্যামিলি কার্ড
ফ্যামিলি কার্ড শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, একটা শক্তি: ফখরুল
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে আমরা আজ আমাদের নেতা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচন-পূর্ববর্তী অঙ্গীকার পূরণ করবার পথে। আমরা আমাদের কথা রেখেছি।
তিনি বলেছেন, আমরা যে কাজটি শুরু করলাম এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে। ফ্যামিলি কার্ড জিনিসটা আসলে কী? এটা আসলে একটা শক্তি; এটি একটি ক্ষমতা। এই কার্ডটি আপনাকে সেই ক্ষমতা দেবে, যা দিয়ে আপনি সবার সামনে দাঁড়াতে পারবেন। আপনি এটি দিয়ে শুধুমাত্র আর্থিক বা অন্যান্য সহায়তা পাবেন, বিষয়টি তা নয়। এ দেশের একজন নারী হিসেবে, পরিবারের প্রধান হিসেবে আপনার অবস্থান দৃঢ় করতে পারবেন। আপনার মাঝে একটি শক্তি আসবে।’
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রহিমানপুর সম্মিলিত ঈদগাহ দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যদের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনি অঙ্গীকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর পাইলটিং পর্যায়ের বিতরণ কার্যক্রম আজ উদ্বোধন হচ্ছে। বিএনপি কথা দিলে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। নির্বাচনের আগে সরকার ফ্যামিলি কার্ড দিতে চেয়েছে, আজ তার বাস্তাবায়ন শুরু হলো। পর্যায়ক্রমে সামনের দিনে আরও বেশি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবেন।
তিনি বলেন, সমাজে পুরুষেরা আমাদের মা-বোনদের হিসেব নেন না। যখন কার্ডটি আসবে, তখন কিন্তু হিসেব করতে শুরু করবেন! এটাই হবে আমাদের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল লক্ষ্য—আমাদের সমস্ত মায়েদের ক্ষমতায়িত করতে চাই, ক্ষমতায়ন করতে চাই, তাদের শক্তি বাড়াতে চাই।
পরিবারের নারীদের ক্ষমতায়নের ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এমনিতেই আমাদের মায়েরা সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করে। পরিবারের জন্য, সংসারের জন্য, ছেলেমেয়েদের মানুষ করার জন্য, টিকিয়ে রাখবার জন্য, তাদের ভালো খাওয়ানোর চেষ্টা করা; সেই শক্তিটাকে আরও বাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। আপাতত সীমিত আকারে প্রায় ৫-৭ শ’ মানুষের মাঝে এই কার্ডটি শুরু হবে। এটাকে বলছি পাইলট প্রকল্প। সারা দেশে মাত্র ১৪টি ইউনিয়নকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা পরীক্ষা করছি যে এই কাজগুলো কীভাবে করা যাবে। কাজগুলো করতে ভুলত্রুটি হবে; অনেকে হয়তো বাদ পড়তে পারেন, তথ্য ভুল হতে পারে; এই কাজটির মধ্য দিয়ে সেই ভুলগুলো সমাধান করা হবে। তাই আপনারা ধৈর্য হারাবেন না, সকলেই কার্ড পাবেন। এই কার্ডটি প্রতিটি ঘরে ঘরে যাবে, শুধু একটু সময়ের ব্যাপার। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু যখন করেছেন, তখন এটা অবশ্যই আলোর মুখ দেখবে।
সরকার গঠনের খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই বিএনপি অতি দ্রুত কাজ শুরু করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের ২২ দিনের মধ্যেই আমরা কিন্তু কাজ আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি! নির্বাচনের আগের ওয়াদা অনুযায়ী কৃষকদের ১০ হাজার টাকার কৃষিঋণ সুদসহ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে খাল কাটা শুরু হয়ে গেছে। ১৬ মার্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই উনার আব্বা জিয়াউর রহমানের মতো হাতে কোদাল নিয়ে মাটি খুঁড়ে খাল কাটতে শুরু করবেন। সারা বাংলাদেশে অসংখ্য খাল কাটা হবে। এই খালগুলোর মাধ্যমে বর্ষার সময় যে পানিটা হবে, সেটিকে সংরক্ষণ করে খরার দিনে যখন আমাদের পানির দরকার, তখন ওই পানি আমরা ব্যবহার করব। আমাদের উত্তরাঞ্চলে এটি খুব দরকার।
ধৈর্য ধরলে প্রত্যেকেই বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রত্যেক কৃষককে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এটি নিয়ে তারা সার, সেচ, পানি, বীজসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ন্যায্যমূল্যে কিনতে পারবেন। আপনাদের ঋণ শোধ করবার ভাষা আমার জানা নেই। আমি যদি কিছু কাজ করি, আপনাদের সমস্যাগুলো সমাধান করে আমি এই ঋণটা কিছুটা হলেও শোধ করতে চাই।
৭ দিন আগে
নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৯ নম্বর কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রউফ জুনিয়র স্কুল প্রাঙ্গণে উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মাথায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই কর্মসূচি শুরু হওয়া প্রমাণ করে যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় গৃহবধূদের নামে কার্ড ইস্যু করা হবে এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা তাদের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা বিকাশ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে পরিবারিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়বে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ সম্পর্কে নারীরাই সবচেয়ে ভালো জানেন। তাই পরিবারের আর্থিক সহায়তা সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দিলে তা পরিবার পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সঞ্চয়ের সুযোগও বাড়বে। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে এবং বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগে সেচ সুবিধার অভাব এবং পানি নিষ্কাশন সমস্যার কারণে কৃষি উৎপাদন তুলনামূলকভাবে কম। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে এ অঞ্চলের জমি থেকেও অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ কৃষিজীবী পরিবারগুলো অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির চৌধুরী, কলিম উদ্দিন আহমেদ, কয়সর আহমদ এবং কামরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী উপকারভোগীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ৬৯৭ জন ফ্যামিলি কার্ডের তালিকাভুক্ত হয়। তবে আজ ৫১৭ জনের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্টে ২৫০০ টাকা করে জমা হবে বলে জানায় সমাজসেবা কার্যালয়।
৭ দিন আগে
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সরকার গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় প্রধানমন্ত্রী তার নিজের নির্বাচনি এলাকা বনানীর কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
আজ (মঙ্গলবার) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তারেক রহমান প্রথম ফ্যামিলি কার্ডটি পারভীন বেগমের হাতে তুলে দেন। পরবর্তীতে আরও বেশ কয়েকজন নারী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এই কার্ড গ্রহণ করেন।
কার্ড তুলে দেওয়ার পরপরই সরকারপ্রধান ল্যাপটপে একটি বাটন প্রেস করেন, সঙ্গে সঙ্গে উপকারীভোগীদের কাছে নগদ অর্থ চলে যায়।
বেলা পৌনে ১১টার দিকে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপির থিম সং ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার, শেষ বাংলাদেশ’ পরিবেশন করা হয়।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ। মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, কূটনীতিক এবং সামরিক ও বেসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান সকাল ১০টা ৩২ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান এবং ফ্যামিলি কার্ড নিতে আসা বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে কথা বলেন।
এ কর্মসূচি নারীর ভূমিকাকে শক্তিশালী করার এবং সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগে তাদের পরিবারের প্রাথমিক প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক ন্যায্যতা ও জাতীয় অগ্রগতিতে সরকারের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পর্যায়ে (পাইলট প্রজেক্ট) দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনের ১৫টি ওয়ার্ডে ১৩টি জেলার ইউনিয়নে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
পারিবারিক আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে ওয়ার্ড পর্যায়ের কমিটিগুলো বাড়ি বাড়ি গিয়ে জরিপ চালিয়েছে। জরিপে পরিবারের সদস্য সংখ্যা, শিক্ষার স্তর, আবাসন অবস্থা, টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, কম্পিউটার ও মোবাইল ফোনের মতো সম্পদের মালিকানা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়নের পর মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এ সহায়তার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
এই পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নির্বাচিত পরিবার জি-টু-পি পদ্ধতিতে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে।
২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এই পাইলট প্রকল্পের জন্য সরকার ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থের মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হবে এবং বাকি ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা তথ্য সংগ্রহ, সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট ও কার্ড তৈরির কাজে ব্যয় হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে এবং সুবিধাভোগীদের কার্ড সংগ্রহের জন্য কোনো অফিসে যেতে হবে না; কর্মকর্তারা সরাসরি তাদের বাড়িতে কার্ড পৌঁছে দেবেন।
সরকার প্রতি মাসে এই পাইলট কর্মসূচিটি পর্যালোচনা করবে এবং পরবর্তী সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করার আগে ৩০ জুন পর্যন্ত তিন মাসের একটি ‘শিক্ষা গ্রহণ’ সময়কাল চলমান থাকবে।
৭ দিন আগে
১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় কড়াইল বস্তি-সংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একই সময়ে সেখান থেকে দেশের আরও ১৪টি স্থানে এ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ঐতিহাসিক এক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
১২ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (ইউএনবি)— ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগী পরিবার ও কৃষকদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দ্রুতই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এসব কার্ড বিতরণে কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সহ্য করা হবে না।
তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণে একটি জনবান্ধব সরকার পরিচালনায় প্রশাসনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কথা ধৈর্য সহকারে শুনে ব্যবস্থা গ্রহণে জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেন তিনি।
ফকির মাহবুব আনাম প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, মধুপুরে বখাটে দেখতে চাই না। জনগণ যাতে নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ইন্টারনেটভিত্তিক অপরাধ, বিশেষ করে অনলাইন জুয়া থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনকে আরও সজাগ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নৈতিকতা নিশ্চিত করে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে টাঙ্গাইলকে আদর্শ জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মতবিনিময় সভার আগে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মধুপুর শহরের সাথীর মোড়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ রাস্তার সাথীর মোড় থেকে টুটুল ট্রেডার্স পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুবায়ের হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর তিনি ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরজাহান আক্তার সাথীর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
১৭ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ, কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকা
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের আলোকে আজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা আগামী ১০ মার্চ ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রী পাইলটিংয়ের যে কার্যক্রম অর্থাৎ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের, সেটি উদ্বোধন করবেন। আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের ১৪টি উপজেলাকে চুজ (নির্বাচন) করেছি বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগ হিসাব করে। সেই ১৪টি জেলা উপজেলার মধ্যে থেকে একটা ইউনিয়নের একটা ওয়ার্ডকে আমরা ইউনিভার্সালি (সর্বজনীনভাবে) ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। সেটার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, আগামী ১০ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ওইদিন একযোগে ১৪টি উপজেলার এ কার্যক্রমের সূচনা করা হবে এবং এটি চলতে থাকবে। এই কার্যক্রম ধীরে ধীরে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এটার মাধ্যমে দেশের হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত—এই তিন শ্রেণির পরিবারের মধ্যে যেসব পরিবারে মায়েরা প্রধান, তারা এই সুবিধা পাবেন। আমরা মনে করি, এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এতে করে আগামী প্রজন্ম স্বাবলম্বী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
মন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন যাবৎ এটার ওপর কাজ করেছেন এবং আজকে উনার সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এটি অনুমোদিত হয়েছে।
জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে উনাদের (সুবিধাভোগী পরিবার) আর্থিকভাবে সহযোগিতা দেওয়া হবে। এতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য হবে না। এটা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী চার মাসের মধ্যে পাইলটিংয়ের (পরীক্ষামূলক) কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। পরবর্তী সময়ে সারা বাংলাদেশে আরও ব্যাপকভাবে প্রতিটি উপজেলা এটার আওতায় আসবে। প্রথমেই পুরো উপজেলা দেওয়া যাবে না। হয়তো প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন, তারপর আরেকটি ইউনিয়ন—এভাবে আমরা ধীরে ধীরে এটিকে বিস্তৃত করব।
প্রাথমিকভাবে কতজন নারী এটা পাচ্ছেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, কয়জন হিসাবে না। একটি ওয়ার্ডে যে কয়জন পাওয়ার উপযুক্ত, ওই কয়জনই পাবেন।
বাছাই প্রক্রিয়ার বিষয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, বাছাই করা হচ্ছে না। দ্বারে দ্বারে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে কোনো বাছাই হবে না। বাছাই হবে মাঠপর্যায়ে। কারও প্রতি বৈষম্য করা হবে না, কাউকে বাদ দেওয়া হবে না।
২১ দিন আগে
ফ্যামিলি কার্ডের মতো কৃষি কার্ড বিতরণ শুরু হবে শিগগিরই: তথ্যমন্ত্রী
কৃষককে নানা সুবিধার আওতায় আনতে শিগগিরই ফ্যামিলি কার্ডের মত কৃষি কার্ড বিতরণ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কৃষক কার্ড নিয়ে বৈঠকের পর তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মূলত আমাদের কৃষকদের একটা স্মার্ট কার্ড দেওয়া এবং স্মার্ট কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আমরা আলাপ করছি। নীতিগতভাবে এটা আমাদের বহু আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছে। তা বাস্তবায়নের জন্য আজ (সোমবার) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম বৈঠক করছেন। ইনশাআল্লাহ, যত দ্রুত সম্ভব আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছি।’
ঈদের আগে কি কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করার বিষয়ে তিনি বলেন, সময়টা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। কারণ সময়ের সঙ্গে তো প্রস্তুতির অনেক বিষয় জড়িত। তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এবং তার পরামর্শ হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব এটা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সকলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে দ্রুত কীভাবে তা করা যায়।
এই কার্ড পেলে একজন কৃষক কী সুবিধা পাবেন— এ বিষয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এই কার্ডটা পেলে একজন কৃষকের উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা তিনি পাবেন। যেমন: তার কৃষিজ্ঞান, কৃষি যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করা, সার, কীটনাশক, বীজ, অল কৃষি উপকরণসহ যেকোনো ধরনের সহযোগিতা তাকে করা। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই কার্ডের মাধ্যমে একটা স্মার্ট পদ্ধতিতে বাজারের পরিস্থিতি, উৎপাদনের পরিস্থিতি, আবহাওয়ার পরিস্থিতি—সবটাই কিন্তু তখন একটা ধারণার মধ্যে আসবে। যে ধারণার ওপরে ভর করে আমরা একটা সঠিক পরিকল্পনা করতে পারব।
এটা কি প্রকৃত কৃষকরা পাবে না কি এলাকার মেম্বার বা যারা প্রভাবশালী তারা নিয়ে নিবে—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, ‘না, কৃষক কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে তো আমরা প্রথমেই এ জন্যই মধ্যস্বত্বভোগীরা যাতে কোনো সুযোগ-সুবিধা না নিতে পারেন বা যাতে কোনো লিকেজ না হয়, সে কারণেই কিন্তু আমরা স্মার্ট কৃষক কার্ডের দিকে যাচ্ছি।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি, একজন সিম ক্রেতা সরাসরি কিন্তু তার সব ধরনের সেবা ব্যাংকের থেকে পাচ্ছেন। অতএব একজন কৃষকের হাতে যখন আমি স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেব, এরপরে কিন্তু রাষ্ট্রের সঙ্গে তার যোগাযোগটা হবে সরাসরি। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না এবং তারও যেকোনো সমস্যা কিন্তু সরাসরি রাষ্ট্র জানতে পারছে। ফলে পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আমাদের কিন্তু তখন সহজ হবে।
২২ দিন আগে
ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এ সংক্রান্ত বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যু বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা কার্যকর কীভাবে করবে, সেটা নিয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আজকে।
কত পরিবারকে দেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি কিন্তু সর্বজনীন। এটাতে কোনো রেস্ট্রিকশন (বিধিনিষেধ) থাকবে না। তবে একটি কমিটি করা হয়েছে—হয়তো শুরু করবে হতদরিদ্র থেকে আরম্ভ করে, তারপরে দরিদ্র, তারপরে মধ্যবিত্ত, এভাবে যাবে।
এই রমজানেই এটি শুরু হবে কিনা জানতে চাইলে পরিবেশমন্ত্রী জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে এটি চালু হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চান পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ঈদের আগেই শুরু করতে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিবি) বলেছে যে, আগামী অর্থবছরে ফ্যামিলি কার্ড যদি চালু না হয়, তাহলে এর নেতিবাচক প্রভাব নির্বাচনের ওপর পড়বে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা তো চালু হবে, এটা নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। এটা আমাদের খালি মেকানিজমটা বের করছে, মানে কার্যক্রমটা কীভাবে চালু করবে সেটা নিয়েই কথা হয়েছে।
২৬ দিন আগে
চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের প্রধান নারীকে এ কার্ড দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এই কার্ডের সুবিধাদি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিক একটি পরিবারকে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া দেওয়া হবে খাদ্যসামগ্রী।
তিনি আরও বলেছেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য বহুমাত্রিক দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে তরুণদের কথা শুনেন তারেক রহমান। তরুণদের উদ্দেশে নিজেও দিকনির্দেশনা দেন।
এতে উপস্থিত তরুণরা সকলেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এই মতবিনিময় পর্ব শেষে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান।
৫৪ দিন আগে
টিসিবির পণ্য বিক্রি নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন সঠিক নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশের নিম্নআয়ের এক কোটি পরিবারের মাঝে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রয় নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়নি। টিআইবি যে কোন বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতেই পারে, তবে তা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।
বুধবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি ‘টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে টিআইবি জানিয়েছে, টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে প্রকৃত উপকারভোগী অনেকে বাদ পড়েছেন।
টিপু মুনশি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় দেশে এক কোটি পরিবারের মাঝে নির্ধারিত ডিলারদের মাধ্যমে কার্ডধারী পরিবারগুলোর মাঝে এ পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। প্রায় একশত ভাগ ভর্তুকি দিয়ে পরিবার কার্ডের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। কিউআর কোর্ড ব্যবহার করে পণ্য বিক্রয়ের কারণে শৃঙ্খলা এসেছে। খুব কম সময়ের মধ্যে পণ্য বিক্রয় করা যাচ্ছে। এখন পণ্য ক্রয়ে আর কষ্ট করতে হয় না। এখন আর একই ব্যক্তির দু’বার পণ্য ক্রয়ের সুযোগ নেই। কার্ডধারী ব্যক্তি তার সুবিধাজনক সময়ে ডিলারদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করছেন। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে না।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। ঢাকায় অল্প কিছু ছাড়া সারা দেশে এ কার্ড বিতরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। কার্ডধারী মানুষ এখন সুশৃঙ্খলভাবে টিসিবির পণ্য ক্রয় করতে পাচ্ছেন। আমারা চেষ্টা করছি সঠিক নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে টিসিবির পণ্য করতে। টিসিবির মাধ্যমে তেল, চিনি, সোলা, মশুর ডাল, পবিত্র রমজান মাসে চিনি, খেজুর বিক্রয় করা হয়।
তিনি বলেন, আগে ট্রাক সেলের মাধ্যমে এ পণ্য বিক্রয় করা হতো, এতে একই ব্যক্তি একাধিকবার লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য ক্রয় করতো, অনেকে পেতো না। এজন্য কার্ডের মাধ্যে এক কোটি পরিবারের মাঝে পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। যাতে প্রকৃত নিম্নআয়ের মানুষ এ পণ্য ক্রয়ের সুবিধা পান। টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী প্রায় ৩ হাজার ৩০০ ডিলারের মাধ্যমে এ পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে। ডিলারের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা হচ্ছে।
এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
পড়ুন: বাংলাদেশকে ঋণ দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত অক্টোবরে: আইএমএফ
ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন লি. এর নতুন নাম ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি
১৩০৮ দিন আগে