একনেক
একনেকে ২,২৬৬.৪১ কোটি টাকার ৮ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ মঙ্গলবার ২,২৬৬.৪১ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের আটটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, অনুমোদিত প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ২,২২৯.১৩ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭.২৮ কোটি টাকা জোগানো হবে।
অনুমোদিত আটটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি নতুন, তিনটি সংশোধিত এবং দুটি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, এই প্রকল্পগুলো মূলত পানিসম্পদ, পরিবহন অবকাঠামো, জনপ্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বিদ্যুৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
অনুমোদিত প্রধান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে—পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন’ এবং ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টৈটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ইদমানি) আঞ্চলিক মহাসড়ক’ যথাযথ মান্ন্নেয়ন ও প্রসস্তকরণ প্রকল্প।
এছাড়া, ঠাকুরগাঁওসহ ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট স্থাপন এবং স্বাস্থ্য খাতের অধীনে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদ্যমান গ্রিড সাবস্টেশন ও ট্রান্সমিশন লাইন সম্প্রসারণের প্রথম সংশোধিত প্রকল্পটিও একনেকে পাস হয়।
অন্যান্য অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়), মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্য পদ্ধতি (মেমিস) সহায়তা প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং সারা দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন।
এদিকে, ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভাকে অবহিত করা হয়, যা আগেই পরিকল্পনা মন্ত্রী অনুমোদন করেছিলেন।
এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে—৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন সেবা (সংশোধিত), ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যান্ত্রিক পার্কিং সুবিধা, ডাক সেবা সম্প্রসারণ, ঢাকা সেনানিবাসে এমইএস ট্রেনিং সেলের অবকাঠামো উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ উদ্যোগ (দ্বিতীয় পর্যায়) এবং খুলনার পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন (সংশোধিত) প্রকল্প।
একনেক সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
১০ দিন আগে
বাজেট-পূর্ব একনেক বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার মাত্র দুই দিন আগে আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, সকাল ১০টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয় এবং দুপুর সোয়া ১টায় তা শেষ হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
এছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবগণ বৈঠকে অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন এবং সেগুলোর ওপর আলোচনা করেন।
আগামী ১১ জুন সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করার কথা রয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর।
এর আগে, গত ১৮ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী অর্থবছরের জন্য ৩,০৮,৯২৪.৮৩ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করে।
তারও আগে, গত ১২ মে ৩৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ের পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পসহ নয়টি বড় প্রকল্প অনুমোদন করেছিল একনেক।
১০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে একনেকের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অংশ নিয়েছেন।
বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।
দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করার লক্ষ্যে এই বৈঠকে বিভিন্ন খাতের বেশ কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদন করা হতে পারে ।
১০ দিন আগে
একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন প্রকল্প, পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প এবং একটি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা যোগান দেওয়া হবে।
বুধবার (৯ মে) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
সভায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
৩৭ দিন আগে
একনেকে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দশম এবং বর্তমান সরকারের অধীন দ্বিতীয় সভায় ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত এসব প্রকল্পের মধ্যে ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অর্থায়ন করবে সরকার, ঋণের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে আসবে ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত ১৪ প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প পাঁচটি, সংশোধিত প্রকল্প পাঁচটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প রয়েছে চারটি।
আজকের সভায় অনুমোদিত ১৪টি প্রকল্প হলো: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শহরাঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ প্রকল্প, অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাস্টমস আধুনিকায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম সংশোধন)’ প্রকল্প, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ (তৃতীয় সংশোধন) প্রকল্প।
এছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের চারটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো: অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাসের জন্য সহনশীল অবকাঠামো উন্নয়ন (রিভার) প্রকল্প (প্রথম সংশোধন), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতাধীন পরিচ্ছন্নকর্মী নিবাস নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত), ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন (দ্বিতীয় সংশোধিত), ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ প্রকল্প।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। সেগুলো হচ্ছে— (১) বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ, (২) সীমান্ত সড়ক (রাঙ্গামাটি, খাগড়া ছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) নির্মাণ প্রকল্প-দ্বিতীয় পর্যায়, (৩) বৈরাগীরপুল (বরিশাল)-টুমচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক (জেড-৮৯১০) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (প্রথম সংশোধিত), (৪) ‘বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৯) বরিশাল (চর কাউয়া) হতে ভোলা (ইলিশা ফেরিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (প্রথম সংশোধিত) এবং (৫) বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মী পাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প।
এর মধ্যে (৩), (৪) ও (৫) নম্বর প্রকল্পের মেয়াদ একাধিকবার বৃদ্ধি অনুমোদিত হলেও কেন পাঁচবার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
এ ছাড়াও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প হলো— (১) বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) এবং (২) মধুখালী হতে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।
আজকের একনেক সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
৫৪ দিন আগে
একনেকে ৪৮৩ কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন
৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকার পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে সরকার অর্থায়ন করবে ৩৯০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা এবং ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা প্রকল্পঋণ থেকে নেওয়া হবে।
সোমবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় মোট পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রকল্প ছিল।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প রয়েছে। সেগুলো হলো: সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২ (জিএসআইডিপি-২) (প্রথম সংশোধন) এবং চর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট প্রকল্প-৪ (সিডিএসপি-৪) (তৃতীয় সংশোধন)।
এছাড়া, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত)’ শীর্ষক একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন (কম্পোনেন্ট-২): দেশের ৮টি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক ইমেজিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ (১ম সংশোধিত)’ এবং ‘গোপালগঞ্জ ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্প। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় পরিকল্পনা ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৭৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নতুন সরকারের প্রথম একনেক সভা শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) প্রথম বৈঠক শুরু হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন ও আলোচনার জন্য উপস্থিত রয়েছেন।
৭৪ দিন আগে
একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৯৭৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ও একনেকের চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে একনেকের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৬৪২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৩১ কোটি ৩২ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: একনেক সভায় জবি ক্যাম্পাসের মেগা প্রকল্পটি পাস হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা
অনুমোদিত প্রকল্পসমূহ হলো-
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ‘চিলমারী এলাকায় (রমনা, জোড়গাছ, রাজিবপুর, রৌমারী, নয়ারহাট) নদী বন্দর নির্মাণ (প্রথমম সংশোধিত)’ প্রকল্প, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প ‘আশুগঞ্জ-পলাশ সবুজ’ প্রকল্প ও ‘কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ’ প্রকল্প, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ‘অর্থনৈতিকভাবে জীবনচক্র হারানো রাবার গাছ কর্তন, পুনঃবাগান সৃজন ও রাবার প্রক্রিয়াকরণ আধুনিকায়ন’ প্রকল্প, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৩টি প্রকল্প ‘ভোলা নর্থ গ্যাস ক্ষেত্রের জন্য ৬০ এমএমএসসিএফডি ক্ষমতা সম্পন্ন প্রসেস প্লান্ট সংগ্রহ ও স্থাপন’ প্রকল্প, ‘রশিদপুর-১১ নম্বর কুপ (অনুসন্ধান কুপ) খনন’ প্রকল্প ও ‘২ডি সাইসমিক সার্ভে ওভার এক্সপ্লোরেশন ব্লক ৭ অ্যান্ড ৯’ প্রকল্প, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্প এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের লেভেল ক্রসিং গেইটসমূহের পুনর্বাসন ও মান উন্নয়ন (চতুর্থ সংশোধিত)’ প্রকল্প এবং ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের লেভেল ক্রসিং গেইটসমূহের পুনর্বাসন ও মান উন্নয়ন (তৃতীয় সংশোধিত)’ প্রকল্প। এছাড়া পরিকল্পনা উপদেষ্টার অনুমোদিত ৬টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেকের সদস্যদের অবহিত করা হয়।
তাছাড়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, মৌলভীবাজার (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পটি বাতিলের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং প্রকল্পটি বাতিল করা হয়।
একনেক সভা শেষে এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এসব তথ্য জানান।
অর্থ এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ, পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, শিল্প এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সংযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একনেক সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: কর্ণফুলীর ওপর ১১৫৬০ কোটি টাকার রেল-সড়ক সেতুর অনুমোদন একনেকে
৫৪৩ দিন আগে
কর্ণফুলীর ওপর ১১৫৬০ কোটি টাকার রেল-সড়ক সেতুর অনুমোদন একনেকে
কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্ণফুলী নদীর ওপর ১১ হাজার ৫৬০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে রেল-সড়ক সেতু নির্মাণের উল্লেখযোগ্য অবকাঠামো প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
কালুরঘাট এলাকায় অবস্থিত সেতুটি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন পরিবহন সহজতর করবে এবং এই অঞ্চলের যানবাহন ও রেল যোগাযোগ উভয়ই উন্নত করবে।
সম্প্রতি সংস্থাটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে চলতি অর্থবছরের তৃতীয় একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় অনুমোদিত চারটি প্রকল্পের মধ্যে এটি একটি। এটির সম্মিলিতভাবে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৪১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: দেশের প্রতিটি সেক্টরে গ্রহণযোগ্য সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কাজ করছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা
পুরনো কালুরঘাট সেতুর অতি প্রয়োজনীয় প্রতিস্থাপন
সভা শেষে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ পুরাতন কালুরঘাট সেতুটি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বর্তমান সেতুটি খারাপ অবস্থায় রয়েছে, ট্রেনের গতি প্রতি ঘণ্টায় মাত্র ১০ কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন এই সেতু কেবল স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত করবে না, বরং কক্সবাজারকে একটি প্রধান পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ড. ওয়াহিদউদ্দিন আরও জোর দিয়েছিলেন যে নতুন সেতুটি মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পারিপার্শ্বিক অর্থনৈতিক অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও সহায়তা করবে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১১ হাজার ৫৬০ কোটি ৭৭ লাখ টাকার মধ্যে ৪ হাজার ৪৩৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা বাংলাদেশ সরকার এবং বাকি ৭ হাজার ১২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) ও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটি (ইডিপিএফ) থেকে জোগান দেওয়া হবে।
আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, নতুন সেতুটি দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের সঙ্গে একটি দক্ষ সংযোগ তৈরি করে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে, যা চীন, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
প্রকল্পের আওতায় ৭০০ মিটার সেতু, ৬ দশমিক ২০ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, ২ দশমিক ৪০ কিলোমিটার সড়ক ভায়াডাক্ট, ৪ দশমিক ৫৪ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ এবং ১১ দশমিক ৪৪ কিলোমিটার রেললাইন স্থাপন করা হবে।
নতুন সেতুটি চট্টগ্রামের শিল্পগুলোকেও উপকৃত করবে। যা দেশের ৭০ শতাংশ আমদানি ও রপ্তানি পরিচালনা করে। উন্নত পরিবহন সংযোগ চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পরিবহন সহজতর করার পাশাপাশি এই অঞ্চলের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে সমর্থন করবে।
অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্প
রেল-সড়ক সেতু ছাড়াও ৬ হাজার ৫৭৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩৭৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ (এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেন আপগ্রেডেশন) এর দ্বিতীয় সংশোধনী প্রকল্প এবং ৫ হাজার ৯০১ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে রেজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইইউটিডিপি)।
আরও পড়ুন: ঢাকায় শুধু মেগা প্রজেক্ট করলেই হবে না, সবুজায়নও বাড়াতে হবে: উপদেষ্টা
সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করা হবে: উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম
৬২০ দিন আগে
ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ নির্দেশ দেন তিনি।
সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম বলেন, বর্ষা আসছে তাই ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো শিগগিরই মেরামত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব: শরীয়তপুরে বিদ্যুৎহীন সাড়ে ৩ লাখ মানুষ
তিনি বলেন, পানিবাহিত রোগ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় নিরাপদ পানি নিশ্চিত করারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
আবদুস সালাম আরও জানান, ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার, পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা।
একনেক সভায় মোট ১৪ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা সচিব সত্যজিৎ কর্মকার।
তিনি আরও বলেন, ‘সভায় অনুমোদিত ১১টি প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ১৪ হাজার ৩৩৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা (শুধু সংশোধিত প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে)।’
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পটুয়াখালীতে মাছের ঘের, পুকুরসহ ৭৬০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত
তিনি আরও জানান, এর মধ্যে ৬ হাজার ৫৪১ কোটি ৫২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে, ৭ হাজার ৮৭৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে এবং বাকি ৮৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে পাওয়া যাবে।
১১টি প্রকল্পের মধ্যে ৮টি নতুন প্রকল্প এবং তিনটি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘রিমালের’ আঘাতে সুন্দরবনে প্রাণ হারিয়েছে ২৬ হরিণ
৭৫২ দিন আগে