টেকনাফ
সাড়ে ৪ হাজার ইয়াবাসহ টেকনাফ উপজেলা আ.লীগ নেতা আটক
কক্সবাজারের ইনানীতে সাড়ে ৪ হাজার ইয়াবাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা হাফিজ উল্লাহকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত এ তথ্য জানান।
আটক হাফিজ উল্লাহ (৬৬) টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ডেইলপাড়ার বাসিন্দা। তিনি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মুকিত জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইনানীর কোস্ট গার্ড স্টেশন ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। বাসে থাকা এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছ থেকে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এবং জব্দ করা ইয়াবার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
৪ দিন আগে
মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত সেই হুজাইফা মারা গেছে
সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হুজাইফা আফনান (১৩) ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মেনেছে মেয়েটি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌন ১০টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
হুজাইফার চাচা শওকত আলী বলেন, সকালে চিকিৎসকরা হুজাইফাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে। আপনারা সবাই আমার ভাতিজির জন্য দোয়া করবেন।
গত ১১ জানুয়ারি সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় মিয়ানমারের ওপার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয় স্থানীয় জসিম উদ্দিনের মেয়ে হুজাইফা আফনান। তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। তার দুই দিন পর ১৩ জানুয়ারি বিকেলে মাথায় বিদ্ধ গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
চমেক হাসপাতালের অ্যানেসথেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, হুজাইফার অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও দেশটির বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে মাঝেমধ্যেই সশস্ত্র সংঘর্ষ বাঁধে। বাংলাদেশ সীমান্তে এই সংঘর্ষ হলে ছুটে আসা গুলিতে মাঝেমধ্যেই টেকনাফ অঞ্চলে বাংলাদেশিদের হতাহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
হুজাইফা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরের দিন একই এলাকায় সীমান্তে স্থল মাইন বিষ্ফোরণে আবু হানিফ নামে এক জেলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর গত ২৭ জানুয়ারি কনাফ উপজেলার নাফ নদের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে সীমান্তের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে সোহেল (১৫) ও ওবায়দুল্লাহ (১৪) নামে দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়। এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা আতঙ্কে দিন পার করে আসছেন।
সীমান্তে চলমান এই ধরনের সহিংসতা স্থানীয়দের জীবন ও নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টির দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
১৭৩ দিন আগে
মিয়ানমার থেকে ফের গুলি, টেকনাফ সীমান্তে দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদের সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে সীমান্তের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে সোহেল (১৫) ও ওবায়দুল্লাহ (১৪) নামে দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জীম্বংখালী-সংলগ্ন নাফ নদ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলো— হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজরপাড়া এলাকার বাসিন্দা শেখ কামালের ছেলে সোহেল এবং একই এলাকার মোহাম্মদ ইউনুছের ছেলে ওবায়দুল্লাহ।
স্থানীয়রা জানান, আজ (মঙ্গলবার) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হোয়াইক্যং জীম্বংখালী বিওপির পূর্ব পাশে নাফ নদ-সংলগ্ন কেওড়া বাগানে লাকড়ি সংগ্রহ করতে যায় সোহেল ও ওবায়দুল্লাহ। এ সময় হঠাৎ মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে তারা দুজন গুলিবিদ্ধ হয়।
গুলিবিদ্ধ ওবায়দুল্লাহর মামা মোহাম্মদ ইসমাইল জানান, গুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি আরও জানান, সোহেলের বাঁ পা ও হাতে গুলি লেগেছে এবং ওবায়দুল্লাহর মাথায় গুলি লেগেছে। বর্তমানে দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম জানান, হোয়াইক্যং সীমান্তে নাফ নদের প্রায় ৫০০ গজ ওপারে মিয়ানমারের ভেতর থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজনের মাথায় এবং অন্যজনের পায়ে গুলি লেগেছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।
এর আগে, গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে হুজাইফা আফনান নামে এক বাংলাদেশি শিশু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। তার পরের দিন একই এলাকায় সীমান্তে স্থল মাইন বিষ্ফোরণে আবু হানিফ নামে এক জেলের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তখন থেকে সীমান্তে বসবাসকারীরা আতঙ্কের দিন পার করে আসছিল। এখন আবারও সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে বাংলাদেশি কিশোর গুলিবিদ্ধ হলো।
১৮৩ দিন আগে
টেকনাফ সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণ, যুবকের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে মোহাম্মদ হানিফ (২২) নামে এক যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিল সীমান্তে হাউসরদ্বীপ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মোহাম্মদ হানিফ উপজেলার হোয়াইক্যং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লম্বা বিলের মো. ফজলুল হকের ছেলে।
ভুক্তলোগীর বাবা মো. ফজলুল হক জানান, আমার ছেলে আজ সকালে হোয়াইক্যং লম্বাবিল সীমান্তের হাউসরদ্বীপ এলাকায় একটি চিংড়ি ঘেরে মাছ ধরতে গেলে ঘেরের বাঁধের মধ্যে পুঁতে রাখা একটি মাইন বিস্ফোরিত হয়। এতে তার দুই পায়ে মারাত্মক আঘাত লাগে। বিস্ফোরণে ডান পায়ের গোড়ালি উড়ে যায় এবং বাঁ পায়েও গুরুতর জখম হয়েছে।
খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুপুর ১২টার দিকে তাকে উদ্ধার করে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানান তিনি।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন কান্তি রুদ্র জানান, আজ সকালে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের হাউসরদ্বীপে পুঁতে রাখা একটি মাইন বিস্ফোরণে মোহাম্মদ হানিফ নামে এক যুবক আহত হয়েছেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
১৯৮ দিন আগে
মিয়ানমার সীমান্তে গোলাগুলি: টেকনাফে কিশোরী নিহতের খবর সঠিক নয়, চমেকে চিকিৎসাধীন
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এ ঘটনায় ছুটে সীমান্ত পেরিয়ে ছুটে আসা গুলিবিদ্ধ হয়ে বাংলাদেশি এক শিশু নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তবে ওই খবর সঠিক নয়, কিশোরীটি আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আহত মেয়েটির নাম তানজিনা আফরিন (১৩)। সে লম্বাবিল এলাকার জসীমউদ্দীনের মেয়ে। আরাকান আর্মির ছোড়া গুলি মাথায় লেগে সে আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
এ ঘটনায় হোয়াইক্যং লম্বাবিল এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার জন্য আহ্বান জানান।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস জানান, শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক নয়। শিশুটিকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, হোয়াইক্যংয়ে এক কিশোরী আহত হওয়ার খবরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
সীমান্তে চলমান এই ধরনের সহিংসতা স্থানীয়দের জীবন ও নিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে বলে মনে করছে স্থানীয় সচেতন মহল। বিষয়টির দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তারা।
১৯৯ দিন আগে
টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশা খাদে, নিহত ২
কক্সবাজারের টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা খাদে পড়ে অটোরিকশাচালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের আলীখালী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— অটোরিকশার চালক ফারুক (৩০) ও যাত্রী ইমান হোসেন (২৫)। ফারুক হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজারের মো. সেলিমের ছেলে এবং ইমান হোসেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়ার মো. সৈয়দ নুরের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে খাদে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালকসহ দুজন নিহত হন।
টেকনাফের হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নুরুল আবছার জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ট্রাক ও অটোরিকশাটি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
২৩২ দিন আগে
টেকনাফে রোহিঙ্গাদের নৌকাডুবি: নিখোঁজ বিজিবি সদস্যের লাশ উদ্ধার
টেকনাফে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের নিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকা উদ্ধারের সময় সাগরে নিখোঁজ বিজিবি সদস্য সিপাহি মোহাম্মদ বেলালের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৩ মার্চ) লাশটি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিজিবি।
বেলাল টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নাফ নদী থেকে ৪ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার, বিজিবি সদস্য নিখোঁজ
বিজিবির বরাত দিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানান, বেলালের সঙ্গে থাকা একটি রাইফেলস ও চারটি ম্যাগাজিনও নিখোঁজ হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিমে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় রোহিঙ্গাদের বহনকারী একটি ট্রলার ডুবে যায়। এতে ২৪ জন রোহিঙ্গাকে জীবিত উদ্ধার করে বিজিবি। এ সময় নিখোঁজ হন বিজিবি সদস্য বেলাল।
পরে শনিবার সন্ধ্যায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও দমদমিয়াস্থ নাফ নদীর মোহনায় চার রোহিঙ্গার লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। এদের মধ্যে এক শিশু ও তিনজন নারী। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ উদ্ধার করে বিজিবি।
৪৯৩ দিন আগে
টেকনাফে ৬৯টি বোমা ও তৈরির সরঞ্জামসহ আটক ২
কক্সবাজারে ৬৯টি হাতবোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম জব্দসহ দুজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে টেকনাফ উপজেলা হ্নীলা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ফুলের ডেইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন— চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার নবুরকান্দি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মো. সম্রাট প্রধান ও নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার দক্ষিণ গারমোরা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. অন্তর।
আরও পড়ুন: বন্ধুকে হত্যা মামলার প্রায় ১০ বছর পর যুবককে আটকাদেশ
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘হ্নীলা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ফুলের ডেইল এলাকায় পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৬৯টি হাতবোমা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ১ কেজি ৩০০ গ্রাম লালা, ৩১টি জর্দার কৌটা, ২২০ গ্রাম গুনা তার ও ১টি প্লাস জব্দ করা হয়। সেইসঙ্গে দুজনকে আটক করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আটকদের জব্দকৃত বোমা ও সরঞ্জামাদিসহ নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম চলছে। এছাড়া পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং বাড়ির মালিকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
৫২৮ দিন আগে
টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে শিশুর মৃত্যু
কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৫ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া শতাধিক বাড়িঘর পুড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে টেকনাফের নয়াপাড়া মৌচনি ক্যাম্পের জি-ব্লকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
টেকনাফের নয়াপাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ আবদুল হান্নান বলেন, ‘ক্যাম্পে আগুন লাগলে মুহুর্তেই আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে চারপাশ। এ সময় আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ৫ বছর বয়সী এক শিশুর।’
আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিনে আগুনে পুড়ে গেছে ৩ রিসোর্ট
এছাড়া মৃত শিশুর পরিচয় এখনও জানা যায়নি বলেও জানান তিনি।
১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ কাউসার সিকদার বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ও রোহিঙ্গাদের এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে গেছে শতাধিক বাড়িঘর। এছাড়াও আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় এপিবিএন পুলিশ।’
৫৫৯ দিন আগে
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে টেকনাফে ৭ জনকে অপহরণ
মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও কক্সবাজারের টেকনাফে থেকে সাতজনকে অপহরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়ক থেকে দুইটি সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ তাদের অপহরণ করা হয়।
শামলাপুর সিএনজি অটোরিকশার লাইনম্যান আব্দুর রহিম জানান, হোয়াইক্যং থেকে আসা শামলাপুরগামী দুটি সিএনজি (অটোরিকশা) হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কের ঢালা থেকে ডাকাতদলের সদস্যরা সিএনজি চালকসহ আনুমানিক সাতজনকে অপহরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ডাকাতদল সিএনজি (অটোরিকশার) দুটির গ্লাস ভেঙে দেয়। এ ঘটনার খবর পেয়ে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অপহৃতদের নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (পরিদর্শক) শোভন কুমার শাহা বলেন, ‘হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কে দুইটি সিএনজি (অটোরিকশা) থেকে চালকসহ যাত্রী অপহরণের ঘটনা শুনে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপহৃতদের উদ্ধারে চেষ্টা চালাচ্ছি।‘
তিনি বলেন, কতজনকে অপহরণ করা হয়েছে সেটার সঠিক তথ্য এখনও জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে সিএনজি দুইটি উদ্ধার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: টেকনাফে ১৯ বনকর্মী অপহরণ
এর আগে সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে টেকনাফের জাদিমুড়া পাহাড়ে বন বিভাগের কাজ করতে গিয়ে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় শ্রমিকসহ ১৭ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। এখনও তাদেরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
অপহৃতদের কাছ থেকে ১ লাখ করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাদের পরিবার। সকাল থেকে পুলিশ, র্যাব ও বনবিভাগের কর্মীরা হ্নীলার রঙ্গিখালী হয়ে অপহৃতদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে।
৫৭৫ দিন আগে