বিজিবি
লালমনিরহাটে ১২ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বামনদল সীমান্ত দিয়ে নারী, শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) বাধায় তারা ব্যর্থ হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুড়িমারী বামনদল সীমান্তের ৮৩৮/১ নম্বর পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে এ পুশ-ইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, দুই শিশু, দুই নারী ও আট পুরুষকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে বিজিবি অবস্থান নিলে তাদের এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই ১২ জন বর্তমানে সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ গজ ভারতের ভেতরে অবস্থান করছে। তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তিস্তা ব্যাটালিয়নের (৬১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
পতাকা বৈঠক শেষে ১৫ ঘণ্টা পর দুই পুলিশ সদস্যকে ফেরত দিল বিএসএফ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশের পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটক ব্রাহ্মণপাড়া থানার দুই পুলিশ সদস্যকে প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া-নারায়ণপুর সীমান্তের ২০৫৭ নম্বর প্রধান পিলার-সংলগ্ন এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তর করা দুই পুলিশ সদস্য হলেন ব্রাহ্মণপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ইমরান হোসেন ও কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান।
হস্তান্তরের সময় সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) শশীদল বিওপির কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, দেবিদ্বার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শাহিন, ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন এবং শশীদল বিওপির কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ তাকবীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি এলাকার ২০৫৯ নম্বর সীমান্ত পিলার-সংলগ্ন স্থানে মাদক উদ্ধার অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল। এ সময় এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করতে গিয়ে কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন।
পরে স্থানীয় ভারতীয় বাসিন্দারা তাকে আটক করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেন। সহকর্মীকে ছাড়িয়ে আনতে গেলে এএসআই ইমরান হোসেনকেও আটক করা হয়। এরপর থেকে দুই পুলিশ সদস্য বিএসএফের হেফাজতে ছিলেন।
তাদের ফিরিয়ে আনতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলে। অবশেষে আজ শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় আটকের পর শুক্রবার দুপুর দেড়টায় হস্তান্তর পর্যন্ত প্রায় ১৫ ঘণ্টা বিএসএফের হেফাজতে ছিলেন ওই দুই পুলিশ সদস্য।
২ দিন আগে
ময়মনসিংহে বিজিবির গুলিতে ‘চোরাকারবারি’র মৃত্যু
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে অভিযানের সময় বিজিবির গুলিতে নোমান (৩৮) নামের এক সন্দেহভাজন গরু চোরাকারবারি নিহত ও নায়েক রফিক নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে হালুয়াঘাট উপজেলার তেলিখালী বিওপির আওতাধীন জলজলিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নোমান হালুয়াঘাট উপজেলার ১ নম্বর ভুবনকুড়া ইউনিয়নের ঝলজুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নূরুল আজিম বায়জিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি চক্রের গরু চোরাচালানের খবর পেয়ে বিজিবির টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তারা চারটি গরু আটক করে। আটক করা গরু নিয়ে ফেরার পথে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারিরা বিজিবির টহলদলের ওপর হামলা চালিয়ে দুটি গরু ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় বিজিবির সদস্য নায়েক রফিক আহত হন।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরা সতর্কতামূলক ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এ সময় নোমান আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি অধিনায়ক।
এদিকে নোমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সকালে হালুয়াঘাট পৌর শহরে উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয় লোকজন সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন এবং কাঠের গুঁড়ি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র দিয়ে সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করেন। এতে হালুয়াঘাট-ময়মনসিংহ প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ বিষয়ে হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, বর্তমানে হালুয়াঘাটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
৬ দিন আগে
কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি
কুষ্টিয়া সীমান্ত দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) ঠোটারপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিএসএফের ১৪৬ ব্যাটালিয়নের উদয় কিষাণ ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতীয় দুই পুরুষ ও দুই নারীকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালান। সীমান্তের ১৫৩/৯-এস পিলার থেকে আনুমানিক ৫০ গজ ভারতের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় বিজিবির সতর্ক অবস্থান, তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও কার্যকর তৎপরতায় বিএসএফের ওই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে সকাল ৮টার দিকে বিএসএফ চারজনকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।
৭ দিন আগে
চট্টগ্রামে ৮৩ লাখ টাকার অবৈধ সিগারেটসহ আটক ২
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় অভিযান চালিয়ে ৮৩ লাখ ৩ হাজার ৪০০ টাকা মূল্যের অবৈধ সিগারেট, একটি ডাম্প ট্রাকসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ টহল দল বুধবার (৭ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ইকো পার্ক-সংলগ্ন পাকা সড়কে এ অভিযান চালায়।
এ সময় সন্দেহভাজন একটি ডাম্প ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ১৭ হাজার ৯০ প্যাকেট ‘প্যাট্রন’ ও এক হাজার ৮০০ প্যাকেট ‘অরিস’ ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়। পরে মোট ১৮ হাজার ৮৯০ প্যাকেট চোরাই সিগারেট ও সেগুলো পরিবহনে ব্যবহৃত ডাম্প ট্রাকটি জব্দ করা হয়।
এছাড়া অভিযানকালে দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। জব্দ করা সিগারেট ও ডাম্প ট্রাকের আনুমানিক মূল্য ৮৩ লাখ ৩ হাজার ৪০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
জব্দ করা চোরাই সিগারেট, ডাম্প ট্রাকসহ আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের (৪১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী।
তিনি আরও জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক টহল জোরদার করা হয়েছে।
১১ দিন আগে
পঞ্চগড়ে ৭ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ
পঞ্চগড় জেলার মালকাডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে সাতজনকে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত তাদের ভারতে ফিরে যেতে হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নের মালকাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে ফেরত যান তারা। পুশ-ইনের চেষ্টার শিকার সাতজনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন।
নীলফামারী (বিজিবি-৫৬) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে মালকাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় সাতজনকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায়। এ সময় সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পরে তারা সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান নেন।
দিনভর সীমান্ত এলাকায় অবস্থানের পর রাতে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে ওই সাতজন একই সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ পারাপার, পুশ-ইনসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
১১ দিন আগে
জয়পুরহাটে বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধে বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ
জয়পুরহাট সীমান্ত দিয়ে তিন যুবককে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও গ্রামবাসীদের প্রতিরোধের মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি-১৪ পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের কড়িয়া ক্যাম্প ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে সীমান্তের ২৭৬ নম্বর মূল সীমান্ত পিলারের কাছে বিএসএফ সদস্যরা ওই তিন যুবককে এনে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বিষয়টি বুঝতে পেরে সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা দ্রুত টহল জোরদার করেন এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
এ ঘটনার পরপরই কড়িয়া ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে যোগ দেন পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর গ্রামের শতাধিক বাসিন্দা। ২৭৬ নম্বর সীমান্ত সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে সড়কপথে বিজিবি ও গ্রামবাসী সতর্ক অবস্থান নিলে বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টা ভেস্তে যায়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে বিএসএফ সদস্যরা ওই তিন যুবককে নিজেদের সীমানার ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যান।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেলা ১১টায় বিএসএফ-১২৩ ব্যাটালিয়নের দুর্গাপুর ক্যাম্প ও বিজিবি কড়িয়া ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এক ঘণ্টার এ বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেলেনি।
বিজিবির কড়িয়া বিওপির কমান্ডার মহাতাব উদ্দিন জানান, বিএসএফ অন্যায়ভাবে তিন যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের কারণে তারা ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন।
এ ঘটনায় দিন শেষে আবারও পতাকা বৈঠকের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিওপি কমান্ডার।
এদিকে সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা টহল জোরদার করে অত্যন্ত সতর্কবস্থায় রয়েছেন।
১২ দিন আগে
বান্দরবানে ৪ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা জব্দ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চার লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
রবিবার (৪ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার তুমব্রু সীমান্তে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) তুমব্রু বিওপির বিশেষ টহলদল এ অভিযান পরিচালনা করে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, গতকাল (শনিবার) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ টহলদল সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে নয়াপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়।
ভোর সাড়ে ৪টার দিকে টহলদল অত্যাধুনিক থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে কয়েকজন ব্যক্তির সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করে। বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করলে তারা মালামাল ফেলে মিয়ানমারে পালিয়ে যান। ফলে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে বিজিবি টহলদল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে লুঙ্গিতে মোড়ানো তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ব্যাগগুলো তল্লাশি করে মোট চার লাখ ২০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে বিজিবি বলেছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
১৪ দিন আগে
সীমান্তে পিস্তল, গুলি ও ‘আইস’ উদ্ধার
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও ক্রিস্টাল মেথ (আইস) বলে সন্দেহ করা এক কেজি পদার্থ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) আওতাধীন রামখানা বিওপির পূর্ব রামখানা আশকোন নগর এলাকায় এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারত থেকে অস্ত্র ও মাদকের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে বিশেষ টহল পরিচালনা করেন।
টহল চলাকালে পূর্ব রামখানা আশকোন নগর এলাকায় কয়েকজন চোরাকারবারিকে ভারতের দিক থেকে আসতে দেখেন বিজিবি সদস্যরা। এ সময় বিজিবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা হাতের মালামাল ফেলে দৌড়ে ভারতে পালিয়ে যান।
পরে ঘটনাস্থল থেকে পলিথিনে মোড়ানো একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি ও ক্রিস্টাল মেথ (আইস) বলে সন্দেহ করা এক কেজি পদার্থ উদ্ধার করা হয়।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ নাগেশ্বরী থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া উদ্ধার করা পদার্থগুলো ক্রিস্টাল মেথ (আইস) কি না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হচ্ছে।
এ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
১৫ দিন আগে
ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ, বিজিবির মামলা
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নলজুড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মো. বাবলা লিটন (২৮) নামের এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) তামাবিল ক্যাম্পের কমান্ডার মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এ ঘটনায় বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা করেন।
বাবলা লিটনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলার এজাহারে বলা হয়, মঙ্গলবার সকালে সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে বিএসএফ গুলি করলে তা লিটনের হাতে লাগে।
বাবলা লিটন নলজুড়ি এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার সময় তার সঙ্গে আরও সাত থেকে আটজন ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিজিবির মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, সরকারি কাজে বাধা ও বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে সীমান্তের ১২৭৮/৪ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে বাবলা লিটনসহ সাত থেকে আটজন ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। তখন তারা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুড়লে বিএসএফ সদস্যরা চারটি গুলি ছোড়েন। এতে বাবলা লিটন গুলিবিদ্ধ হন।
এজাহারে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও বাবলা লিটনসহ অন্যরা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ করেন। পরে খবর পেয়ে সিলেট বিজিবির তামাবিল ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের লক্ষ্য করেও ইট-পাথর ছোড়া হয়। এতে বিজিবির কয়েকজন সদস্য সামান্য আহত হন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি সদস্যরা পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন এবং অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মোড়ল বলেন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়া হলে সতর্কতামূলকভাবে চার থেকে পাঁচটি গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে