বিজিবি
চার দিন শূন্যরেখায় অবস্থানের পর ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর সীমান্তে পুশইনের শিকার নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে চার দিন পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে প্রাগপুর সীমান্তের ১৪৮/৩-এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির উপঅধিনায়ক নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৬ থেকে ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অপরদিকে, বিএসএফের রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার এসি সুনীল কুমার যাদবের নেতৃত্বে সমসংখ্যক সদস্যের প্রতিনিধি দল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি জানায়, গত শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের শনাক্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বিজিবি। বিষয়টি নিয়ে সেদিন বিকেলে পতাকা বৈঠকের সিদ্ধান্ত হলেও বিএসএফের অসহযোগিতার কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি।
পরদিন শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় দুই বাহিনীর মধ্যে আরেকটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওই বৈঠকেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জনকে সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করতে হয়।
বৈঠকে বিএসএফ দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে পুশইনের অভিযোগ অস্বীকার করে। তারা শূন্যরেখায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বিজিবি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানালে বিএসএফ বিষয়টি তদন্ত করে সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সময় চায়।
পুশইনের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে উজির আলী (৫০), তার স্ত্রী জয়নুর বেগম (৩৫), ছেলে শিহাদ (১৭), ইনজামুল (৮) ও আড়াই বছরের শিশু সামাদসহ কয়েকজনের পরিচয় জানা গেছে। এছাড়া সেখানে রফিকুল গাজীর পরিবারের তিন সদস্য এবং আফরোজা খাতুনের পরিবারের চার সদস্য ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান, মশার উপদ্রব, প্রায় দুই সপ্তাহ গোসলের সুযোগ না পাওয়া এবং তীব্র গরমে পাটখেতে মানবেতর জীবনযাপনের কারণে ১২ জনই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা গেছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, ‘বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ১২ জনকে বিএসএফ নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা নেওয়া হবে।’
৪ দিন আগে
লালমনিরহাট সীমান্তবাসীর হুঁশিয়ারিতে পিছু হটল বিএসএফ
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা রুখে দিল গ্রামবাসী ও বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৬/৮এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ।
বিজিবি লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের মিডিয়া সেল জানায়, উপজেলার আমঝোল সীমান্তের ৯০৬/৮এস পিলার-সংলগ্ন এলাকায় রাত ৯টার দিকে ১০-১২ জনকে বহন করা একটি গাড়ি সীমান্তে দাঁড়ায়। ওই গাড়িতে থাকা লোকদের সীমান্তের কাটাতারের বেড়ার গেট পার করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেন বিএসএফ ৭৮ ব্যাটালিয়নের পাগলীমারী ক্যাম্পের সদস্যরা।
বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিক হুঁশিয়ারি দিয়ে পুশইন রোধে মাইকিং করে গ্রামবাসী ও বিজিবি। কিছুক্ষণ এসব লোকদের শুন্যরেখায় বসিয়ে রাখলে গ্রামবাসী ও বিজিবির কঠোর প্রতিরোধের মুখে পুনরায় তাদের ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ। এ ঘটনায় সীমান্তে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুশইন রোধে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বিজিবি।
বিজিবি ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, যেকোনো ধরনের পুশইন রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সীমান্তে সকল ধরনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে গ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৬ দিন আগে
ভারত থেকে ‘পুশইন’ শঙ্কায় কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা
ভারত থেকে বাংলা ভাষাভাষী লোকজনকে বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করার অভিযোগকে ঘিরে দেশজুড়ে উদ্বেগের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
রবিবার (৮ জুন) কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে লোকজনকে বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কুড়িগ্রাম সীমান্তে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ কৌশলগত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্তের প্রতিটি বিওপি (বর্ডার আউটপোস্ট) থেকে দিনরাত টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে যৌথ টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি পেশাদারিত্বের সঙ্গে মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা গতিবিধি পরিলক্ষিত হলে দ্রুত বিজিবিকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সতর্কতা দেখা গেছে। বিজিবির পক্ষ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি ও জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে অবৈধ প্রবেশ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। এ পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির বাড়তি সতর্কতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
১১ দিন আগে
৪৮ ঘণ্টা পর ঠাকুরগাঁও সীমান্ত থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ
প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটানোর পর গতকাল (রবিবার) গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
সোমবার (৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত ৩টার পর বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী এবং ৪ জন শিশুসহ মোট ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। এর ফলে বর্তমানে তারা আর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় অবস্থান করছেন না।
এর আগে, বিএসএফ গত শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে ওই ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও সতর্ক নজরদারির কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেয় এবং সেখানেই টানা প্রায় ৪৮ ঘণ্টা কাটায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শূন্যরেখায় অবস্থানকালে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। প্রচণ্ড গরম, খোলা আকাশ, খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটের মধ্যে দিন-রাত কাটাতে হয় তাদের। বিশেষ করে তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী এবং কয়েকজন শিশু থাকায় মানবিক সংকট আরও প্রকট হয়ে ওঠে। শিশুদের কান্না, তীব্র রোদ ও রাতের অনিশ্চয়তা নিয়ে সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগ ও আলোচনা সৃষ্টি হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
১১ দিন আগে
বিজিবির প্রতিরোধে দুই জেলার ৪ সীমান্ত পয়েন্ট থেকে ৬১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত ও লালমনিরহাটের তিনটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মোট ৬১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে দুই দিন পর শূন্যরেখার কাছাকাছি থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। এ সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে ২৮ জন এবং লালমনিরহাটের তিনটি সীমান্ত পয়েন্টের শূন্যরেখা থেকে ৩৩ জনকে বিএসএফ সরিয়ে নেয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবি সূত্র।
শনিবার (৬ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত থেকে ২৮ জনকে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম।
তিনি জানান, বর্তমানে সীমান্ত থেকে প্রায় ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করা ওই ২৮ জনের কোনো উপস্থিতি বা চলাচল আর পরিলক্ষিত হচ্ছে না। আমাদের ধারণা, গতকাল (শুক্রবার) রাতের কোনো একসময় বিএসএফ তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তের ২০৩/৬-এস সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেন। এ সময় বাঙ্গাবাড়ি বিওপির বিজিবি টহলদল তাদের বাধা দিলে ওই ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেন।
বিজিবির বাঙ্গাবাড়ি সূত্র জানায়, ওই ২৮ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ জন শিশু ছিল। পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে প্রথমে কোম্পানি কমান্ডার এবং পরে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিবি জানায়, বৈঠকের শুরুতে বিএসএফ পুশইনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ের আলোচনায় ঘটনাটি স্বীকার করে। বৈঠকে বিএসএফ জানায়, বিষয়টি তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে গতকাল সকাল পর্যন্ত এ বিষয়ে বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিজিবিকে জানানো হয়নি।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, বিজিবি সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সীমান্তে আমাদের নজরদারি ও সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রয়েছে।
১৩ দিন আগে
নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির প্রতিরোধ
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৭ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক তৎপরতায় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি তারা।
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) সূত্র জানায়, সাপাহার উপজেলার হাঁপানিয়া সীমান্তের ২৩৮/এমপি সীমান্ত পিলার দিয়ে ভারতের ৮৮ বিএসএফ পান্নাছড়া ক্যাম্পের সদস্যরা ১৭ জনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে হাঁপানিয়া বিওপির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের ভারতীয় শূন্যরেখার অভ্যন্তরে অবস্থানরত অবস্থায় শনাক্ত করে। ওই ১৭ জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ছয়জন নারী ও পাঁচজন শিশু রয়েছে। বর্তমানে তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন ১৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, পুশইনের খবর পাওয়ার পর ওই এলাকায় টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তাদের ভারতীয় ভূখণ্ডে পাঠানোর (পুশব্যাক) কার্যক্রম চলছে।
১৪ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টার পর ২৮ জন এখনও শূন্যরেখায়
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দ্বারা পুশইনের চেষ্টার পর ২৮ জন ব্যক্তি এখনও সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান করছেন। আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত তাদের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি বিএসএফ।
নওগাঁস্থ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, গত বুধবার রাত ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তের ২০৩/৬-এস নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফের ১২ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। এ সময় বাঙ্গাবাড়ি বিওপির বিজিবি টহল দল তাদের বাধা দিলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। এই ২৮ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী এবং ৬ শিশু রয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই সীমান্ত এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে প্রথমে কোম্পানি কমান্ডার এবং পরে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের শুরুতে বিএসএফ পুশইনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকে তারা ঘটনাটি স্বীকার করে।
আজ (শুক্রবার) সকালে নওগাঁ ১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, পতাকা বৈঠকে বিএসএফ জানিয়েছিল বিষয়টি তারা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে। এরপর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত বিজিবিকে জানানো হবে। তবে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিএসএফের পক্ষ থেকে কোনো নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। বর্তমানে ওই ২৮ জন সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।
আরিফুল ইসলাম মাসুম আরও জানান, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণকরা হচ্ছে এবং সীমান্তে নতুন করে কোনো পুশইনের ঘটনা ঠেকাতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
১৪ দিন আগে
লালমনিরহাট সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা
লালমনিরহাট সীমান্তের পৃথক তিনটি পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে জেলার হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও সীমান্তবাসী জানান, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১১ জন, পাটগ্রাম উপজেলার পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় আরও ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ।
খবর পেয়ে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। গ্রামবাসীর সহায়তায় বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি। তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
বিজিবি জানিয়েছে, বর্তমানে পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিজিবির লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞাপ্তিতে জানায়, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
এবার চাঁপাই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় শূন্য রেখায় ২৮ জন
সাতক্ষীরার পর এবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ২৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে বাঙ্গাবড়ি বিজিবির সদস্যরা তাদের বাধা দেওয়ায় তারা সীমান্তের শুন্য রেখায় অবস্থান করছেন।
বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে তাদের ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠানো হয়। তবে বিজিবি সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে তারা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আসতে পারেনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবির ১৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি অধিনায়ক বলেন, পুশইন করা ২৮ জনের মধ্যে ১২ পুরুষ, ১০ নারী ও ৬ শিশু রয়েছে। রাতে বাঙ্গাবাড়ি সীমান্তের ২০৩/৬-আর পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে পাঠান ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা। খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের অবস্থান নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশরোধে অবস্থান নেন। এ অবস্থায় ওই ২৮ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। তাদের পুশব্যাক করা হবে বলে জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, এমন পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে বিএসএফের চৌকিগুলোতে জনবল বাড়ানো হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন। এপারে বিজিবিও টহল জোরদারসহ সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে।
১৫ দিন আগে
বেনাপোল সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিদের সরিয়ে নিল বিএসএফ
বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া খুলে শূন্যরেখায় জড়ো করা ১০ থেকে ১২ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ।
বুধবার (৩ জুন) সকালে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয় বলে জানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি।
এদিকে, শূন্যরেখা থেকে ১০-১২ জনকে সরিয়ে নেওয়ার পর সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির অতিরিক্ত সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। বর্তমানে সীমান্তের ওই এলাকায় স্বাভাবিক টহল কার্যক্রম চলছে।
গত রবিবার (৩১ মে) রাত থেকে সাদিপুর সীমান্ত এলাকায় পুশইনকে কেন্দ্র করে টানা তিন দিন ধরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এ সময় সীমান্তের শূন্যরেখায় ১০-১২ জন নারী-পুরুষ ও শিশু আটকা পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিল।
বিজিবি জানায়, কোনো ধরনের দ্বিপক্ষীয় নিয়ম-নীতি অনুসরণ না করেই বিএসএফ এসব নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। এরপর তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকে পড়ে। সে সময় খোলা আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অবস্থান করায় চরম দুর্ভোগে পড়েন তারা।
আটকে থাকা নারী-পুরুষ ও শিশুরা বাংলাদেশি নাগরিক কিনা, এমন কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র বা তথ্য না পাওয়ায় তাদের গ্রহণ করতে বিজিবি অস্বীকৃতি জানায়। নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে তারা।
এর আগে, গত ৩১ মে রাতে বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তের ওপারে ভারতের হরিদাসপুর এলাকায় তিনটি ট্রাকে করে ১০০ থেকে ১২০ জন মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছিল বিএসএফ। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তের ভারতীয় অংশে সেবারও ১০০ থেকে ১২০ জন মানুষকে রাখা হয়েছিল।
এরপর পুশইনের আশঙ্কায় বেনাপোল সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে বিজিবি। সীমান্তের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, রাতের টহল বৃদ্ধি এবং আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নেয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী শনাক্তকরণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রম জোরদার হওয়ার পর থেকে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তেও। বিশেষ করে ভারতে জন্মগ্রহণকারী ও দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত অনেক মানুষের নাগরিকত্ব নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আজ বুধবার যশোর-৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, গত ৩১ মে থেকে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, আমাদের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে পুশইনের সম্ভাবনা রয়েছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও জনবল বৃদ্ধি করা হয়। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমাদের বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
তিনি বলেন, ৩১ মে রাতে ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া-সংলগ্ন এলাকার সীমান্ত লাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেটি দেখার পর আমাদের আশঙ্কা হয়, ভারত থেকে পুশইনের চেষ্টা হতে পারে। আমরা একপর্যায়ে দেখতে পাই, ১০০ থেকে ১২০ জন মানুষকে তারা গাড়ি থেকে নামিয়েছে। এরপর থেকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল আরও জোরদার করা হয়। এ সময় মাইকিং ও বাঁশি বাজিয়ে বিএসএফকে সতর্ক করা হয়, যেন কোনোভাবে তারা পুশইনের চেষ্টা করতে না পারে।
তিনি আরও বলেন, তারপরও তারা কাঁটাতারের বেড়া খুলে ১০ থেকে ১২ জনকে বের করে দেয়। সেই ১০-১২ জন মানুষ শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে ১০০ থেকে ১৫০ গজ দূরে অবস্থান করে। তাদের আমরা কোনোভাবেই আমাদের সীমান্তে আসতে দেইনি। আজ (বুধবার) সকাল থেকে তাদের আর দেখা যাচ্ছে না। হয়তো বৈরী আবহাওয়ার কারণে তারা ঝোপঝাড়ের মধ্যে অবস্থান করতে পারে।
১৬ দিন আগে