গৃহবধূ
‘কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়’ চুরির অপবাদ দিয়ে গৃহবধূকে মারধর
পটুয়াখালীর দুমকিতে কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চুরির অপবাদ দিয়ে এক গৃহবধূ ও তার স্বামীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগী দম্পতি।
রবিবার (২২ মার্চ) রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।
জিয়াউর রহমান আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের রূপাসিয়া গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চুরির অপবাদ দিয়ে ওই দম্পতিকে মারধর করেন জিয়াউর রহমান, তার বউ ও ছেলেমেয়েরা। এর আগেও মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে ওই গৃহবধূর পরিবারের কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জিয়াউরের একটি অডিও কল রেকর্ড ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে অভিযোগকারী গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব দিতে শোনা যায় জিয়াউর রহমানকে।
ওই গৃহবধূ বলেন, ‘বেশকিছু দিন আগে জিয়াউর রহমান ফোন করে আমাকে কুপ্রস্তাব দেন। আর তার সেই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বর্তমানে একটি মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাকে আর আমার স্বামীকে মারধর করেন।’
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ‘এই জিয়াউর রহমান খারাপ চরিত্রের লোক। বেশকিছু দিন আগে তার খারাপ চরিত্রের কারণে অন্য একটা সংসার ভাঙ্গে। এছাড়া দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে সে। মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে আমাদের মারধর করা হয়েছে। আমার এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাই।’
তবে জিয়াউর রহমানের দাবি, ‘চুরির কারণেই তাদের মারধর করা হয়েছে।’ ভুক্তভোগী গৃহবধূকে কল দিয়ে কুপ্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওটা তো প্রায় ছয় মাস আগের কথা। ওরা খারাপ বলেই এখন সেই রেকর্ড ভাইরাল করছে।’
পটুয়াখালী জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মশিউর রহমান মিলন বলেন, ‘ব্যক্তির কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। তাই এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘চুরির অপবাদ দিয়ে নাকি মারধর করা হয়েছে এবং সে বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তবে ওই গৃহবধূকে কুপ্রস্তাবের বিষয়ে কিছু জানা নেই।
ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দিলে তা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
২৪ দিন আগে
তিন মাসের শিশুকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শিশু মাসের সন্তানকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী দাবি করা ওই নারীর স্বামী।
বুধবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার জালকুড়ি উত্তরপাড়া পানি ট্যাংক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে ওই নারীর পরিবারের সদস্যরা। এরপর গতরাতে (বৃহস্পতিবার) তার স্বামী সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন— জালকুড়ি উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা আরিফ (৩২), ডালিম (৩৫) ও তাদের সহযোগী হিসেবে দেওয়া হয়েছে বেলাল (৩৫) নামের এক ব্যক্তির নাম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগীরা যে বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন, অভিযুক্ত আরিফ ও ডালিমও একই বাসার ভাড়াটিয়া। উভয়পক্ষ এক বাড়িতে থাকার সুবাদে অভিযুক্তদের সঙ্গে বাদীর পরিচয় রয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ, ৩ আসামি কারাগারে
বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আরিফ ইফতার সামগ্রী দিতে বাদীর ঘরের দরজায় টোকা দেন। সে সময় তার স্ত্রী দরজা খুলে ইফতার সামগ্রী নিয়ে দরজা লাগিয়ে দেন। ইফতারের পর ফের দরজায় টোকা পড়লে ওই গৃহবধূ আবারও দরজা খোলেন এবং ভুক্তভোগীর তিন মাসের সন্তানকে কোলে নেওয়ার বাহানায় ঘরে ঢুকে দ্রুত দরজা বন্ধ করে দেন আরিফ। এ সময় ফাঁকা ঘরে ওই নারীকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। পরে গৃহবধূ চিৎকার দিতে শুরু করলে অভিযুক্ত শিশুটিকে ছিনিয়ে নিয়ে তার ঘরে চলে যান। এরপর সন্তানকে সুস্থ ফেরত পেতে হলে ওই গৃহবধূকে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়াতে হবে বলে জানান।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে তিনি তার স্বামীকে ফোন করে ঘটনাটি জানান। পরে তার স্বামী দ্রুত এক সহকর্মীকে নিয়ে বাসায় আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফের ঘর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এরপর অভিযুক্ত আরিফ, ডালিম ও বেলালসহ আরও ১০-১২ জন তাদের ফোন করে ডেকে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করতে নানা ধরনের হুমকি দেন।
এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানান।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’
৩৩ দিন আগে
মাগুরায় রান্না করতে গিয়ে আগুনে প্রাণ গেল গৃহবধূর
মাগুরা সদর উপজেলায় রান্না করতে গিয়ে আগুনে পুড়ে ছকিনা বেগম নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মঘি ইউনিয়নের ছয়চার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছকিনা বেগম ছয়চার গ্রামের ছালাহ উদ্দীনের স্ত্রী।
আরও পড়ুন: টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে শিশুর মৃত্যু
স্থানীয়রা জানান, ছকিনা রান্নাঘরে রান্না করতে যান। এ সময় তিনি অসাবধানবসত জলন্ত চুলার মধ্যে পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাগুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী রাসেল বলেন, ‘এ ব্যাপারে মাগুরা থানায় মামলা হয়েছে।’
৬১ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় শিলা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর রেললাইনে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (২১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মুন্সিগঞ্জ রেল স্টেশনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিলা খাতুন (২২) উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের রোয়াকুলি গ্রামের রাসেলের স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী ছিলেন।
মুন্সিগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সুবল কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে ১৬ মামলার আসামি লিজন মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা
পরিবারের বরাত দিয়ে এসআই বলেন, ‘রাতে শিলা খাতুনের শশুর বাড়িতে কোনো বিষয়ে নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় বলে জানা গেছে। এরপর ভোর ৫টার পর থেকে শিলা খাতুনকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে রেললাইনের ওপর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। তার শরীরে ধারাল অস্ত্রের আঘাতের জখম রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ রেললাইনে ফেলে রাখা হয়।
এসআই জানান, ঘটনাস্থল রেল পুলিশের অধীনে হাইওয়ে রেলওয়ের পুলিশকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে। রেল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করবে।
আরও পড়ুন: পঞ্চগড়ে মা ও দুই ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা
১৭৮ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ও ভাসুর আটক
লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে ফাতেমা বেগম নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রাজু ও ভাসুর বাবলুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদনগর গ্রামের একটি পুকুরে ফাতেমার লাশ ভাসতে দেখা যায়।
ফাতেমা মোহাম্মদনগর গ্রামের মৃত সাইফুল্লাহ মওলানার মেয়ে। তাদের সংসারে রুবি নামে চার বছরের এক মেয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন: সিলেটে চোরাই চিনির ট্রাক ছিনতাইকালে বিএনপির দুই নেতা আটক
অভিযুক্ত রাজু ও বাবলু একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজের বাড়ির মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে। রাজু পেশায় সিএনজি অটোরিকশা চালক। তার আরও এক স্ত্রী রয়েছে। ফাতেমা তার প্রথম স্ত্রী।
স্বজনদের অভিযোগ, ৫ বছর আগে ফাতেমার সঙ্গে রাজুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করত। এতে পরিবারের পক্ষ থেকে জমি বিক্রি করে রাজুকে বিদেশে পাঠানো হয়। তবে এক মাসের মাথায় দেশে ফিরে এসে রাজু আবার নির্যাতন শুরু করে। কয়েক মাস আগে রাজু অন্য জায়গায় বিয়ে করায় অশান্তি আরও বেড়ে যায়।
যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেই ফাতেমাকে হত্যা করা হয়ছে বলে স্বজনরা অভিযোগ করেন।
তারা আরও জানান, সোমবার ভোরে ঘরের পাশের একটি পুকুরে ফাতেমার লাশ পাওয়া যায়। তার স্বামীই হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। ফাতেমার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তার স্বামী রাজুকে ও ভাসুর বাবলুকে বেঁধে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকজন। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে পুলিশ।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কায়সার হামিদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: কসবা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় সাবেক স্পিকারের যুগ্ম সচিব আটক
১৮৪ দিন আগে
সাতক্ষীরায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামীসহ আটক ৭
সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কমলা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বামীসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: পলাশবাড়ীতে অটোভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা
নিহত কমলা খাতুন (৫২) দরগাহপুর গ্রামের মোবারক গাজীর স্ত্রী।
নিহত ওই নারীর স্বামী মোবারক আলী বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে কমলা খাতুনের সঙ্গে তিনি এক ঘরে থাকতেন না। শুক্রবার তিনি কমলার ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে অল্প দূরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কমলার গলাকাটা লাশ দেখতে পান।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কমলা খাতুনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কমলা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: রুপ হত্যা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কারাগারে
১৮৭ দিন আগে
লালমনিরহাটে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে আরফিনা বেগম নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মদাতী ইউনিয়নের কিসমত এলাকার নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আরফিনা বেগম (২৩) ওই এলাকার সম্রাট মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাতে স্বামী সম্রাট মিয়ার সঙ্গে স্ত্রী আরফিনা বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে হাতাহাতি হলে আরফিনা বেগম অন্য ঘরে চলে যান। সকালে তার স্বামী বাহিরে চলে গেলে পরিবারের লোকজন আরফিনা বেগমকে ডাকাডাকি করেন। পরে ঘরে ঢুকে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীকে খবর দেন।
আরও পড়ুন: রাজধানীর খিলগাঁওয়ে জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
দুপুরে গলায় ফাঁস দেওয়া লাশটি উদ্ধার করে লালমনিরহাট মর্গে পাঠায় পুলিশ। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে আরফিনার স্বামী সম্রাট মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লাশটি লালমনিরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
আরও পড়ুন: বরিশালে ভূমি কর্মকর্তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
১৮৯ দিন আগে
মানিকগঞ্জে শ্বশুরবাড়ি থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী আটক
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়ন থেকে স্মৃতি সরকার (২০) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী সঞ্জিত সাহা ও তার মা নিয়তি সাহাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে যাত্রাপুর গ্রামের দর্জিপাড়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
সঞ্জিত ব্যাটারিচালিত রিকশা চালান। এই দম্পতির দুই বছরের ছেলে আছে।
স্বজনদের দাবি, গৃহবধূ স্মৃতি সরকারকে হত্যা করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, বাচ্চাদের নিয়ে ওই বাড়িতে দুই ছেলের স্ত্রীদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। মাসখানেক আগে ঝগড়া করে বাপের বাড়িও কয়েক মাস থেকে এসেছেন স্মৃতি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ছেলে কান্না শুরু করলে শাশুড়ি ডাকতে গিয়ে দেখেন স্মৃতি মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্মৃতির খালাতো ভাই সুদেপ সাহা বলেন, তার বোনের শরীরে মারধরের আঘাত রয়েছে। বোনকে তার স্বামী সঞ্জিত হত্যা করেছে বলে দাবি তার।
স্মৃতির মা রানী দাস বলেন, ‘আমার মেয়েকে মাঝেমধ্যে মারধর করত সঞ্জিত। ওরে মাইরা ফালাইছে।’
স্মৃতির শাশুড়ি নিয়োতি সাহা বলেন, ‘কোনো কাইজা (ঝগড়া) হয় নাই।’
শরীরে আঘাতের বিষয়ে জানতে তিনি চাইলে বলেন, ‘তা তো জানি না।’
স্মৃতির স্বামী সঞ্জিত বলেন, বিকাল ৪টার দিকে রিকশা নিয়ে বের হয়েছিলাম। ৫টার দিকে বাড়ি এসে দেখি স্ত্রী মারা গেছে।
হরিরামপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) (তদন্ত) মজিবুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
স্মৃতির নাকের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সঞ্জিত ও তার মাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: হাতিরঝিলে লেক থেকে গাজী টিভির নিউজরুম এডিটরের লাশ উদ্ধার
নেই দাফনের সুযোগ, লাশ ভাসিয়ে দিতে হচ্ছে কলা গাছের ভেলায়
২২৯ দিন আগে
অভয়নগরে সাপের কামড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর
যশোরের অভয়নগরে সাপের কামড়ে আসমা বেগম নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১০ জুন) রাতে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের মালাধরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: সাপের কামড় খেয়ে সাপ নিয়ে হাসপাতালে কৃষক
মৃত আসমা বেগম উপজেলার মালাধরা গ্রামের সাইদুল ইসলামের স্ত্রী।
সাইদুল ইসলামের ভাতিজা হাবিবুর রহমান বলেন, সোমবার রাত ৮টার দিকে চাচি শোয়ার ঘরে বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালাতে গেলে তার ডান পায়ে কামড় দেয় সাপ।
এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক অথৈ সাহা বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসমা বেগমেকে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আকিকুল ইসলাম বলেন, এঘটনায় থানায় একটি অপমুত্যুর মামলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিরামপুর থেকে তিন কোটি টাকার সাপের বিষ জব্দ
যশোরে সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
৩০৯ দিন আগে
সোনারগাঁওয়ে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামীসহ আটক ২
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের ভট্টপুর এলাকায় সালমা বেগম নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (২৪ মে) সকালে এলাকার পার্শবর্তী পুকুরে ভাসমান অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর ভাই রিপন খান বাদী হয়ে শুক্রবার দুপুরে সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ নিহতের স্বামী রূপচান ও তার ভাই সুলতানকে আটক করে।
আরও পড়ুন: প্রবাসীর কাছ থেকে ১৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই, এসআইসহ আটক ২
নিহতের বড় ভাই রিপন খান বলেন, তার বোনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে রূপচান। হত্যার পর লাশ পুকুরে ফেলে দিয়ে পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বোন সাঁতার জানত। কীভাবে পানিতে ডুবে মারা যাবে?’
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ২০২২ সালে মেঘনা গ্রুপে চাকরির সুবাদে অন্য এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন রূপচান। ওই মেয়েকে বিয়ে করার জন্য তিনি বহুবার চেষ্টা করে। কিন্তু বিষয়টি তার স্ত্রী সালমা জানার পর থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে কোনো এক সময় সালমা বেগমকে তার স্বামী রূপচান শ্বাসরোধ করে হত্যার পর পুকুরে তার লাশ ফেলে দেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তিনি পানিতে ডুবে মারা গেছেন বলে এলাকায় প্রচার করার চেষ্টা করেন অভিযুক্তরা। শুক্রবার সকালে পুলিশ নিহত ওই গৃহবধূর লাশ পুকুর থেকে উদ্ধার করে।
সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী রূপচান ও তার ভাই সুলতানকে আটক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে র্যাবের অভিযানে ‘এ্যাম্পল’ জব্দ, আটক ২
সাতক্ষীরায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ২০ বাড়ি ভাঙচুর, আটক ১৩
৩২৭ দিন আগে