ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশি বৈঠকে হামলায় বিএনপি নেতা নিহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার সালিশে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি সুলতানপুর ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্থানীয় লোকজন ও নিহতের পরিবার জানায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। গতকাল (সোমবার) বিকেলে এই বিরোধ মীমাংসার জন্য এলাকায় এক সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীরসহ ৫-৬ জন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রকিব উর রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৩ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৪, আহত ২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে উল্টে চারজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন।
সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বৈশামুড়া নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের আরশ আলী (৬৫) ও তার নাতি আলিফ মিয়া (৭), হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌসুমী দাস (৩০) এবং জেলার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের সেতু মজুমদারের ছেলে তনয় কুমার মজুমদার।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মাধবপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা বাসস্ট্যান্ড এলাকার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বাসটি একটি মালবাহী ট্রাককে অতিক্রম করার সময় অতিরিক্ত গতি থাকায় বৈশামুড়া এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসে থাকা ৪ জন যাত্রী নিহত হন। এছাড়াও কমপক্ষে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরপর ফায়ার সার্ভিসের সরাইল ইউনিট ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে খবর পেয়ে নিহতদের স্বজনরা মরদেহ নিজ জিম্মায় বাড়িতে নিয়ে যান।
সড়ক দুর্ঘটনার পর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে সেখানে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছিল। পরে দুপুর ২টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান দূর্ঘটনার হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর বাসচালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান। খাদে পড়া বাসটি উদ্ধারে প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
১১ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকান উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের নাটাই-অষ্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।
শনিবার (৬ জুন) সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষ চলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির পুকুরপাড়ে শিরু মিয়ার একটি চায়ের দোকান রয়েছে। দোকানে নিয়মিত টেলিভিশন চালানোর কারণে সারা দিনই দোকান ও এর পাশের পুকুরপাড়ে মানুষের ভিড় থাকে। দোকানের পাশ দিয়ে চলাচলকারী গ্রামের নারী ও মেয়েদের উদ্দেশ্য করে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন অপ্রীতিকর মন্তব্য করা হয়। এ নিয়ে চায়ের দোকানটি তুলে দেওয়ার আলোচনা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে।
পাশাপাশি গ্রামের মিন্দান আলীর বাড়ির মো. জোবায়েরের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামের মইধ্যের বাড়ি হাজী মো. জয়নাল আবেদীনের পক্ষের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এসব বিরোধের সঙ্গে চায়ের দোকান উচ্ছেদের প্রসঙ্গটি নতুন করে যুক্ত হয়। মিন্দান আলী বাড়ির লোকজন গ্রামের ওই চায়ের দোকান উচ্ছেদের পক্ষে রয়েছেন।
সম্প্রতি গ্রামের একটি সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জয়নাল আবেদীনের পক্ষের লোকজন ওই সিদ্ধান্তের বিপক্ষে অবস্থান নেন। এসব বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল (শনিবার) সকালে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি থেকে উভয়পক্ষের লোকজন রামদা, বল্লম, টেঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের দোকানপাট ও বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। একপর্যায়ে গ্রামের ভেতর থেকে নাটাই-অষ্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যা চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। পরে দুপুর একটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইয়াকুব আলী ভূইয়া বলেন, গ্রামে জারু মিয়ার চায়ের দোকান উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। কয়েকদিন আগে এক সালিশে দোকান উচ্ছেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলেও একটি পক্ষ তা মানেনি। এসব নিয়ে তারা প্রস্তুতি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
১২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ নিহত ৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে জেলা সদরের রামরাইলে ও কসবা উপজেলার বাড়িউড়া বাজার এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে।
আজ (শুক্রবার) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশ্বর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন— জেলার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের কাউসার মিয়ার স্ত্রী জোসনা বেগম (৪০), তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫) ও অটোরিকশার চালক মাহবুব (৪৫)।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সরাইল-বিশ্বরোড যাচ্ছিলেন কাউসার মিয়া। তারা কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের বিয়াল্লিশ্বর এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে একটি মাছভর্তি পিকআপভ্যান অটোরিকশাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হন অটোরিকশার চালক মাহবুব (৪৫), অটোরিকশাযাত্রী জোসনা বেগম (৪০) ও তার শিশুপুত্র আশরাফুল (৫), জোসনার স্বামী কাউসার (৫০) ও তার মেয়ে আদিবা (৪)।
পরে তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চালক মাহবুব, জোসনা ও তার শিশুপুত্র আশরাফুলের মৃত্যু হয়।
আহত অন্যদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক পিকআপ ভ্যানচালক ও সহযোগী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।
এদিকে, সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জেলার সরাইলে প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অটোরিকশার যাত্রী মো. অলি মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
উপজেলার বাড়িউড়া বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত অলি মিয়া সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বরইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের হাজ্বী মোহাম্মদ ইদন মিয়ার ছেলে।
১৪ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কেনাবেচা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে মাদক কেনাবেচায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রায়হান (১৫) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন।
শুক্রবার (৩০ মে ) গভীর রাতে উপজেলার সৈয়দটুলা উত্তরপাড়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহত রায়হান উত্তরপাড়া এলাকার ছুটুন মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উত্তরপাড়া এলাকার সজীব মিয়া স্থানীয় এক যুবককে ইয়াবা কিনে আনার জন্য ৩০০ টাকা দেন। তবে ওই যুবক ইয়াবা না কিনে সেই টাকা দিয়ে বিস্কুট কিনে খেয়ে ফেলেন। এ নিয়ে সজীব মিয়া ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করা স্থানীয় যুবক কামাল, জসিম, দেওয়ান উদ্দিনসহ কয়েকজন সজীব মিয়ার কাছে মাদক কেনাবেচার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় সজীব মিয়ার পক্ষ থাকা এলাকার শাহীন ও রতন মিয়া নামে আরও দুই যুবক ক্ষিপ্ত হন । এ নিয়ে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা আরও জানান, রাতের আঁধারে গ্রামে টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। এতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন রায়হান। পরে তাকে উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভুঁইয়া বলেন, ‘মাদক সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে রায়হান নামে একজন মারা যান। তার মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
২০ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুজন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— গোপীনাথপুর ইউনিয়নেন ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে মোরছালিন। তিনি গোপীনাথপুর শাহআলম ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অপরজন মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেন (৪০)।
মরদেহ দুটি আগরতলার বিজিবি হাসপাতালে রয়েছে বলে নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
একই ঘটনায় বাংলাদেশি একাধিক তরুণ আহত হন। তবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চিকিৎসার জন্য তাদের কুমিল্লায় নেওয়া হয়েছে।
নিহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন চোরাকারবারী রাতে মোরছালিনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে নিয়ে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ কয়েকজন ওই সীমান্ত এলাকায় যান। এ সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি করলে ঘটনাস্থলে মোরছালিন নিহত হন। পরে তার মরদেহ ভারতে নিয়ে যায় বিএসএফ। আহত নবীর হোসেনকেও ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সবুর জানান, সীমান্তে গুলিতে দুজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েছেন। এর মধ্যে নবীর হোসেনের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছে।
নবীর হোসেনের ছেলে মো. তপন জানান, তার বাবা সন্ধ্যা থেকেই বাড়িতে ছিলেন না। তিনি সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার পর বিএসএফ গুলি করে তাকে নিয়ে যায়। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
ধজনগর গ্রামের রিপন পাঠান বলেন, ‘আমি যতটকু জানি, রাতে ২০-২৫ জনের একটি দল কাটাতারের সামনে যায়। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে বিএসএফ গুলি করলে মোরছালিন গুলিবিদ্ধ হয়। বাকিরা আহত হয়ে পালিয়ে যায়। মোরছালিন এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে তার বড় ভাই আমাকে জানিয়েছেন।'
এ বিষয়ে চণ্ডিদ্বার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মুইনুদ্দিন জানান, আমরা একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম জানান, বিএসএফের গুলিতে একজন মারা যাওয়ার খবর আমরা পেয়েছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
৪১ দিন আগে
কালবৈশাখী ও বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ভারী বর্ষণ ও বজ্রপাতের মধ্যেই ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বৃষ্টিতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পরিষদ মার্কেট, রেল স্টেশন রোড, কাজীপাড়া ও সরকার পাড়াসহ বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশেও একই চিত্র দেখা যায়। জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীদের ভিজে কষ্ট করে কেন্দ্রে পৌঁছাতে দেখা গেছে।
এদিকে, কালবৈশাখীর সঙ্গে দফায় দফায় বজ্রপাত পরিস্থিতিকে আরও আতঙ্কজনক করে তুলছে। অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন। অনেক পরীক্ষার্থী জানান, সকালে প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছানো নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পাশাপাশি রিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের সংকট তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কাউসজর আহমেদ জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য ইতোমধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, পৌরসভার শ্রমিকরা বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি দ্রুত সরিয়ে নিতে ড্রেন পরিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন।
টানা বৃষ্টির কারণে সাময়িকভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পৌর কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন সমস্যা কমাতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নেও পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, প্রতি বর্ষা মৌসুমেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় এমন জলাবদ্ধতা নতুন নয়। দ্রুত কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও টেকসই অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে একই ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে।
৫২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিকাশে টাকা লেনদেন নিয়ে সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ৩০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিকাশে টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জের ধরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে উপজেলার নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়ার সঙ্গে পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকাবাসীর এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, ২-৩ সপ্তাহ আগে নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার বোরহান মিয়া পূর্ব পাড়া এলাকার শিহাবের দোকানে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে যান। কিন্তু বিকাশে টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় বোরহান মিয়া অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকেন। এ সময় উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। তবে এ নিয়ে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল তাদের মধ্যে।
গতকাল (রবিবার) বিকেলে শিহাব দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার রায়হান, ইয়াসিনসহ আরও কিছু বন্ধুদের নিয়ে পশ্চিমপাড়া এলাকায় ঘুরতে যান। এ সময় স্থানীয় একটি মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে তর্কে জড়ান শিহাব ও বোরহান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বোরহান তার লোকজনদের নিয়ে শিহাব ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা ও মারধর করেন। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর সন্ধ্যায় পশ্চিম পাড়া এলাকাবাসীর সঙ্গে পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ সময় রাতের আঁধারে টর্চের আলো জ্বালিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে ইট পাটকেল নিক্ষেপ আর পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় পুরো এলাকা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
৫৩ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্যুতের অভিযোগকেন্দ্রে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে অজ্ঞাত কয়েকজন বিদ্যুৎ গ্রাহকের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাতে শহরের দাতিয়ারায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগ-১-এর অভিযোগকেন্দ্রে কয়েকজন এসে হামলা চালিয়ে কাঁচের দরজা ভাঙচুর করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিযোগকেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মচারী খলিলুর রহমান। তিনি জানান, রাত সাড়ে ১২টার পরপর এ ঘটনা ঘটে। সে সময় তিনি ছাড়া অভিযোগকেন্দ্রে আর কেউ ছিলেন না। কর্মচারীরা ৩ জায়গায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ ঠিক করার কাজে গিয়েছিলেন। তখনই ৩/৪ জন লোক এসে দরজাটি ভেঙে চলে যান। খবর পেয়ে আজ (বুধবার) দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
বিতরণ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী লতিফুর রহমান জানান, তারা ঘটনাটি মৌখিকভাবে থানার উপপরিদর্শককে (এসপি) জানিয়েছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে চাহিদার এক ভাগ বিদ্যুৎও সরবরাহ নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। আজ দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের-১ এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৩০ মেগাওয়াট। তবে এর বিপরীতে ওই এলাকায় সরবরাহ ছিল ১১ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার ৩ ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎত মিলছে না ওই এলাকায়।
এই বিতরণ বিভাগের অধীন এলাকায় ৮টি ১১ কেভি লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়। এর মধ্যে গড়ে ৫টি লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা।
তীব্র গরমের মধ্যে ব্যাপক লোডশেডিং হওয়ার কারণেই ক্ষুব্ধ হয়ে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কেউ কেউ এ কাজ করে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
৫৮ দিন আগে
অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গিয়ে বালু ব্যবসায়ীদের ছোড়া ছররা গুলিতে চারজন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— ওই গ্রামের আলিম মিয়া, নূরু মিয়া, সফর মিয়া ও নুরুল মিয়া।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নবীনগরের মেঘনা নদীতে সামিউল ট্রেডার্স ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন করছে। কিন্তু বালু উত্তোলনকারীরা অবৈধভাবে নির্দিষ্ট সীমা ছেড়ে চরলাপাং গ্রামে এসে বালু উত্তোলন করে থাকে। এতে ওই গ্রামের কৃষি জমিসহ আশপাশের এলাকা ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে।
আজ (রবিবার) সকালে চরলাপাং গ্রামে বালু উত্তোলন করার সময় স্থানীয়রা বাধা দেন। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় পার্শ্ববর্তী রায়পুরা উপজেলার মির্জাচর এলাকা থেকে স্পিডবোট ও নৌকায় করে আসা একদল ‘বালু সন্ত্রাসী’ এলোপাতাড়ি ছররা গুলি ছোড়ে। এতে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া গ্রামবাসীর ওপর গুলির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
১১৭ দিন আগে