সাবেক মন্ত্রী
সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ৮৩ বছর বয়সী এই রাজনীতিক নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তার বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সুমু মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের ৭ বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ একমাস তিনি অসুস্থ অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাকে এইচডিইউসহ কয়েক দফায় আইসিইউতে রাখা হয়। তিনি নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) বাদ আসর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম শহরে কোনো জানাজা অনুষ্ঠিত হবে না। ঢাকায় একটি জানাজা হবে, তবে সেটির স্থান ও সময় এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মোশাররফ হোসেনকে অক্টোবর মাসে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারের হাসপাতাল থেকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তখন তার কারামুক্তি এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত জামিন চেয়ে তার স্ত্রী আয়েশা সুলতানা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে তিন-চার দফায় লিখিত আবেদন করেছিলেন। তবুও তার জামিন হচ্ছিল না। সর্বশেষ আইসিইউতে থাকাকালীন তার জামিন হয়। এরপর থেকেই তিনি মারত্মক অসুস্থ ছিলেন।
এরপর গত মাসে তার ছোট ভাইয়ের মৃত্যুতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এর তিন দিন পর থেকে তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে ৭ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। পরে ১৯৬৬ সালে লাহোরের ইঞ্জিনিয়ারিং ও কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
ছাত্রজীবনেই তিনি ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দেশে ফিরে এম এ আজিজের হাত ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
১৯৭০ সালে প্রথমবার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন তিনি।
মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি ১ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরুর দিকে পাকিস্তানি বাহিনীর অগ্রযাত্রা ঠেকাতে শুভপুর সেতু উড়িয়ে দেওয়ার অভিযানে তিনি নেতৃত্ব দেন। পরে বিভিন্ন গেরিলা অভিযানে অংশ নেন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালেও তিনি গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
দলীয় রাজনীতিতে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তার পিতা এস রহমান ছিলেন তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি ‘ওরিয়েন্ট বিল্ডার্স করপোরেশন’ এবং কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী ‘হোটেল সায়মন’ প্রতিষ্ঠা করেন।
১ দিন আগে
ডাক্তার দেখাতে সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি কারাগার থেকে হাসপাতালে
গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে তাকে নিউরোলজির চিকিৎসক দেখাতে আনা হয়। চিকিৎসককে দেখানো শেষে পুনরায় তাকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
কাশিমপুর মহিলা কারাগারের জেল সুপার কাওয়ালীন নাহার জানান, জেল হাসপাতালের চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক দেখাতে নেওয়া হয়েছিল।
গত বছরের ১৯ আগস্ট রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে ডা. দীপু মনিকে আটক করে ঢাকা মেট্রোপলিটনের ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের অনেকগুলো মামলা রয়েছে।
২৬৮ দিন আগে
সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, শাজাহান খানসহ পাঁচজন ৫ দিনের রিমান্ডে
সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, শাজাহান খান, শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ পাঁচ জনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
পল্টন থানায় করা রমজান মিয়া জীবন হত্যা মামলায় সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তাজুল ইসলামকে এবং মোহাম্মদপুর থানার হত্যা মামলায় কুষ্টিয়া-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আ. কা. ম. সরওয়ার জাহান (বাদশা) কে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
সোমবার (২৩ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন, ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এবং চট্টগ্রাম বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সোহাইল।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে সাজেদুর রহমান ওমর নিহতের মামলায় আনিসুল হক, শাজাহান খান এবং সালমান এফ রহমানের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এদিকে একই থানার এলাকায় রিটন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি নিহতের মামলায় ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনুকে এক দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।
তবে যাত্রাবাড়ী থানায় করা রাসেল হত্যা মামলায় তার রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।
পল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে গণঅধিকার পরিষদের কর্মী বদরুল ইসলাম সায়মনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবসরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সোহাইলের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার মমেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম সোমবার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আনিসুল হক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমানের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন পিবিআইর এসআই আমিরুল ইসলাম মীর।
মনিরুল ইমলাম মনুর দুই মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্ত সংস্থা পিবিআই।
আরও পড়ুন: ফের রিমান্ডে সাবেক মন্ত্রী আনিসুল-মোশাররফ
সোহাইলের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই বিমান তরফদার।
পল্টন থানায় করা রমজান মিয়া জীবন হত্যা মামলায় সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তাজুল ইসলামকে এবং মোহাম্মদপুর থানার হত্যা মামলায় কুষ্টিয়া-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আ. কা. ম. সরওয়ার জাহানকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন।
এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের রিমান্ড এবং গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
সাজেদুর রহমান ওমর হত্যা মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার কাজলা ফুটওভার ব্রিজের নিচে ছাত্র-জনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন সাজেদুর রহমান ওমর।
বিকালে আসামিদের আক্রমণে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ আগস্ট মারা যান তিনি।
এ ঘটনায় ৩ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় সৈয়দ তানভীর আহমেদ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮১ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
বদরুল ইসলাম সায়মনকে হত্যাচেষ্টার মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর শেখ হাসিনা সরকারের গুম, খুন, নিপীড়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এতে দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিএনপি ও গণ অধিকার পরিষদসহ অন্যান্য সমমনা রাজনৈতিক দল মহাসমাবেশের ডাক দেয়। ভুক্তভোগী গণঅধিকার পরিষদের কর্মী বদরুল ইসলাম সায়মনও সমাবেশে অংশ নেন।
শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আসামিরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় আসামিদের ছোঁড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে সায়মন গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন তিনি।
এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানা হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হন রিটন উদ্দিন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একই দিন সকাল ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী ফুটওভার ব্রিজের নিচে গুলিবিদ্ধ হন রাসেল। পরে তিনি মারা যান।
৩২৫ দিন আগে
ফের রিমান্ডে সাবেক মন্ত্রী আনিসুল-মোশাররফ
রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টন মডেল থানার পৃথক দুই মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ পিপলস পার্টির (বিপিপি) চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারীর রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত।
বুধবার (১৮ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম মিজবাহ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে, আজ (বুধবার) তাদের আদালতে হাজির করা হয়। তারপর ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনিরকে হত্যার অভিযোগে শাহবাগ থানায় হওয়া মামলায় আনিসুলকে গ্রেপ্তারসহ ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করা হয়।
এ ছাড়া গণঅধিকার পরিষদের কর্মী বদরুল ইসলাম সায়মনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মোশাররফ হোসেন ও বাবুল সরদার চাখারীর ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন পুলিশের উপপরিদর্শক বিমান তরফদার।
এরপর শুনানি শেষে আদালত আনিসুলের পাঁচ দিনের ও অপর দুজনের প্রত্যেককে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আরও পড়ুন: অর্থপাচারে সাবেক ভূমিমন্ত্রীকে সহায়তা, তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
মনির হত্যা মামলার অভিযোগসূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। ওই দিন দুপুরে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত তিনি। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী গত ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।
অন্যদিকে, সায়মন হত্যাচেষ্টা মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের গুম, খুন, নিপীড়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে সমাবেশ আয়োজন করা হয়। দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদসহ অন্যান্য সমমনা রাজনৈতিক দল এই মহাসমাবেশের ডাক দেয়।
সমাবেশে ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মনও অংশ নেন। তবে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আসামিরা অতর্কিতভাবে হামলা করে। এ সময় আসামিদের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে বাদী গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় গত ২৯ এপ্রিল ভুক্তভোগী বদরুল ইসলাম সায়মন বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে শেখ হাসিনাসহ ২৪৫ জনকে আসামি করা হয়।
৩৩০ দিন আগে
কারাগার থেকে হাসপাতালে সাবেক মন্ত্রী ইমরান
সাবেক প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ মে) সকাল ১০টার দিকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসমানী হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহকারী উপপরিদর্শক আলাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদকে হাসাতালে নিয়ে আসা হয়। তাকে পুলিশি নিরাপত্তায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: শ্বশুরকে হত্যার দায়ে জামাই ও তার ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
গত বছরের ২১ অক্টোবর রাতে ঢাকার বনানী থেকে সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে সিলেটের একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন তিনটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি সিলেট কারাগারে ছিলেন।
৩৬৫ দিন আগে
পাপনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
বিসিবির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন এবং তার পরিবারের আরও ৫ সদস্যের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১৬ মার্চ) দুদকের উপ-পরিচালক সাইদুজ্জামানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
এতে পাপন, তার স্ত্রী রোকসানা হাসান, মেয়ে সুনেয়া রহমান ও রুশমিলা রহমান, ছেলে রাফসান হাসান এবং মেয়ে জামাই রাকীন আল-মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
দুদকের আবেদন বলা হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও সরকারি অর্থ আত্মসাত করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। গোপন ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, নাজমুল হাসান পাপন ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে (কিশোরগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা এলাকা ছাড়াও অন্যান্য এলাকায়) এবং দেশের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ অন্যান্য দেশে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে।
আরও পড়ুন: তিন সন্তান ও স্ত্রীসহ হানিফের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা
সংশ্লিষ্টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগে বলা হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তারা বিদেশে পালিয়ে যাওয়া শঙ্কা রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একান্ত প্রয়োজন।
৪২৪ দিন আগে
ক্ষমতায় গেলে আপনাদের কথা মনে রাখব: সরকারি কর্মচারীদের মঈন খান
জনগণের ভোটের মাধ্যমে ফের ক্ষমতায় যেতে পারলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কথা মনে রাখবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নরসিংদী ড্রিম হলিডে পার্কে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের বনভোজন ও পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান ঠেকাতে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন: মঈন খান
মঈন খান বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে জনগণের ভোটের মাধ্যমে আমরা যদি নির্বাচিত হই, তবে অবশ্যই আপনাদেরকে পুরস্কৃত করব। আপনাদেরকে এ দেশের মানুষ ও সংবিধান অত্যন্ত গুরুদায়িত্ব দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আপনারা সে দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন।’
‘যে জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন আপনাদের ও আমাদের ওপর হয়েছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে দেশের মানুষকে হয়রানিমুক্ত সেবা দিতে হবে। সংবিধানে রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভের কথা বলা হয়েছে। চেয়ারের চারটি পা থাকে, কিন্তু রাষ্ট্রের যে ভিত্তি সেটা হচ্ছে তিনটি,’ বলেন সাবেক এই মন্ত্রী।
‘একটি হলো জাতীয় সংসদ, দ্বিতীয়টি সুপ্রিম কোর্ট এবং তৃতীয়টি হচ্ছে সচিবালয়। সচিবালয় হলো এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চ (নির্বাহী শাখা)। আর এটিই হচ্ছে রাষ্ট্র পরিচালনার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আপনারা সে হিসেবে রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অর্থাৎ এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চ।’
মঈন খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা রয়েছেন, তাদের পরিবার বর্গের অনেকেই এক কঠিন সময় পার করে এসেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছর আপনারা কিভাবে দিন কাটিয়েছেন, আমার চেয়ে বেশি কেউ জানেন না। সে সময়ও আপনারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, আমি ধৈর্য ধরতে বলেছিলাম। আপনারা ধৈর্য ধরেছেন, এ জন্যই আজকে একটি সুদিনের স্বপ্ন আপনারা দেখতে পারছেন।’
‘কোনো অন্যায় চিরকাল টিকে থাকতে পারে না। অন্যায় ও স্বৈরশাসক বাংলাদেশ থেকে দূর হয়েছে। এ দেশে হয়তো রাজনীতিকরা সরকার ও মন্ত্রিসভা গঠন করবে, সে সময়ে আমি আপনাদের কথা মনে রাখবো,’ বলেন মঈন খান।
আরও পড়ুন: নির্বাচনি সংস্কার নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করলেন মঈন খান
তিনি বলেন, ‘মানুষকে আপনারা সেবা দিয়ে থাকেন, রাজধানী থেকে শুরু করে অজপাড়াগাঁ পর্যন্ত আপনাদের সেবার পরিধি। সে কারণেই একটি দেশ পরিচালনায় আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই আপনারা দেশের জনগনের কথা মাথায় রেখে হয়রানিমুক্ত সেবা করবেন। দেশের মানুষও আপনাদের সেবা করবে। দেশের মানুষ আপনাদেরকে মাথায় তুলে রাখবে।’
বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, ড্রিম হলিডে পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রবীর কুমার সাহা। অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় বাস ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা সারোয়ার মৃধা, বাবুল সরকার, আব্দুর রশিদ, ভিপি মনির ও শাহানশাহ শানু।
৪৬০ দিন আগে
আরও তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো সাবেক মন্ত্রী ইমরানকে
সাবেক প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদকে সিলেটের আরও তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এ নির্দেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আলী হায়দার ফারুক বলেন, গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী একটি হত্যা মামলার ৭ নম্বর আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এছাড়া গোয়াইনঘাটের আরও দুটি মামলায় আজ আদালতে সাবেক এই মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে একটি ট্রিপল হত্যা মামলা ছিল।
আরও পড়ুন: বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা
আদালত সূত্র জানায়, সিলেট মহানগরের কিনব্রিজ এলাকায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা করা হয়। এতে পঙ্কজ নামের এক ছাত্র নিহত হন। ৫ আগস্টের পর এ ঘটনায় করা মামলায় ৭ নম্বর আসামি করা হয় সাবেক প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদকে। আজ (বুধবার) সকালে তাকে আদালতে তুলে সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। পাশাপাশি আদালতে তার পক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন, তবে বিচারক সেটি নামঞ্জুর করেন।
সিলেট-৪ আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য হয়েছেন ইমরান আহমদ। ২০১৮ সালে তিনি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরের বছর তাকে এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করেন শেখ হাসিনা।
গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর গঠিত সরকারেও প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী হয়েছিলেন ইমরান আহমদ।
৪৬৩ দিন আগে
বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা
বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ ও তার ছেলে রাকিবুজ্জামান আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কুড়িগ্রাম দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ও (৩) ধারা এবং দণ্ডবিধি ১০৯ ধারায় এ মামলা করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম দুদকের উপসহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, সাবেক মন্ত্রীকে ২ নম্বর আসামি এবং ছেলেকে ১ নম্বর আসামি করা হয়।
তিনি বলেন, ছেলের বিরুদ্ধে ২ কোটি ১১ লাখ ২৪ হাজার ৪০০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১০টি ব্যাংক হিসাবে ১১ কোটি ২৬ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৪ টাকা জমা এবং ১১ কোটি ১৬ লাখ ৬৮ হাজার ৪১১ টাকা সন্দেহজনক উত্তোলনসহ সর্বমোট ২২ কোটি ৪৩ লাখ ২ হাজার ৯২৫ টাকার সঠিক বৈধ উৎস ও ব্যাখ্যা না থাকায় সন্দেহজনক লেনদেন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। একই সঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্জিত অবৈধ অর্থকে বৈধ করার উদ্দেশ্যে ছেলের নামে সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখতে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়। ঘটনাস্থল লালমনিরহাট জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা উল্লেখ করা হয়। আর ঘটনার সময়কাল নির্ধারণ করা হয় ২০১৩ সাল থেকে ২০২৪ সাল। মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন নিজে তদন্ত করবে।
আরও পড়ুন: সিদ্ধিরগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন
তিনি বলেন, সাবেক মন্ত্রীকে গত বৃহস্পতিবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের পোস্ট অফিসের গলিতে মানিক নামে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দেন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী। মন্ত্রীর নামে রংপুর ও ঢাকায় তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে। সে মামলায় তিনি জেলহাজতে আছেন।
নুরুজ্জামান আহমেদ রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ৪ আগস্ট নগরীর রাজা রামমোহন ক্লাবের সামনে গুলিতে নিহত পথচারী মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলার আসামি। ওই ঘটনায় নুরুজ্জামান আহমেদসহ ১২৮ জনের নামে গত ৩১ আগস্ট রংপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন মুন্নার বাবা কাউনিয়া উপজেলার বরুয়াহাট এলাকার আব্দুল মজিদ।
এ ছাড়াও তার নামে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ১১ সেপ্টেম্বর ও ২৪ আগস্ট করা দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। তিনটি হত্যা মামলায় তিনি এতদিন আত্মগোপন করে ছিলেন।
নুরুজ্জামান আহমেদ লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে তিনবার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একবার প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও একই দপ্তরের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
৪৬৪ দিন আগে
তিন দিনের রিমান্ডে সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী
রূপগঞ্জে স্কুলছাত্র রোমান হত্যা মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হায়দার আলীর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে গাজীকে আদালতে হাজির করা হলে উভয়পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।
আরও পড়ুন: আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে ইনু
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে রূপগঞ্জে স্কুলছাত্র রোমানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই মামলায় জেলা ডিবি পুলিশ গোলাম দস্তগীর গাজীকে আদালতের আদেশে তিন দিনের জন্য রিমান্ডে পেয়েছে।
৪৮৯ দিন আগে