মুক্তিযোদ্ধা
নড়াইলে জমির বিরোধে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে জখম
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কৃষ্ণপদ আচার্য্য (৭৩) নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের সাইদের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত কৃষ্ণপদ আচার্য্য উপজেলার ছোট কালিয়া গ্রামের মৃত সন্তোষ আচার্য্যের ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন— একই গ্রামের আশিকুর রহমান সুমন (৪০), আকিবুর রহমান মিলন (৩৭) ও মাহিদুল শেখ (৩৫)।
স্থানীয় ও স্বজনরা জানান, রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কৃষ্ণপদ আচার্য্য কালিয়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় ছোট কালিয়া গ্রামের সাইদের দোকানের সামনে পৌঁছালে সুমন, মিলন ও মাহিদুল তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তারা তাকে মাথা, হাত ও পায়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, মনসা মন্দিরের জমি ও আমার পৈতৃক জমি নিয়ে প্রতিবেশী ফজর শেখ ও ওলিয়ার রহমানের সঙ্গে মামলা চলছে। এ মামলার জের ধরে কাল বাজার থেকে ফেরার সময় আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করেছে তারা। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। আমি এই ঘটনার যথাযথ বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দোষীদের ধরতে অভিযান চলছে।
১০ দিন আগে
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করে শিগগিরই প্রকাশ করা হবে: সংসদে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
জালিয়াতির মাধ্যমে যারা মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এবং অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করে খুব শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদীনের করা সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।
মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে যারা মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এবং অবৈধ সুবিধা নিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করে খুব শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করা হবে। একইসঙ্গে বিগত সরকারের আমলে বাদ পড়া ও হয়রানির শিকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছি। আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ ধরনের অমুক্তিযোদ্ধা, যারা ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং নিজেরাও বিভিন্নভাবে অবৈধভাবে লাভবান হয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করতে কাজ করছি।
বিগত সরকারের সময়ে অনিয়মের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তাদের সনদ স্থগিত করা হয়েছিল এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। সংসদ সদস্যদের আশ্বস্ত করতে চাই, এ কাজগুলো আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে জাতির সামনে উপস্থাপন করব।
১৬ দিন আগে
মুন্সীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে জখম
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে অহিদুজ্জামান নাঈম (৭১) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক-সংলগ্ন জিস্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত অহিদুজ্জামান নাঈম উপজেলার বালুয়াকান্দি গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাক মাস্টারের ছেলে।
আহতের স্বজনদের অভিযোগ, অহিদুজ্জামান নাঈমের সঙ্গে স্থানীয় নাসিমুল ও মনির হোসেনের জমির মাপজোপ ছিল। এ সময় ক্যাডার তুহিনের নেতৃত্বে একটা দল আশপাশে মহড়া দিতে থাকে। মাপের একপর্যায়ে তিনি একা মহাসড়কের পাশে গেলে তুহিনের ভাইসহ ৮/১০ জনের একটি দল তার ওপর হামলা করে। পিটিয়ে ও কুপিয়ে তাকে আহত করেন তারা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি জানান, আহীদুজ্জামান নাঈমের সঙ্গে এলাকার কয়েকজনের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। জমি দখল নিয়ে একাধিক ব্যাক্তির নামে আদালতে মামলা চলছে। তার জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শারমীন সুলতানা বলেন, দুপরে একজন রোগী হাসপাতালে নিয়ে আসেল প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তার একটি হাত ও একটি পা ভাঙা এবং মাথার পেছনে কোপের চিহ্ন রয়েছে। রোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, খবর পাওয়ামাত্র ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৬ দিন আগে
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের খলনায়ক বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ: হাসান হাফিজ
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দলীয়করণ করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের খলনায়ক বানিয়েছিল।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
হাসান হাফিজ বলেন, আওয়ামী লীগ একাই দেশ স্বাধীন করে নাই। স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট বিক্রির মাধ্যমেই গলদটা শুরু হয়েছে। বিগত সময়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নিকৃষ্টভাবে দলীয়করণ করেছে। স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তারা খলনায়ক বানিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করেছিল।
তিনি বলেন, ‘বিরোধী মতকে কথায় কথায় স্বাধীনতাবিরোধী বলা হতো। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে তাদের সকল অবৈধ সুবিধা বাতিল করতে হবে। আওয়ামী সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে কুক্ষিগত করে পারিবারিকীকরণ করেছিল। এমনকি, তারা নামমাত্র মূল্যে গণভবন লিখে নিয়েছিল। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদানের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস প্রনয়ন করতে হবে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এ দেশে যাতে আর কখনও ফ্যাসিস্ট ফিরে আসতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মুক্তির আন্দোলন শেষ হয়নি। শোষণমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণ হওয়ার আগপর্যন্ত মুক্তির আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আমরা একটি মানচিত্র, একটি পতাকা, একটি ভূখন্ড পেলেও স্বাধীনতার সুফল এখনও পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। স্বাধীনতার অঙ্গীকার অনুযায়ী এখনো সাম্য ও মানবিক মর্যাদা সম্পন্ন রাষ্ট্র গঠন করা যায়নি। সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। যে তালিকা আছে সেই তালিকায় ৮ থেকে ১০ শতাংশ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবির মধ্যে ৯০ হাজার ৫২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি করছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে সরকারি চাকরিতে কর্মরত ৮ হাজার জনের সনদই সন্দেহজনক। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
কিরণ বলেন, মুক্তিযোদ্ধদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে এর সঠিক সংখ্যা জাতিকে জানাতে হবে। স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পেতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা কাজে লাগাতে হবে। অতীত অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনীতি পরিচালনা করতে হবে, যাতে এদেশে আর কোন স্বৈরাচার ফ্যাসিস্টের আবির্ভাব না ঘটে।
তিনি আরও বলেন, ৭১ ও ২৪ একই সুতায় গাঁথা হলেও ২৪—এর গণঅভ্যুত্থান ও ৭১—এর মুক্তিযুদ্ধকে মুখোমুখি করা ঠিক হবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দলীয়করণের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকার অপপ্রয়াস করেছিল একটি গোষ্ঠী। ২৪-এর জুলাই অভ্যুত্থানে সেই অপশক্তির পতন ঘটেছে।
স্বাধীনতার সুফল নিশ্চিত করতে আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তরুণ প্রজন্মের মাঝে স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে অনুষ্ঠিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকদের পরাজিত করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম, সাংবাদিক মাইদুর রহমান রুবেল ও সাংবাদিক মো. আল-আমিন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
১৯ দিন আগে
স্বাধীনতা দিবসে বীর প্রতীক আজিজুল হককে ‘ভুলে গেল’ জেলা প্রশাসন
লালমনিরহাটের একমাত্র জীবিত খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আজিজুল হক বীর প্রতীককে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে জেলাজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জেলা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে দেওয়া এক স্বাক্ষাৎকারে দাওয়াত না পাওয়ার কথা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
জানা গেছে, মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখায় সরকার ৪২৬ জন বীর সন্তানকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে। এর মধ্যে লালমনিরহাটের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আজিজুল হক একজন। স্বাধীনতা দিবসসহ সকল জাতীয় দিবসে সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে দাওয়াত করা হয়। এ সময় তাদের সম্মান জানানো হয় এবং তাদের হাতে উপহার তুলে দিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সরকারি কর্মকর্তারা। তাদের দেওয়া হয় উন্নতমানের খাবার।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও স্বাধীনতা দিবসে বীরমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে সম্মান জানায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। বিধিমতো, অনুষ্ঠানে অংশ নিতে কার্ড দিয়ে তাদের দাওয়াত করা হয়।
এ দাওয়াত থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আজিজুল হক বীর প্রতীক বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বাধীনতার পর প্রতি বছর সকল জাতীয় দিবসে দাওয়াত পেলেও এবার তাকে দাওয়াত করেনি জেলা বা উপজেলা প্রশাসন। প্রতি বছর জাতীয় দিবসের জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বিচারকের দায়িত্বসহ নানান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন ক্যাপ্টেন আজিজুল হক। এ বছর তাকে দাওয়াত না দেওয়ায় জেলাজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক গেরিলা নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম শফিকুল ইসলাম কানুকেও জেলা প্রশাসন দাওয়াত করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে আজিজুল হক বীর প্রতীক বলেন, ‘স্বাধীনতার পর এই প্রথম সরকার আমাকে দাওয়াত করেনি। তবে কেন করেনি তা আমি জানি না। প্রতি বছর জাতীয় দিবসে সরকারি কর্মসূচিতে যাই, এবার না যাওয়ায় বিভিন্ন জনের নানা প্রশ্নের জবাব দিতে হচ্ছে। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) একজন রাজাকার, তাই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তিনি সম্মান জানাতে চান না।’
লালমনিরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক এসএম শফিকুল ইসলাম কানু বলেন, ‘জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডকেও দাওয়াত করেনি জেলা প্রশাসন। জেলায় একমাত্র জীবিত খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাকে দাওয়াত না করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খেতাবপ্রাপ্তকে সম্মান না জানানো অপরাধ। এজন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তলব করা উচিৎ।’
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার বলেন, আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের মাধ্যমে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাওয়াত করেছি। বীর প্রতীককে দাওয়াত না করার বিষয়টি তারাই ভালো বলতে পারবেন। আমরা তাদের যথেষ্ট পরিমাণ কার্ড দিয়েছি।
মুক্তিযোদ্ধারা আপনাকে রাজাকার বলেছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন কত জনে কত কিছু বলবেন।’
২১ দিন আগে
শেবাচিমে চিকিৎসকের অবহেলায় বীর প্রতীকের মৃত্যুর অভিযোগ
বরিশাল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট রত্তন আলী শরিফ বীর প্রতীকের (৮২) মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে হাসপাতালের পঞ্চম তলার ৫০০৩ নম্বর কক্ষে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগ থেকে কয়েকবার কর্তব্যরত চিকিৎসককে ডাকতে গেলেও চিকিৎসকরা কেবিনে গিয়ে চিকিৎসা দিতে রাজি হননি বলে অভিযোগ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের।
শনিবার বিকেলে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। রত্তন আলী বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন।
তার মেয়ে তানজিলা আক্তার ইমু বলেন, গত কয়েক দিন ধরে আমার বাবার ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শনিবার বিকেলে বাবাকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করি। ভর্তির পর কেবিনে এসে একজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে যান। পরের দিন, অর্থাৎ গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একজন চিকিৎসক দেখে যান। এরপর গতকাল দুপুরে আমার বাবার অক্সিজেন লেভেল কমে যায়। ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ায় তিনি অচেতন হয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে আমি কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ডাকতে গেলে চিকিৎসক কেবিনে না এসে বাবাকে ওয়ার্ডে, নয়তো প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যেতে বলেন।
তিনি বলেন, তারপর বাবার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। তখনও চিকিৎসককে ডাকতে গেলে সেবারও তিনি আসতে অনীহা প্রকাশ করেন। আমার বোন এক জ্যেষ্ঠ সচিবকে ফোনে ধরিয়ে দিলে তারপর কেবিনে আসেন চিকিৎসক। ততক্ষণে আমার বাবা মারা গেছেন।
রত্তন আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা দেশের জন্য যুদ্ধ করেও বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন। সরকারের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এদিকে, এ ঘটনার পরপরই শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মাহাবুবুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, এ রোগীকে আমার তত্ত্বাবধানে কেবিনে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা অবহেলার বিষয়টি আমি নিশ্চিত নই। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত করে বলা যাবে।
১০৮ দিন আগে
৭১ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল
৭১ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করেছে সরকার। সনদ বাতিল করে গত ২৪ ডিসেম্বর গেজেট জারি করা হয়েছে। এর আগে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২-এর ৬ (গ) ধারা এবং রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর শিডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ১০১তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এদের গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
এদের মধ্যে বেসামরিক, ভারতীয় তালিকা, লালমুক্তিবার্তা, আনসার বাহিনী, সেনাবাহিনী, শহিদ পুলিশ বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা রয়েছেন।
১০৯ দিন আগে
রংপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে ‘গলাকেটে হত্যা’
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় এক মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃদ্ধ এই দম্পতিকে কেন এমন নৃশংসভাবে খুন করা হলো, তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের খিয়ারপাড়া গ্রামে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মুক্তিযোদ্ধা হলেন যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তার স্ত্রী সুবর্ণা রায় (৬০)। যোগেশ চন্দ্র রায় ওই এলাকার রহিমাপুর নয়াহাট মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যোগেশ দম্পতির দুই ছেলে, তারা বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত। ফলে বাড়িতে একাই থাকতেন ওই দম্পতি। প্রতিদিনের মতো গতরাতেও তারা ঘুমাতে যান। এরপর আজ (রবিবার) সকালে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও তাদের কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশী দীপক নামের এক ব্যক্তি বাড়ির গেটের সামনে মই লাগিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি সুবর্ণা রায়কে রান্নাঘরে এবং যোগেশ চন্দ্র রায়কে খাবার ঘরে গলা কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান।
ঘটনাটি এলাকায় শোক ও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবু সাইয়ুম তালুকদার বলেন, ঘটনাস্থলে ক্রাইম সিনের সদস্যরা রয়েছেন। পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে নেমেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।
১৩০ দিন আগে
মুক্তিযোদ্ধাকে হেনস্তার ঘটনায় কুমিল্লায় আটক ৫
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানুকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তারা আটক হন।
তবে এখন পর্যন্ত আব্দুল হাই কানু মিয়ার পক্ষ থেকে কোন মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানিয়েছেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আরাফাতুল ইসলাম।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরবর্তী সময়ে এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আরাফাতুল ইসলাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি এ টি এম আক্তারুজ্জামান।
আরও পড়ুন: চৌদ্দগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্চনার নিন্দা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রহমত উল্লাহ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মিডিয়াতে ঘটনাটি দেখছি; এটি অনাকাঙ্ক্ষিত। আমি চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলেছি।’
এদিকে ঘটনার দিন বিকালে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাড়ি ছেড়ে ফেনীতে চলে যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই কানু। ফেনী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে সেখানেই ছেলের বাসায় রয়েছেন তিনি।
পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে চৌদ্দগ্রামের নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন তিনি।
৪৭৮ দিন আগে
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেছেন, ‘সরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কতজনের চাকরি হয়েছে, এর একটি তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে।’
একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ না করে যারা মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন, ‘বিগত আন্দোলনে প্রধান বক্তব্য ছিল মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা। তাই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কতজনের চাকরি হয়েছে তার একটি তালিকা প্রস্তুত হওয়ার পর পুরো বিষয়টি নিয়ে আমরা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।’
রবিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: পররাষ্ট্র সচিবের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন খুরশেদ আলম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উপদেষ্টা বলেন, ‘যাদের মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি হয়েছে তারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কি না, ন্যায্যভাবে হয়েছে কি না- বিষয়টি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব। এ বিষয়ে কাজ হচ্ছে। সেখানে বহুবিধ মামলা রয়েছে। সেখানে ৩ হাজার ৭০০- এর মতো মামলা পেন্ডিং আছে, রিট করা আছে- সেই মামলাগুলো অ্যাড্রেস করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ হওয়ার মাঝখানে একটা প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় রয়েছে, সেটা হচ্ছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকা। কারা মুক্তিযোদ্ধা হবে না হবে- সেটা জামুকা নির্ধারণ করে দিত। মন্ত্রণালয় শুধু তাদের নির্ধারিত হওয়া বিষয়টি বাস্তবায়নে যেত। এটার আইনগত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া বহু জায়গা থেকে অভিযোগ আসছে। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞার ক্ষেত্রেও আপত্তি আছে। এসব বিষয়ে আমরা যখন একটা পর্যায়ে যাব তখন আপনাদের ডেকে জাতিকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’
মুক্তিযোদ্ধা রিভিউ হবে কি না- এ বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, ‘অবশ্যই হবে, যেন মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সম্মানটা ফিরে পায়। মুক্তিযুদ্ধ তো আমাদের জাতীয় জীবনে অনন্য ঘটনা। আমরা হাসি-মশকরা বা অবহেলা দিয়ে নষ্ট করতে পারি না। এরকম গৌরবোজ্জ্বল ও ত্যাগের বীরত্বের মহিমা জাতির কাছে তো আর আসেনি। যারা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা তারা ওটাই ফিরে পেতে চান। এটাই তাদের ফিরে পাওয়ার আকুতি।’
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করতে পারলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেন নেব না। এটা তো জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এটা তো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যারা সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা তারা এ বিষয়টি নিয়ে অপমানিত বোধ করছেন।’
আরও পড়ুন: অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেবেন: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জনকেন্দ্রিক হোক: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ
৫৭৮ দিন আগে